শক্তিশালী পর্তুগালের মুখোমুখি কঙ্গো ডিআর । পর্তুগাল তাদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করছে কঙ্গো ডিআর এর বিপক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রুপ ম্যাচ দিয়ে। ম্যাচটি বুধবার (১৭ জুন) রাত ১১টায় যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এই ম্যাচ দিয়েই প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ফুটবলে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল।
রবার্তো মার্টিনেজের পর্তুগাল দল কাগজে-কলমে স্পষ্টভাবেই এগিয়ে। অভিজ্ঞতা, স্কোয়াড ডেপথ এবং বড় ম্যাচ খেলার ধারাবাহিকতা তাদের এই ম্যাচের স্বাভাবিক ফেভারিট বানিয়েছে। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে শুরুটা ভালো করা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ গ্রুপ পর্বে প্রতিটি পয়েন্টই নকআউটের পথ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে।
পর্তুগালের আক্রমণভাগে নেতৃত্ব দেবেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তার সঙ্গে আছেন তরুণ ও গতিময় আক্রমণাত্মক খেলোয়াড়রা, যারা ম্যাচের গতি বদলে দিতে সক্ষম। মাঝমাঠে বল নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণ গড়ে তোলার দায়িত্ব থাকবে অভিজ্ঞ ও তরুণদের মিশ্রণে গড়া ইউনিটের ওপর। রক্ষণভাগও সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে বেশ সংগঠিত ফুটবল খেলেছে, যদিও বড় টুর্নামেন্টে ধারাবাহিকতা ধরে রাখা তাদের জন্য মূল চ্যালেঞ্জ।
অন্যদিকে কঙ্গো ডিআর এই ম্যাচে নামছে বড় মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার লক্ষ্য নিয়ে। দীর্ঘ সময় পর বিশ্বকাপে ফেরা এই দলটি সাম্প্রতিক সময়ে আফ্রিকান প্রতিযোগিতা ও বাছাইপর্বে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও লড়াকু ফুটবল খেলেছে। তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো দলগত কমপ্যাক্টনেস এবং দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক।
কঙ্গো ডিআর জানে, পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে বলের দখল ধরে রাখা কঠিন হবে। তাই তারা মূলত রক্ষণাত্মক শৃঙ্খলা এবং সুযোগ পেলে দ্রুত আক্রমণের কৌশলেই ভরসা রাখবে। সেট পিস থেকেও তারা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।
গ্রুপের বাকি দলগুলোর পারফরম্যান্সের কারণে এই ম্যাচ দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। পর্তুগাল জয় দিয়ে শুরু করে গ্রুপে নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইবে, আর কঙ্গো ডিআর অন্তত একটি পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়ে বড় চমকের ইঙ্গিত দিতে চায়। অভিজ্ঞতা ও শক্তির দিক থেকে পর্তুগাল এগিয়ে থাকলেও বিশ্বকাপের চাপ ও অপ্রত্যাশিত ফলের সম্ভাবনা ম্যাচটিকে আলাদা মাত্রা দিচ্ছে।
