বিপিএল থেকে বিদায়ের পর ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ফাহিমের । দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হেরে স্বপ্ন ভেস্তেছে সিলেট টাইটান্সের। ১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় সিলেট তুলতে পেরেছে ১৫৩ রান।বিপিএল থেকে বিদায়ের পরেই সিলেটের এক ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ে জড়ানোর অভিযোগ তুললেন ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সাবেক উপদেষ্টা ফাহিম আল চৌধুরী। রাজশাহীর বিপক্ষে হারের পর ম্যাচ শেষে কাঁদতে কাঁদতে সিলেট টাইটান্সের উপদেষ্টার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ফাহিম।
পরে ফেসবুক লাইভে তিনি সন্দেহজনক পারফরম্যান্সের অভিযোগ তোলেন। তার কাছে প্রমাণ আছে দাবি করে এই ঘটনার শেষ দেখে ছাড়বেন বলেও মন্তব্য করেছেন সিলেটের এই ব্যবসায়ী।
ফেসবুক লাইভে এসে ফাহিম চৌধুরী বলেন,
‘আপনাদের জন্য একটা শকিং নিউজ নিয়ে এসেছি। আমি কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানাচ্ছি। আজকের ম্যাচটি আমাদের কাছে ভীষণভাবে কলুষিত হয়েছে। আমার কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণাদি এসেছে যে, ম্যাচের ভেতরে থাকা একজন ব্যক্তি নিজেকে বিক্রি করেছে। সে আমাদের সঙ্গে মিথ্যা বলেছে। সিলেটের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা এবং প্রতারণা করেছে। সবচেয়ে বড় কথা হলো সিলেটের মানুষের আবেগের সাথে সে নিষ্ঠুরভাবে বেইমানি করেছে।
এই ঘটনায় তদন্তের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন,
‘এর কোনো দরকারই ছিল না। চাইলেই আমাকে বলতে পারত, তার কত টাকা প্রয়োজন তা দেওয়া হয়ে যেত। এই ঘটনা আমাকে ভেঙে দিয়েছে। এই ঘটনা আমি এখানেই থামতে দিব না। বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা হবে এবং দায়ীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজকের হার ছিল বেইমানের সঙ্গে হার। এই হার হার ছিল না। এটা পুরোটাই কম্প্রোমাইজ। ফিক্সিং ছিল। বেইমানি করা হয়েছে সিলেটের সঙ্গে। তবে মানুষটা ভুল জায়গায় হাত দিয়ে দিয়েছে। সিলেটের আবেগের জায়গায় হাত দিয়ে দিয়েছে।
‘এই বিপিএল-টিপিএল সবকিছুই যে একটা বেইমানি, একটা জুয়ার ব্যবসা, এটা আমি আগে থেকে জানতাম ’, আরও যোগ করেন ফাহিম চৌধুরী। যদিও অভিযুক্ত ক্রিকেটারের পরিচয় নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানাননি সিলেট টাইটান্সের সদ্য সাবেক এই উপদেষ্টা। তবে দলে থাকা কোনো একজনের দিকে আঙুল তার। চলমান বিপিএলে এর আগেও ফাহিম চৌধুরী একাধিকবার বেঁফাস মন্তব্যের জন্য আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছিলেন। এবার তুললেন বিস্ফোরক অভিযোগ।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩




















