বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে স্পেনের শিরোপা উদ্যাপনের মুহূর্তে দুই দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের মধ্যে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।
ফিফা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ফাইনালের ম্যাচ রিপোর্ট পর্যালোচনার পর ফিফা ডিসিপ্লিনারি কোডের ৩৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ম্যাচ-পরবর্তী ঘটনাগুলোতে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একজন তদন্তকারী নিয়োগ করা হয়েছে। তদন্তকারীর প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
ফাইনাল শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। একপর্যায়ে পারেদেস গার্সিয়াকে ঘুষি মারলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
সতীর্থকে রক্ষা করতে দ্রুত এগিয়ে আসেন স্পেনের খেলোয়াড়েরা। পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন গাভি। তবে উত্তেজনা কমার বদলে আরও বাড়ে। আর্জেন্টিনার থিয়াগো আলমাদা গাভিকে ধাক্কা দিলে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। এ সময় পারেদেস গাভির মুখেও আঘাত করেন। আঘাতে গাভি মাটিতে পড়ে গেলেও পরে উঠে দাঁড়ান।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, স্পেন অধিনায়ক রদ্রির সঙ্গেও পারেদেস ও নাহুয়েল মোলিনার বাগ্বিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কি হয়। একই সঙ্গে আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালাকে স্পেনের দানি ওলমোকে আঘাত করতে দেখা যায়।
পরিস্থিতি আরও অবনতির আগে আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি এবং দুই দলের কয়েকজন খেলোয়াড় দ্রুত হস্তক্ষেপ করে সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করেন। এখন ফিফার তদন্তের ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে আছে ফুটবল বিশ্ব। তদন্ত শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


