২০২৬ সাফের আয়োজক বাংলাদেশ, ঘরের মাঠে হামজাদের নতুন স্বপ্ন

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম আসরের আয়োজক হচ্ছে বাংলাদেশ। সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ) মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে। আগামী ৪ নভেম্বর পর্দা উঠবে টুর্নামেন্টের, আর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৭ নভেম্বর। প্রতিযোগিতার সব ম্যাচই হবে ঢাকায়।

মূলত ২০২৫ সালে দুই বছর বিরতির পর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। তবে সাংগঠনিক ও সূচিগত নানা জটিলতায় নির্ধারিত সময়ে আসরটি আয়োজন সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ অপেক্ষার পর সেই অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশের হাতেই দায়িত্ব তুলে দিয়েছে সাফ।

টুর্নামেন্ট ঘিরে প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গেছে। আগামী ২৫ জুলাই ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হবে প্রতিযোগিতার লোগো। এরপর ১ আগস্ট ভুটানের থিম্পুতে অনুষ্ঠিত হবে দলগুলোর গ্রুপ নির্ধারণের ড্র।

বাংলাদেশের ফুটবল সমর্থকদের জন্য এবারের আসরে রয়েছে বাড়তি আকর্ষণ। দেশের মাঠে প্রথমবারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলবেন হামজা চৌধুরী, শোমিত সোম ও ফাহামিদুল ইসলাম। জাতীয় দলের নতুন প্রজন্মের এই ফুটবলারদের ঘিরে সমর্থকদের প্রত্যাশাও অনেক।

এর আগে ২০০৩, ২০০৯ ও ২০১৮ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ। ২০০৩ সালের সেই আসরেই প্রথম এবং এখন পর্যন্ত একমাত্রবারের মতো শিরোপা জিতেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। দুই দশকের বেশি সময় পর আবারও ঘরের মাঠে ইতিহাস গড়ার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ।

সবশেষ ২০২৩ সালে ভারতের বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সেমিফাইনাল পর্যন্ত উঠেছিল বাংলাদেশ। এবার নিজেদের দর্শকদের সামনে আরও ভালো করার লক্ষ্য থাকবে দলের।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল ভারত। এখন পর্যন্ত ৯ বার শিরোপা জিতেছে তারা। ভারতের বাইরে সবচেয়ে বেশি দুইবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মালদ্বীপ (২০০৮ ও ২০১৮)। এছাড়া বাংলাদেশ (২০০৩), আফগানিস্তান (২০১৩) ও শ্রীলঙ্কা (১৯৯৫) একবার করে ট্রফি জিতেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_imgspot_img
spot_img

Hot Topics

Related Articles