ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে এসে গোল করে ঘানাকে উল্লাসে ভাসালেন মিডফিল্ডার ক্যালেব ইয়ারেনকি। পানামার রক্ষণভাগের বাধা পেরিয়ে বল জালে জড়িয়ে দলকে ঐতিহাসিক এক লিড এনে দিলেন তিনি। পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে এখন ঘানার সমর্থকদের জয়ধ্বনি!
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই নাটকীয় জয় তুলে নিয়েছে ঘানা। টরন্টো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘এল’ গ্রুপের শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে পানামাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে আফ্রিকান ব্ল্যাক স্টাররা। ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর, যোগ করা সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করে দলকে পূর্ণ পয়েন্ট এনে দেন ক্যালেব ইয়ারেনকি।
মাঠের লড়াইয়ে প্রথমার্ধ থেকেই দুই দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে মেতে ওঠে। খেলার শুরুতে পানামা বেশ কয়েকটি নিশ্চিত সুযোগ তৈরি করলেও ঘানার রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় জালের দেখা পায়নি। অন্যদিকে ঘানাও মাঝমাঠের দখল নিয়ে ব্যবধান গড়ার চেষ্টা চালায়। প্রথমার্ধে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ০-০ ব্যবধানে বিরতিতে যায় তারা।
দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের ডেডলক ভাঙতে মরিয়া হয়ে ওঠে দুই দল। আক্রমণভাগের ধার বাড়াতে উভয় দলের কোচই বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিট পর্যন্ত দুই দলের রক্ষণভাগই ছিল নিটোল। ফলে ম্যাচটি যখন নিশ্চিত ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই দৃশ্যপটে আসেন ঘানার মিডফিল্ডার ক্যালেব ইয়ারেনকি।
নির্ধারিত সময় শেষে রেফারি ৬ মিনিট ইনজুরি টাইম ঘোষণা করেন। ম্যাচের যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে (৯৫ মিনিট) পানামার ডি-বক্সের ভেতর তৈরি হওয়া এক সুযোগ দারুণভাবে কাজে লাগান ইয়ারেনকি। তার করা নিখুঁত শটটি পানামার জাল স্পর্শ করলে উল্লাসে ফেটে পড়ে ঘানার ডাগআউট।
এই গোলের পরপরই রেফারি শেষের বাঁশি বাজালে ১-০ গোলের স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ঘানা। শেষ মুহূর্তের এই জয়ে পুরো তিন পয়েন্ট তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের পরের রাউন্ডে যাওয়ার দৌড়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে চলে গেল আফ্রিকান পরাশক্তিরা।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩











