সেলসো ও লাউতারোর গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা। আগেই নক আউট পর্ব নিশ্চিত হওয়ায় জর্ডানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি অতিরিক্ত খেলোয়াড়দের পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। অধিনায়ক লিওনেল মেসিসহ নামী খেলোয়াড়দের সাইড বেঞ্চে রেখেছিলেন। প্রথমার্ধ শেষে শিষ্যরা কোচকে হতাশ করেনি। আধিপত্য বজায় রেখে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধের খেলা শেষ করেছে আর্জেন্টিনা।
জিওভানি লো সেলসো ও লাউতারো মার্টিনেজ করেছেন গোল দুটি। উভয় গোল স্পট কিক থেকে পাওয়া। লো সেলসো তার গোলটি করেন দারুণ এক ফ্রি কিক থেকে। আর লাউতারো গোলটি করেন পেনাল্টি থেকে। আলভারেজকে ফাউলের সুবাদে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করে স্কোরশিটে নাম লেখান লাউতারে। এবারের বিশ্বকাপে লো সেলসো ও লাউতারো- উভয়েরই প্রথম গোল।
আগের দুই ম্যাচে লিওনেল মেসি শুরুর একাদশে ছিলেন। শুধু নেতৃত্বের আর্মব্যান্ড তার হাতে ছিল তা নয়, খেলায়ও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। গ্রুপ পর্বের দুই ম্যাচে আর কাউকে গোল করার সুযোগ দেননি তিনি। পাঁচ গোলের সবকটিই তিনি করেছিলেন। প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। আর পরের ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে করেন জোড়া গোল। দুই ম্যাচে আর্জেন্টিনার সব গুলো গোলই এসেছিল তার পা থেকে। দুই ম্যাচে পাঁচ গোল করে একাধিক রেকর্ডও গড়েছিলেন।
সেলসোর ফ্রি কিক
লো সেলসো ফ্রি কিক থেকে যে গোলটি করেন তা ছিল অসাধারণ। আবু তাহার নিয়ম বহির্ভূত চ্যালেঞ্জের কারণে বক্সের বেশ বাইরে ফ্রি কিকের সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা। প্রায় ২০ গজ দূর থেকে নেওয়া এ ফ্রি কিক থেকে যেভাবে লো সেলসো গোল করেন তার জন্য গর্বের হাসি হাসেন মাঠের বাইরে থাকা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। হয়তো ভাবতে থাকেন আমি এখন নির্ভার। দায়িত্ব নেওয়ার জন সতীর্থরা প্রস্তুত।
হতবাক জর্ডানের গোলরক্ষক
লো সেলসোর ফ্রি কিকে হতবাক হন জর্ডানের গোলরক্ষক। তার ধারণা ছিল কাছের পোস্ট থেকে বল জালে ফেলার চেষ্টা করবেন সেলসো। কিন্তু মানব দেয়াল ফাঁকি দিয়ে দূর পোস্টের দিকে বল পাঠান সেলসো। বাতাসে বাঁক নিয়ে বল আছড়ে পড়ে জালে। মেসির মুখে দেখা যায় গর্বের হাসি।
এর আগে অবশ্য একবার বল জালে ফেলেছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু অফসাইডের কারণে বা বাতিল হয়। ৩১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন লাউতারো মার্টিনেজ। বল হেড করার সময় আলভারেজের মুখে লাথি মারায় এই পেনাল্টি পেয়েছিল আর্জেন্টিনা।
