অবশেষে রোদের দেখা মিলেছে জাপানের নিশিনে। দেশটিতে পৌঁছানোর পর থেকেই বৃষ্টির কারণে ভোগান্তিতে ছিল বাংলাদেশ দল। বৃষ্টির কারণে ম্যাচ না খেলেই সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলেও ফাইনালে উঠতে হলে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনাল খেলতেই হবে বাংলাদেশকে। র্যাংকিংয়ে পাকিস্তান বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে থাকায় সেমিফাইনাল না খেলে ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ নেই।
সেমিফাইনালের আগে অবশ্য স্বস্তির খবর পেয়েছে বাংলাদেশ। ‘সূর্যোদয়ের দেশ’ জাপানে অবশেষে দেখা মিলেছে সূর্যের। ঝলমলে রোদে অনুশীলনও করেছে টাইগাররা। ফলে আগামী ১ অক্টোবর পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনাল ম্যাচটি নির্ধারিত সময়েই হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তাতে স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি ফিরেছে ক্রিকেটারদের মধ্যে।
অনুশীলন শেষে ইয়াসির আলী চৌধুরী রাব্বি বলেন, ‘হ্যাঁ, আলহামদুলিল্লাহ। জাপানে আসার পর এই প্রথম রোদ দেখলাম। ভালো লাগছে। আজ একটু ভালোভাবে আমরা মাঠে নামতে পেরেছি। ইনশাআল্লাহ কালও রোদ থাকবে মাঠে। আশা করি খেলার জন্য ভালো ওয়েদার পাব।’
গত কয়েক দিন বৃষ্টির কারণে মাঠে অনুশীলনের সুযোগ হয়নি বাংলাদেশের। তবে এতে প্রস্তুতিতে খুব একটা ঘাটতি হয়নি বলে মনে করেন ইয়াসির। তিনি বলেন, ‘প্র্যাকটিস হয়নি, তবে আমরা মানসিকভাবে নিজেদের প্রস্তুত রেখেছি, যতটা মাঠে রাখা যায়। ফুল টিমের জিম সেশন ছিল। মাঠে এসে ফুটবল খেলেছি। যতটা পেরেছি নিজেদের প্রস্তুত রাখছি মানসিকভাবে।’
এদিকে চোটের কারণে দল ছেড়ে দেশে ফিরতে হচ্ছে নাজমুল হোসেন শান্তকে। দলের গুরুত্বপূর্ণ এই ব্যাটারের বিদায়কে দুর্ভাগ্যজনক বললেও এখন সামনে তাকানোর কথা জানিয়েছেন ইয়াসির।
শান্তকে নিয়ে তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক বিষয়, শান্ত অসুস্থতার কারণে চলে যাচ্ছে। যেটা হয়ে গেছে, হয়ে গেছে। এখন সামনে কী আসবে, সেদিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। ব্যাটিং অর্ডার যা আছে, তা নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের উইকেট নিয়েও সন্তুষ্ট ইয়াসির। তিনি বলেন, ‘উইকেট দেখেছি। ভালো উইকেট মনে হয়েছে। ইনশাআল্লাহ ভালো উইকেটেই খেলব।’


