লিটন-মিরাজের শতরানের জুটিতে ৪৪৩ রানের লিড বাংলাদেশের । অস্ট্রেলিয়া সফরে দুঃসময় কাটিয়ে ব্যাট হাতে ছন্দে ফিরেছেন লিটন দাস। আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে টানা দ্বিতীয় ইনিংসে তুলে নিয়েছেন ফিফটি। এবার সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরির পথে এগোচ্ছেন বাংলাদেশের এই ডানহাতি ব্যাটার। অন্য প্রান্তে তাঁকে দারুণ সঙ্গ দিচ্ছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজনের অবিচ্ছিন্ন শতরানের জুটিতে বড় লিড নিয়ে চতুর্থ দিনের প্রথম সেশন শেষ করেছে বাংলাদেশ।
সোমবার চতুর্থ দিনের খেলা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের ৬ উইকেটে ২২৩ রান নিয়ে। আগের দিন বিকেলে মাত্র ১১ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দল। ৫ রানে অপরাজিত থাকা লিটনের সঙ্গে দিনের খেলা শুরু করেন মিরাজ। তখনও রানের খাতা খোলেননি এই অলরাউন্ডার।
তবে দিনের শুরু থেকেই দুই ব্যাটারের দৃঢ়তায় ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। তাঁদের জুটিতে দ্বিতীয় ইনিংসে তিনশ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যায় দল, লিডও ছাড়িয়ে যায় চারশ। প্রথম সেশনে যোগ হয় ১১৪ রান।
লিটন একাধিকবার জীবন পেয়ে কাজে লাগিয়েছেন সুযোগ। ১৪ ও ২৬ রানে দুবার আউট হওয়ার হাত থেকে বেঁচে যান তিনি। দুইবারই আফগান বোলার কায়েস আহমেদের বলে সুযোগ তৈরি হয়েছিল। প্রথমবার স্লিপে কামাল ক্যাচ ফেলেন। পরে লিটনের ক্যাচ নিতে গিয়ে ব্যর্থ হন কায়েস নিজেই।
এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাননি লিটন। ৬১ বলে তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ২২তম অর্ধশতক, যা এই ম্যাচে তাঁর টানা দ্বিতীয় ফিফটি। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে রান বাড়াতে থাকেন তিনি। এদিন দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮ রান করার সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯ হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেন বাংলাদেশের এই ব্যাটার।
অন্যদিকে শুরুতে ধীরগতিতে খেললেও ক্রিজে থিতু হয়ে রান বাড়াতে থাকেন মিরাজ। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ১৫৭ বলে আসে ১১৪ রান। লাঞ্চে যাওয়ার সময় লিটন ৮১ এবং মিরাজ ৩৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৬ উইকেটে ৩৩৭ রান। আফগানিস্তানের বিপক্ষে লিড বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪৩ রানে।
এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করেছিল ৩৪৬ রান। জবাবে হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে আফগানিস্তান প্রথম ইনিংসে অলআউট হয় ২৪০ রানে। এখন দ্বিতীয় ইনিংসে বড় লিড নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখার পথে বাংলাদেশ।




