শুরু হয়েছে বিশ্বকাপের সেই বহুল কাঙ্খিত লড়াই আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া ম্যাচ। আর একটু পরিস্কার করে বললে শুরু হয়েছে লিওনেল মেসির শেষ বিশ্বকাপ। আলজেরিয়ার বিপক্ষে কানসাস সিটিতে শুরু হওয়া ম্যাচে বারবার ফিরে আসছিল ২০২২ সালে মেসিদের উদ্বোধনী ম্যাচের স্মৃতি। মেসিরা কি আবার কাতার বিশ্বকাপের মতো অঘটনের শিকার হবে কিনা।
কাতার বিশ্বকাপে মেসিদের বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। সে ম্যাচটি আর্জেন্টিনার ভক্তরা হয়তো আর স্মরণ করতে চাইবেন না। একের পর এক আক্রমণ, একের পর এক বল সৌদি আরবের জালে পাঠানো। কিন্তু ম্যাচের শেষ হাসি হেসেছিল সৌদি আরব। একের পর এক গোল বাতিল হয়েছিল মেসিদের। এবারও তেমন শুরু হয়েছিল। প্রথমেই গোল পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। গোল করেছিলেন মেসি। কিন্তু গোলটি শেষ পর্যন্ত অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। গোল পেয়েছিল আলজেরিয়াও। তাদের গোলও অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।
অবশেষে মেসির গোল
অবশেষে আসে সেই কাঙ্খিত সময়। লিওনেল মেসি। মেসির গোল। মাঝবৃত্তের মাঝ থেকে রদ্রিগো ডি পল বল বাড়িয়েছিলেন আলজেরিয়ার বক্সের সামনে থাকা মেসিকে। ফাঁকায় ছিলেন মেসি। পাহারা দেওয়ার জন্য কাছাকাছি কেউ ছিলেন না। বল নিয়ে সরাসরি পোস্টের দিকে দৌড় দেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। বিপদ সীমানার বাইরে থেকে তার সেই বাম পায়ের ট্রেডমার্ক শট। আলজেরিয়ার এক খেলোয়াড় পা বাড়িয়েছিলেন। তাকে ফাঁকি দিয়ে বল বাতাসে ভেসে এগিয়ে যায় গোলপোস্টের দিকে। গোলরক্ষক বিপদ বুঝতে পেরে ঝাঁপিয়েছিলেন। কিন্তু শট তো মেসির। মাপা শট। বল তার হাতে ঠিকই স্পর্শ দিয়েছে, বাড়িয়েছে আফসোস। তবে সব চেষ্টা ব্যর্থ করে বল জালে আশ্রয় নেয়। এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। মেসির করা এই গোলের সুবাদে ১-০তে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিন।
বেড়েছে মেসির গোল সংখ্যা
এ গোলের সুবাদে বিশ্বকাপে মেসির গোলসংখ্যা বেড়েছে। ১৪ গোল তার। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার মালিক হতে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন মেসি। ২৭ ম্যাচে এখন তার গোল ১৪। সমান গোল জার্মানির জার্ড মুলারের। মেসির আগেই মুলারের সঙ্গী হয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১৪ করেছেন এমবাপ্পে। দুইজনের সামনে এখন শুধু ব্রাজিলের সাবেক তারকা রোনালডো এবং জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লসে। ক্লসের গোল সংখ্যা ১৬, রোনালডোর গোল সংখ্যা ১৫।
