আবারও বাংলাদেশে আসছেন মেসি!

আবারও বাংলাদেশে আসছেন মেসি!

২০১১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার ততকালীন রূপসী বাংলা হোটেলে (বর্তমানে ইন্টার কন্টিনেন্টাল) পৌঁছান আর্জেন্টিনার ফুটবল দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি। গেটি ইমেজেস

মেসিকে আনতে আশাবাদী আর্জেন্টিনা প্রতিনিধি দল

আবারও বাংলাদেশে আসছেন মেসি! বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা এবং বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে আবারও বাংলাদেশের মাটিতে আবার নিয়ে আসার ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা থেকে আসা একটি উচ্চ পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দল। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরকালে এক বিশেষ পডকাস্টে অংশ নিয়ে তারা এই এক্সক্লুসিভ তথ্য এবং তাদের বাংলাদেশে কাটানো রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নেন।

২৪ জুন ২০২৬; বাংলাদেশের ঢাকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এক জমকালো কেক কাটা অনুষ্ঠান, ফ্ল্যাশ মব এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনার ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির জন্মদিন উদযাপন করেন সমর্থকরা। বাংলাদেশে অবস্থিত আর্জেন্টিনা দূতাবাসের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত এবং মেসির অন্যতম এক শৈশবের বন্ধু উপস্থিত ছিলেন। (ছবি:গেটি ইমেজেস)

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আহমেদ পিপুল-এর অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে আয়োজিত এই বিশেষ পডকাস্টে আর্জেন্টিনার প্রতিনিধি দলের সদস্যরা খোলামেলা আলোচনা করেন। সফরকারী দলের সদস্যরা জানান, ভৌগোলিক দূরত্ব অনেক বেশি হলেও ফুটবল কীভাবে দুটি ভিন্ন সংস্কৃতির দেশকে এক সুতোয় বেঁধে ফেলেছে, তা তারা বাংলাদেশে না আসলে অনুভব করতে পারতেন না।

১৮ ডিসেম্বর: ২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ঢাকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২-এর ফাইনালে টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জেতার পর উল্লাসে ফেটে পড়েন আর্জেন্টিনার সমর্থকরা। (ছবি: গেটি ইমেজেস)

বাংলাদেশের ভালোবাসায় মুগ্ধ আর্জেন্টিনা

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের আর্জেন্টিনার প্রতি যে আকাশচুম্বী সমর্থন ও উন্মাদনা ছিল, তা পুরো বিশ্ব দেখেছে। সেই ভালোবাসার প্রতিদান দিতেই আর্জেন্টিনার এই উচ্চপর্যায়ের দল বাংলাদেশে আসে এবং মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা অর্জনের পর তারা মেসিকে বাংলাদেশে আনার ব্যাপারে দারুণভাবে আশাবাদী হয়ে উঠেছে।

১৮/১২/২০২২: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ফিফা বিশ্বকাপ কাতার ২০২২-এর ফাইনাল ম্যাচে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার জয় উদযাপন করছেন সমর্থকরা। (ছবি:গেটি ইমেজেস)

পডকাস্টে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষের ফুটবলের প্রতি আবেগ এবং লিওনেল মেসির প্রতি নিখাদ ভালোবাসা তাদের গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। তারা বিশ্বাস করেন, মেসিকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা কেবল একটি ক্রীড়া ইভেন্ট হবে না, বরং এটি দুই দেশের মধ্যকার সাংস্কৃতিক ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এক ঐতিহাসিক উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তারা নিজেদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ ইতিবাচক ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

আবারও বাংলাদেশে আসছেন মেসি!

বাংলাদেশে কাটানো দিনগুলোর অন-গ্রাউন্ড অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে আর্জেন্টিনার প্রতিনিধিরা স্বাগতিক দেশের আতিথেয়তা, সংস্কৃতি ও মানুষের আন্তরিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা জানান, এখানকার প্রতিটি মুহূর্ত তাদের জন্য ছিল উৎসবের মতো।

নতুন করে অপেক্ষা

আর্জেন্টিনার এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের ইতিবাচক সবুজ সংকেতের পর, বাংলাদেশের কোটি ফুটবলপ্রেমী ও মেসি-ভক্তদের মাঝে এখন নতুন করে উদ্দীপনা ও রোমাঞ্চকর অপেক্ষার প্রহর শুরু হলো।

২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত একটি প্রীতি ম্যাচ চলাকালীন নাইজেরিয়ার তিন ফুটবলারের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন আর্জেন্টিনার ফুটবলার লিওনেল মেসি। ম্যাচে নাইজেরিয়াকে ৩-১ ব্যবধানে পরাজিত করে আর্জেন্টিনা। গেটি ইমেজ)

আজ থেকে প্রায় ১৫ বছর আগে, ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে ঢাকায় খেলে গিয়েছিলেন ফুটবল বিশ্বের এই মহাতারকা। ঢাকার ঐতিহ্যবাহী জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ছিল নাইজেরিয়া।

সেই ম্যাচে মেসির যাদুকরী পাস থেকে ডি মারিয়া গোল করেছিলেন এবং আর্জেন্টিনা ৩-১ ব্যবধানে নাইজেরিয়াকে পরাজিত করে। তৎকালীন সময়ে মেসিকে চোখের সামনে সরাসরি খেলতে দেখা বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এবং কোটি ভক্তদের কাছে এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে।

Exit mobile version