বিশ্বকাপ বাছাইয়ে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ আগেই দিয়েছে মরক্কো। বাছাই পর্বে আট ম্যাচের আটটিতেই জয় নিয়ে চূড়ান্ত পর্বের টিকিট পেয়েছে দলটি। বিশ্বকাপের আগে ফিফা আরব কাপেও নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছে তারা। অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দলটি। বৃহষ্পতিবার কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে তারা জর্ডানকে অতিরিক্ত সময়ের গোলে ৩-২ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জয় করেছে।
সৌভাগ্য বলা যায় মরক্কোর। অন্যদিকে নিজেদের দুর্ভাগা মনে করতে পারে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়া জর্ডান। ৮৮ মিনিট পর্যন্ত ২-১ গোলে এগিয়ে থেকেও তারা শেষ হাসি হাসতে পারেনি।
ম্যাচে অবশ্য প্রথম গোলের দেখা পেয়েছিল মরক্কো। ওসামা তানানের গোলে তারা ম্যাচের শুরুতেই চতুর্থ মিনিটে এগিয়ে গিয়েছিল। অসাধারণ এক গোল করেন তিনি। শুরুতেই পাওয়া এই গোল ধরে রেখে মরক্কো বিরতিতে যায়। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে তাদের জন্য চমক ধরে রেখেছিল জর্ডান। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতে না হতেই তাদের চমকে দেয় বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো সুযোগ পাওয়া দলটি। আলি ওলয়ান ৪৮ মিনিটে সমতাসূচক গোল করেন। শুধু তাই নয়, ৬৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন।

আগেই টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার কাজটা সেরে রেখেছিলেন ওলয়ান। ফাইনাল ম্যাচে জোড়া গোলের মাঝ দিয়ে তিনি গোল সংখ্যা ছয়ে নিয়ে যান। তবে তার সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার হাসিটা মুছে দেন মরক্কোর আব্দেরাজ্জাক হামদাল্লাহ। এবার তিনি করেন জোড়া গোল। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার দুই মিনিট আগে তিনি গোল করে খেলাকে সমতায় নিয়ে যান। খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। আর এ সময়ে ১০০তম মিনিটে তিনি জয়সূচক গোল।
মরক্কো এবার নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জয় করলো। এর আগে তারা ২০১২ সালে প্রথমবার আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব দেখায়। সময়টা এখন হয়তো মরক্কোর। দেশটি গত আগষ্টে আফ্রিকান নেশনস চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জয়।
জর্ডানের আলি ওলয়ান টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। মরক্কোর মোহাম্মদ রাবি হারিমাত হয়েছেন সেরা খেলোয়াড়। একই দলের গোলরক্ষক এল মেহদি বেনাবিদ হয়েছেন টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩


















