বিশ্বকাপে ব্রাজিলের মিশন শুরু হবে রবিবার ভোরে। প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো। এ ম্যাচে নেইমার খেলতে পারবেন না এমন গুঞ্জন ছিল আগে থেকেই। ব্রাজিলের সংবাদ মাধ্যম এ ম্যাচে নেইমারের খেলতে না পারার বিষয়ে আগেই সন্দেহ প্রকাশ করেছিল। বিষয়টি এখন আর গুঞ্জন আর সন্দেহের মাঝে সীমাবদ্ধ নেই। দলটির কোচ কার্লো আনচেলোত্তি তা পরিষ্কার করেছেন। মরক্কোর ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে আনচেলোত্তি বিষয়টি পরিস্কার করেছেন। জানিয়েছেন, প্রথম ম্যাচের একাদশে নেইমারের থাকার তেমন সম্ভাবনা নেই।
ইতালিয়ান কোচ আনচেলোত্তি বলেছেন, নেইমার আগামী সপ্তাহে দলের সঙ্গে অনুশীলনে ফিরবেন। অর্থাৎ রবিবার ভোর চারটায় মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে নেইমারের খেলার কোনো সম্ভাবনা নেই। আনচেলোত্তি সরাসরি না বললেও ব্রাজিলিয়ান সংবাদ মাধ্যমে গ্লোবো নেইমারের না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে নেইমারের বিষয়ে আনচেলোত্তি বলেন, দ্রুত ফিটনেস ফিরে পাওয়ার জন্য নেইমার কঠোর পরিশ্রম করে চলেছে। আশা করা হচ্ছে আগামী সপ্তাহে সে দলীয় অনুশীলনে যোগ দিতে পারবে।
পূর্ণ ফিটনেস ফিরে পেতে সংগ্রাম করা নেইমারকে কেন বিশ্বকাপ দলে রাখা হয়েছে সে বিষয়ে আনচেলোত্তি বলেন, তাকে দলে রাখার কারণ শুধু তার অসাধারণ টেকনিক্যাল দক্ষতা নয়। তার অভিজ্ঞতা এবং তরুণ খেলোয়াড় জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক ভূমিকার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে।
ব্যববার করছেন রানিং শু
ব্রাজিলের দলের প্রস্তুতি ক্যাম্পে এখনো বুট পরে মাঠে নামেননি নেইমার। সতীর্থদের সঙ্গে বল নিয়ে অনুশীলন করলেও শুধু রানিং শু ব্যবহার করেছেন। বেশির ভাগ সময় তিনি কাটিয়েছেন ফিজিওথেরাপিতে। বৃহষ্পতিবার রাতে অনুশীলনের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন এই তারকা।
১৭মে সর্বশেষ চোটে নেইমার
গত ১৭মে নেইমার সর্বশেষ চোটে পড়েন। সেদিন সান্তোস এফসির হয়ে খেলার সময় কুরিতিবার বিপক্ষে হারা ম্যাচে তার কাফ মাসলে সমস্যা দেখা দেয়। জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার আগে নেইমারের সেটা ছিল শেষ ম্যাচ। সেদিন সান্তোস জানিয়েছিলে, চোটটি গুরুতর নয়, একটি কেবল পেশিতে ফোলাভাব। এমন অবস্থা সত্ত্বেও তাকে বিশ্বকাপের জন্য জাতীয় দলে রাখা হয়।
সর্বশেষ চোট পাওয়ার দশদিন পর নেইমার জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেন। সেখানে পরীক্ষার পর তার পেশিতে গ্রেড টু চোট ধরা পড়ে। চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মধ্যেই দলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ ক্যাম্পে যোগ দেন। ইনজুরির কারণে ব্রাজিলের হয়ে প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে তিনি খেলতে পারেননি। ফলে মরক্কোর বিপক্ষে তা না খেলাটা নিশ্চিত হয়ে যায়।
