অনুশীলনে মন জয় করতে পারেননি নেইমার ! শরীর ভারী হওয়ায় অনুশীলনেই দৌড়াতে পারছেন না! তাই নতুন শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ব্রাজিল জাতীয় দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারের অনুশীলন নিয়ে এমন প্রাণচাঞ্চল্য তথ্য প্রকাশ করেছে সাংবাদিকরা! শনিবার সকালে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল।
নেইমারকে ঘিরে শঙ্কা কাটেনি
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডের পথে এগিয়ে যেতে এই ম্যাচে জিততেই হবে ব্রাজিলকে। তবে নেইমার এই ম্যাচে খেলবেন কিনা তা এখনও অনিশ্চিত! দ্বিতীয় ম্যাচের আগে অনুশীলনে ফেরা নেইমার গণমাধ্যমের নজর কেড়ে নেয়, কারণ সবাই অপেক্ষা করছিলেন তার প্রত্যাবর্তনের অগ্রগতি দেখার জন্য। কাফ চোট থেকে সেরে ওঠার পর নেইমারকে আবার অনুশীলনে দেখে উপস্থিত সমর্থক ও সাংবাদিকরা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন।
ব্রাজিলের হয়ে আবার মাঠে নামার পথে এটি ছিল তার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, আর তাই প্রত্যাশাও ছিল অনেক। তবে অনুশীলনে তার পারফরম্যান্স খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছিল না। ব্রাজিলের পরবর্তী ম্যাচের আগে ট্রেনিংয়ে নেইমারকে ধীরগতির এবং কিছুটা ভারী মনে হয়েছে।
অনুশীলনে তার চলাফেরায় ছিল না আগের সেই তীক্ষ্ণতা, আর বলের সঙ্গে বেশ কয়েকটি মুহূর্তে তাকে ছন্দহীনও দেখা গেছে। শক্তিশালী বার্তা দেওয়ার বদলে নেইমার বরং নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছেন, তিনি কি সত্যিই আবার সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য প্রস্তুত?
ব্রাজিলিয়ান সমর্থক নেইমারের বিশ্বকাপ দলে প্রত্যাবর্তন এবং আবারও বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি গায়ে দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক অনুশীলনে কিছু পর্যবেক্ষক বিস্মিত হয়েছেন, কারণ তার কয়েকজন সতীর্থের তুলনায় তাকে অনেক কম সক্রিয় মনে হয়েছে।
সমালোচনা থাকলেও নেইমারের ওপর পূর্ণ আস্থা
অন্যদিকে, দলের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় পুরো অনুশীলনজুড়ে তাদের গতি ও বিস্ফোরক শক্তির ছাপ রেখেছেন। জাতীয় দলে নেইমারের স্থান নিয়ে বিতর্ক এখনও চলছে। কেউ কেউ এখনো প্রশ্ন তুলছেন, তিনি আদৌ দলে ফেরার যোগ্য কি না। তবে বাস্তবতা হলো, তার জায়গা ইতোমধ্যেই নিশ্চিত করা হয়েছে এবং ভিনিসিউস জুনিয়র থাকা সত্বেও তাকে ১০ নম্বর জার্সি দেওয়া হয়েছে।
ফুটবল বিশ্লেষকদের অনেকের মতে, এখানে বর্তমান ফর্মের চেয়ে তারকা মর্যাদাই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। তার সর্বশেষ অনুশীলন পারফরম্যান্স সেই বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। মাঠে ফিরে তিনি কতটা অবদান রাখতে পারবেন, তা নিয়ে সংশয় বাড়ছে। বিশেষ করে একাংশ সমর্থক মনে করেন, এই সুযোগটি বরং জোয়াও পেদ্রোকে দেওয়া উচিত ছিল।
এখন সব নজর নেইমারের দিকেই। ব্রাজিলিয়ানরা অপেক্ষা করছে, তিনি কি প্রত্যাশাকে বাস্তব পারফরম্যান্সে রূপ দিতে পারবেন, নাকি সমালোচকদের সন্দেহই শেষ পর্যন্ত সত্যি প্রমাণিত হবে।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩


















