তিরস্কৃত নিগার সুলতানা

আচরণবিধি ভঙ্গে তিরস্কৃত অধিনায়ক নিগার সুলতানা

NAVI MUMBAI, INDIA - OCTOBER 19: Nigar Sultana Joty of Bangladesh during the Bangladesh net session at Dr. DY Patil Sports Academy on October 19, 2025 in Navi Mumbai, India. (Photo by Alex Davidson-ICC/ICC via Getty Images)

তিরস্কৃত অধিনায়ক নিগার সুলতানা। বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি আইসিসির আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তিরস্কৃত হয়েছেন। ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিলেটে অনুষ্ঠিত তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এই ঘটনা ঘটে।

সিলেটে ম্যাচ চলাকালীন আচরণের জন্য তাকে আইসিসির কোড অব কন্ডাক্টের লেভেল ১ ভঙে দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এ বিষয়ে সোমবার আইসিসি জানায়, নিগার সুলতানা আচরণবিধির ২.২ ধারা ভঙ্গ করেছেন।

ঘটনাটি ঘটে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের সময়। আউট হওয়ার পর মাঠ ছাড়ার আগে তিনি তার ব্যাট মাটিতে ছুড়ে ফেলেন, যা আচরণ হিসেবে গণ্য হয়েছে। এই অপরাধের জন্য নিগারের শৃঙ্খলাজনিত রেকর্ডে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে।

গত ২৪ মাসে এটি তার প্রথম অপরাধ হওয়ায় তিনি কেবল আনুষ্ঠানিক তিরস্কারেই সীমাবদ্ধ রয়েছেন। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, লেভেল ১ ভঙ্গের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা এবং এক বা দুইটি ডিমেরিট পয়েন্ট।

নিগার সুলতানা নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানি দাসের প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নিয়েছেন। ফলে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি। এই অভিযোগ আনেন ম্যাচের অন-ফিল্ড আম্পায়ার এলইজ শেরিডান ও শাথিরা জাকির জেসি, তৃতীয় আম্পায়ার রোকেয়া সুলতানা এবং চতুর্থ আম্পায়ার চম্পা চাকমা।

উল্লেখ্য, কোনো খেলোয়াড় ২৪ মাসের মধ্যে চার বা তার বেশি ডিমেরিট পয়েন্ট পেলে তা সাসপেনশন পয়েন্টে রূপান্তরিত হয় এবং নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হয়। দুইটি সাসপেনশন পয়েন্ট একটি টেস্ট বা দুটি ওয়ানডে কিংবা দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নিষেধাজ্ঞার সমান।

Exit mobile version