পিএসএলের ফাইনালে ঝড় তুলে কত টাকা পেলেন নাহিদ রানা। পাকিস্তান সুপার লিগ পিএসএলের ফাইনালে গতির ঝড় তুলে ক্রিকেট দুনিয়ায় প্রশংসায় ভাসছেন বাংলাদেশের পেসার নাহিদ রান। তবে অ্যারন হার্ডি অনুমিতভাবেই পিএসএল ফাইনালে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন।
তিনি বল হাতে ২৭ রানে ৪ উইকেট ও লো স্কোরিং ম্যাচে ব্যাট হাতে ৫৬ রান করার পর এটি তাকে না দিয়ে উপায় ছিল না। পেশোয়ার জালমিকে ফাইনাল জেতানোয় এরপরেই হয়তো নাম আসবে আবদুল সামাদের। হার্ডির সঙ্গে ৮৫ রানের জুটি গড়ার পথে ৩৪ বলে করেন ৪৮ রান।
তবে জালমির হয়ে প্রভাবের দিক থেকে নিশ্চিতভাবেই তিনের মধ্যে থাকবে নাহিদ রানার নাম। টাইগার পেসার শুধু ফাইনালের জন্য বাংলাদেশ থেকে উড়ে গিয়ে ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। এরমধ্যে তার শিকার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।
দলের তো বটেই, রানা ম্যাচেরই সবচেয়ে কিপটে বোলার হয়েছেন। বাকি সবার খরচা করা রান ওভারপ্রতি তার ৫.৫০ এর বেশি করে। অবিশ্বাস্য এই পারফরম্যান্স দিয়ে রানা ফাইনালের ‘সুপার পাওয়ার অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার জিতেছেন।
এটা মূলত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে অসাধারণ ও ম্যাচের মোড় বদলে দেওয়া পারফরম্যান্সের জন্য দেওয়া হয়ে থাকে। যার মূল্য পাকিস্তান রুপিতে ৩ লাখ, বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ লাখ ৩০ হাজারের মতো।
শুধু ফাইনালে নয়, নিউজিল্যান্ড সিরিজ খেলতে দেশে আসার আগেও রানার পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। তাই তো ফাইনালের জন্য পেশোয়ারের তাকে উড়িয়ে নেওয়া। নাহিদ আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। পুরো টুর্নামেন্টে এই পেসার ৫ ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়েছেন, ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন ৫.৪৪ করে।
সাড়ে ৫ তো দূরের কথা, নাহিদ ছাড়া অন্তত এক উইকেট নেওয়াদের মধ্যে কারো ইকোনমি ৭-এর নিচে নামেনি। পেশোয়ারে নিজের যাত্রা নিয়ে তিনি বলেন,
আমি সত্যিই এটা উপভোগ করেছি। গত বছর এসেছিলাম, কিন্তু খেলিনি। এ বছর এসে আমি সত্যিই উপভোগ করেছি।
রানার পারফরম্যান্স মূল্যায়নে তার সতীর্থ হার্ডি বলেন, ‘এই ছেলেটা ফিরে এসে দারুণ গতিতে বল করেছে… হ্যাঁ, একদমই। সে মাত্র তিন দিন আগে প্লেন থেকে নেমেছে। তারপরও আজকে সে দ্রুতগতির বল করেছে। ১৫১ কি.মি গতিতে বল করছিল। ব্যাটারদের জন্য ভয়ঙ্কর।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩





















