নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়ে যা বললেন পাকিস্তানের তারকা । বিশ্বকাপ মানেই রেকর্ড ভেঙে রেকর্ড গড়া। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে দুটি সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড গড়লেন পাকিস্তানের ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। তবে সুপার এইটে নিজেদের শেষ ম্যাচে গতকাল শনিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ রানে জিতেও হতাশ পাকিস্তান।
রান রেটে নিউজিল্যান্ডকে পেছনে ফেলতে পারেনি সালমান আলীর আগার দল। মিচেল স্যান্টনারের দলকে টপকে যেতে শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ কিংবা এর কমে থামাতে হতো তাদের। ২১২ রান সংগ্রহ গড়ে শ্রীলঙ্কাকে ২০৭ রানে থামায় তারা।
এদিন পাল্লেকেল্লেতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে সাহিবজাদা ও ফাখারের ব্যাটে উড়ন্ত সূচনা পায় পাকিস্তান। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে আসে জুটির পঞ্চাশ, পাওয়ার প্লেতে ৬৪। একই ছন্দে এগিয়ে গিয়ে দশম ওভারে স্পর্শ করে একশ।
আর ৩২ বলে পঞ্চাশে পৌঁছান সাহিবজাদা, ২৭ বলে ফাখার। ৮৪ বলে তাদের জুটি স্পর্শ করে দেড়শ। ১৬ ওভারে ফাখারের বিদায়ে ভাঙে ১৭৬ রানের জুটি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে উদ্বোধনী জুটিতে এটাই সর্বোচ্চ।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক আসরে দুটি সেঞ্চুরি নেই আর কারো। বিশ্বকাপে একটির বেশি সেঞ্চুরি আছেই আর কেবল ক্রিস গেইলের। ভিরাট কোহলিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের এক আসরে সবচেয়ে বেশি রানের রেকর্ডও তিনি গড়েছেন। তবে ম্যাচ-সেরার পুরস্কার নিয়ে সাহিবজাদা বললেন, দলের লক্ষ্য পূরণ না হওয়ায় হতাশ তিনি।
‘প্রথমত, আমার বিশ্বাস ছিল যে, আমরা দল হিসেবে ভালো করব। ফাখার যেভাবে খেলছিলেন, তাতে আমার মনে হয়েছিল, তিনি যদি সেঞ্চুরি করতেন, তাহলে দলের জন্য আরও ভালো হতো। কিন্তু আমার ভাগ্যে ছিল যে, এটা আমি পাব। সত্যি বলতে, এই সেঞ্চুরি দলকে জেতাতে (সেমি-ফাইনালে যেতে) সাহায্য করেনি, তাই আমি হতাশ।’
ছয় ইনিংসে দুটি করে সেঞ্চুরি ও ফিফটিতে ৭৬.৬০ গড় আর ১৬০.২৫ স্ট্রাইক রেটে ৩৮৩ রান নিয়ে আসর শেষ করলেন সাহিবজাদা। বিশ্বকাপে দারুণ পারফরম্যান্সের জন্য ঘরোয়া ক্রিকেটকে কৃতিত্ব দিলেন ২৯ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান।
আমি আগেই বলেছি, অনেক অবদান আছে ঘরোয়া ক্রিকেটের। গত চার বছর ধরে আমি ঘরোয়া ক্রিকেট খেলছি। ঘরোয়া ক্রিকেট, পিএসএলে রানের তালিকার শীর্ষে, এশিয়া কাপে তিনে ছিলাম এবং এখানেও আমি সর্বোচ্চ রান করেছি। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে খেলার ফলে ভালো স্ট্রাইক রেটে শতরান করতে অভ্যস্ত হয়েছি। আমার মনে হয় এখানেও সেই ফর্ম অব্যাহত থেকেছে। পাকিস্তানের হয়ে রেকর্ড গড়া আমার জন্য খুবই আনন্দের মুহূর্ত।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩



















