লাহোরের ফাইনালে পাকিস্তানের সামনে শ্রীলঙ্কার বিধ্বংসী ব্যাটিং

পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার লড়াইয়ে পর্দা নামছে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের। আজ শনিবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে দুই দল।

স্বাগতিক পাকিস্তানের লক্ষ্য ১৮ বছরের শিরোপা-খরা কাটানো। অন্যদিকে, দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে আলো ছড়ানো শ্রীলঙ্কা চাইবে সাম্প্রতিক দাপট ধরে রেখে ট্রফি জিততে।

সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচ জিতে ফাইনাল নিশ্চিত করেছিল পাকিস্তান। তবে মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার কাছে ৮ উইকেটের বড় হারে কিছুটা চাপে পড়েছে তারা। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৩০ রানের অবিশ্বাস্য লক্ষ্য তাড়া করে জয় পাওয়া শ্রীলঙ্কা ফাইনালে নামবে আত্মবিশ্বাস নিয়ে।

পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের বোলিং। শাহিন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ ও হারিস রউফের পেস আক্রমণের সঙ্গে স্পিনে আছেন শাদাব খান ও আরাফাত মিনহাস। এই বোলিংয়ের ওপর ভর করেই প্রথম তিন ম্যাচে জয় পেয়েছিল স্বাগতিকেরা। তবে ব্যাটিংয়ের শীর্ষ তিনে বাবর আজমসহ অন্যদের ব্যর্থতা ভাবাচ্ছে দলকে। ফাইনালে তাই বড় দায়িত্ব নিতে হবে বাবরকে।

উইকেট শিকারের পর শ্রীলঙ্কার উল্লাস

অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংয়ের সবচেয়ে বড় ভরসা পাভান রথনায়েক। ২৪ বছর বয়সী এই ব্যাটার সিরিজে দুইটি সেঞ্চুরি করেছেন। ৩৫০ রান নিয়ে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকও তিনি। তাঁর ব্যাটিং গড় ১১৬.৬৭, স্ট্রাইক রেট ১২৩.৬৭। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুই সেঞ্চুরির পাশাপাশি পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও করেছিলেন ৭৯ রান।

শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংয়ের বিপরীতে পাকিস্তানের বোলিংয়ের লড়াই ফাইনালের ভাগ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে। তবে ফাইনালে বাবর আজমের ব্যাটিংও হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ। বড় ম্যাচে নিজের সামর্থ্য প্রমাণের আরেকটি সুযোগ পাচ্ছেন তিনি।

লাহোরে শ্রীলঙ্কার রেকর্ডও দারুণ। পাকিস্তানের বিপক্ষে এই মাঠে আট ওয়ানডের ছয়টিতেই জিতেছে তারা। পাকিস্তান সর্বশেষ ২০০৮ সালে বাংলাদেশে কিটপ্লাই কাপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের শিরোপা জিতেছিল। এবার ঘরের মাঠে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটাতে চাইবে তারা।

spot_imgspot_img
spot_img

Related Articles