আজ মুম্বাইকে হারিয়ে পাঞ্জাব শীর্ষে উঠেছে এককভাবে, পাঁচ ম্যাচের একটিও হারেনি তারা। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে স্বাগতিক মুম্বাই ইন্ডিয়ানসকে সাত উইকেটে হারিয়ে দেয় পাঞ্জাব কিংস। পঞ্চম ম্যাচে চতুর্থ জয় পাওয়া দলটির এক ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়। সমান ম্যাচে চার পরাজয়ে ১০ দলের মধ্যে নয়ে মুম্বাই।
২০ ওভারে ছয় উইকেটে ১৯৫ রান করলেও মুম্বাইকে হারিয়ে পাঞ্জাব শীর্ষে উঠে আসে এককভাবে। কুইন্টন ডি ককের সেঞ্চুরি বিফলে যায়। পাঞ্জাবের পয়েন্ট ৯। আট পয়েন্ট করে নিয়ে পরের স্থানে আছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও রাজস্থান রয়্যালস।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে মুম্বাই ১২ রানেই দুই উইকেট হারায়। তৃতীয় উইকেটে কুইন্টন ডি কক ও নামান ধীর ১২২ রানের দুর্দান্ত এক জুটি গড়লে বড় সংগ্রহের ভিত পায় তারা। নামান ৩১ বলে ৩টি করে চার-ছক্কায় ৫০ রানে বিদায় নিলেও কক সেঞ্চুরি হাঁকান।
আর কেউ বড় ইনিংস খেলতে না পারলেও কক ৬০ বলে ৮টি চার ও ৭টি ছয়ে ১১২ রানে অপরাজিত থাকেন। এতেই চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ পায় মুম্বাই। অর্শদীপ সিং চার ওভারে মাত্র ২২ রান খরচায় ৩টি উইকেট নেন।

মুম্বাইকে হারিয়ে পাঞ্জাব শীর্ষে
জবাব দিতে নেমে পাঞ্জাবেরও শুরুটা ভালো হয়নি, ৪৫ রানেই দুটি উইকেট হারিয়েছে তারা। তৃতীয় উইকেটে ১৩৯ রানের জুটি গড়ে পাঞ্জাবকে জয়ের পথ বাতলে দেন প্রভসিমরান সিং ও শ্রেয়াস আইয়ার।
উভয়ে হাফ সেঞ্চুরি করেন। শ্রেয়াস ৩৫ বলে ৫টি চার ও ৪টি ছয়ে ৬৬ রান করেন। আর প্রভসিমরান মাত্র ৩৯ বলে ১১টি চার ও ২টি ছয়ে ৮০ রানে অপরাজিত থাকেন। আর কেউ বড় ইনিংস খেলতে না পারলেও তাই সমস্যা হয়নি।
মাত্র ১৬.৩ ওভারে তিনটি উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রান তুলে জয় ছিনিয়ে নেয় পাঞ্জাব। মোহাম্মদ গজানফর চার ওভারে ৩১ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন। শার্দুল ঠাকুর শিকার করেন অন্যটি। এটি নিয়ে টানা চার ম্যাচ হারল মুম্বাই।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
মুম্বাই ইন্ডিয়ানস- ১৯৫/৬; ২০ ওভার (কক ১১২, নামান ৫০, হার্দিক ১৪; অর্শদীপ ৩/২২, শশাঙ্ক ১/১৯, ইয়ানসেন ১/৩০)।
পাঞ্জাব কিংস- ১৯৮/৩; ১৬.৩ ওভার (প্রভসিমরান ৮০*, শ্রেয়াস ৬৬, কনোলি ১৭; গজানফর ২/৩১, শার্দুল ১/৪২)।
ফল : পাঞ্জাব কিংস ৭ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা : অর্শদীপ সিং।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩
















