Home Blog Page 36

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়লেন পাকিস্তানের আইমান আনোয়ার, হলেন ম্যাচ রেফারি

0

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ইতি টেনে নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন পাকিস্তানের পেসার আইমান আনোয়ার। ৩৪ বছর বয়সী এই ডানহাতি পেসার এবার ম্যাচ রেফারি হিসেবে কাজ শুরু করেছেন। হাঁটুর চোটের কারণে নিয়মিত বোলিং করতে না পারায় খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার থেকে সরে এসে নতুন ভূমিকায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি করাচিতে চলমান অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টুর্নামেন্টে ম্যাচ রেফারি হিসেবে অভিষেকও হয়েছে আইমানের। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর ফিরতে না পারার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই ম্যাচ রেফারিংকে নতুন পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন তিনি।

২০১৬ সালের ৫ জুলাই ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটনে এজিয়াস বোলে অনুষ্ঠিত ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিতীয় ন্যাটওয়েস্ট আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ইংল্যান্ডের ব্যাটার ট্যামি বিউমন্টকে আউট করার পর উদযাপন করছেন পাকিস্তানের আইমান আনোয়ার। ছবি: গেটি ইমেজেস

আইমান বলেন, দলে ফেরার চেষ্টা সফল না হওয়ায় তিনি ম্যাচ রেফারি হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছেড়ে দিলেও স্থানীয় টুর্নামেন্ট ও বিভিন্ন লিগে খেলা চালিয়ে যাবেন তিনি।

করাচিতে জন্ম নেওয়া আইমানের আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় ২০১৬ সালের জুলাইয়ে। পাকিস্তানের হয়ে তিনি খেলেছেন ৮টি ওয়ানডে ও ৩৭টি টি-টোয়েন্টি। ওয়ানডেতে চারটি উইকেট নেওয়া আইমানের বোলিং গড় ছিল ৪৫ দশমিক ৫০। আর টি-টোয়েন্টিতে ২৯ দশমিক ৪৪ গড়ে শিকার করেছেন ২৯ উইকেট।

আইমান আনোয়ার

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আইমানের শেষ ম্যাচ ছিল ২০২৩ সালের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এর আগে ২০১৮ ও ২০২০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও পাকিস্তানের হয়ে খেলেছেন তিনি। ২০২২ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়াও তাঁর ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। সেই আসরেই ওয়ানডেতে নিজের শেষ ম্যাচ খেলেন আইমান।

তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরেও তাঁর পথচলা থেমে থাকেনি। ২০১০ সালের জানুয়ারিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে করাচির হয়ে খেলার মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে যাত্রা শুরু করেছিলেন তিনি।

ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া: ২৬ ফেব্রুয়ারি: অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় মানুকা ওভালে অনুষ্ঠিত আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের শেমেইন ক্যাম্পবেলকে আউট করার পর উদযাপন করছেন পাকিস্তানের আইমান আনোয়ার। ছবি: গেটি ইমেজেস

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর বার্তায় আবেগও প্রকাশ করেছেন আইমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ তিনি লিখেছেন, ম্যাচ রেফারি হিসেবে নতুন অধ্যায়ের শুরু আগের অধ্যায়ের পর্দা নামালেও বইটি একই থেকে যায়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের অধ্যায় বন্ধ করার সময় তিনি কৃতজ্ঞতা, গর্ব এবং অসংখ্য স্মৃতির কথা উল্লেখ করেছেন।

খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ারের পাশাপাশি সম্প্রচার জগতেও কাজ করেছেন আইমান। উপস্থাপক ও ধারাভাষ্যকার হিসেবে অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। সম্প্রতি মুলতানে অনুষ্ঠিত ৫০ ওভারের ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন্স কাপে ধারাভাষ্য প্যানেলে ছিলেন তিনি। বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলেও বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করেছেন এই সাবেক পাকিস্তানি পেসার।

আইমানের নতুন যাত্রার সময় পাকিস্তানের নারী ক্রিকেট দলেও চলছে পেস বোলিংয়ে নতুন মুখ তৈরির প্রক্রিয়া। ওয়াহিদা আখতার, তাসমিয়া রুবাব ও সায়রা জাবিনের মতো তরুণ পেসারদের সামনে আনার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এর সঙ্গে অধিনায়ক ফাতিমা সানাও একজন পেস বোলার, ফলে দলে পেসারদের জায়গা পাওয়ার প্রতিযোগিতা আরও বেড়েছে।

সবমিলিয়ে, দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের পর আইমান আনোয়ারের ম্যাচ রেফারিংয়ে পা রাখা শুধু তাঁর ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারে নতুন অধ্যায় নয়, পাকিস্তানের নারী ক্রিকেটে অভিজ্ঞ একজন খেলোয়াড়ের ভিন্ন ভূমিকায় যুক্ত হওয়ার ঘটনাও ঘটলো।

বুমরাহকে পেছনে ফেলে প্রথমবার টেস্ট বোলিং র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে স্টার্ক

0

বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাকাই টেস্টে দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো আইসিসির টেস্ট বোলারদের র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠেছেন অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি পেসার মিচেল স্টার্ক। দ্বিতীয় টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট নিয়ে ভারতীয় পেসার যশপ্রীত বুমরাকে পেছনে ফেলেছেন তিনি।

ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে শুরু থেকেই ভয়ংকর ছিলেন স্টার্ক। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১২ রান খরচ করে নিয়েছেন ৬ উইকেট। এরপর বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসেও তাঁর দাপট অব্যাহত থাকে। এবার ৩৯ রানে শিকার করেন আরও ৪ উইকেট। ফলে ম্যাচে তাঁর মোট শিকার দাঁড়ায় ১০ উইকেটে।

স্টার্কের এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ওপর ভর করেই বাংলাদেশকে ইনিংস ও ৫১ রানে হারিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে সমতা ফেরায় অস্ট্রেলিয়া। আর ম্যাচ শেষ হওয়ার পর প্রকাশিত নতুন র‌্যাংকিংয়ে বড় লাফ দেন স্টার্ক। দুই ধাপ এগিয়ে প্রথমবারের মতো টেস্ট বোলিং র‌্যাংকিংয়ের এক নম্বর জায়গা দখল করেন তিনি।

বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে সেরা খেলোয়াড় মিচেল স্টার্ক

এর আগে ক্যারিয়ারে বহুবার টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করলেও র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে ওঠা হয়নি স্টার্কের। এবার বাংলাদেশের বিপক্ষে ১০ উইকেটের অসাধারণ পারফরম্যান্স সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছে। অন্যদিকে শীর্ষস্থান হারিয়ে দুই নম্বরে নেমে গেছেন ভারতের জাসপ্রিত বুমরাহ। নিউজিল্যান্ডের ম্যাট হেনরি এক ধাপ পিছিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে র‌্যাংকিংয়ে উন্নতি হয়েছে অধিনায়ক প্যাট কামিন্সেরও। বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে দুই ইনিংসে ৩টি করে মোট ৬ উইকেট নিয়েছেন কামিন্স। প্রথম ইনিংসে তাঁর শিকার ছিল ২৫ রানে ৩ উইকেট, আর দ্বিতীয় ইনিংসে ১০ রানে ৩ উইকেট। এই পারফরম্যান্সে এক ধাপ এগিয়ে বোলারদের র‌্যাংকিংয়ে চতুর্থ স্থানে উঠেছেন তিনি।

অন্যদিকে অভিজ্ঞ অফস্পিনার নাথান লায়নও সেরা দশে জায়গা করে নিয়েছেন। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে তিন উইকেট নেওয়ার পর র‌্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছেন তিনি। ফলে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ এই অস্ট্রেলিয়ান স্পিনার এখন টেস্ট বোলারদের সেরা দশের তালিকায় রয়েছেন।

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের পাশাপাশি ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের ম্যাচের পারফরম্যান্সও বোলারদের র‌্যাংকিংয়ে বড় প্রভাব ফেলেছে। দীর্ঘদিন পর টেস্ট দলে ফিরে ইংল্যান্ডের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন অলি রবিনসন। পাকিস্তানের বিপক্ষে হেডিংলি টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে আট উইকেট নেন তিনি। তাঁর অসাধারণ প্রত্যাবর্তনের ফলে র‌্যাংকিংয়ে ১৫ ধাপ লাফ দিয়ে ১১ নম্বরে উঠে এসেছেন রবিনসন।

একই টেস্টে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন ইংল্যান্ডের জশ টাং। তিনিও ম্যাচে আট উইকেট শিকার করেছেন। এর পুরস্কার হিসেবে র‌্যাংকিংয়ে ১৬ ধাপ এগিয়ে ১৭তম স্থানে উঠে এসেছেন এই পেসার। হেডিংলিতে ইংল্যান্ড পাকিস্তানকে ইনিংস ও ১০৩ রানে হারানোর ম্যাচে দুজনের বোলিংই ছিল আলোচনার অন্যতম বিষয়।

শ্রীলঙ্কা-ভারত টেস্টের পারফরম্যান্সও বোলিং র‌্যাংকিংয়ে পরিবর্তন এনেছে। ভারতের কাছে গল টেস্টে শ্রীলঙ্কা হেরে গেলেও ব্যক্তিগতভাবে ভালো করেছেন দুই বোলার আসিথা ফার্নান্দো ও প্রভাত জয়সুরিয়া। দুজনই র‌্যাংকিংয়ে পাঁচ ধাপ করে এগিয়েছেন। ম্যাচে আসিথা ছয় উইকেট এবং জয়সুরিয়া সাত উইকেট নিয়েছেন। এর ফলে আসিথা উঠে এসেছেন ১৫ নম্বরে, আর জয়সুরিয়া ১৬ নম্বরে।

ব্যাটারদের তালিকাতেও এসেছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন

শুধু বোলারদের র‌্যাংকিংয়েই নয়, ব্যাটারদের তালিকাতেও এসেছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। ইংল্যান্ডের হ্যারি ব্রুক টেস্ট ব্যাটারদের র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে হেডিংলি টেস্টে ৯১ রানের ইনিংস খেলেও তাঁর অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। অর্থাৎ নতুন র‌্যাংকিংয়েও বিশ্বের সেরা টেস্ট ব্যাটার হিসেবে ব্রুকের অবস্থান অক্ষুণ্ন রয়েছে।

তবে ব্যাটারদের সেরা দশে বড় অগ্রগতি হয়েছে ভারতের ঋষভ পন্তের। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৩৯ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৬ রান করেন তিনি। এই পারফরম্যান্সের পর র‌্যাংকিংয়ে ছয় ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে উঠে এসেছেন পন্ত। ফলে আবারও টেস্ট ব্যাটারদের সেরা দশে জায়গা করে নিয়েছেন ভারতের এই উইকেটকিপার-ব্যাটার।

অন্যদিকে গলে কম রান করার কারণে সেরা দশ থেকে ছিটকে গেছেন নিউজিল্যান্ডের হয়ে আলোচনায় থাকা কামিন্দু মেন্ডিস এবং ভারতের তরুণ ব্যাটার যশস্বী জয়সওয়াল। তাঁদের জায়গা হারানোর ফলে টেস্ট ব্যাটারদের শীর্ষ দশের তালিকায়ও পরিবর্তন এসেছে।

সব মিলিয়ে নতুন টেস্ট র‌্যাংকিংয়ে সবচেয়ে বড় আলোচনার নাম মিচেল স্টার্ক। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সফল পেসার হলেও টেস্ট বোলিং র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে ওঠার স্বাদ এবারই প্রথম পেলেন তিনি। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাকাই টেস্টে ১০ উইকেটের অসাধারণ পারফরম্যান্সই তাঁকে এই সাফল্য এনে দিয়েছে।

স্টার্কের সামনে এখন লক্ষ্য থাকবে শীর্ষস্থান ধরে রাখা। আর বুমরাহর লক্ষ্য হবে দ্রুতই হারানো এক নম্বর জায়গা পুনরুদ্ধার করা। ফলে নতুন র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থান ঘিরে দুই তারকা পেসারের লড়াইও সামনে আরও জমে উঠতে পারে।

২৮ আগস্ট শুরু হচ্ছে অনূর্ধ্ব-১০ মিনি রাগবি উৎসব

0

বাংলাদেশ রাগবি ফেডারেশন ইউনিয়নের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং কেজিএন মেডিকেয়ার লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘কেজিএন মেডিকেয়ার অনূর্ধ্ব-১০ মিনি রাগবি ফেস্টিবেল (বালক)-২০২৬’।

বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামের সংবাদ সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রাগবি ফেডারেশন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জনাব আকতার উজ জামান, টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ও সহ-সভাপতি জনাব তারেক চৌধুরী, টুর্নামেন্ট সম্পাদক জনাব মশিউর রহমান সুমন, সহ-সভাপতি জনাব মৌসুম আলী, যুগ্ম-সম্পাদক জনাব মোঃ শরিফুল ইসলাম ভরসা, জনাব সাঈদ আহমেদ এবং সদস্য মোঃ সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।
​
আগামী ২৮ আগস্ট, শুক্রবার জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে দিনব্যাপী এই ফেস্টিভ্যাল আয়োজিত হবে।

এতে ঢাকার বিভিন্ন ৬টি স্কুল দু’টি করে দল থাকবে। মোট ১২টি দল অংশ নিচ্ছে, যেখানে প্রতি দলে ১০ জন করে মোট ১২০ জন ১০ বছরের কম বয়সী ক্ষুদে খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করবে।

৪টি গ্রুপে ভাগ করে ১২টি দলের মধ্যে প্রথম পর্বের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। চার গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল সেমিফাইনালে উঠবে এবং সেমিফাইনালের জয়ী দল ফাইনাল খেলায় মুখোমুখি হবে। অন্যদিকে পরাজিত দল দুটি ৩য় ও ৪র্থ স্থান নির্ধারণী ম্যাচে অংশ নেবে।

টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ও সহ-সভাপতি জনাব তারেক চৌধুরী বলেন, পরবর্তীতে আরও স্কুলগুলোকে আমরা যুক্ত করার চেষ্টা করবো। খেলোয়াড়রা বেসিক ট্রেনিং পেয়েছে। প্রতিটি স্কুলে কোচ পাঠানো হয়েছিল। দেশব্যাপী রাগবিকে জনপ্রিয় করতে হলে বাচ্চাদের যুক্ত করতে হবে।


​
তৃণমূলের প্রতিভা অন্বেষণ, শিশুদের প্রাথমিক স্তর থেকেই রাগবি খেলার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া, শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ভূমিকা রাখা এবং দলীয় সংহতি, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বের গুণাবলী তৈরির লক্ষ্যেই এ টুর্নামেন্টের আয়োজন। এছাড়া বাংলাদেশে রাগবি খেলাকে জনপ্রিয় করে তোলা এবং ভবিষ্যতের জন্য জাতীয় স্তরের খেলোয়াড় তৈরি করাও এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। এটি কোমলমতি শিশুদের মেধা বিকাশে এক অনন্য সুযোগ তৈরি করবে বলে আয়োজক সংস্থা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

মিনি রাগবি ফেস্টিভ্যাল -এ অংশগ্রহণকারী স্কুলের নাম:
মিতালী বিদ্যাপীঠ, সেন্ট গ্রেগরি স্কুল এন্ড কলেজ, সাউথ পয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ (শ্যামপুর), মেথডিস্ট ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, জুভেনাইল ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ও শহীদ নবী হাই স্কুল

আজ রাতে উয়েফা চ্যাম্পিনস লিগের মূল পর্বে উঠার প্লে-অফ লড়াই

0

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে আজ শেষ হচ্ছে প্লে-অফের লড়াই। প্রথম লেগের ৪ ম্যাচেই ড্র হওয়ায় লিগ পর্বে ওঠার লড়াইয়ে কেউই এগিয়ে নেই। লিওঁ-ফেনারবাচে, ভাইকিং-দিনামো জাগরেবসহ ৪ ম্যাচের জয়ী দল পাবে ইউরোপের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ক্লাব প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়নস লিগের ‘লিগ’ পর্বের টিকিট।” উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ শুরু হবে ৩৬টি ইউরোপ সেরা ক্লাব নিয়ে।

আজ ২৬ আগস্ট ২০২৬ দিবাগত রাত ১টায় উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ২০২৬-২৭ মৌসুমের প্লে-অফ রাউন্ডের দ্বিতীয় লেগের শেষ চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এই চার ম্যাচের বিজয়ীরা মূল লিগ পর্বে জায়গা করে নেবে। হেরে যাওয়া দলগুলো যাবে ইউরোপা লিগের লিগ পর্বে।

আজকের ৪ প্লে-অফ ম্যাচ

ক্লাবের নামপ্রথম লেগবর্তমান অবস্থা
এইকে বনাম লেভস্কি০–০দুই দলই সমতায়
ভাইকিং বনাম দিনামো জাগরেব২–২দুই দলই সমতায়
চেলিয়ে বনাম স্লোভান ব্রাতিস্লাভা১–১দুই দলই সমতায়
লিওঁ বনাম ফেনেরবাচে১–১দুই দলই সমতায়

সব ম্যাচের কিক-অফ বাংলাদেশ সময় রাত ১টায়

সবচেয়ে আকর্ষণীয় লড়াই: লিওঁ বনাম ফেনেরবাচে

প্রথম লেগে ইস্তাম্বুলে ১–১ গোলে ড্র করেছিল দুই দল। লিওঁর হয়ে গোল করেন লোইস ওপেন্ডা, আর ফেনারবাচের হয়ে সমতা ফেরান ম্যাসন গ্রিনউড। ফলে দ্বিতীয় লেগে কোনো দলই বাড়তি সুবিধা নিয়ে মাঠে নামছে না তবে লিওঁর মাঠে হওয়া ম্যাচে ফরাসি ক্লাবটির ওপরই থাকবে ঘরের মাঠের সুবিধা। অন্যদিকে ফেনারবাচের বড় ভরসা ম্যাসন গ্রিনউড ও রোমেলু লুকাকু। ম্যাচটি জিতলেই যে দল এগিয়ে যাবে, তারা লিগ পর্বে জায়গা করে নেবে।

ভাইকিং বনাম দিনামো জাগরেব:

প্রথম লেগে জাগরেবে ২-২ ড্র হওয়ায় এই ম্যাচটিও পুরোপুরি উন্মুক্ত। ডিনামোর হয়ে ডিওন ও মাতেও গোল করেছিলেন। ভিকিংয়ের হয়ে গোল করেন পিটার ও ত্রিপিক তবে ২য় লেগের এই ম্যাচটি হবে এবার নরওয়ের মাঠে।

চেলিয়ে বনাম স্লোভান:

স্লোভাকিয়ার মাঠে প্রথম লেগ ১-১ ড্র হয়েছিল। স্লোভান এর হয়ে রোমান আর চেলিয়ের হয়ে মিলট গোল করেন। দ্বিতীয় লেগে স্লোভেনিয়ার চিলিয়ে নিজেদের মাঠে খেলবে।

এইকে বনাম লেভস্কি:

প্রথম লেগে বুলগেরিয়ায় ০-০ ড্র হওয়ায় এই ম্যাচেও কোনো দলই সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। এইকে এর লুকা জোভিক প্রথম লেগে গোলের খুব কাছে গিয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। এবার গ্রিসের মাঠে নির্ধারিত হবে কে উঠবে চ্যাম্পিয়নস লিগের মূল লিগ পর্বে।

সারকথা: ২০২৬-২৭ চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বে সরাসরি ২৯টি দল জায়গা পেয়েছে। প্লে-অফ থেকে যোগ হবে আরও ৭ দল-ফলে মোট ৩৬ দল নিয়ে হবে লিগ পর্ব। আজকের চার ম্যাচের বিজয়ীরা সেই সাত দলের শেষ চারটি জায়গা পূরণ করবে। আগামীকাল ২৭ আগস্ট লিগ পর্বের ড্র অনুষ্ঠিত হবে। আর ২০২৬-২৭ মৌসুমের লিগ পর্ব শুরু হবে ৮ সেপ্টেম্বর।

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে গত দুই আসরের চ্যাম্পিয়নদের লড়াই  

0

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ট্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের শুরটা এবার মোটেও ভাল হয়নি। সিপিএলে সবচেয়ে বেশী ৫ বার চ্যাম্পিয়ন এই দলটি ২০১৭ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত টানা ৩ বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ৪ বছর বিরতির পর ২০২৫ সালে শিরোপা পুনরুদ্ধার করে। তবে এবার চ্যাম্পিয়নের মত শুরু করতে পারেনি। দলে কাইরন পোলার্ড নিকোলাস পুরান, সুনীল নারাইন এবং উসমান তারিকের মত পরিক্ষিত সৈনিক থাকলেও ৩ ম্যাচের একটি জয়ে ২ পয়েন্ট নিয়ে ৭ দলের এই টুর্নামেন্টে ৬ষ্ঠ স্থানে থেকে আজ মাঠে নামবে ৩য় স্থানে থাকা সেন্ট লুসিয়ার বিপক্ষে। অপরদিকে ২০২৪ সালে সিপিএলে ১বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সেন্ট লুসিয়া কিংস। বাংলাদেশ সময় আগামীকাল ভোর ৫ টায় গত দুই আসরের চ্যাম্পিয়নদের লড়াইটা মনে হয় বেশ জমে উঠবে।

ট্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক

টুর্নামেন্টের ১৭তম ম্যাচে আজ সেন্ট লুসিয়া কিংস কি পারবে নিজেদের অবস্থান ২ নম্বরে নিতে। কিংসদের আগে আছে অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স তাদেরও পয়েন্ট ৬ আজ জিতলে ৮ পয়েন্ট অর্জন করে টেবিলের ২য় স্থানে উঠে যাবে তবে রান রেটে ভাল করলে ১ নম্বরে থাকা বারমুদা ফ্যালকন্সকেও টপকে যেতে পারবে কারণ তাদেরও পয়েন্ট ৮। সমান পয়েন্ট হলে যারা নেট রান রেটে এগিয়ে থাকবে তাইরাই শীর্ষে থাকবে।

সেন্ট লুসিয়া কিংসের চেজ ব্যাট ও বল-দুই বিভাগেই দলের অন্যতম প্রধান খেলোয়াড়। আবার কামিল পুরান অল্প ম্যাচেই নজর কেড়েছেন—৪ ম্যাচে ১৬৮ রান, গড় ৫৬ এবং স্ট্রাইক রেট ও ভাল ১৭৮.৭২। বোলিংয়ে ম্যাথু ফোর্ডে ও রস্টন চেজ বড় ভূমিকা রাখতে পারেন। ফোর্ডে চেজ দু-জনেই ৬ ম্যাচে ১২টি করে উইকেট পেয়েছেন।

ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ট্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের এবারের শুরুটা প্রত্যাশামতো হয়নি। ৩ ম্যাচে মাত্র ১ জয়, ২ পয়েন্ট নিয়ে তারা টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে। অন্যদিকে সেন্ট লুসিয়া কিংস ৬ ম্যাচে ৩ জয় ও ৩ হার, ৬ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

সিপিএল- ২০২৬ পয়েন্ট টেবিল

অবস্থানদলম্যাচজয়হারপয়েন্টNRR
১Antigua & Barbuda Falcons৭৪৩৮-0.371
২Guyana Amazon Warriors৩৩০৬2.991
৩Saint Lucia Kings৬৩৩৬-0.250
৪Jamaica Kingsmen৬২৪৪-0.088
৫Barbados Tridents৩২১৪-0.276
৬Trinbago Knight Riders৩১২২-0.148
৭St Kitts & Nevis Patriots৪১৩২-0.794

ম্যাচ শুরুর আগে সর্বশেষ টেবিল।

সারকথা: পয়েন্ট টেবিলে পিছিয়ে থাকা ট্রিনবাগোর জন্য আজকের ম্যাচটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ—জিতলে প্লে-অফের দৌড়ে ফেরার সুযোগ তৈরি হবে, আর সেন্ট লুসিয়া যদি নেট রান রেট ভাল করে জিততে পারে তাহলে ৮ পয়েন্ট নিয়ে তারা ফ্যালকনসকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থানে উঠে যেতে পারে।

১০ সেপ্টেম্বর থেকে টেবিল টেনিসের উন্মুক্ত প্রাইজমানি র‌্যাংকিং টুর্নামেন্ট

0

আগামী ১০ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে উন্মুক্ত প্রাইজমানি র‌্যাংকিং টুর্নামেন্ট ২০২৬। প্রতিযোগিতায় অনূর্ধ্ব-১৯ বালক, অনূর্ধ্ব-১৯ বালিকা, পুরুষ ও মহিলা এই চারটি বিভাগে শুধুমাত্র একক ইভেন্টে খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

অনূর্ধ্ব-১৯ বালক বিভাগের সর্বশেষ র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ ১৬ জন খেলোয়াড় অনূর্ধ্ব-১৯ বালক বিভাগের পাশাপাশি পুরুষ বিভাগেও অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। অন্যদিকে, অনূর্ধ্ব-১৯ বালিকা বিভাগের খেলোয়াড়দের জন্য মহিলা বিভাগে অংশগ্রহণের সুযোগ উন্মুক্ত থাকবে।

প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে খেলোয়াড়দের ফেডারেশনের অফিসিয়াল বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট ০১৯১৯০১২৮৮৩-এ মেক পেমেন্টের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন ফি পাঠাতে হবে। এরপর bttf.org.bd/rt26 গুগল ফর্ম পূরণ করে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। প্রতিটি ডিসিপ্লিনে অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫১০ টাকা।

বিকাশের রেফারেন্সে অবশ্যই অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়ের নাম, কোন ডিসিপ্লিনে অংশ নিচ্ছেন, জেলা এবং যোগাযোগের জন্য একটি ওয়াটসঅ্যাপ নম্বর উল্লেখ করতে হবে। রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময় ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

টুর্নামেন্ট সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য টুর্নামেন্ট কমিটির আহ্বায়ক আনোয়ার কবির চৌধুরী বাবু (০১৭১১০৩১২৯৪) এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার সোহেল আহমেদ (০১৭১৬৯৯০৫২২)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে।

এই র‌্যাংকিং টুর্নামেন্টের মাধ্যমে ২০২৪ সালের র‌্যাংকিং পয়েন্ট প্রতিস্থাপিত হবে এবং এর ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের নতুন র‌্যাংকিং তালিকা আপডেট করা হবে।

লর্ডস টেস্টে ফিরছেন বাবর, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় পাকিস্তান

0

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের আগে বড় স্বস্তির খবর পেল পাকিস্তান। আঙুলের চোট কাটিয়ে লর্ডসে ফিরতে প্রস্তুত অধিনায়ক বাবর আজম। ম্যাচ শুরুর দুই দিন আগে অনুশীলনে পুরো ব্যাটিং সেশন করেছেন তিনি। নেটে পেসার, স্পিনার ও থ্রোডাউনের বিপক্ষে ব্যাট করে নিজের ফিটনেসেরও ভালো প্রমাণ দিয়েছেন বাবর।

পাকিস্তানের বোলিং কোচ উমর গুল জানিয়েছেন, অনুশীলনে বাবরকে বেশ ভালোই মনে হয়েছে। তার ভাষায়, বাবর পুরো ব্যাটিং সেশন করেছেন এবং ব্যাটিংয়ের সময় তাকে স্বচ্ছন্দ দেখিয়েছে। তাই লর্ডস টেস্টে তার খেলা প্রায় নিশ্চিত বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

বাবরের ফেরাটা পাকিস্তানের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটি প্রথম টেস্টের ফলই বলে দিচ্ছে। হেডিংলিতে দুই ইনিংসেই ব্যাটিংয়ে ভয়াবহ ব্যর্থ হয়েছিল পাকিস্তান। মাত্র ৮৬ ওভারের মধ্যেই তাদের দুই ইনিংস গুটিয়ে দেয় ইংল্যান্ড। দুই ইনিংস মিলিয়ে এত দ্রুত অলআউট হওয়া পাকিস্তানের ইতিহাসে অন্যতম হতাশাজনক পারফরম্যান্স এটি।

এই পরিস্থিতিতে বাবরের প্রত্যাবর্তন পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে বড় শক্তি যোগ করতে পারে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আগের সিরিজে দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন তিনি। দুইটি অর্ধশতকসহ ১৯৩ রান করেছিলেন বাবর, মাত্র দুইবার আউট হয়েছিলেন।

লর্ডস টেস্টে ফিরলে নেতৃত্বও ফিরে পাবেন বাবর। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের আগে আবারও পাকিস্তানের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাকে। ইংল্যান্ডের মাটিতে এবারই প্রথম পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেবেন তিনি। ২০২০ সালে ইংল্যান্ড সফরের পরই প্রথমবার অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পেয়েছিলেন বাবর।

বাবরের ফেরার কারণে পাকিস্তানের একাদশেও আসতে পারে পরিবর্তন। ওপেনার আজান আওয়াইসের বাদ পড়ার সম্ভাবনাই বেশি। বাবর চার নম্বরে ব্যাট করলে শান মাসুদ অথবা আবদুল্লাহ শফিকের একজনকে ওপেনিংয়ে উঠতে হতে পারে।

ইংল্যান্ডের মাটিতে বাবরের ব্যক্তিগত রেকর্ডও বেশ ভালো। ছয় ইনিংসে তিনটি অর্ধশতকসহ সেখানে তার ব্যাটিং গড় ৬৫.৭৫। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৪ ইনিংসে তার গড় ৫৩.৮৩। অর্থাৎ ইংলিশদের বিপক্ষে প্রতি দুই ইনিংসের একটিতে অন্তত পঞ্চাশ বা তার বেশি রান করেছেন পাকিস্তানের এই তারকা ব্যাটার।

তবে শুধু বাবর ফিরলেই যে পাকিস্তানের সমস্যার সমাধান হবে না, সেটিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন উমর গুল। তার মতে, হেডিংলির ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে তিন বিভাগেই ভালো করতে হবে দলকে। একটি বিভাগ অন্যটিকে টেনে জিতিয়ে দিতে পারবে না।

বিশেষ করে ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে বোলারদের ওপর বাড়তি দায়িত্ব দেখছেন পাকিস্তানের বোলিং কোচ। তার মতে, টেস্ট জিততে হলে প্রতিপক্ষের ২০টি উইকেট নিতে হবে। আর সেই কাজটি করতে হলে বোলারদেরই সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে হবে।

লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্ট শুরুর আগে তাই পাকিস্তানের সামনে সমীকরণ পরিষ্কার, বাবরের প্রত্যাবর্তনকে কাজে লাগিয়ে ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ানো এবং বোলিংয়ে ইংল্যান্ডের ২০ উইকেট তুলে নেওয়া। প্রথম টেস্টের দুঃস্বপ্ন ভুলে সিরিজে সমতা ফেরানোর লক্ষ্যেই মাঠে নামবে বাবরের পাকিস্তান।

চার গোলের লিড নিয়েও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে গেল সেল্টিক, দায় নিলেন ও’নিল

0

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফে অবিশ্বাস্য বিপর্যয়ের শিকার হয়েছে সেল্টিক। অস্ট্রিয়ার রাইফাইসেন অ্যারেনায় লাস্কের বিপক্ষে চার গোলের অ্যাগ্রিগেট লিড নিয়েও শেষ পর্যন্ত ৫-৪ ব্যবধানে হেরে গেছে স্কটিশ চ্যাম্পিয়নরা। অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো ম্যাচে এমন নাটকীয় পতনের পর দলের ব্যর্থতার পুরো দায় নিজের কাঁধে নিয়েছেন সেল্টিক কোচ মার্টিন ও’নিল।

এক বছর আগে কাজাখস্তানের ক্লাব কাইরাত আলমাটির কাছে পেনাল্টি শুটআউটে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এই পর্যায় থেকেই বিদায় নিয়েছিল সেল্টিক। সেই হতাশার এক বছর পর এবারও একই জায়গায় এসে আরও বড় ধাক্কা খেল তারা। তবে এবারের ব্যর্থতার ধরন ছিল আরও অবিশ্বাস্য।

লাস্কের বিপক্ষে প্রথম লেগের পর চার গোলের অ্যাগ্রিগেট সুবিধায় ছিল সেল্টিক। অর্থাৎ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মূল পর্বে ওঠার পথে তাদের অবস্থান ছিল বেশ শক্ত। কিন্তু দ্বিতীয় লেগে দ্বিতীয়ার্ধে হঠাৎ করেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে দলটি। একের পর এক আক্রমণে সেল্টিকের রক্ষণ ভেঙে পড়ে। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পরও ম্যাচের উত্তেজনা কাটেনি, গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

সেখানেও নিজেদের সামলাতে পারেনি সেল্টিক। পাঁচ গোল হজম করে শেষ পর্যন্ত ৫-৪ অ্যাগ্রিগেট ব্যবধানে বিদায় নেয় তারা। চার গোলের লিড থেকে এমন পরাজয় ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় সেল্টিকের অন্যতম ভয়াবহ রাত হয়ে থাকল।

ম্যাচ শেষে ব্যর্থতার দায় এড়াননি কোচ মার্টিন ও’নিল। সরাসরি নিজের দায়িত্ব স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘এই ম্যাচের জন্য আমিই দায়ী।’ ২০০৩ সালের উয়েফা কাপ ফাইনালে হারের হতাশা কাটিয়ে উঠতে তার অনেক সময় লেগেছিল বলেও জানান তিনি। তবে তার মতে, সেই ফাইনালের সঙ্গে এই ব্যর্থতার তুলনা চলে না, কারণ এবার এমন একটি বাছাইপর্বের ম্যাচ ছিল, যেটি সেল্টিকের সহজেই পার হওয়ার কথা ছিল।

ও’নিল আরও স্বীকার করেছেন, বর্তমান সেল্টিক এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত দল হয়ে উঠতে পারেনি। তার ভাষায়, দলটি যে এখনও অনেক দূরে রয়েছে, সেটি তারা আগেই জানতেন। তবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা করে নিতে না পারায় এখন শুধু মাঠের ব্যর্থতাই নয়, আর্থিকভাবেও বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হবে ক্লাবটিকে।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মূল পর্বে খেললে যে বিশাল অর্থ আসত, সেটি এবার আর আসছে না। একই সঙ্গে এই প্রতিযোগিতার মর্যাদা ব্যবহার করে নতুন খেলোয়াড় দলে টানার যে সুযোগ ছিল, সেটিও কমে গেল। ও’নিল নিজেই স্বীকার করেছেন, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ থাকলে অনেক খেলোয়াড় সেল্টিকে যোগ দিতে আগ্রহী হতেন। এখন সেই বাস্তবতা বদলে গেছে।

শুধু কোচ নন, দলের সিনিয়র খেলোয়াড়রাও নিজেদের দায় স্বীকার করেছেন। সেল্টিক অধিনায়ক ক্যালাম ম্যাকগ্রেগর ম্যাচ শেষে বলেন, এই ফল তারা প্রাপ্য ছিল। পুরো ম্যাচে দল ছিল নিষ্ক্রিয় এবং জয়ের জন্য যথেষ্ট আগ্রাসী ছিল না।

ম্যাকগ্রেগরের মতে, প্রথম লেগেও সেল্টিক খুব ভালো খেলেনি। শুধু গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করে তারা পরিস্থিতি নিজেদের পক্ষে রেখেছিল। এবার সেই সুযোগও কাজে লাগাতে পারেনি দল। সমর্থক ও ক্লাবের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি বলেন, এত বড় ব্যবধান থেকে কোনোভাবেই ম্যাচ হারার কথা ছিল না।

ম্যাকগ্রেগর আরও জানান, সেল্টিকের হয়ে খেললে এমন ধাক্কার পর দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতেই হবে। কারণ বড় ক্লাবের হয়ে খেলার অর্থই হলো কঠিন মুহূর্তে প্রতিক্রিয়া দেখানো।

সাবেক সেল্টিক অধিনায়ক স্কট ব্রাউনও দলের পারফরম্যান্সে হতাশ। তার মতে, শুরুতে ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর মনে হয়েছিল সেল্টিক নিয়ন্ত্রণে আছে। কিন্তু এরপর ম্যাচের চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। লাস্কের দুই ফরোয়ার্ড শারীরিকভাবে শক্তিশালী ছিলেন এবং সেল্টিকের ওপর নিয়মিত চাপ তৈরি করেছেন।

সাবেক সেল্টিক কোচ নিল লেননের চোখেও দলটিকে ক্লান্ত ও দ্বৈরথে ভঙ্গুর মনে হয়েছে। তার মতে, ম্যাচের একটা পর্যায়ের পর মনে হচ্ছিল একমাত্র লাস্কই জিততে যাচ্ছে। শারীরিক ও ফুটবল, দুই দিক থেকেই অস্ট্রিয়ান দলটি সেল্টিককে চাপে ফেলেছিল।

আর সাবেক মিডফিল্ডার স্টিলিয়ান পেট্রভের বক্তব্য আরও সরাসরি, তার মতে এই ব্যর্থতার দায় সবার। তিনি আরও বলেন, সেল্টিকের মতো বড় একটি ক্লাবের চার গোলের অ্যাগ্রিগেট লিড ধরে রেখে পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়া উচিত ছিল।

সব মিলিয়ে চার গোলের লিড থেকে পাঁচ গোল হজম করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের স্বপ্নভঙ্গ হওয়ার বিষয়টি সেল্টিকের জন্য এটি শুধু একটি পরাজয়ই নয় বরং তার চেয়েও বড় কিছু। সব মিলিয়ে এখান থেকে ক্লাবটির জন্য ঘুরে দাঁড়ানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ। আর সেই চ্যালেঞ্জে সবচেয়ে বড় দায়িত্বটা যে কোচ মার্টিন ও’নিলের কাঁধেই, সেটি ম্যাচ শেষে নিজেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।

আলকারাজ-সেরেনার তারকা জুটিতে জমজমাট ইউএস ওপেন, কোয়ার্টারেই শেষ অভিযান

0

ইউএস ওপেনের মিক্সড ডাবলসে এবার ছিল তারকাদের মিলন। আর সেই তালিকায় সবচেয়ে বেশি আলো কেড়েছে কার্লোস আলকারাজ ও সেরেনা উইলিয়ামসের জুটি। স্প্যানিশ টেনিসের বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় তারকা আলকারাজের সঙ্গে জুটি বেঁধে চার বছর পর নিজের ঘরের গ্র্যান্ড স্লামে ফিরেছিলেন ২৩ বারের গ্র্যান্ড স্লামজয়ী সেরেনা। শেষ পর্যন্ত কোয়ার্টার ফাইনালে থামতে হলেও তাদের উপস্থিতি ঘিরে ইউএস ওপেনে তৈরি হয় দারুণ উন্মাদনা।

টুর্নামেন্টের নতুন করে সাজানো মিক্সড ডাবলস ফরম্যাট নিয়ে অবশ্য শুরু থেকেই ছিল আলোচনা-সমালোচনা। অনেক প্রতিষ্ঠিত ডাবলস খেলোয়াড়ের পরিবর্তে শীর্ষ একক তারকাদের আকর্ষণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। তবে আলকারাজ-সেরেনার ম্যাচে দর্শকদের উপস্থিতি সেই তারকা-নির্ভরতার জনপ্রিয়তাই যেন প্রমাণ করেছে।

আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে তাদের ম্যাচ দেখতে হাজির হয়েছিলেন প্রায় ১৫ হাজার দর্শক। গ্যালারিজুড়ে ছিল উচ্ছ্বাস আর করতালির ঝড়। আলকারাজ ও সেরেনা কোর্টে নামার সময়ই গর্জে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম।

প্রথম ম্যাচেই ব্রিটেনের লয়েড গ্লাসপুল ও নিউজিল্যান্ডের এরিন রাউটলিফের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় পায় আলকারাজ-সেরেনা জুটি। ৫-৩ ও ৪-১ গেমে ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কাটেন তারা। শুরুতে কিছুটা বোঝাপড়ার ঘাটতি থাকলেও ম্যাচ যত গড়িয়েছে, ততই ছন্দ খুঁজে পেয়েছেন দুজন। শেষ নয়টি গেমের আটটিই জিতে প্রথম ম্যাচে জয় নিশ্চিত করেন তারা।

এই ম্যাচটি আলকারাজের জন্যও ছিল বিশেষ। কব্জির চোটের কারণে এপ্রিলের পর আর কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলেননি সাতবারের গ্র্যান্ড স্লামজয়ী এই স্প্যানিশ তারকা। অন্যদিকে সেরেনা নিউইয়র্কে ফিরলেন ২০২২ সালে টেনিস থেকে সরে দাঁড়ানোর পর প্রথমবার। ফলে দুজনের এই জুটি শুধু একটি ম্যাচ নয়, বরং দুই ভিন্ন প্রজন্মের টেনিস তারকার বিশেষ পুনর্মিলনও হয়ে ওঠে।

সেরেনার বয়স এখন ৪৪ বছর। অথচ কোর্টে তার প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতায় এতটুকুও ভাটা দেখা যায়নি। আলকারাজের সঙ্গে পয়েন্ট জেতার পর দুজনকে একে অপরকে উচ্ছ্বাসের সঙ্গে উৎসাহ দিতে দেখা যায়। মুখে ছিল হাসি, আর প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের পর ছিল উদযাপন।

ম্যাচের এক পর্যায়ে প্রান্ত বদলের সময় আলকারাজকে সেরেনার সঙ্গে খেলার অনুভূতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, তিনি ‘এক এবং একমাত্র সেরেনা উইলিয়ামসের’ পাশে খেলছেন। তাই তার কাজ ছিল সেরেনার দেওয়া নির্দেশনা মেনে খেলা এবং মুহূর্তটি উপভোগ করা।

এই জুটির মধ্যে বয়সের ব্যবধানও ছিল দারুণ আলোচনার বিষয়। ১৯৯৮ সালে ম্যাক্স মিরনির সঙ্গে জুটি বেঁধে ইউএস ওপেনের মিক্সড ডাবলস শিরোপা জিতেছিলেন সেরেনা। সেই শিরোপা জয়ের পাঁচ বছর পর জন্ম আলকারাজের। প্রায় তিন দশক পর একই প্রতিযোগিতায় আবারও মিক্সড ডাবলসে কোর্টে নামলেন সেরেনা, এবার তার সঙ্গী টেনিসের নতুন প্রজন্মের অন্যতম মুখ আলকারাজ।

তবে রূপকথার মতো এই যাত্রা শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালে পৌঁছাতে পারেনি। কোয়ার্টার ফাইনালে ইতালির বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের ছয় নম্বর খেলোয়াড় ফ্লাভিও কোবোল্লি ও সুইজারল্যান্ডের বেলিন্ডা বেনচিচের মুখোমুখি হন তারা। কঠিন লড়াইয়ের পর আলকারাজ-সেরেনাকে ৫-৪ (৭-৪), ৪-১ গেমে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় কোবোল্লি-বেনচিচ জুটি।

তবে ফলাফল যাই হোক, আলকারাজ ও সেরেনার এই জুটি ইউএস ওপেনের নতুন মিক্সড ডাবলস ফরম্যাটকে দিয়েছে বাড়তি আকর্ষণ। একদিকে চোট কাটিয়ে আলকারাজের প্রতিযোগিতামূলক টেনিসে প্রত্যাবর্তন, অন্যদিকে চার বছর পর সেরেনার ইউএস ওপেনে ফেরা; —দুই গল্পকে এক সুতোয় বেঁধে দিয়েছে এই বিশেষ জুটি। আর তাই কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায় নিলেও আলকারাজ-সেরেনার এই অধ্যায়টিই হয়ে থাকল ইউএস ওপেনের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত।

টিভিতে আজকের খেলা, ২৬ আগস্ট ২০২৬

প্রতিদিনের মতো আজও টেলিভিশনের পর্দায় থাকছে দেশ-বিদেশের নানা গুরুত্বপূর্ণ খেলা। ক্রিকেট, ফুটবলসহ বিভিন্ন অঙ্গনের এসব ম্যাচের মধ্যে কোনটি কখন এবং কোন চ্যানেলে সরাসরি দেখা যাবে; চলুন জেনে নেওয়া যাক আজকের টিভিতে খেলার সূচি।

ক্রিকেট
শ্রীলঙ্কা-ভারত
দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট, চতুর্থ দিন
সরাসরি, সকাল ১০-৩০ মিনিট, সনি টেন-১

টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজ
নিউজিল্যান্ড এ- ভিক্টোরিয়া
সরাসরি, সকাল ৬-৩০ মিনিট, টি স্পোর্টস

ফুটবল
লা লিগা
ভ্যালেন্সিয়া-বেতিস
সরাসরি, রাত ১টা, টি স্পোর্টস