Home Blog Page 46

হেডিংলিতে ইংল্যান্ডের বড় লিড, উসমানের একার লড়াই

0

হেডিংলির বৃষ্টিবিঘ্নিত দ্বিতীয় দিনে ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের হাফ সেঞ্চুরির মিছিলে বড় লিড পেয়েছে স্বাগতিকরা। তবে দিনটি পুরোপুরি ইংল্যান্ডের একচেটিয়া হয়নি। পাকিস্তানের হয়ে একাই আলো ছড়িয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার আলী উসমান। ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে তিনি ইংল্যান্ডের অগ্রযাত্রায় কিছুটা হলেও লাগাম টেনেছেন।

দিন শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩৬৬ রান। পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসের ১৭১ রানের জবাবে স্বাগতিকদের লিড দাঁড়িয়েছে ১৯৫ রানে।

ইংল্যান্ডের ইনিংসের সবচেয়ে বড় আক্ষেপের নাম হ্যারি ব্রুক। নিজের মাঠ হেডিংলিতে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেও সেঞ্চুরি থেকে ৯ রান দূরে থামেন তিনি। ৯৩ বলে ৯১ রান করে আলী উসমানের বলেই বোল্ড হন ব্রুক। টানা দ্বিতীয় হেডিংলি টেস্টে শতকের খুব কাছে গিয়েও ব্যর্থ হলেন এই ইয়র্কশায়ার ব্যাটসম্যান। গত গ্রীষ্মে ভারতের বিপক্ষে করেছিলেন ৯৯।

জো রুটও শতকের পথে এগোচ্ছিলেন। ইংল্যান্ডের অধিনায়কত্বে নিজের ৬৬তম টেস্ট খেলতে নেমে করলেন ৬৬ রান। কিন্তু তিনিও ইনিংস বড় করতে পারেননি। টেস্ট ক্রিকেটে এটি রুটের ৬৮তম পঞ্চাশোর্ধ্ব কিন্তু শতকের নিচে থেমে যাওয়া ইনিংস।

নতুনদের মধ্যেও ছিল উজ্জ্বলতা। জর্ডান কক্স খেলেছেন ৭৩ রানের ইনিংস। এটি তাঁর প্রথম টেস্ট অর্ধশতক। ড্যান লরেন্স করেছেন ৫১ রান।

পাকিস্তানের হয়ে পাঁচ উইকেট নেওয়া আলী উসমান

বৃষ্টির কারণে দিনের খেলা শুরু হতে দেরি হলেও ইংল্যান্ড দ্রুত রান তুলেছে। পাকিস্তানের বোলারদের অনিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথের সুযোগ নিয়ে মাত্র ৫৭ ওভারে ৩৬৬ রান তোলে স্বাগতিকরা। রানরেট ছিল ওভারপ্রতি ৪.৪৬।

তবে পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণে ব্যতিক্রম ছিলেন আলী উসমান। ৯২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেটের কীর্তি গড়েন তিনি। দ্বিতীয় দিনে ইংল্যান্ডের পাঁচ ব্যাটসম্যান পঞ্চাশের বেশি রান করলেও উসমানের ধারালো বোলিং পাকিস্তানকে ম্যাচে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে।

তবু ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এখন স্পষ্টতই ইংল্যান্ডের হাতে। প্রথম ইনিংসে ১৯৫ রানের লিড নিয়ে তৃতীয় দিনে পাকিস্তানের সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার অবস্থানে রয়েছে স্বাগতিকরা।

৫৯ বছর বয়সে গোল করে , ইতিহাস গড়লেন জাপানের ‘কিং কাজু’

0

কিং কাজুর বয় ৫৯ বছর ১৪৯ দিন।

কিং কাজুর আসল নাম কাজুইউশি মিউরা। কাজু ফুটবল খেলেই চলেছেন থামার নাম নেই। প্রতিনিয়ত লিখছেন নতুন ইতিহাস। এবার জাপানের এমপেরর’স কাপে জোড়া গোল করে রেকর্ড গড়লেন জাপানের জাতীয় দলের সাবেক এই ফুটবলার। ৫৯ বছর বয়সে গোল করে ইতিহাস গড়েছেন ‘কিং কাজু’।

জাপানের এমপেরর’স কাপে গোল করে টুর্নামেন্টের ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি বয়সী গোলদাতা হয়েছেন তিনি। প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে এটিই সবচেয়ে বেশি বয়সে গোলের রেকর্ড। বর্তমানে পেশাদার ফুটবলে নিজের ৪২তম মৌসুম খেলছেন মিউরা। বুধবার ফুকুশিমা ইউনাইটেডের হয়ে ওয়ামা সকার ক্লাবের বিপক্ষে জোড়া গোল করেন তিনি। তবে দুটি গোলই এসেছে পেনাল্টি থেকে।

কিং কাজুর জোড়া গোলে ৭-০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে ফুকুশিমা সেই সাথে এমপেরর’স কাপের প্রথম রাউন্ড থেকে ২য় রাউন্ডেও উঠেছে তার দল।

কাজুইউশি মিউরার আগে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোলের রেকর্ড করেছিলেন জাপানের সাবেক মিডফিল্ডার শিনজি ওনো। ৪১ বছর বয়সে এমপেরর’স কাপে গোল করেছিলেন ওনো। এবার ৫৯ বছর বয়সে গোল করে সেই রেকর্ড ভেঙেছেন কিং কাজু। ৪ বছর পর গত মাসে প্রতিযোগিতাটির বাছাইপর্বেও গোল করেছিলেন মিউরা। তবে এবার গোল পেলেন মূল পর্বে।

কাজুইউশি মিউরা কিং কাজু

রহস্যময় ফুটবলার: এত বয়সে খেলা এবং রেকর্ড গড়া নিয়ে জিজ্ঞেস করলে মিউরা বলেন নিয়মিত অনুশীলনই তার সাফল্যের রহস্য। আর পেনাল্টির অনুশীলন তিনি নিয়মিত করতেন। তিনি বলেন ‘কখন সুযোগ আসবে, কেউ জানে না। তাই আমি সব সময় পেনাল্টির অনুশীলন করি। কাজে লাগাতে পেরে বেশ ভালো লাগছে।’

১৯৬৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাপানের শিজুওকায় জন্ম মিউরার। কিশোর বয়সেই ফুটবল খেলতে ব্রাজিলে পাড়ি জমান তিনি। ১৯৮৬ সালে সান্তোসের হয়ে পেশাদার ফুটবলে অভিষেক।

কিং কাজু জাপান জাতীয় দলের হয়েও দীর্ঘদিন খেলেছেন। ১৯৯০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ৮৯ ম্যাচে করেছেন ৫৫ গোল। ২০১২ সালে জাপানের হয়ে ফুটসাল বিশ্বকাপেও অংশ নিয়েছিলেন মিউরা।

সারকথা: ‘প্র্যাকটিস মেক এ ম্যান পারফেক্ট’ সত্যি কিং কাজুর জন্য যেন এই কথাই সত্যি হল। আসলে মনের জোর বলে কথা, পাশাপাশি নিয়মিত অনুশীল করে শরীর ফিট রেখে তিনি যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তা থেকে তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে সকল বয়সী মানুষ মনে করতে পারেন বয়স আসলেই দুই ডিজিটের একটা সংখ্যা মাত্র।

টিভিতে আজকের খেলা: ২১ আগষ্ট ২০২৬

ম্যাকাইয়ে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় টেস্ট শুরু আগামীকাল সকাল ৬টায়। হেডিংলিতে চলছে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান টেস্ট।

ক্রিকেট
হেডিংলি টেস্ট-৩য় দিন
ইংল্যান্ড-পাকিস্তান
বিকেল ৪টা, সনি স্পোর্টস ৫

ম্যাকাই টেস্ট-১ম দিন
বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া
আগামীকাল সকাল ৬টা, ট্যাপম্যাড ও স্টার স্পোর্টস ১

হকি
বিশ্বকাপ
বেলা ১-৩০ মি., টি স্পোর্টস

ফুটসাল
বাংলাদেশ ফুটসাল লিগ
বেলা ২-৩০ মি., টি স্পোর্টস ইউটিউব

ফুটবল
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
আর্সেনাল-কভেন্ট্রি সিটি
রাত ১টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১

লা লিগা
বেতিস-সোসিয়েদাদ
রাত ১টা, বিগিন অ্যাপ

কুইন সুলিভানকে থাপ্পড় – শাস্তির ঝুঁকিতে মেসি

0

যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে ইন্টার মায়ামি। তবে ম্যাচের ফলাফলের চেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে লিওনেল মেসির আচরণ। প্রতিপক্ষের তরুণ ফুটবলার কুইন সুলিভানকে থাপ্পড় মারার অভিযোগে এখন শাস্তির মুখে পড়তে পারেন আর্জেন্টাইন তারকা।

ম্যাচের প্রথমার্ধে দুর্দান্ত এক গোল করে মায়ামিকে এগিয়ে দেন মেসি। দলের আরেকটি গোলেও তার সরাসরি অবদান ছিল। ফলে বিরতির আগেই ম্যাচে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে মায়ামি।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘটে বিতর্কিত ঘটনা। মাঠের এক পাশে বলের বাইরে থাকা অবস্থায় সুলিভানের একটি মুভমেন্ট নিয়ে আপত্তি জানান মেসি। তার অভিযোগ, সুলিভান তাকে কনুই দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করেছিলেন।

ঘটনার পর সুলিভানের কাছ থেকে কোনো ক্ষমা না পেয়ে মেসি উত্তেজিত হয়ে পড়েন। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, এক পর্যায়ে তিনি সুলিভানের মাথার পেছনে হাত দিয়ে আঘাত করেন। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সুলিভানও মেসির দিকে এগিয়ে গেলে দুই দলের খেলোয়াড় ও ম্যাচ কর্মকর্তারা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ঘটনাটির সময় মেসিকে কোনো কার্ড দেখাননি রেফারি। তবে মাঠের বাইরে থেকে বিষয়টি পর্যালোচনা করতে পারে এমএলএসের ডিসিপ্লিনারি কমিটি। অফ-দ্য-বল সহিংস আচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে মেসিকে সর্বোচ্চ দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে। অপরাধের মাত্রা তুলনামূলক কম মনে হলে জরিমানা কিংবা সতর্কতামূলক ব্যবস্থাও নিতে পারে কর্তৃপক্ষ।

২০২৬ মৌসুমে মায়ামির হয়ে এখন পর্যন্ত ১৩ গোল ও ৮টি অ্যাসিস্ট করেছেন মেসি। শিরোপার লড়াইয়ে দলের অন্যতম প্রধান ভরসা এই তারকা। তাই শাস্তি পেলে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তার অনুপস্থিতি মায়ামির জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।

এ বছর হচ্ছে না বিপিএল-তামিম

চলতি বছর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। গত দুই আসরে লোকসানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাড়াহুড়ো করে টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চাইছে না বোর্ড। সবকিছু নতুন করে গুছিয়ে আগামী বছর বিপিএল ফেরানোর পরিকল্পনা করছে তারা।

আজ বিপিএল নিয়ে আলোচনায় বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, ‘এ বছর বিপিএল হচ্ছে না। আমরা একটা ফর্মুলা নিয়ে কাজ করছি।’

গত দুই বছরে বিপিএল আয়োজন করতে গিয়ে বিসিবির প্রায় ৪০ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট থেকে বোর্ডের লাভ করার কথা, লোকসান নয়—মনে করেন তামিম। তিনি বলেন, ‘ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট থেকে বিসিবির লাভ করার কথা, লোকসান করার কথা নয়। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা এই সমস্যাগুলো ঠিক করতে পারছি না, ততক্ষণ লোকসান করে টুর্নামেন্ট আয়োজন করা গুরুত্বপূর্ণ নয়।’

তবে বিপিএল বন্ধ করে দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বিসিবির। বরং সময় নিয়ে টুর্নামেন্টটিকে নতুন কাঠামোয় ফেরাতে চায় বোর্ড। তামিম বলেন, ‘আমাদের এটা করার শতভাগ ইচ্ছা আছে। কিন্তু আমি তাড়াহুড়ো করতে চাই না। আমি সবকিছু সঠিকভাবে করতে চাই। এতে যদি ছয় মাস বা ১২ মাস সময়ও লাগে, আমি সেটা নেব।’

ফ্র্যাঞ্চাইজিদের সঙ্গে এরই মধ্যে যোগাযোগ শুরু করেছে বিসিবি। যেসব দলের বকেয়া, ব্যাংক গ্যারান্টি কিংবা অন্যান্য জটিলতা রয়েছে, সেগুলো ধাপে ধাপে সমাধানের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে আগামী আসরের জন্য পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত করতে চায় বোর্ড।

তামিম জানিয়েছেন, আগামী বছর এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে ফ্র্যাঞ্চাইজি-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য তাঁদের। তাঁর ভাষায়, ‘আগে যেটা হতো, একেবারে শেষ মুহূর্তে সবকিছু করা হতো। এবার আমরা যথেষ্ট সময় নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত করতে চাই, যাতে কেউ শেষ মুহূর্তে সরে গেলে আমাদের বিকল্প খোঁজার সময় থাকে।’

চাইলেই দ্রুত কয়েকটি দল দাঁড় করিয়ে বিপিএল আয়োজন করা সম্ভব বলে মনে করেন তামিম। তবে সেই পথে হাঁটতে চান না তিনি। তাঁর কাছে টুর্নামেন্টের সুষ্ঠু আয়োজন এবং বিসিবির মর্যাদা বজায় রাখাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তামিম বলেন, ‘আমি চাইলে কালকেই পাঁচটা দল দাঁড় করিয়ে দিতে পারি, কিন্তু আমি সেটা করব না। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো সুষ্ঠু ক্রিকেট এবং বিসিবির মর্যাদা বজায় রাখা। এ জন্য যদি সমালোচনাও শুনতে হয়, আমি প্রস্তুত।’

তাই এ বছর বিপিএল না হলেও আগামী আসরকে আরও পরিকল্পিত ও টেকসইভাবে আয়োজন করতে চায় বিসিবি। শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়োর বদলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ও টুর্নামেন্টের কাঠামো চূড়ান্ত করার লক্ষ্য বোর্ডের।

শান্তর অধিনায়কত্বে মুগ্ধ হয়ে গেছি: অশ্বিন

স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে বাংলাদেশ। দলের এই জয়ের পেছনে পেসার হাসান মাহমুদ ও ব্যাটার তানজিদ হাসান তামিমের অবদানের পাশাপাশি অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বেরও প্রশংসা করেছেন ভারতের সাবেক স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

শান্তর অধিনায়কত্বে মুগ্ধ হয়েছেন জানিয়ে অশ্বিন বলেন, ‘আমি তার অধিনায়কত্বে মুগ্ধ হয়ে গেছি। তিনি বোলারদের যেভাবে ব্যবহার করলেন, নিজের ব্যাট হাতে অবদান রাখলেন এবং আক্রমণাত্মক ভঙ্গিমায় খেললেন-এক কথায় অসাধারণ। নাথান লায়নকে সুবিধা করতেই দেননি। বাংলাদেশের জন্য এই জয় অনেক বড়।

বাংলাদেশের পেসারদের প্রশংসা করে অশ্বিন বলেন, প্রথম ইনিংসে তাদের ফাস্ট বোলিং আক্রমণই জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিল। তাসকিন আহমেদ দারুণ জায়গায় বল করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। হাসান মাহমুদেরও প্রশংসা করেছেন অশ্বিন। তানজিদ হাসানের ব্যাটিংয়েও মুগ্ধ অশ্বিন।

তাঁর মতে, তানজিদ পুরো আধিপত্য বজায় রেখে ব্যাট করেছেন। শান্তর ব্যাটিং ছিল চমৎকার, আর নিচের দিকে মেহেদী হাসানও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে কোনো সুযোগই দেয়নি বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রেখেই সিরিজ জিততে চায় বাংলাদেশ

ডারউইনে প্রথম টেস্টে বড় জয় দিয়ে অস্ট্রেলিয়া সফর শুরু করেছে বাংলাদেশ। ৯ উইকেটের সেই জয়ে টাইগারদের প্রশংসায় মেতেছে ক্রিকেটবিশ্ব। এবার সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ম্যাকাইয়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দুই দল। প্রথম ম্যাচের সাফল্যের কৌশল ধরে রেখেই স্বাগতিকদের চাপে ফেলে সিরিজ জিততে চায় বাংলাদেশ।

ম্যাকাইয়ে আজ বৃহস্পতিবার অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ দল। অনুশীলন শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দলের পরিকল্পনা জানিয়েছেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। তাঁর লক্ষ্য, দীর্ঘ সময় ব্যাট করে প্রথম ইনিংসেই বড় সংগ্রহ গড়ে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলা।

সিমন্স বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেট পাঁচ দিনের খেলা। এই পাঁচ দিনের মধ্যে আমার দল যদি ১১০ ওভার ব্যাট করতে পারে, তাহলে প্রতিপক্ষ দল নিশ্চিতভাবেই চাপে পড়বে। টেস্ট ক্রিকেট খেলাটা আমি এভাবেই শিখেছি।’

প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহের গুরুত্বও তুলে ধরেছেন বাংলাদেশের কোচ। তাঁর মতে, দীর্ঘ সময় ব্যাট করার পাশাপাশি স্কোরবোর্ডে বড় রান তুলতে পারলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সহজ হবে।

সিমন্স বলেন, ‘আপনি ব্যাট করবেন, বড় স্কোর গড়বেন। প্রথম ইনিংসে বড় রান তোলা সবসময়ই ভালো। এরপর প্রতিপক্ষকে চাপের মুখে ফেলবেন। আমরাও সেটাই করার চেষ্টা করছি। ব্যাট করে প্রথম ইনিংসে বড় রান তুলতে চাই এবং এটা নিশ্চিত করতে চাই, যেন আমাদের স্কোরে পৌঁছাতে প্রতিপক্ষকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়।’

ডারউইনে প্রথম টেস্টে দাপুটে জয়ের পর বাংলাদেশের সামনে এখন সিরিজ নিশ্চিত করার সুযোগ। অন্যদিকে ঘরের মাঠে হারের ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়াতে চাইবে অস্ট্রেলিয়া। ফলে ম্যাকাইয়ের দ্বিতীয় টেস্টে দুই দলের লড়াইয়ে চাপ ও পাল্টা চাপের ক্রিকেটই দেখার অপেক্ষা

ভারত, কুয়েত ও কিরগিজস্তানের গ্রুপে বাংলাদেশ ফর্টিস

এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের মূল পর্বে কঠিন গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশের ক্লাব ফর্টিস এফসি। ‘সি’ গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ ভারতের এফসি গোয়া, কুয়েতের কাদসিয়া এসসি ও কিরগিজস্তানের এফসি রেগার-তাদজ। বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রুপ পর্বের ড্র।

মূল পর্বের ম্যাচ হবে ১৭ থেকে ২৪ অক্টোবর। ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে কুয়েতে। প্রিলিমিনারি রাউন্ডে মুরাস ইউনাইটেডকে ১-০ গোলে হারিয়ে মূল পর্বের টিকিট পেয়েছে ফর্টিস। বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় পাওয়া সেই সাফল্য এবার কুয়েতেও ধরে রাখার কঠিন পরীক্ষায় পড়তে হবে মাসুদ পারভেজ কায়সারের দলকে। কারণ, গ্রুপের তিন প্রতিপক্ষই ইতিহাস ও সাফল্যের দিক থেকে ফর্টিসের চেয়ে অনেক এগিয়ে।

এফসি গোয়া ২০১৯-২০ মৌসুমে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের চ্যাম্পিয়ন। ভারতের ঘরোয়া ফুটবলেও সাম্প্রতিক সময়ে তারা বেশ সফল। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ মৌসুমে জিতেছে সুপার কাপ।

কুয়েতের কাদসিয়ার সাফল্যের গল্প আরও সমৃদ্ধ। কুয়েত প্রিমিয়ার লিগে তাদের শিরোপা ১৭টি। সর্বশেষবার তারা লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ২০১৫-১৬ মৌসুমে। কুয়েত আমির কাপেও ১৭ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ক্লাবটি।

কিরগিজস্তানের রেগার-তাদজও ঘরোয়া ফুটবলে সফল দল। তাদের ট্রফি কেবিনেটে রয়েছে লিগাই ওলি তজিকিস্তোনের সাতটি শিরোপা এবং তাজিকিস্তান ট্রফির আটটি ট্রফি।

তুলনায় ফর্টিসের অর্জনের তালিকা বেশ ছোট। বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের শীর্ষ স্তরের ফুটবলে উঠে আসাই তাদের এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য সাফল্য। গত লিগেও তারা তৃতীয় হয়েছিল। বসুন্ধরা কিংস ও আবাহনী ফিফার নিষেধাজ্ঞায় থাকায় এবার এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে খেলার সুযোগ পেয়েছে ফর্টিস।

তবে সুযোগ পাওয়ার পর প্রিলিমিনারি রাউন্ডের বাধা পেরিয়ে মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে তারা। এবার কুয়েতে আরও বড় চ্যালেঞ্জ-এশিয়ার অভিজ্ঞ ও সফল তিন ক্লাবের বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়া।

বাংলাদেশের বিপক্ষে কঠিনভাবে ঘুরে দাঁড়াবে অস্ট্রেলিয়া: ডোনাল্ড

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে ড্রয়ের চিন্তায় রক্ষণাত্মক হয়ে পড়া যাবে না বলে বাংলাদেশকে সতর্ক করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি পেসার অ্যালান ডোনাল্ড। ডারউইনে যে পরিকল্পনা ও মানসিকতা নিয়ে বাংলাদেশ খেলেছে, ম্যাকাইয়েও সেটিই ধরে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন সাবেক এই পেসার।

দুই ম্যাচের সিরিজের প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটিই বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়। সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশের সামনে এখন অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজ জয়ের হাতছানি।

তবে দ্বিতীয় টেস্টে স্বাগতিকেরা যে সর্বশক্তি নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে, সেটিই মনে করিয়ে দিয়েছেন ডোনাল্ড। ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের পেস বোলিং কোচের দায়িত্ব পালন করা ৫৯ বছর বয়সী সাবেক এই পেসার দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে অডিও বার্তায় এএফপিকে বলেন, ‘বাংলাদেশকে দ্বিতীয় টেস্টে গুঁড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে অস্ট্রেলিয়া তাদের সব অস্ত্র নিয়ে মাঠে নামবে।’

দুই ম্যাচের সিরিজে এক ম্যাচ জিতলেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করার সুযোগ থাকায় বাংলাদেশ রক্ষণাত্মক মানসিকতায় চলে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ডোনাল্ডের। তাঁর মতে, ড্রয়ের চিন্তা করে নিজেদের স্বাভাবিক খেলা থেকে সরে যাওয়া যাবে না।

ডোনাল্ড বলেন, ‘দুই ম্যাচের সিরিজে সহজেই বলা যায়, “আসলে কিছুই হয়নি; আমরা সিরিজ হারতে পারি না।” এরপর রক্ষণাত্মক হয়ে ভাবা যায়, “যদি ম্যাচটা ড্র করতে পারি, তাহলে আমাদের কাজ হয়ে গেছে।”’

তাঁর পরামর্শ, ডারউইনে যে পরিকল্পনা কাজে দিয়েছে, সেটির ওপরই বিশ্বাস রাখতে হবে বাংলাদেশকে। প্রথম টেস্টের জয়ের পেছনে দলের মানসিক দৃঢ়তাকেও বড় করে দেখছেন তিনি।

প্রথম টেস্টের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর বিষয়টি ডোনাল্ডের কাছে বিশেষভাবে প্রশংসনীয়।

‘আগের ম্যাচে ৫৪ রানে অলআউট হওয়ার পর সত্যি বলতে কিছুটা ধাক্কা লাগতেই পারে। কিন্তু এরপর তাদের প্রতিক্রিয়াটা ছিল অসাধারণ,’ বলেন তিনি।

বাংলাদেশের পেস বোলিং আক্রমণেরও প্রশংসা করেছেন ডোনাল্ড। তাঁর সময়ের পর বাংলাদেশ যে পেস বোলিংয়ে আরও গভীরতা তৈরি করেছে, সেটিতে সন্তুষ্ট সাবেক এই কোচ। বিশেষ করে হাসান মাহমুদের সাম্প্রতিক ফর্মে মুগ্ধ তিনি।

ডোনাল্ড বলেন, ‘তারা আধিপত্য বিস্তার করে বোলিং করেছে। হাসান এখন অবিশ্বাস্য ফর্মে আছে। তার জন্য আমি খুবই খুশি।’

হাসানের দক্ষতার কথা মনে করে তিনি বলেন, ‘কয়েক বছর আগে নেটে যখন প্রথম তাকে দেখেছিলাম, তখনই মনে হয়েছিল, এই ছেলেটির দক্ষতা আছে। তার নিয়ন্ত্রণ অসাধারণ; বলকে একেবারে নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলতে পারে এবং দুই দিকেই সুইং করাতে পারে।’

ডারউইনে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের গভীরতাও ফুটে উঠেছে বলে মনে করেন ডোনাল্ড। চোটের কারণে নাহিদ রানা না থাকলেও বাংলাদেশ যে শক্তিশালী পেস আক্রমণ নিয়ে মাঠে নামতে পেরেছে, সেটিকে দলের জন্য ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছেন তিনি।

ডোনাল্ডের ভাষায়, ‘একটি বোলিং আক্রমণের গভীরতা কতটা কার্যকর, তা বোঝা যায় যখন নাহিদ রানা না থাকলে ইবাদত হোসেনের মতো একজন এসে তার কাজটা করে দিতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটা একটি বোলিং আক্রমণের গভীরতা সম্পর্কে অনেক কিছু বলে। এটা দেখতে ভালো লাগছে, বাংলাদেশ তাদের বোলিং লাইনআপে গভীরতা তৈরি করছে।’

প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে বড় ধাক্কা দেওয়া বাংলাদেশের সামনে এখন আরও কঠিন পরীক্ষা। ডোনাল্ডের বার্তা অবশ্য পরিষ্কার—অস্ট্রেলিয়ার সম্ভাব্য পাল্টা আক্রমণের কথা মাথায় রেখেও নিজেদের পরিকল্পনা থেকে সরে যাওয়া যাবে না।

দ্বিতীয় টেস্টে একাদশ নিয়ে সিমন্সের ভাবনা

ডারউইনে ইতিহাস গড়ার পর এবার ম্যাকাইয়ে দ্বিতীয় টেস্টের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটের বড় জয় পাওয়া বাংলাদেশ আত্মবিশ্বাসে এগিয়ে থাকলেও একাদশ নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। চোট কাটিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়া বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলামকে খেলানো হবে কি না, সেটিও জানা যাবে ম্যাচের আগের দিন।

আগামী ২২ আগস্ট ম্যাকাইয়ে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। প্রথম ম্যাচ জিতে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। ডারউইনের সাফল্যের পর এবার সিরিজ জয়ের হাতছানি টাইগারদের সামনে।

শরিফুলের ফেরায় বোলিং আক্রমণে বিকল্প বেড়েছে বাংলাদেশের। তবে জয়ের একাদশে পরিবর্তনের সম্ভাবনা খুব বেশি নয় বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন সিমন্স। সংবাদ সম্মেলনে চার পেসার খেলানোর সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আসলে এটা এখনো ঠিক করিনি। কালকে ঠিক করব।’

শরিফুলকে নিয়ে সিমন্সের প্রশংসা অবশ্য স্পষ্ট। তিনি বলেন, ‘সে আমাদের দলে ভিন্ন কিছু এনে দেয়। তবে মাত্রই টেস্ট ম্যাচ জিতলাম। ফলে জেতার একাদশে বদল আনার সম্ভাবনা কম। এগুলো শুধুই সম্ভাবনা, কালকে সিদ্ধান্ত নেব।’

ম্যাকাইয়ের উইকেট নিয়েও আশাবাদী বাংলাদেশ কোচ। তাঁর চোখে এটি ভালো টেস্ট উইকেট। সিমন্স বলেন, ‘পিচ দারুণ। কিছুটা ঘাস আছে। অনেক শক্ত। ভালো টেস্ট উইকেট। প্রতিটি উইকেটই ব্যাটারদের জন্য ভালো। ব্যাপারটা হচ্ছে আপনি ঠিকভাবে ব্যাট করছেন কিনা।’

ম্যাকাইয়ের ম্যাচ পাঁচ দিন গড়াবে কি না, এমন প্রশ্নে অবশ্য নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি সিমন্স। হাসতে হাসতে বলেছেন, ‘আসলে আমি জানি না। সম্ভবত তাকে (কিউরেটর) এসে বলতে হবে। এখনই বলতে পারছি না।’

ডারউইন থেকে ম্যাকাইয়ে যেতে দলের দীর্ঘ যাত্রা নিয়েও কথা বলেছেন বাংলাদেশ কোচ। ফ্লাইট বিলম্বের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ফ্লাইট পিছিয়ে যাওয়া তো কারও হাতে নেই। এটা আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। তবে এটাই হয়েছে আমাদের সঙ্গে। এখানে নিরাপদে পৌঁছেছি, ফলে এটাই বেশি জরুরি।’

শরিফুল ফেরায় বোলিং আক্রমণে ভালো বিকল্প তৈরি হয়েছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে সিমন্স মনে করিয়ে দিয়েছেন, শুরু থেকেই তাঁর হাতে পর্যাপ্ত পেসার ছিল। তিনি বলেন, ‘আমাদের সবসময়ই হাতে ভালো অপশন ছিল। দলে সবসময়ই পাঁচজন পেসার ছিল। অন্য পেসাররা ছিল এখানে। তিনজন খেলিয়েছি আগের ম্যাচে, বড় জয় এসেছে। কালকে পরের ম্যাচে কয়জন খেলাব, তা ঠিক করব।’

ডারউনে টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলার অভিজ্ঞতা কন্ডিশন বুঝতে কতটা কাজে দিয়েছে, সেটিও ব্যাখ্যা করেছেন সিমন্স। তাঁর মতে, মাঠে নেমে পারফর্ম করার বিকল্প নেই। তিনি বলেন, ‘এসব নিয়ে কথা বললে ভালো ব্যাপার। তবে এরপরেও আপনাকে মাঠে গিয়ে খেলতে হবে, নিজের কাজটা করতে হবে।’

বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের প্রশংসাও করেছেন তিনি। সিমন্স বলেন, ‘তারা, মুশি (মুশফিকুর রহিম) এবং মুমিনুলও (মুমিনুল হক) ভালো করেছে। বাকিদের এখানে এসে অনেক কিছু শিখতে হয়েছে। যে কারণে প্রথমে এসেই আমাদের তিন দিনের ম্যাচ খেলতে হয়েছে। এসবের মাধ্যমেই কন্ডিশন বুঝতে পেরেছি আমরা।’

ম্যাকাইয়ে বাতাসের প্রবাহ বেশি হওয়ায় ব্যাটারদের সমস্যা হতে পারে কি না, এমন প্রশ্নেও খুব বেশি চিন্তিত নন সিমন্স। তাঁর মতে, দুই দলকেই একই পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। ‘ডারউইনেও অনেক বাতাস ছিল। দুই দলকেই এভাবে খেলতে হবে। ভালোভাবে মানিয়ে নিতে হবে। আগে আসতে পেরে তাই ভালোই হয়েছে। আমরা জানি এখানে কী কন্ডিশন। ছেলেদের কেবল মানিয়ে নিয়ে ভালো খেলতে হবে।’

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশের সামনে এখন সিরিজ জয়ের সুযোগ। ম্যাকাইয়ে সেই ইতিহাস আরও বড় করতে হলে প্রথম টেস্টের মতোই কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে বাংলাদেশকে।