Home Blog Page 47

যে কারণে বল কেটে দুই ভাগ করে নিলেন রবিনসন-টাং

লিডসে সিরিজের প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে ১৭১ রানে অলআউট করেছে ইংল্যান্ড। স্বাগতিকদের হয়ে বল হাতে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন ওলি রবিনসন ও জশ টাং। দুজনেই পেয়েছেন ৫টি করে উইকেট। তবে তাঁদের বোলিংয়ের পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে আরও একটি ঘটনা-ফাইফার পাওয়ার পর ক্রিকেট বলটি দুই ভাগ করে নিয়েছেন দুজন।

সাধারণত পাঁচ উইকেট পাওয়ার পর বোলাররা ম্যাচের স্মৃতি হিসেবে ব্যবহৃত বলটি রেখে দেন। রবিনসন ও টাংও চেয়েছিলেন বলটি স্মৃতি হিসেবে রাখতে। কিন্তু দুজন একই ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ায় বলটি ভাগাভাগি করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। পরে মাঠকর্মীরা বলটি সমানভাবে দুই ভাগ করে দেন।

বিষয়টি প্রথমে রবিনসনের মাথাতেই আসে। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, মাঠ ছাড়ার সময় টাংকে বলেছিলেন, বলটি তাঁদের ভাগাভাগি করে নেওয়া উচিত। টাংও তাতে সম্মতি দেন।

রবিনসনের ভাষায়, ‘আমার মনে হয় বলটা আমাদের ভাগাভাগি করে নেওয়া উচিত।’ এরপর দুজনের সম্মতিতেই বলটি দুই ভাগ করার সিদ্ধান্ত হয়।

রবিনসন মনে করেন, ক্রিকেটে এমন ঘটনা খুব একটা দেখা যায় না। তাই এটি তাঁদের জন্য বিশেষ এক স্মৃতি হয়ে থাকবে। তাঁর মতে, একই ইনিংসে দুজন বোলারের পাঁচ উইকেট নেওয়াও বিরল। সেই সঙ্গে বল ভাগ করে নেওয়ার ঘটনাটি তাঁদের বন্ধুত্বপূর্ণ সৌজন্যেরও স্মারক হয়ে থাকবে।

টাংও বিষয়টি নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত। তিনি জানান, রবিনসনই প্রথম বলটি ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাব দেন। মাঠকর্মীরা সেটি চমৎকারভাবে অর্ধেক করে দিয়েছেন। জীবনে প্রথমবার এমন ঘটনা দেখেছেন জানিয়ে টাং বলেন, বলটির নিজের পাওয়া অংশটি তিনি স্মৃতি হিসেবে সংরক্ষণ করবেন।

ম্যাচে রবিনসনের শিকার ছিলেন আজান আওয়াইস, শান মাসুদ, আবদুল্লাহ শফিক, খুররম শাহজাদ ও সাউদ শাকিল। ১৮ ওভারে ৩ মেডেনসহ ৫১ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন তিনি।

অন্যদিকে টাং সাজঘরে ফেরান ইমাম-উল-হক, অধিনায়ক সালমান আলী আঘা, মোহাম্মদ রিজওয়ান, আলী উসমান ও মোহাম্মদ আব্বাসকে। রবিনসনের চেয়ে অর্ধেকেরও কম ওভার বোলিং করেছেন টাং। ৯.১ ওভারে ৪৬ রান দিয়ে পেয়েছেন ৫ উইকেট।

দ্বিতীয় টেস্টের আগে মুশফিকের আঙুলে চোট

ম্যাকাইয়ে বাংলাদেশ দলের অনুশীলনে বৃহস্পতিবার আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন তানজিদ হাসান। গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় দুপুরে দলের নেট অনুশীলনের পুরোটা সময় প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশারের সঙ্গে নেটের এক পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন এই ওপেনার। তবে ব্যাট হাতে তাঁকে অনুশীলনে দেখা যায়নি।

এর আগে অবশ্য মূল স্টেডিয়ামে দলের সঙ্গে ওয়ার্মআপ ও ফিল্ডিং অনুশীলন করেছেন তানজিদ। দলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ঘাড়ের আড়ষ্টতার কারণে আজ ব্যাটিং অনুশীলন করেননি তিনি। টিম ম্যানেজমেন্টও এ নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চায়নি। সে কারণে আজ তাঁকে ব্যাটিং থেকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। তাঁর অনুপস্থিতিতে সাদমান ইসলামের সঙ্গে ব্যাটিং অনুশীলন শুরু করেন সৌম্য সরকার।

টেস্ট শুরুর আগে হাতে আরও এক দিন সময় থাকায় তানজিদের চোট নিয়ে এখনই খুব বেশি চিন্তিত নয় টিম ম্যানেজমেন্ট। তাদের আশা, দ্রুত সুস্থ হয়ে কালকের অনুশীলনে পুরোপুরি ফিরতে পারবেন ডারউইন টেস্টে সেঞ্চুরি করা এই ওপেনার।

এদিকে আজকের অনুশীলনে অস্বস্তিকর এক ঘটনার মুখে পড়েছেন মুশফিকুর রহিমও। নেটে ব্যাটিংয়ের সময় আঙুলে বলের আঘাত পেয়ে উইকেটেই বসে পড়েন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। পরে অবশ্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে আবারও ব্যাটিং অনুশীলনে ফেরেন তিনি। ফলে তাঁর চোটের মাত্রা নিয়ে আপাতত বড় কোনো শঙ্কার খবর পাওয়া যায়নি।

অনুশীলনে আজ দীর্ঘ সময় বোলিং করেছেন পেসার শরীফুল ইসলাম। তাঁকে আলাদাভাবে পরামর্শ দিতে দেখা গেছে প্রধান কোচ ফিল সিমন্সকে। দ্বিতীয় টেস্টের আগে দলের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারদের চোট ও ফিটনেসের বিষয়টি তাই নজরে রাখছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

অস্ট্রেলিয়াকে যে বার্তা দিলেন লারা

ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের পেস আক্রমণের সামনে রীতিমতো অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে অস্ট্রেলিয়া। ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে যাওয়া ম্যাচটি অস্ট্রেলিয়ার জন্য ‘ওয়েক-আপ কল’ হিসেবে দেখছেন অনেকে। এমন পরিস্থিতিতে খেলোয়াড় নির্বাচন নিয়ে কঠোর হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাতেও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ক্যারিবীয় কিংবদন্তি ব্রায়ান লারা।

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে আগামী ২২ আগস্ট, ম্যাকাইয়ে। এর আগে ডারউইন টেস্টে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে না পারা জ্যাক ওয়েদারল্ডকে বাদ দিয়ে দলে নেওয়া হয়েছে ম্যাট রেনশকে। জর্জ বেইলির নেতৃত্বাধীন নির্বাচক প্যানেলের এই সিদ্ধান্ত দেখে অস্ট্রেলিয়াকে সতর্ক করেছেন লারা।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম ‘কোড স্পোর্টস’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লারা বলেছেন, একসঙ্গে অনেক খেলোয়াড়কে ছাঁটাই কিংবা অবসরে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়। তাঁর মতে, পরিবর্তন হওয়া উচিত ধাপে ধাপে।

‘এক-দুজন খেলোয়াড়ের অবসর সমস্যা নয়। সমস্যা তখনই, যখন অনেকেই একসঙ্গে চলে যায়। ধাপে ধাপে বদল হওয়াই ভালো। যদি একসঙ্গে চার-পাঁচজন মূল ক্রিকেটার বিদায় নেয়, এই রিজার্ভ দল নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হবে।’

ডেভিড ওয়ার্নারের পর অস্ট্রেলিয়ার আরেক অভিজ্ঞ ওপেনার উসমান খাজাও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন। অন্যদিকে প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড, নাথান লায়ন ও স্টিভ স্মিথের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররাও ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে চলে এসেছেন। অল্প সময়ের ব্যবধানে তাঁদের একসঙ্গে বিদায় হলে অস্ট্রেলিয়ার দলে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন লারা।

বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার রিজার্ভ বেঞ্চ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে তাঁর। অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট কাঠামো বেশ শক্তিশালী এবং প্রতিভাবান ক্রিকেটারের পাইপলাইনও কম নয়। তবে একসঙ্গে একাধিক অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের বিদায় সেই কাঠামোর ওপর বড় চাপ তৈরি করতে পারে।

লারার এই সতর্কবার্তার পেছনে রয়েছে তাঁর নিজের অভিজ্ঞতাও। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সোনালি প্রজন্মের আকস্মিক পতন খুব কাছ থেকে দেখেছেন তিনি। ১৯৯১ সালের ইংল্যান্ড সফরের পর অল্প সময়ের ব্যবধানে গর্ডন গ্রিনিজ, ভিভ রিচার্ডস ও জেফ ডুজন বিদায় নেন। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়েন কিংবদন্তি পেসার ম্যালকম মার্শালও। ফলে একঝটকায় বদলে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটের চিত্র।

নিজের ক্যারিয়ার শুরুর সময়ের সেই অভিজ্ঞতা তুলে ধরে লারা বলেন, ‘১৯৯২ সালের দিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্ষেত্রে এমনটাই ঘটেছিল, যখন গর্ডন গ্রিনিজ, ভিভ রিচার্ডস, ম্যালকম মার্শাল ও জেফ ডুজনদের মতো খেলোয়াড়রা অল্প সময়ের ব্যবধানে দল ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।’

তখন মাত্র ২২ বছর বয়সী লারা দলে থাকলেও তাঁর সঙ্গে থাকা অনেক বড় নাম নিয়মিত পারফর্ম করতে পারছিলেন না। সেই পরিবর্তনের ধাক্কা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দীর্ঘদিন ভুগিয়েছে। তাই একই ধরনের পরিস্থিতিতে যেন অস্ট্রেলিয়াকে পড়তে না হয়, সে কারণেই আগেভাগে সতর্ক করলেন ক্যারিবীয় কিংবদন্তি।

বাংলাদেশের কাছে ডারউইনে বড় পরাজয়ের পর অস্ট্রেলিয়া এখন ঘুরে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছে। ম্যাকাই টেস্টে দল নির্বাচন ও অভিজ্ঞদের ওপর নির্ভরতার পাশাপাশি নতুনদের প্রস্তুত করার বিষয়টিও তাই অস্ট্রেলিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

মেসির জাদুতে ঘুরে দাঁড়াল মায়ামি

0

টানা হারের হতাশা, রক্ষণভাগের দুর্বলতা আর সাম্প্রতিক ব্যর্থতার ভার নিয়ে ফিলাডেলফিয়ায় নেমেছিল ইন্টার মায়ামি। ম্যাচের শুরুটাও ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। কিন্তু যখন দলের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তখন আবারও সামনে এলেন লিওনেল মেসি। এক গোল এবং দারুণ এক আক্রমণ তৈরির মধ্য দিয়ে আর্জেন্টাইন মহাতারকা মায়ামিকে টেনে তুললেন কঠিন পরিস্থিতি থেকে।

জয় আসেনি, কিন্তু লিওনেল মেসির আলো ছড়ানো থামেনি। তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে মাঠ ছেড়েছে ইন্টার মায়ামি। ম্যাচটিতে দুই দলকেই একটি করে লাল কার্ড দেখতে হয়েছে।

বুধবার রাতে সুবাড়ু পার্কে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন। ম্যাচের ১১ মিনিটেই সাবেক মায়ামি ফরোয়ার্ড ইন্ডিয়ানা ভাসিলেভের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। পিছিয়ে পড়ে চাপে পড়ে মায়ামি।

তবে খুব দ্রুতই ম্যাচে ফেরে সফরকারীরা। মেসির উঁচু করে বাড়ানো বল ফিলাডেলফিয়ার রক্ষণ পেরিয়ে পৌঁছায় লুইস সুয়ারেজের কাছে। উরুগুইয়ান তারকার হেড থেকে বল যায় তরুণ ড্যানিয়েল পিন্টারের সামনে। সহজ সুযোগ কাজে লাগিয়ে সমতা ফেরান ১৯ বছর বয়সী পিন্টার। এটি ছিল মায়ামির দ্বিতীয় দল থেকে মূল দলে উঠে আসা এই তরুণের মেজর লিগ সকারে প্রথম গোল।

সমতা ফেরানোর পাঁচ মিনিট পরই মঞ্চ নিজের করে নেন মেসি। ছোট জায়গার মধ্যে তিন ডিফেন্ডারের চাপ এড়িয়ে বাঁকানো শটে বল জালে পাঠান তিনি। মুহূর্তেই নীরব হয়ে যায় গ্যালারিভর্তি দর্শক।

ফিলাডেলফিয়ার মিলন ইলস্কি

বিশ্বকাপ বিরতির পর এটি ছিল মেসির প্রথম গোল। একই সঙ্গে বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুর দুই সপ্তাহ পর মাঠে ফিরে এটি তাঁর প্রথম গোল। ব্যক্তিগত শোকের সময়েও দলের জন্য এমন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে গোল করে মেসি যেন আবারও নিজের অসাধারণ মানসিক দৃঢ়তার পরিচয় দিলেন।

এই গোলের মাধ্যমে চলতি মৌসুমে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১৩-তে। গোলদাতাদের তালিকায় তিনি দ্বিতীয় স্থানে থাকা খেলোয়াড়দের সঙ্গে যৌথভাবে অবস্থান করছেন।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে আবারও উত্তেজনা ফেরায় ফিলাডেলফিয়া। ৫৮ মিনিটে মুক্ত কিক থেকে আসা বলে মিলান ইলোস্কির ক্রসে কাছ থেকে হেড করে গোল করেন ১৮ বছর বয়সী হাইতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ডিফেন্ডার নিল পিয়ের। ম্যাচে ফিরে আসে সমতা।

বিশ্বকাপ বিরতির পর তিন ম্যাচে টানা হারের মুখ দেখা মায়ামির জন্য এই ম্যাচে মেসির গোল তাই শুধু একটি ব্যক্তিগত অর্জন নয়, দলের আত্মবিশ্বাস ফেরানোরও বড় বার্তা। আগস্টে পাঁচ ম্যাচে ১৩ গোল হজম করা মায়ামি যখন নিজেদের দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে, তখনও একটি সত্য বদলায়নি-মেসিকে থামানোর পরিকল্পনা করা যায়, কিন্তু তাঁকে পুরোপুরি থামানো যে কত কঠিন, ফিলাডেলফিয়ার রাতটি আবারও তার প্রমাণ দিল।

চলতি মেজর লিগ সকার মৌসুমেও দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন মেসি। ১৭ ম্যাচে তাঁর গোল ১৩টি, সহায়তা ৮টি। সতীর্থদের জন্য ৪৬টি গুরুত্বপূর্ণ পাস দিয়েছেন এবং তৈরি করেছেন ১৫টি বড় গোলের সুযোগ।

নতুন মুখের ঝলকে আতলেতিকোর শুভসূচনা

0

নতুন মৌসুমের প্রথম ম্যাচে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে আতলেতিকো মাদ্রিদকে। মালাগার জমাট রক্ষণভাগ ভাঙতে শুরুতে হিমশিম খেতে হয়েছে দিয়েগো সিমিওনের দলকে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য নতুন দুই তারকার দুর্দান্ত নৈপুণ্যে হাসিমুখেই লা লিগার নতুন মৌসুম শুরু করেছে মাদ্রিদের দলটি। বুধবার নিজেদের মাঠ মেট্রোপলিতানোয় মালাগাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে আতলেতিকো।

ম্যাচের নায়ক অভিষিক্ত লি কাং-ইন। গ্রীষ্মকালীন দলবদলে দলে যোগ দেওয়া দক্ষিণ কোরিয়ার এই তারকা ৭০ মিনিটে অসাধারণ এক গোলে আতলেতিকোকে এগিয়ে দেন। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে দুর্দান্ত এক ফ্রি কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আলেক্স বায়েনা।

প্রথমার্ধে দুই দলের লড়াইয়ে আক্রমণের ঝলক খুব বেশি দেখা যায়নি। আতলেতিকোর রদ্রিগো মেন্দোসার একটি প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন মালাগার গোলরক্ষক আলফোনসো হেরেরো। বিরতির পর অবশ্য আক্রমণের গতি বাড়ায় স্বাগতিকরা।

আদেমোলা লুকম্যানের প্রচেষ্টা রুখে দেন হেরেরো। এরপর কার্লোস মার্তিন, লি কাং-ইন ও দাভিদ হানকো গোলের সুযোগ পেলেও লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। মালাগার রক্ষণভাগ যখন দৃঢ়ভাবে ম্যাচ ধরে রাখার চেষ্টা করছিল, তখনই আলো ছড়ান লি।

ফ্রি কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আলেক্স বায়েনা

হানকোর লম্বা পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডান দিক থেকে ভেতরে ঢোকেন তিনি। এরপর তিনজন রক্ষণভাগের খেলোয়াড়কে কাটিয়ে বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে বল পাঠান দূরের পোস্টের ভেতর দিয়ে জালে। অভিষেক ম্যাচেই এমন গোল করে মেট্রোপলিতানোর দর্শকদের উচ্ছ্বাসে ভাসান তিনি।

গোলের পরও থেমে থাকেনি আতলেতিকো। হানকোর হেড একবার গোলবারের ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। তবে ম্যাচের শেষদিকে আরেকটি দারুণ মুহূর্ত উপহার দেন বায়েনা। বক্সের ঠিক বাইরে তাঁকে ফেলে দিলে ফ্রি কিক পায় আতলেতিকো। সেই সুযোগ থেকে দেয়ালের ওপর দিয়ে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠিয়ে জয় নিশ্চিত করেন তিনি।

ম্যাচ শেষে সিমিওনে দুই গোলদাতার প্রশংসা করে বলেন, শুধু লি বা বায়েনাকে আলাদা করে প্রশংসা করা ঠিক হবে না। দুজনই দারুণ খেলেছেন এবং দুটি গোলই ছিল অসাধারণ। তাঁর মতে, মালাগাও খুব ভালো ম্যাচ খেলেছে।

গত মৌসুম শেষে অঁতোয়ান গ্রিজমানের বিদায়ের পর আতলেতিকোর আক্রমণভাগে শূন্যতা তৈরি হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নও ওঠে। তবে সিমিওনে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি গ্রিজমানের মতো কাউকে খুঁজছেন না। তাঁর ভাষায়, প্রত্যেক খেলোয়াড় আলাদা এবং বায়েনা বর্তমানে দারুণ ছন্দে রয়েছেন।

লিডসে ইংল্যান্ডের দাপট, পাকিস্তান অলআউট ১৭১

0

লিডস টেস্টের প্রথম দিনে মেঘলা আকাশের নিচে বল হাতে ইংল্যান্ডের দাপটের সামনে আবারও ব্যাটিং ধসের পুরোনো রোগে আক্রান্ত হলো পাকিস্তান। অলি রবিনসনের পাঁচ উইকেট এবং জশ টংয়ের চার উইকেটে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৭১ রানে গুটিয়ে গেছে সফরকারীরা। জবাবে দিন শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১১২ রান। হাতে ৮ উইকেট রেখে পাকিস্তানের চেয়ে মাত্র ৫৯ রানে পিছিয়ে স্বাগতিকরা।

মেঘাচ্ছন্ন হেডিংলির সকালে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্তের সুফল প্রথম বলেই পান ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট। অলি রবিনসনের ইনসুইং বলে শূন্য রানে বিদায় নেন আজান আওয়াইস। এরপর শান মাসুদও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। রবিনসনের আরেকটি দারুণ বল তাঁকে ফিরিয়ে দিলে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান।

বৃষ্টির কারণে দীর্ঘ বিরতির পর অবশ্য ইনিংস গুছিয়ে তোলেন আবদুল্লাহ শফিক (৬১) ও ইমাম-উল-হক (৪২)। দুজনের ৯১ রানের জুটিতে কিছুটা স্বস্তি ফেরে পাকিস্তান শিবিরে। সাবলীল ব্যাটিংয়ে পরিস্থিতিও ধীরে ধীরে সহজ হয়ে উঠেছিল। কিন্তু শতরানের জুটির আগেই ইমামের ভুলে সেই প্রতিরোধ ভেঙে যায়।

জস টং পাঁচ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের লেজ গুটিয়ে দেন
জস টং পাঁচ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের লেজ গুটিয়ে দেন

জশ টংয়ের বল অফ স্টাম্পের বাইরে খোঁচা দিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে ধরা পড়েন ইমাম। এরপর রবিনসনের আগুনে স্পেল পাকিস্তানের ইনিংসকে দ্রুত ধসিয়ে দেয়। আবদুল্লাহ শফিক, সৌদ শাকিলসহ পাকিস্তানের মধ্যসারি দ্রুত সাজঘরে ফেরে। পরে সালমান আলি আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও তা দীর্ঘ হয়নি।

শেষ পর্যন্ত টং পাকিস্তানের লেজ গুঁড়িয়ে দিলে মাত্র ১৭১ রানেই থামে ইনিংস। রবিনসন নেন পাঁচ উইকেট, টং চারটি। পাকিস্তানের শেষ আট উইকেট পড়ে মাত্র ৭৪ রানে।

জবাবে শুরুতে দ্রুত রান তোলে ইংল্যান্ড। তবে মোহাম্মদ আব্বাস বেন ডাকেটকে এবং মোহাম্মদ আলি এমিলিও গেকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে ম্যাচে ফেরার আশা দেখান। কিন্তু এরপর অধিনায়ক রুট ও তিন নম্বরে নামা জর্ডান কক্স দৃঢ়ভাবে দিনের খেলা শেষ করেন।

প্রথম দিনের হিসাব বলছে, লিডসে এখন নিয়ন্ত্রণ ইংল্যান্ডের হাতেই। দ্বিতীয় দিনের সকালে রুট-কক্সের জুটি কতদূর এগোয় এবং পাকিস্তানের বোলাররা নতুন করে প্রতিরোধ গড়তে পারেন কি না, সেটিই হতে যাচ্ছে ম্যাচের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। আজ বিকাল চারটায় শুরু হবে দ্বিতীয় দিনের খেলা। জর্ডান কক্স ২৩ ও জো রুট ৩৭ রানে ব্যাটিং শুরু করবেন। ইংল্যান্ডের আউট হওয়া দুই ব্যাটার বেন ডাকেট করেছেন ১৫ রান। ইমিলিও গে’র সংগ্রহ ছিল ৩৩ রান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
পাকিস্তান ১ম ইনিংস:
১৭১/১০ (আবদুল্লাহ শফিক ৬১ ও ইমাম-উল-হক ৪২, সালমান আগা ২১; রবিনসন ৫/৫১, জস টং ৫/৪৬)।
ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: ১১২/২ (২৫ ওভার)। (ডাকেট ১৫, গে ৩৩, কক্স ২৩* ও জো রুট ৩৭*; আব্বাস ১/৩৪, মোহাম্মদ আলী ১/৩৮)।

টিভিতে আজকের খেলা: ২০ আগষ্ট ২০২৬

হেডিংলিতে চলছে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান প্রথম টেস্ট। আজ দ্বিতীয় দিনের খেলা। চলেছে নারী ও পুরুষ বিশ্বকাপ হকিও।

ক্রিকেট
হেডিংলি টেস্ট-২য় দিন

ইংল্যান্ড-পাকিস্তান
বিকেল ৪টা, সনি স্পোর্টস ৫

হকি
বিশ্বকাপ

বেলা ১-৩০ মি., টি স্পোর্টস

ফুটসাল
বাংলদেশ ফুটসাল লিগ
বেলা ২-৩০ মি., টি স্পোর্টস ইউটিউব

লা লিগা
ভায়েকানো-আলাভেস
রাত ১টা, বিগিন অ্যাপ

কার্লোস বালেবাকে দলে নিতে চায় ম্যান ইউ

0

মাঝমাঠের শক্তি বাড়াতে ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়নের ক্যামেরুনিয়ান মিডফিল্ডার কার্লোস বালেবাকে ওল্ড ট্রাফোর্ডে ওড়াতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ২২ বছর বয়সী এই তারকাকে পাওয়ার জন্য রেড ডেভিলরা ব্রাইটনের কাছে ৭০ মিলিয়ন ইউরো এবং অতিরিক্ত ৬ মিলিয়ন ইউরো অ্যাড-অনসের একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে।

ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম ইএসপিএন জানিয়েছে, ইউনাইটেড মনে করছে ব্রাইটন ২২ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের জন্য কম মূল্যের প্রস্তাব গ্রহণে রাজি হতে পারে, যার ফলে তার প্রতি নতুন করে আগ্রহ জেগেছে।

তাদের নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করা হলে ব্রাইটন বালেবার ক্লাব ছাড়ার অনুমতি দিতে রাজি আছে। বালেবার সঙ্গে ম্যানইউর ব্যক্তিগত শর্তাবলীর সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত। খেলোয়াড় নিজেও ওল্ড ট্রাফোর্ডে যোগ দিতে অত্যন্ত আগ্রহী।

যদিও ব্রাইটনের প্রাথমিক চাহিদার চেয়ে এই প্রস্তাব কিছুটা কম, তবে দলবদলের বাজার শেষ হওয়ার আগেই দুই ক্লাব একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে সক্রিয় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রাক-মৌসুমে পাওয়া গোড়ালির চোট থেকে বর্তমানে সেরে উঠছেন বালেবা।

স্নায়বিক সমস্যায় ভুগছেন মুসিয়ালা

0

মাঠে নামার কয়েক মিনিটের মধ্যেই হঠাৎ লুটিয়ে পড়া- তিন দিনের ব্যবধানে দুবার এমন ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছিল ফুটবল বিশ্বে। বায়ার্ন মিউনিখের তারকা জামাল মুসিয়ালাকে ঘিরে সেই শঙ্কার অবসান ঘটিয়ে নিজের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলেছেন ২৩ বছর বয়সী এই জার্মান মিডফিল্ডার।

জামাল মুসিয়ালা জানিয়েছেন, তিনি একধরনের স্নায়বিক সমস্যায় ভুগছেন। পরীক্ষায় ধরা পড়েছে হালকা ও ক্ষণস্থায়ী ‘অ্যাবসেন্স সেজার’ বা সাময়িক চেতনা হারানোর সমস্যা। তবে এটি নিরাময়যোগ্য বলেও আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দ্বিতীয় বিভাগের দল হেইডেনহাইমের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলছিল বায়ার্ন। ম্যাচের শেষ দিকে বদলি হিসেবে মাঠে নামার পরই হঠাৎ ঢলে পড়েন মুসিয়ালা। তাকে বেশ বিভ্রান্তও লাগছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর চিকিৎসকদের সঙ্গে মাঠ ছাড়েন তিনি।

এর মাত্র তিন দিন আগে, গত শনিবার লাইপজিগের বিপক্ষেও একইভাবে মাঠে লুটিয়ে পড়েছিলেন এই বায়ার্ন তারকা।

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অসুস্থতা নিয়ে বিস্তারিত জানান মুসিয়ালা। তিনি বলেন, এই স্নায়বিক সমস্যার কারণে মাঝেমধ্যে সাময়িকভাবে চেতনা হারানোর মতো ঘটনা ঘটে। তবে এটি নিরাময়যোগ্য।

মুসিয়ালা লিখেছেন, ‘পরীক্ষার পর আমার শরীরে হালকা ও ক্ষণস্থায়ী এক ধরনের “অ্যাবসেন্স সেজার” বা সাময়িক চেতনা হারানোর সমস্যা ধরা পড়েছে। এটি মূলত স্নায়বিক জটিলতার কারণে হয়। তবে সহজেই এটি সারিয়ে তোলা সম্ভব।’

ভক্তদের ভয় না পাওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘লাইপজিগ আর হেইডেনহাইমের বিপক্ষে যা ঘটেছে, তা এই সমস্যার কারণেই। বাইরে থেকে দেখতে বিষয়টি যতই ভীতিকর মনে হোক না কেন, আমার কাছে এটি এখন খুব সাধারণ একটি ঘটনা।’

সেরা চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন জানিয়ে ভক্তদের ধন্যবাদও দেন মুসিয়ালা। দ্রুতই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশাবাদী তিনি।

এর আগে হেইডেনহাইমের ম্যাচ শেষে বায়ার্নের স্পোর্টিং ডিরেক্টর মাক্স এবার্ল জানিয়েছিলেন, পুরো বিষয়টি ক্লাব কর্তৃপক্ষের জানা রয়েছে। শিগগিরই মুসিয়ালা নিজেই এ নিয়ে কথা বলবেন।

গত শনিবার মিউনিখে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তীব্র গরমে লাইপজিগের বিপক্ষে খেলার সময় প্রথমবার মাঠে ঢলে পড়েছিলেন মুসিয়ালা।

ইনজুরিও অবশ্য দীর্ঘদিন ধরে পিছু ছাড়ছে না তার। গোড়ালির হাড় ভেঙে যাওয়ায় গত মৌসুমের প্রথম ছয় মাস মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছিল তাকে। তবে পরের অর্ধে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ান মুসিয়ালা। এরপর জার্মানির হয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপেও মাঠে নামেন তিনি।

ইসলাম ধর্ম গ্রহন করা নিয়ে যা বললেন রবার্তো কার্লোস

0

ব্রাজিলের সাবেক তারকা ফুটবলার রবার্তো কার্লোসের ইসলাম গ্রহণ নিয়ে সম্প্রতি নানা গুঞ্জন ছড়ায়। মরক্কোর নাগরিক সুহাইলা আল-তাহিরিকে বিয়ের পর থেকেই এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

পরে তুরস্কের কয়েকটি গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, প্রায় চার সপ্তাহ আগে ব্রাজিলের মুসলিম সমাজের পরিচিত ব্যক্তি শেখ জিহাদ হামাদের কাছে গিয়ে কালেমা পড়ে ইসলাম গ্রহণ করেছেন ৫৩ বছর বয়সী কার্লোস।

এ নিয়ে গুঞ্জন আরো জোরালো হয় তুরস্কের জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির সংসদ সদস্য আলি শাহিনের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টের পর। তিনি ব্রাজিলের মুসলিম সমাজের কয়েকজন প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকের কথা জানিয়ে কার্লোসের ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি উল্লেখ করেন। 

শাহিন দুই দিন আগে নিজের ‘এক্স’ অ্যাকাউন্টে লিখেছিলেন, তিনি সাও পাওলোর শেখ জিহাদ হামাদার সঙ্গে দেখা করেছেন।

এই দেখা হয়েছিল ব্রাজিলিয়ান চ্যারিটেবল ইউনিয়ন অব মুসলিম ইয়ুথ পরিদর্শনের সময়। শেখ তাকে বলেছিলেন, কার্লোস অনেক দিন ধরে তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। চার সপ্তাহ আগে তিনি শেখের কাছে গিয়ে কালেমা পড়েন এবং ইসলাম ধর্ম বেছে নেন।

তবে এবার নিজেই এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এই তারকা।

কার্লোস বলেছেন, তার ইসলাম গ্রহণের খবর ‘সত্য নয়’।

রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এ তারকা বুধবার (১৯ আগস্ট) সৌদি পত্রিকা ‘ওকাজ’-কে বলেন, ‘ইসলাম ধর্মের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা আছে। আমার স্ত্রী নামাজ পড়েন, এটা দেখতে আমার খুব ভালো লাগে। কিন্তু আমার ইসলাম গ্রহণ নিয়ে যেসব গুজব ছড়াচ্ছে, তা সত্য নয়।’

যে বিয়ের অনুষ্ঠান নিয়ে এত গুজব ছড়িয়েছিল, সে বিষয়ে কার্লোস বলেন, ‘আমাদের বিয়ের অনুষ্ঠান একাধিক ধরনের হয়েছিল।

আমরা পরিবারের সদস্যদের বিশ্বাসের সঙ্গে মানানসই একটি অনুষ্ঠান করেছি, কারণ তারা ক্যাথলিক ধর্মের অনুসারী। এর পাশাপাশি আমার স্ত্রী ও তার মুসলিম বন্ধুদের জন্য আরেকটি অনুষ্ঠানও করা হয়েছিল।’