Home Blog Page 50

টাইগারদের জয়ের রেশ, ম্যাকেতে প্রথম দিনের টিকিট শেষ

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। সেই জয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ম্যাকেতে দ্বিতীয় টেস্ট ঘিরে দেখা দিয়েছে বাড়তি উন্মাদনা। দুই দলের সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনের সব পাবলিক টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে।

কুইন্সল্যান্ডের ম্যাকেতে ২২ আগস্ট শুরু হবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট। তার আগেই প্রথম দিনের টিকিট ‘সোল্ড আউট’ হওয়ার খবর জানিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দর্শকদের দ্রুত টিকিট সংগ্রহের আহ্বান জানানো হয়েছে। কারণ, দ্বিতীয় টেস্টের বাকি টিকিটও দ্রুত বিক্রি হচ্ছে।

ডারউইনে প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের দাপুটে পারফরম্যান্সের পরই দ্বিতীয় ম্যাচ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ বেড়ে যায়। ম্যারারা স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়াকে দুই ইনিংসে ১৯৮ ও ২৮৪ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ। জবাবে প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান করে সফরকারীরা। পরে ৫৭ রানের লক্ষ্য মাত্র এক উইকেট হারিয়েই পেরিয়ে যায় বাংলাদেশ।

৯ উইকেটের এই জয় বাংলাদেশের জন্য ঐতিহাসিক। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটাই টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম জয়। এমন সাফল্যের পর সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ নিয়ে আগ্রহ বাড়াটাই স্বাভাবিক।

ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের জয়ের অন্যতম নায়ক হাসান মাহমুদ। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন এই পেসার। প্রথম ইনিংসে ৫৫ রানে ৬ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৩ উইকেট শিকার করেন তিনি। তাঁর সঙ্গে তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন ও স্পিনাররাও রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

ব্যাটিংয়েও ছিল বাংলাদেশের আধিপত্য। তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরির সঙ্গে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হকের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহ এনে দেয়। মেহেদী হাসান মিরাজ করেন ৬৫ রান। পরে বল হাতে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে আবারও ধস নামান তিনি।

ডারউইনের ঐতিহাসিক জয়ের পর এবার বাংলাদেশের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ ম্যাকে। প্রথম দিনের টিকিট আগেভাগেই শেষ হয়ে যাওয়া বলছে, সেই লড়াই দেখতে দর্শকদের আগ্রহও তুঙ্গে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

ডারউইনের পর ম্যাকেতে জয় তুলে নিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিতে পারলে সেটি বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে যোগ করবে আরও বড় একটি অধ্যায়। সেই লড়াইয়ের প্রথম দিনেই গ্যালারি পূর্ণ হওয়ার অপেক্ষায় এখন ম্যাকে।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের জয়কে অবিশ্বাস্য বলছেন ডি ভিলিয়ার্স

ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে হারিয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এমন জয় অনেকের কাছেই অবিশ্বাস্য। দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্সও ব্যতিক্রম নন। বাংলাদেশের এই জয়ে বিস্মিত হলেও টেস্ট ক্রিকেটের জন্য এমন ফলকে দারুণ ব্যাপার বলে মনে করছেন তিনি।

বাংলাদেশের জয় নিয়ে ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটের জন্য বাংলাদেশের এই জয় দারুণ ব্যাপার। তবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য তা মোটেও ভালো বিষয় নয়। তাদের নতুন করে ভাবতে হবে। সত্যি বলতে আমি বাকরুদ্ধ।’

বাংলাদেশের উন্নতিতে মুগ্ধ ডি ভিলিয়ার্স। সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেও ভালো করার সম্ভাবনা দেখছেন তিনি। তাঁর মতে, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে পরাশক্তি হয়ে উঠতে পারে।

ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের কাছে আসতে আসতে কতটা উন্নতি করে ফেলেছে, এটা দেখে ভালো লাগছে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। এই জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে পারবে কি না, তা অবশ্য বড় প্রশ্ন। যদি পারে… বলা যায় না। বাংলাদেশের সবাইকে অভিনন্দন।’

এরপর কিছুটা রসিকতার সুরে বাংলাদেশের জয় নিয়ে নিজের বিস্ময়ের কথা জানান সাবেক এই প্রোটিয়া অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কী অভূতপূর্ব বিজয়! আমিই হয়তো সেই সৌভাগ্যের প্রতীক ছিলাম। যে দেশের ভক্তদের সঙ্গে আমার দেখা হচ্ছে, তারা ভালো করছে। সত্যি বলতে কেউই আশা করিনি বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে হারাবে। বিশেষ করে খেলাটা অস্ট্রেলিয়ায় ছিল বলে। ওখানে গিয়ে টেস্ট জেতা সহজ নয়।’

অস্ট্রেলিয়ার টস জেতার বিষয়টিও যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না ডি ভিলিয়ার্সের। অস্ট্রেলিয়া সাধারণত টস জিতে আগে ব্যাট করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয়—এমনটাই মনে করেন তিনি।

ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া টস জিতেছে কি না, তা বিশ্বাস করতে আমাকে গুগল করতে হয়েছে। টসে জিতেও বাংলাদেশ জিতেছে, ব্যাপারটি আশ্চর্যজনক। অস্ট্রেলিয়া আগে ব্যাট করতে ভালোবাসে। প্রথমে ব্যাট করে প্রতিপক্ষকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়। এরপর তাদের ফাস্ট বোলিং কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দেয়।’

বাংলাদেশের এই জয় তাই শুধু একটি ম্যাচের ফল নয়, টেস্ট ক্রিকেটে দলটির বদলে যাওয়ার ইঙ্গিতও দেখছেন ডি ভিলিয়ার্স। তাঁর কথায়, অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে জয় বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে।

ইনফান্তিনোর সমালোচনার পরই ফিফার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তার বিদায়

0

ফিফায় আবারও বাড়ছে অস্বস্তি। সংস্থাটির সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিতর্কিত বাণিজ্যিক পরিকল্পনার প্রকাশ্য সমালোচনার তিন সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা কেভিন লামুরকে সরিয়ে দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ১৭ আগস্ট থেকেই ফিফা ও লামুরের মধ্যকার কর্মসম্পর্কের অবসান হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ফিফা।

এক বিবৃতিতে ফিফার মুখপাত্র বলেছেন, ‘ফিফা ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা কেভিন লামুরের মধ্যকার কর্মসম্পর্ক ১৭ আগস্ট ২০২৬ শেষ হয়েছে।’ একই সঙ্গে দুই বছর দায়িত্ব পালনের জন্য লামুরকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁর ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেছে সংস্থাটি। তবে তাঁর বিদায়ের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

ফিফার মহাসচিব ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রোম সোমবার সন্ধ্যায় কর্মীদের ই-মেইলে বিষয়টি জানান। ফিফা কাউন্সিলের সদস্যদের পাঠানো চিঠিতেও তিনি লিখেছেন, সাম্প্রতিক আলোচনার পর ফিফা ও লামুর ‘আলাদা পথে যাওয়ার’ বিষয়ে সম্মত হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ স্পষ্ট করেননি তিনি।

তবে লামুরের বিদায়ের সময়টি নিয়েই তৈরি হয়েছে বড় প্রশ্ন। গত মাসেই ইনফান্তিনোর প্রস্তাবিত ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) প্রকল্পের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন তিনি। সেই প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্বকাপসহ ফিফার সব প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক ও টিকিট বিক্রির স্বত্ব পরিচালনার জন্য একটি নতুন কোম্পানি গঠনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কোম্পানিটির ২১ শতাংশ অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনাই শেষ পর্যন্ত তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়ে।

ফিফা

লামুর সেই পরিকল্পনাকে সরাসরি ‘এক ব্যক্তির প্রকল্প’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। তাঁর ভাষায়, এখন ফুটবলের রাজনৈতিক নেতাদের নিজেদের সঠিক প্রশ্ন করতে হবে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ফিফার প্রশাসনকেও ওই প্রকল্প নিয়ে ‘প্রতারিত’ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি।

তখন আরও বলেছিলেন, ফিফার শত শত নিবেদিতপ্রাণ কর্মীর মূল দায়িত্ব ফুটবলের সেবা করা। তাঁর মন্তব্য ছিল, একজন সভাপতির দায়িত্ব মানুষকে একত্র করা, ঐক্যবদ্ধ করা ও অনুপ্রাণিত করা। কিন্তু ফিফায় তখন তিনি এর বিপরীত পরিস্থিতি দেখতে পাচ্ছেন।

নিজের চাকরি চলে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও তখন স্পষ্ট করেছিলেন লামুর। তিনি বলেছিলেন, প্রতিষ্ঠানের প্রতি তাঁর আনুগত্যের দায়িত্ব আছে, তবে কিছু মূল্যবোধ এবং সহকর্মীদের প্রতিও তাঁর দায়িত্ব রয়েছে। চাকরি হারাতে হলে সেটিও মেনে নেবেন-এমন কথাও বলেছিলেন তিনি।

লামুর ফিফায় যোগ দেন ২০২৪ সালের নভেম্বরে। এর আগে তিনি উয়েফার ডেপুটি মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফিফায় তিনি ইনফান্তিনোর সরাসরি অধীনস্থ ছিলেন না; সাংগঠনিক কাঠামোয় সভাপতির দুই স্তর নিচে ছিলেন।

এদিকে এফএফই প্রকল্প বাতিল হলেও বিতর্ক থামেনি। ইনফান্তিনোর পরিকল্পনার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছিল উয়েফা, কনকাকাফ ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন। এমনকি পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকিও দিয়েছিল উয়েফা। ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা কার্লোস কর্দেইরোও পদত্যাগ করেন।

এরপর ইনফান্তিনোর চতুর্থ মেয়াদে ফিফা সভাপতি হওয়ার প্রচেষ্টাতেও বড় ধাক্কা আসে। উয়েফা ও কনকাকাফ তাঁর প্রার্থিতার সমর্থন প্রত্যাহার করে। ইউরোপের ইংল্যান্ড, ওয়েলস, স্কটল্যান্ড, উত্তর আয়ারল্যান্ড ও রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ডও ধীরে ধীরে ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন থেকে সরে এসেছে। সর্বশেষ সোমবার ইনফান্তিনোর সমর্থন প্রত্যাহার করেছে স্কটিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

তবে ইনফান্তিনো পুরোপুরি একা নন। আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা ও ওশেনিয়ার ফুটবল কনফেডারেশনগুলো তাঁর প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। কনকাকাফের কয়েকটি সদস্য দেশ, মেক্সিকোসহ, কনফেডারেশনের অবস্থানের বাইরে গিয়ে ইনফান্তিনোকে সমর্থনও করেছে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে অনিশ্চিত বাবর

0

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরুর আগেই বড় দুশ্চিন্তায় পাকিস্তান। আঙুলের চোট পুরোপুরি সেরে না ওঠায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে বাবর আজমের খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা। ম্যাচের দিনই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান টিম ম্যানেজমেন্ট।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে ব্যাট করার সময় ডান হাতে চোট পেয়েছিলেন বাবর। সেই চোট পুরোপুরি সেরে ওঠার আগেই ইংল্যান্ড সফরে এসে আবারও ধাক্কা খান তিনি। বেকেনহামের প্রস্তুতি ম্যাচে প্রফেশনাল কাউন্টি ক্লাব সিলেক্ট একাদশের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ের সময় একই হাতে ফের আঘাত পান পাকিস্তানের তারকা ব্যাটার। এরপর অবসর নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। যদিও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছিল, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই তাঁকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

রবিবার লিডসে পৌঁছেছে পাকিস্তান। সোমবার হেডিংলিতে প্রথমবারের মতো অনুশীলনও করেছে দলটি। সেখানে অল্প সময়ের জন্য নেটে ব্যাটিং করেন বাবর। ব্যাটিংয়ের সময় দৃশ্যত অস্বস্তিতে না থাকলেও তাঁর অনুশীলন ছিল বেশ সংক্ষিপ্ত। ফলে তাঁর ফিটনেস নিয়ে সংশয় এখনো কাটেনি।

পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ আব্বাস জানিয়েছেন, বাবরকে নিয়ে এখনো মেডিকেল প্যানেল ও নির্বাচক কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ম্যাচের দিনই তাঁর খেলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আব্বাস বলেন, বাবর সোমবার কয়েকটি থ্রো-ডাউন ও ব্যাটিং অনুশীলন করেছেন। তবে মেডিকেল পরামর্শ মেনেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বাবর আজম

বাবর খেলতে না পারলে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে সৌদ শাকিল ও আওয়াইস জাফর-দুজনেরই একাদশে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে শাকিল ছিলেন না, আর জাফরের টেস্ট অভিষেক হয় দ্বিতীয় ম্যাচে। ইংল্যান্ড সফরের প্রস্তুতি ম্যাচে অবশ্য নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়েছেন শাকিল। শতকও করেছেন তিনি। বাবর অনুপস্থিত থাকলে শাকিলের সঙ্গে জাফরকেও মধ্যক্রমে দেখা যেতে পারে।

অন্যদিকে পাকিস্তানের অধিনায়ক শান মাসুদের ফিটনেস নিয়ে কিছুটা স্বস্তির খবর মিলেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে আঙুলে চোট পাওয়ায় দ্বিতীয় টেস্টে খেলতে পারেননি তিনি। বেকেনহামের প্রস্তুতি ম্যাচেও মাঠে নামেননি। তবে হেডিংলিতে সোমবার পুরো অনুশীলন সেশনেই ব্যাটিং করেছেন মাসুদ এবং তাঁকে বেশ স্বচ্ছন্দ দেখিয়েছে। তাঁর ব্যাপারেও অবশ্য মেডিকেল দলের পরামর্শের ওপরই নির্ভর করছে পাকিস্তান।

বাবর না খেললে পাকিস্তানের জন্য আরেকটি সমস্যা তৈরি হতে পারে নেতৃত্বে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের শুরুতে শান মাসুদের কাছ থেকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিয়েছিলেন বাবর। তাঁর অনুপস্থিতিতে বেকেনহামের প্রস্তুতি ম্যাচে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দিয়েছেন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমান আগা। তবে এখনো টেস্ট ক্রিকেটে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা হয়নি তাঁর।

টিভিতে আজকের খেলা: ১৮ আগষ্ট ২০২৬

গলে চলছে শ্রীলঙ্কা-ভারত প্রথম টেস্ট। দক্ষিণ আফ্রিকায় চার দিনের ম্যাচ খেলছে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দল।

ক্রিকেট
গল টেস্ট-৪র্থ দিন

শ্রীলঙ্কা-ভারত
সকাল ১০-১৫ মি., সনি স্পোর্টস ১

চার দিনের ম্যাচ (ইমার্জিং)
বাংলাদেশ-দ. আফ্রিকা
বেলা ১-৩০ মি., ইউটিউব/ক্রিকেটসাউথআফ্রিকা

বাংলাদেশও একদিন বিশ্বকাপ খেলবে – ক্লদিও ক্যানিজিয়া

0

ফুটবল বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ না হলেও ফিফার টুর্নামেন্ট ঘিরে বাংলাদেশের মানুষের উন্মাদনার শেষ নেই। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের জন্য গনবিদারী গর্জনে নিজেদের জান দিতেও প্রস্তুত থাকেন অনেকেই।

সেই পরিচিতির টানে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের অনেক কিংবদন্তিই বাংলাদেশ ঘুরে গেছেন। এবার বাংলাদেশের ডাকে না করতে পারেননি আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি স্ট্রাইকার ক্লদিও ক্যানিজিয়া। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর ফর্টিস ডাউনটাউন রিসোর্ট ও গ্রাউন্ডসে আয়োজিত ‘ঢাকা ইন্টার-স্কুল চ্যাম্পিয়নস লিগ ২০২৬’-এর গ্র্যান্ড ফাইনালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১৯৯০ বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা সাবেক ফরোয়ার্ড।

বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল টিউটরিয়ালকে (বিআইটি) হারিয়ে শিরোপা জেতে নৌবাহিনী কলেজের হাতে পরে পুরস্কারও তুলে দেন তিনি।

বৃষ্টিভেজা ফাইনাল শেষে বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে উচ্ছ্বাস করেছেন ক্যানিজিয়া। আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি মনে করেন, একদিন বিশ্বকাপে সুযোগ পাবে বাংলাদেশও। আলবিসেলেস্তাদের হয়ে ৫০ ম্যাচ খেলে ১৬ গোলের মালিক বলেছেন, ‘বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়া সব সময়ই কঠিন।

আশা করি, আগের চেয়ে বাংলাদেশ আরো ভালো করবে এবং এগিয়ে যাবে। বিশ্বকাপে এখন ৪৮ দল খেলছে। ভবিষ্যতে হয়তো আরো দল বাড়বে। এতে সামনে বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি হতে পারে। আমার বিশ্বাস, একদিন বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশও

এত দিন দূর থেকে আর্জেন্টিনাকে নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের মাতামাতি দেখেছেন ক্যানিজিয়া। এবার সরাসরি দেশের মানুষের ভালোবাসা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন তিনি। ৫৯ বছর বয়সী সাবেক বোকা জুনিয়র্স ও রিভার প্লেটের স্ট্রাইকার বলেছেন, ‘আমি অবাক হইনি, কারণ ১৯৮৬ সালে দিয়েগো ম্যারাডোনা যখন খেলতেন, তখন থেকেই এই সমর্থনের সূচনা। আমি টিভিতে দেখেছি কিভাবে এখানকার মানুষ আর্জেন্টিনার জয় উদযাপন করে। পৃথিবীর নানা প্রান্তে বড় দলগুলোর সমর্থক থাকে, কিন্তু বাংলাদেশের মতো এমন উন্মাদের মতো সমর্থক আর কোথাও দেখা যায় না। একটি দেশের এত বিপুল মানুষ ভিনদেশি এক দলের সমর্থক; এটা সত্যিই দারুণ এক অনুভূতি।’

হামজা চৌধুরির প্রশংসাও করেছেন ক্যানিজিয়া। তিনি বলেছেন, ‘ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলে এমন একজন খেলোয়াড় পাওয়াটা দুর্দান্ত বিষয়। ইউরোপের সেরা টুর্নামেন্টগুলোতে খেললে খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা দলের উন্নতিতে দারুণ সাহায্য করে।’

২০৩০ বিশ্বকাপে খেলবেন লিওনেল মেসি এমন বিশ্বাসও ক্যানিজিয়ার। তিনি বলেছেন, ‘মেসির পক্ষে ২০৩০ বিশ্বকাপ খেলা বেশ কঠিন হবে। তবে সে তো ফুটবলের জাদুকর, সে চাইলে ৪১-৪২ বছর বয়স পর্যন্ত খেলতেই পারে। কিন্তু সেই মানসিক প্রস্তুতি তার আছে কি না, তা সময়ই বলবে।’

বার্সার ১৬ নাম্বার জার্সি চান রদ্রি

0

স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রির বার্সেলোনায় আনুষ্ঠানিক যোগদান এখন শুধু সময়ের ব্যাপার। ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক এই তারকা কাতালান ক্লাবে নিজের প্রিয় জার্সি নম্বর কোনটি হবে, তাও ইতোমধ্যে নির্ধারণ করে ফেলেছেন।

ইতালিয়ান ক্রীড়া সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানোর বরাতে ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গোলডটকম জানিয়েছে, রদ্রি বার্সেলোনা তারকা ফেরমিন লোপেজের কাছে তার ১৬ নম্বর জার্সিটি চেয়ে আবেদন করেছেন। সিটি ও স্প্যানিশ জাতীয় দলের হয়ে নিজের পুরো ক্যারিয়ারজুড়ে এই ১৬ নম্বর জার্সি পরেই মাঠ মাতিয়েছেন রদ্রি।

এক্স প্ল্যাটফর্মে (সাবেক টুইটার) রোমানো আরও যোগ করেন, রদ্রির খাতিরে নিজের প্রিয় নম্বরটি ছেড়ে দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি ফেরমিন লোপেজ। তিনি নতুন মৌসুমে ৭ নম্বর জার্সি গায়ে জড়াতে প্রস্তুত হচ্ছেন। ফলে ন্যু ক্যাম্পে নিজের আইকনিক ১৬ নম্বর জার্সিটি ধরে রাখার পথ সুগম হলো রদ্রির।

ইতোমধ্যে সিটির সঙ্গে দলবদলের সব আনুষ্ঠানিকতা চুকিয়ে ফেলেছে বার্সেলোনা। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আসতে পারে অফিশিয়াল ঘোষণা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ৬০ মিলিয়ন ইউরো রিলিজ ক্লজের পাশাপাশি আরও ১৬ মিলিয়ন সাইনিং ও পারফরম্যান্স-ভিত্তিক বোনাসে চুক্তি পাকা করেছে দুই পক্ষ। চার বছরের চুক্তিতে বার্সায় যোগ দিচ্ছেন এই স্প্যানিশ তারকা। বার্ষিক ১৩ মিলিয়ন ইউরো মূল বেতনে দলের অন্যতম সর্বোচ্চ উপার্জনকারী ফুটবলার হতে যাচ্ছেন তিনি।

বার্সেলোনার রিজার্ভ দল বার্সা অ্যাটলেতিকের সহকারী কোচ হলেন বুসকেটস

0

আবারও বার্সেলোনায় ফিরলেন সার্জিও বুসকেটস। তবে এবার আর ফুটবলার হিসেবে নয়, বার্সেলোনার রিজার্ভ দল বার্সা অ্যাটলেতিকের সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করবেন তিনি। ৩৮ বছর বয়সী সাবেক এই মিডফিল্ডার প্রধান কোচ জুলিয়ানো বেলেত্তির কোচিং স্টাফের অংশ হিসেবে যোগ দিয়েছেন বুসকেটস।

বর্তমানে বুসকেটস তার কোচিং কোর্সের ব্যাজ সম্পন্ন করছেন। কোর্সের অংশ হিসেবে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি তরুণ খেলোয়াড়দের তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও কৌশল শেখাবেন তিনি।

২০২৩ সালে বার্সেলোনা ছাড়ার পর বুসকেটস দেড় মৌসুমের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামিতে খেলেছিলেন।
গত বছরের ডিসেম্বর মাসে খেলাধুলা থেকে অবসর গ্রহণের পর থেকেই তার বার্সেলোনায় ফেরার কানাঘুষা চলছিল। শেষ পর্যন্ত অ্যাটলেতিকের সহকারী কোচ হিসেবে ঘরের ট্র্যাকে ফিরে এলেন এই স্প্যানিশ তারকা।

বাংলাদেশের পেস ইউনিটে মুগ্ধ হার্শা ভোগলে

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ঐতিহাসিক জয়ে মুগ্ধ ভারতের জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলে। বিশেষ করে বাংলাদেশের পেস বোলিং ইউনিটের উন্নতিতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর মতে, কয়েক বছর আগেও যে দল স্পিননির্ভর ক্রিকেটে বেশি পরিচিত ছিল, সেই বাংলাদেশ এখন পেসারদের দারুণ পারফরম্যান্সে বড় দলকে হারাচ্ছে-এটাই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন।

ডারউইন টেস্টে পূর্ণ শক্তির অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটি বাংলাদেশের অন্যতম স্মরণীয় জয়। তৃতীয় দিন শেষে জয়ের খুব কাছে পৌঁছে গেলেও অতীতের অভিজ্ঞতায় কিছুটা শঙ্কা ছিল। তবে এবার আর কোনো অঘটন ঘটেনি। চতুর্থ দিনেই ৯ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের এমন জয়ে উচ্ছ্বসিত হার্শা ভোগলে নিজের ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিওতে বলেন, ‘যখন তারা লিডটা পেয়ে গেল, তখনই তারা অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলে দিল। আমরা এই ম্যাচের পুরোটা সময়ই বলে গেছি, অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর কতটা ভালো সুযোগ ছিল বাংলাদেশের।’

বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ের উন্নতিকে আলাদা করে প্রশংসা করেছেন হার্শা। তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ দল ফাস্ট বোলারদের দারুণ একটি ভিত্তি তৈরি করেছে। এখানে ইবাদত হোসেন ছিল, যে নিউজিল্যান্ডে জয়ের নায়ক ছিল। নাহিদ রানা নেই, তবুও ইবাদত, তাসকিন এবং যে খেলোয়াড়কে আমি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করি, হাসান মাহমুদ—তারা মিলে কাজটা করে দিয়েছে। আরও অনেকেই আছে, শরিফুলও আছে।’

বাংলাদেশের বর্তমান পেস ইউনিটকে একটি ‘দারুণ গ্রুপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন হার্শা। তাঁর ভাষায়, ‘বাংলাদেশের হাতে এখন পেস বোলারদের দারুণ একটি গ্রুপ রয়েছে। একটা সময় ছিল, যখন বাংলাদেশ চার স্পিনার নিয়ে খেলত। এখন তারা সেখান থেকে এসে পেসারদের সাহায্যে জিতছে—দুর্দান্ত ব্যাপার।’

এই পরিবর্তনের সঙ্গে মেহেদী হাসান মিরাজের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন হার্শা। তিনি বলেন, ‘সাথে মেহেদী হাসান মিরাজের ভূমিকা, সে সাতে ব্যাট করে। দুই স্পিনার আছে—তাইজুল এবং মেহেদী। এর ফলে বোলিংটা সম্পূর্ণ হয়। ফাস্ট বোলিংয়ের সঙ্গে ব্যাটিংয়ে যে টেম্পারমেন্ট দেখানো হয়েছে, তাতে আমি অনেক মুগ্ধ হয়েছি।’

তবে এই ঐতিহাসিক জয়ের পর বাংলাদেশ যেন আত্মতুষ্টিতে না ভোগে, সেই সতর্কবার্তাও দিয়েছেন হার্শা। তাঁর মতে, দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়া আরও শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে। তাই প্রথম টেস্টের জয়কে আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি হিসেবে কাজে লাগানোর পরামর্শ তাঁর।

হার্শা বলেন, ‘তারা অনেক ইমোশনাল দল, ইমোশনাল দেশ। আশা করি তারা এই জয়কে বড় একটি প্রাপ্তি হিসেবে দেখবে এবং পরের ম্যাচে আসার আগে এটি ভুলে যাবে। এই জয়কে একটি বোর্ড হিসেবে ব্যবহার করুক, যেখান থেকে আরও উপরে ওঠা যাবে।’

টানা তৃতীয়বার অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্র

0

টানা তৃতীয়বারের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কেম্যান আইল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত আমেরিকাস অঞ্চলের বাছাইপর্বে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত করেছে দলটি।

চেতনা পাগদিয়ালার নেতৃত্বে বাছাইপর্বে ছয় ম্যাচের সবকটিতেই জয় পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয় সেরা দল কানাডার চেয়ে তারা ছয় পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে থেকে আসর শেষ করে। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে কানাডাকে আট উইকেটে হারানোর পর শেষ ম্যাচেও একই প্রতিপক্ষকে পরাজিত করে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া আর্জেন্টিনা ও আমেরিকা অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত যৌথ দল নেক্সট জেন-এক্সআইকে দুইবার করে হারিয়েছে তারা।

বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মাহেক দেশাই। ছয় ম্যাচে তার শিকার ১৬ উইকেট।

২০২৫ সালের সর্বশেষ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও খেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র। মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত সেই আসরে সুপার সিক্স পর্বে উঠেছিল তারা। শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত দুটি আসরেই শিরোপা জিতেছে ভারত।

২০২৭ বিশ্বকাপের জন্য আঞ্চলিক বাছাইপর্ব পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জায়গা নিশ্চিত করেছে সামোয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। পূর্ব এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে সামোয়া এবং এশিয়া অঞ্চল থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত মূল পর্বে উঠেছে। আফ্রিকা ও ইউরোপ অঞ্চলের বাছাইপর্ব পরে অনুষ্ঠিত হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের অধিনায়ক চেতনা পাগদিয়ালা এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিজ্ঞ। বাঁহাতি এই ব্যাটার ২০২৫ সালের বিশ্বকাপেও খেলেছেন। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত তার নামের পাশে রয়েছে ৩১টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ও তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ। ২০২৪ সালের অক্টোবরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেকেই সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি।

এ বছরের শুরুতে নেপালে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বেও যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলেছিলেন পাগদিয়ালা। তবে মূল বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দলটি। এবার অবশ্য অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে টানা তৃতীয়বারের মতো খেলার সুযোগ নিশ্চিত করে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মেয়েরা।