Home Blog Page 59

বাবাকে শেষ বিদায়, অশ্রুসিক্ত মেসি

0

যে শহরের মাটিতে শুরু হয়েছিল এক রূপকথার গল্প, সেই রোজারিওতেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সেই গল্পের অন্যতম নেপথ্য কারিগর। জীবনসংগ্রামের আঁকাবাঁকা পথ পেরিয়ে যে হাত শক্ত করে ধরে এক বালককে বিশ্বজয়ের মঞ্চে পৌঁছে দিয়েছিল, সেই হাত আজ আর নেই। জন্মশহর রোজারিওতে বাবা হোর্হে মেসিকে অশ্রুসিক্ত চোখে শেষ বিদায় জানালেন ফুটবল বিশ্বকে জয় করা লিওনেল মেসি।

দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতায় ভুগে শনিবার ভোরে রোজারিওর সানাতোরিও সেন্ট্রো হাসপাতালে ৬৮ বছর বয়সে মারা যান হোর্হে। বাবার মৃত্যুসংবাদ পেয়েই মায়ামি থেকে স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুচ্চো ও সন্তানদের নিয়ে ব্যক্তিগত বিমানে রোজারিও ছুটে আসেন মেসি। ফিরে যান সেই শহরে, যেখানে কেটেছে তাঁর শৈশব, শুরু হয়েছিল ফুটবলের সঙ্গে প্রথম প্রেম।

রোববার বিকেলে সান্তা ফে প্রদেশের এল প্রাদো সমাধিক্ষেত্রে সম্পন্ন হয় হোর্হের শেষকৃত্য। কঠোর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিবারের ঘনিষ্ঠজনেরা। মেসি পরিবারের ব্যক্তিগত মুহূর্তকে সম্মান জানিয়ে সমাধিক্ষেত্রটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ রাখা হয়।

তবে মেসির শোক যেন শুধু তাঁর পরিবারের মধ্যে আটকে থাকেনি। সমাধিক্ষেত্র ও বিমানবন্দরের বাইরে জড়ো হন অসংখ্য ভক্ত। তাঁদের হাতে ছিল ব্যানার-‘শক্ত থাকো লিও, আমরা তোমায় ভালোবাসি।’ প্রিয় তারকার দুঃসময়ে পাশে থাকার আকুতি ছিল তাঁদের চোখেমুখে।

ব্যক্তিগত বিমানে দেশে ফিরেছিলেন মেসি

মেসি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় প্রশাসনও। রোজারিওর মেয়র পাবলো হাভকিন গভীর শোক প্রকাশ করে পরিবারের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সর্বোচ্চ সহযোগিতার কথা জানান।

হোর্হের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও। দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের লিগ ম্যাচ শুরুর আগে পালন করা হচ্ছে এক মিনিট নীরবতা। খেলোয়াড়দের হাতে থাকছে কালো আর্মব্যান্ড।

আবেগঘন স্মৃতি তুলে ধরেছে মেসির শৈশবের ক্লাব আবানদেরাদো গ্রান্দোলে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি পুরোনো ছবিতে দেখা যায়, সারিবদ্ধ শিশুদের মাঝে ছোট্ট মেসির পাশে দাঁড়িয়ে আছেন বাবা হোর্হে। ছবিটি যেন বলে দেয়-বিশ্বজয়ী হওয়ার বহু আগেই ছেলের স্বপ্নের পাশে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন তিনি।

ইস্পাত কারখানার সাধারণ শ্রমিক থেকে ছেলের এজেন্ট, পরামর্শক ও ছায়াসঙ্গী-হোর্হে মেসি ছিলেন লিওর দীর্ঘ ফুটবলযাত্রার নীরব পথপ্রদর্শক। রোজারিওর গলি থেকে বার্সেলোনা, আর কাতারে বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি-ছেলের প্রতিটি বড় মাইলফলকের পেছনে ছিল তাঁর নিরলস পরিশ্রম।

আজ সেই বটবৃক্ষের ছায়া নেই। কিন্তু মেসির রূপকথার নেপথ্যের এই মানুষটি বেঁচে থাকবেন ফুটবল ইতিহাসের পাতায়।

তিন মিনিটে মারমুশের জোড়া গোলে সিটির দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন

0

ম্যানচেস্টার সিটির এশিয়া সফরের শেষটা হলো জয়ের আনন্দে। প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতির শেষ ম্যাচে আতলেতিকো মাদ্রিদকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে পেপ গার্দিওলার দল। ম্যাচের গল্পের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকলেন ওমর মারমুশ-দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন মিশরীয় ফরোয়ার্ড।

সিউল বিশ্বকাপ স্টেডিয়ামে ৫০ হাজারের বেশি দর্শকের সামনে ম্যাচের শুরুটা অবশ্য সিটির পক্ষে ছিল না। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে এগিয়ে যায় আতলেতিকো। কোকের কর্নার ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে পারেনি সিটির রক্ষণ। মর্তেন হিউলমান্ডের কাছ থেকে বল পেয়ে মাত্র ১৬ বছর বয়সী জর্জে দোমিঙ্গেস দারুণ শটে বল জালে পাঠান। গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মারার কিছুই করার ছিল না।

পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় সিটি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে ফিরেই ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেয় ইংলিশ জায়ান্টরা।

৫৭ মিনিটে সমতায় ফেরে সিটি। বাঁ প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে আতলেতিকোর রক্ষণে ঢুকে পড়েন অঁতোয়ান সেমেনিও। এর আগে প্রায় সাইডলাইনের বাইরে চলে যাওয়া বলটি দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখেন তিনি। এরপর নিচু করে বাড়ানো তাঁর ক্রস থেকে সহজেই বল জালে পাঠান মারমুশ।

প্রীতি ম্যাচে বল দখলের লড়াইয়ে আতলেতিকো মাদ্রিদ ও ম্যানসিটির খেলোয়াড়

এর দুই মিনিট পর আবারও একই জুটি। বাঁ দিক দিয়ে সেমেনিওর নিচু ক্রস, আর এবারও নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন মারমুশ। মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে দুই গোল করে সিটিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।

মারমুশের জোড়া গোলের পর আতলেতিকোও সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামা দক্ষিণ কোরিয়ার তারকা লি কাং-ইনকে ঘিরে গ্যালারিতে তৈরি হয় সবচেয়ে বড় উচ্ছ্বাস। ৫০ হাজারের বেশি দর্শকের সেই উচ্ছ্বাস আরও বাড়তে পারত, যদি পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে পাওয়া সুযোগটি কাজে লাগাতে পারতেন লি। সতীর্থের বাড়ানো বলে প্রথমবারের চেষ্টায় তাঁর শট অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।

শেষ পর্যন্ত ম্যাচের যোগ করা সময়ে সিটির জয় আরও নিশ্চিত করেন রায়ান আইত-নুরি। ডিভিন মুবামার বাড়ানো থ্রু বল ধরে দ্রুতগতিতে এগিয়ে গিয়ে নিচু ও জোরালো শটে অ্যাটলেটিকোর জালে বল পাঠান তিনি। তাতে ৩-১ গোলের জয় নিশ্চিত হয় সিটির।

এই ম্যাচ দিয়ে এশিয়ায় প্রাক-মৌসুম সফর শেষ করল ম্যানচেস্টার সিটি। সফরের প্রথম ম্যাচে ১ আগস্ট হংকংয়ে ইন্টার মিলানের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করার পর পেনাল্টি শুটআউটে ৩-১ ব্যবধানে হেরেছিল তারা। এরপর বুধবার সিউলে কোরিয়ান লিগ অল-স্টারদের ৩-১ গোলে হারায় সিটি। আর এশিয়া সফরের শেষ ম্যাচে একই ব্যবধানে হারাল অ্যাটলেটিকোকে।

এখন সিটির সামনে নতুন মৌসুমের প্রথম বড় পরীক্ষা। আগামী ১৬ আগস্ট কার্ডিফের প্রিন্সিপ্যালিটি স্টেডিয়ামে কমিউনিটি শিল্ডে প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্সেনালের মুখোমুখি হবে তারা। বিশ্বকাপের শেষদিকে খেলা কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় এশিয়া সফরে দলের সঙ্গে ছিলেন না। এর মধ্যে ছিলেন আর্লিং হালান্ড, রদ্রি, রায়ান শেরকি, জেরেমি ডোকু, মার্ক গুয়েহি, নিকো ও’রাইলি ও এলিয়ট অ্যান্ডারসন।

টিভিতে আজকের খেলা: ১০ আগষ্ট ২০২৬

মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ সফরের দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টি আজ, প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ এইচপি। ইংল্যান্ডে চলছে ১০০ বলের ক্রিকেট দ্য হানড্রেড।

২য় টি-টুয়েন্টি
বাংলাদেশ এইচপি-মালয়েশিয়া
বেলা ২টা, টি স্পোর্টস

দ্য হানড্রেড
ট্রেন্ট-সাউদার্ন (নারী)
রাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস ২

ট্রেন্ট-সাউদার্ন (পুরুষ)
রাত ১১-৩০ মি., স্টার স্পোর্টস ২

কারাবাও কাপ
প্লিমথ-ইক্সিটার
রাত ১টা, ফ্যানকোড

শ্রীলঙ্কা সিরিজে ছিটকে গেলেন সুদর্শন, দলে ফিরলেন সরফরাজ

0

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরুর আগেই বড় ধাক্কা খেল ভারত। ইনজুরির কারণে সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন সাই সুদর্শন। তার বদলি হিসেবে দলে নেওয়া হয়েছে মিডল অর্ডার ব্যাটার সরফরাজ খানকে।
ডান পায়ের পাতায় স্ট্রেস রিয়্যাকশনের কারণে শ্রীলঙ্কা সিরিজে খেলতে পারবেন না সুদর্শন। বেঙ্গালুরুর বিসিসিআই সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিলেন তিনি। তবে সুস্থ হওয়ার প্রক্রিয়ায় প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাকে দল থেকে বাদ দিতে হয়েছে।

সুদর্শনের জায়গায় দলে ফেরা সরফরাজ সর্বশেষ টেস্ট খেলেছিলেন ২০২৪ সালে। একই বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় তার। এখন পর্যন্ত ছয় টেস্টে একটি শতক ও তিনটি অর্ধশতকের সাহায্যে ৩৭১ রান করেছেন এই ডানহাতি ব্যাটার।

২০২৪-২৫ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া সফরের ভারতীয় টেস্ট দলেও ছিলেন সরফরাজ। তবে কোনো ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পাননি। পরের বছর ইংল্যান্ড সফরের টেস্ট দল থেকেও বাদ পড়েন তিনি।

তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে সরফরাজের পারফরম্যান্স ছিল নজরকাড়া। ২০২৫ রঞ্জি ট্রফিতে মুম্বাইয়ের হয়ে সাত ম্যাচে ৫৩.৬২ গড়ে ৪২৯ রান করেন তিনি, যা দলের হয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সরফরাজের ব্যাটিং গড় ৬৪.৭৩। অন্তত ৫০টি ইনিংস খেলা ব্যাটারদের মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ গড়। দীর্ঘ বিরতির পর শ্রীলঙ্কা সিরিজ দিয়ে টেস্ট দলে ফেরার সুযোগ পাওয়া সরফরাজ এবার সেই সামর্থ্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও প্রমাণ করতে চাইবেন।

মিসরে আইনি জটিলতায় সালাহ, ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজিরার নির্দেশ

0

মিসরে আইনি জটিলতায় পড়েছেন ফুটবল তারকা মোহাম্মদ সালাহ। পারিশ্রমিক সংক্রান্ত একটি মামলায় আগামী ৬ সেপ্টেম্বর তাকে আদালতে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেদিন মামলায় তাকে ‘চূড়ান্ত শপথ’ নিতে হবে।

গোল ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিউ কায়রো কোর্ট অব ফার্স্ট ইন্সট্যান্সের দেওয়ানি শাখা সালাহকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মামলাটির নম্বর ৭৮২৬/২০২৫। আইনজীবী আমর মোরসি আবদেল তাওয়াব সালাহর বিরুদ্ধে মামলাটি করেছেন।

মামলার মূল বিষয় পারিশ্রমিক। বাদী আইনজীবীর দাবি, কয়েক বছর ধরে সালাহর হয়ে তিনি আইনি, প্রশাসনিক ও পরামর্শমূলক বিভিন্ন কাজ করেছেন। আদালতের নথিপত্র সংক্রান্ত কাজও করেছেন তিনি। এসব কাজের বিনিময়ে তার কিছু অর্থ পাওনা রয়েছে বলে দাবি আমর মোরসির।

তবে সেই দাবি অস্বীকার করেছেন সালাহ। মিসরীয় ফরোয়ার্ডের বক্তব্য, মামলায় উল্লেখ করা আইনি ও প্রশাসনিক কাজগুলো ওই আইনজীবী করেননি। তাই এসব কাজের জন্য তার কোনো পারিশ্রমিকও পাওনা নেই।

এই অস্বীকারের বিষয়টি নিষ্পত্তি করতেই সালাহকে ‘চূড়ান্ত শপথ’ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
গোল ডটকম জানিয়েছে, সালাহ আদালতে হাজির হয়ে শপথ নিতে অস্বীকৃতি জানালে, কিংবা আদালতে হাজির না হওয়ার গ্রহণযোগ্য আইনি কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে, তাকে শপথ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন বলে গণ্য করা হতে পারে।

বাংলাদেশের জার্সিতে খেলার স্বপ্ন দেখছেন ইংলিশ প্রবাসী অ্যাডাম আব্বাস

0

শেকড়ের টানে বাংলাদেশে এসে এবার দেশের জার্সিতে স্বপ্ন দেখছেন ইংল্যান্ডপ্রবাসী তরুণ ফুটবলার অ্যাডাম আব্বাস। এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাইপর্ব সামনে রেখে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলে যোগ দিয়েছেন তিনি।

শনিবার যশোরের শামস-উল-হুদা একাডেমিতে দলের সঙ্গে অনুশীলন শুরু করেন অ্যাডাম। পরদিন গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বাংলাদেশের হয়ে খেলার অনুভূতি ও নিজের লক্ষ্য জানিয়েছেন এই তরুণ ফুটবলার।

বাংলাদেশের হয়ে খেলার সুযোগকে বড় সম্মানের বলে উল্লেখ করে অ্যাডাম বলেন, ‘আমি এই ভালোবাসার কদর করি। বাংলাদেশের হয়ে খেলা এবং বাংলাদেশের জন্য নির্বাচিত হওয়া আমার জন্য অনেক বড় সম্মানের। অবশ্যই এটি আমার মায়ের দেশ, তাই পরিবারের সবাই খুব গর্বিত। আমি মাঠে নেমে ফুটবল খেলার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি।’

ইংল্যান্ডে বেড়ে ওঠা অ্যাডাম বাংলাদেশের ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার গল্পও জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি জানতে পারি বাংলাদেশের একটি দল আছে। আমি হামজা চৌধুরী এবং জাতীয় দলে খেলা আমার বয়সী আরও কয়েকজন খেলোয়াড় সম্পর্কে জানতাম। এরপর কারও সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং সেখান থেকেই সব শুরু হয়। তবে আমার মূল লক্ষ্য হলো শান্ত থেকে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং নিজের ফুটবলটা খেলে যাওয়া।’

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচ জেরার্ড জোন্সের প্রশংসাও করেছেন অ্যাডাম। ইংলিশ কোচের অনুশীলন ও দর্শন নিয়ে তিনি বলেন, ‘জেরার্ড চমৎকার কিছু ড্রিল করিয়েছেন। তার একটা কথা আছে, প্রতিপক্ষের চেয়ে বেশি দৌড়াও, বেশি পরিশ্রম করো, ভালো খেলো, বেশি গোল করো এবং ভালো ডিফেন্স করো। সব পরিস্থিতিতে প্রতিপক্ষের চেয়ে শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করাই আমাদের লক্ষ্য।’

বাংলাদেশ দলের পরিবেশ নিয়েও সন্তুষ্ট অ্যাডাম। তার ভাষায়, ‘দলের সবাই কঠোর পরিশ্রম করছে। আমি এখানে কেবল দুই-একদিন হলো এসেছি, কিন্তু ইতোমধ্যে বুঝতে পারছি দলের মানসিকতা কতটা ইতিবাচক। আজ আমার প্রথম সেশন ছিল এবং এটি খুব ভালো কেটেছে। ট্রেনিংয়ের সব আয়োজন দারুণ ছিল।’

শেকড়ের দেশে এসে প্রথমবার বাংলাদেশের জার্সি পরার অপেক্ষায় এখন অ্যাডাম আব্বাস। অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে সুযোগ পেলে মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে চান এই ইংলিশ প্রবাসী ফুটবলার।

মাঠ থেকে বল উড়ে সড়কে, অল্পের জন্য রক্ষা পেল গাড়ির যাত্রী

0

১৯৩০ সালের বিশ্বকাপ জয়ী উরুগুয়ের দ্বিতীয় বিভাগের একটি ম্যাচে মুখোমুখি উরুগুয়ে মন্টেভিডিও বনাম পায়সান্দুর। খেলা হচ্ছিল এস্তাদিও পার্কে এএনক্যাপে। স্বাভাবিক খেলা চলছে। তবে খেলার ২৪ মিনিটের সময় ঘটলো অনাকাংখিত সেই ঘটনা এক ডিফেন্ডার বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে শট নিলেন জোরে কিন্তু মাঠ থেকে বল উড়ে সড়কে পরলো, তবে অল্পের জল্য রক্ষা পেয়েছে রাস্তার গাড়িগুলো।

ব্যস্ত সড়কে ছুটে যাচ্ছিল একটি সাদা গাড়ি। হঠাৎ সামনে ফুটবল দেখে চালক সঙ্গে সঙ্গে জোরে ব্রেক করলেন! গাড়ি থেমে গেল ঠিকই কিন্তু পেছনের গাড়ির ধাক্কা লেগে যায় সামনের গাড়িতে।  

সম্প্রচারকারী লাইভ টেলিভিশন ক্যামেরায় ঘটনাটি ধরা পড়লে পরে সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তবে ঘটনায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গাড়িগুলোর সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চালক বা যাত্রীদের কেউ গুরুতর আহত হননি।

খেলায় বিরতি: ঘটনার আকস্মিকতায় বল উদ্ধার এবং সবাই নিরাপদ আছে কি না নিশ্চিত করতে ম্যাচ কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবার শুরু হয় খেলা। খেলায় ১-০ গোলে জয়ী হয় উরুগুয়ে মন্টেভিডিও।

কমলাপুর স্টেডিয়ামের প্রশাসক সাময়িক বরখাস্ত

​রাজধানীর কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের চরম অব্যবস্থাপনা ও নোংরা পরিবেশ দেখে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। স্টেডিয়াম পরিদর্শনের পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট প্রশাসককে ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

​পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ড্রেসিংরুম, ওয়াশরুম, প্রেস বক্স এবং সিঁড়ি সংলগ্ন এলাকায় ধুলোবালি ও আবর্জনার স্তূপ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তীব্র গরমের মধ্যেও উপযুক্ত পরিবেশ না থাকায় খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুম ছেড়ে মাঠের বাইরে গিয়ে বিশ্রাম নিতে দেখা যায়। তিনি জানান, প্রায় দু’মাস আগে পরিদর্শন করে স্টেডিয়ামের ছাদের অবৈধ স্থাপনা ও ময়লা-আবর্জনা সরানোর নির্দেশ দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসকের অবহেলার কারণে কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

​স্টেডিয়ামটির সার্বিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধি দল বিস্তারিত পরিদর্শন করে দ্রুত সংস্কার, মেরামত ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করবে বলে আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি স্টেডিয়ামটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নীতিগতভাবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্তের কথাও তিনি নিশ্চিত করেন।

​সরকার খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেশে ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, স্টেডিয়ামগুলোর মৌলিক পরিবেশ পুনরুদ্ধারে এনএসসি ও মন্ত্রণালয় সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যেকোনো স্থানে অনিয়ম বা সমস্যা চোখে পড়লে তা দ্রুত অবগত করার জন্য সাংবাদিকসহ ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা আহ্বান জানান তিনি।

মেসির জন্য ডি পলের আবেগঘন শ্রদ্ধা – ১০ নম্বর জার্সিতে ছুঁয়ে গেলেন সতীর্থের হৃদয়

0

বাবা হোর্হে মেসিকে হারিয়ে শোকের মধ্যে আছেন লিওনেল মেসি। এমন সময়ে মাঠে নেমে প্রিয় সতীর্থের পাশে দাঁড়ালেন রদ্রিগো ডি পল। গোল করে মেসির ১০ নম্বর জার্সি প্রদর্শন করে আর্জেন্টাইন তারকা জানিয়ে দিলেন, কঠিন এই সময়ে একা নন মেসি।

হোর্হে মেসির মৃত্যুর পর প্রথমবারের মতো মাঠে নামে ইন্টার মায়ামি। লিগস কাপের ম্যাচে মেক্সিকোর মনতেরের মুখোমুখি হওয়ার আগে পুরো স্টেডিয়ামজুড়ে ছিল শোকের আবহ। ম্যাচ শুরুর আগে মেসির বাবার স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। মায়ামির ফুটবলারদের হাতেও ছিল কালো আর্মব্যান্ড।

বাবাকে হারানোর পর স্বাভাবিকভাবেই এই ম্যাচে ছিলেন না মেসি। তাঁর অনুপস্থিতিতে দলের নেতৃত্বের আর্মব্যান্ড ওঠে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও আর্জেন্টিনা সতীর্থ ডি পলের হাতে। আর অধিনায়ক হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মেসির প্রতি ভালোবাসার এক অসাধারণ বার্তাও দেন তিনি।

ম্যাচের ৩২ মিনিটে বক্সের বাইরে বল পেয়ে ডান পায়ের শক্তিশালী শটে মনতেরের জালে বল পাঠান ডি পল। গোলের পরই বদলে যায় দৃশ্যপট। নিজের জার্সি খুলে ফেলেন তিনি। আর তার নিচে দেখা যায় মেসির বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি।

সেই জার্সি হাতে তুলে গ্যালারির দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। গোল উদযাপনের সেই মুহূর্তে যেন পুরো বার্তাটাই ছিল মেসির উদ্দেশ্যে। বন্ধুর কঠিন সময়ে তিনি পাশে আছেন। মাঠে মেসি না থাকলেও তাঁর উপস্থিতি যে সতীর্থদের মনে কতটা গভীর, দেপলের এই উদযাপনেই সেটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

শুধু মাঠেই নয়, গ্যালারিতেও ছিল মেসিকে ঘিরে আবেগের বহিঃপ্রকাশ। ম্যাচের ১০ মিনিটে সমর্থকেরা মেসির নামে স্লোগান দেন। গ্যালারিতে উড়তে দেখা যায় আর্জেন্টাইন তারকার পতাকা। একটি ব্যানারে লেখা ছিল, ‘ফুয়েরজা, লিও’ অর্থাৎ, ‘শক্ত থাকো, লিও।’

মেসির বাবা হোর্হে মেসি ৬৮ বছর বয়সে মারা গেছেন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর আর্জেন্টিনার রোজারিওতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বাবার শেষ বিদায় ও পরিবারের পাশে থাকতে নিজ শহর রোজারিওতে ফিরে গেছেন মেসি।

মেসি ও হোর্হের সম্পর্ক ছিল শুধু বাবা-ছেলের নয়, বরং ফুটবলজীবনেরও এক গভীর বন্ধন। মেসির ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোতে হোর্হে ছিলেন তাঁর সবচেয়ে বড় সমর্থকদের একজন। ছেলের প্রতিভার ওপর আস্থা রেখে ছোটবেলা থেকেই তাকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।

তাই হোর্হের মৃত্যুর পর মেসির শোক যে কতটা গভীর, সেটি বুঝতে পারছেন তাঁর সতীর্থরাও। দেপলের গোল উদযাপন সেই অনুভূতিকেই যেন প্রকাশ্যে নিয়ে এলো।

তবে আবেগঘন সেই মুহূর্তের পরও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি ইন্টার মায়ামি। দেপলের গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত মনতেরের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে যায় তারা। ফলে লিগস কাপে দুই ম্যাচ শেষে মায়ামির সংগ্রহ এক জয় ও এক হার। পয়েন্ট তালিকায় দলটির অবস্থান এখন নবম।

লিগ পর্বে মায়ামির সামনে এখন শেষ ম্যাচ। আগামী ১২ আগস্ট লিওনের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। সেই ম্যাচে মেসি ফিরবেন কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। তবে ফল যা-ই হোক, মনতেরের বিপক্ষে দেপলের সেই গোল উদযাপন মেসির প্রতি সতীর্থদের ভালোবাসার এক স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে।

বাবার অসুস্থতার চিন্তায় বিশ্বকাপেও কেঁদেছিলেন মেসি

0

একদিকে বিশ্বকাপের মঞ্চে হ্যাটট্রিকের আনন্দ, অন্যদিকে বাবার অসুস্থতার দুশ্চিন্তা, দুই বিপরীত অনুভূতি একসঙ্গে বয়ে বেড়িয়েছিলেন লিওনেল মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে তিন গোল করার পর আর্জেন্টাইন তারকার চোখে দেখা গিয়েছিল অশ্রু। তখন অনেকের কাছেই সেটি ছিল বিস্ময়ের। পরে জানা যায়, সেই কান্নার সঙ্গে জড়িয়ে ছিল তাঁর বাবা হোর্হে মেসির অসুস্থতার বিষয়টি।

আজ সেই বাবাই আর নেই। দীর্ঘদিন শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করার পর ৬৮ বছর বয়সে রোজারিওর একটি মেডিকেল ক্লিনিকে মারা গেছেন হোর্হে মেসি। পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিশ্বকাপ চলার সময় হোর্হের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এর মধ্যেও দেশের হয়ে নিজের দায়িত্ব পালন করে গেছেন মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে হ্যাটট্রিক করার পর গোল উদযাপনের সময় হঠাৎ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। চোখের পানি মুছতে দেখা যায় আর্জেন্টিনার অধিনায়ককে।

ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে মেসিকে তাঁর কান্নার কারণ জানতে চাওয়া হলে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, এর সঙ্গে মাঠের কোনো ঘটনা জড়িত নয়। বরং পরিবারকে ঘিরে তখন কঠিন একটি সময় পার করছিলেন তিনি। পরে মেসির পরিবারও হোর্হের শারীরিক অসুস্থতার বিষয়টি প্রকাশ করে এবং জানায়, তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।

বিশ্বকাপের ব্যস্ততা শেষ হওয়ার পর বাবার কাছে ছুটে যান মেসি। রোজারিওতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে পরে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে ইন্টার মায়ামির হয়ে মাঠে নামেন তিনি। কিন্তু বাবার অসুস্থতার বিষয়টি যে তাঁর মনে কতটা প্রভাব ফেলেছিল, সেটি বোঝা যায় সেই সময়ের ঘটনাগুলোতেই।

মেসির ফুটবল ক্যারিয়ার গড়ে ওঠার পেছনে হোর্হে মেসির অবদান ছিল বিশাল। ছোটবেলা থেকেই ছেলের প্রতিভাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য নানা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। মেসির ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তাঁর প্রতিনিধি হিসেবেও কাজ করেছেন হোর্হে।

মাত্র ১৩ বছর বয়সে মেসিকে নিয়ে স্পেনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সেই যাত্রার পরই বার্সেলোনার যুব একাডেমি লা মাসিয়ায় মেসির নতুন অধ্যায় শুরু হয়। সেখান থেকে ধীরে ধীরে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে আসেন আর্জেন্টাইন তারকা।

বাবার সঙ্গে নিজের সম্পর্কের গভীরতা একাধিকবার প্রকাশ করেছেন মেসি। ছোটবেলায় প্রতিটি ম্যাচের পর বাবার মতামত জানতে চাইতেন তিনি। মেসির ভাষায়, বাবার কাছ থেকে ভালো খেলার স্বীকৃতি পাওয়া তাঁর কাছে সবসময়ই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

তাই বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিকের পর মেসির সেই কান্নাকে এখন অন্যভাবেও দেখা যায়। গোলের আনন্দের মুহূর্তেও প্রিয় বাবার শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন তিনি। মাঠের উচ্ছ্বাসের আড়ালে তখন লুকিয়ে ছিল পরিবারের জন্য এক গভীর উদ্বেগ।

হোর্হে মেসির মৃত্যুর পর শোক জানিয়েছে মেসির শৈশবের ক্লাব নিউয়েলস ওল্ড বয়েজও। ক্লাবটির সঙ্গে মেসির বেড়ে ওঠার সময় হোর্হের অবদানও ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

ফুটবলে মেসির অর্জনের তালিকা দীর্ঘ। বিশ্বকাপ, অসংখ্য শিরোপা, রেকর্ড আর ব্যক্তিগত পুরস্কারে ভরা তাঁর ক্যারিয়ার। কিন্তু বাবাকে ঘিরে বিশ্বকাপের সেই অশ্রুসিক্ত মুহূর্তটি হয়তো তাঁর জীবনের সবচেয়ে আবেগঘন স্মৃতিগুলোর একটি হয়ে থাকবে। কারণ সেই কান্নার পেছনে ছিল এমন একজন মানুষ, যিনি শুধু তাঁর বাবা নন, ছিলেন তাঁর স্বপ্নযাত্রার অন্যতম প্রধান সহযাত্রী।