Home Blog Page 66

মাদ্রিদের জন্য মেসির মানবিক হাত

0

ফুটবল মাঠে লিওনেল মেসির পায়ের জাদু নিয়ে গল্পের শেষ নেই। অসংখ্য যাদুকরী মূহুর্ত, অসংখ্য গোল, রেকর্ড আর শিরোপায় তিনি নিজেকে নিয়ে গেছেন কিংবদন্তিদের কাতারে। কিন্তু মাঠের বাইরের মেসিও যেন আরেক বিস্ময়। সেখানে তিনি গোল করেন না, গোল করার সুযোগও নেই, তবে ঠিকই জয় করে নেন মানুষের হৃদয়। ট্রফি দুই হাতে উঁচু করে ধরার সুযোগ নেই, তবে আছে মানুষের হৃদয়ের সিংহাসনে আসীন হওয়ার। এখন সেই কাজটিই করে চলেছেন লিওনেল মেসি।

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের পশ্চিমাঞ্চল সিয়েরা ওয়েস্তে ভয়াবহ দাবানলে ক্ষতবিক্ষত। আগুনে পুড়ে গেছে বিস্তীর্ণ বনভূমি, ধ্বংস হয়েছে অসংখ্য বাড়িঘর, নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন শত শত মানুষ। এমন দুঃসময়ে আবারও মানবতার হাত বাড়িয়ে দিলেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি।

মাদ্রিদ অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট ইসাবেল দিয়াজ আয়ুসো জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পুনর্গঠনের জন্য মেসি ৮০ হাজার ইউরো অনুদান দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি লেখেন, ‘লিও মেসি সিয়েরা ওয়েস্তে পুনর্গঠনের জন্য ৮০ হাজার ইউরো দান করেছেন। আমি তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। মাদ্রিদের মানুষ আশা করছে, খুব শিগগিরই তাঁকে স্বাগত জানাতে পারবে এবং তাঁর প্রাপ্য সম্মান জানাতে পারবে।’

সংখ্যার হিসাবে ৮০ হাজার ইউরো হয়তো শুধু একটি অঙ্ক। কিন্তু যাঁরা আগুনে হারিয়েছেন নিজের ঘর, শৈশবের স্মৃতি কিংবা জীবনের সঞ্চয়, তাঁদের কাছে এটি নতুন করে বেঁচে ওঠার এক টুকরো আশা।

মেসির মানবিকতার গল্প অবশ্য আজকের নয়। ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত লিও মেসি ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অসহায় শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও খেলাধুলার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। অসংখ্য শিশুর চিকিৎসা ব্যয় বহন, হাসপাতালের উন্নয়ন, শিক্ষাবৃত্তি এবং ক্রীড়া সুবিধা তৈরিতে তাঁর ফাউন্ডেশনের অবদান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।

করোনা মহামারির সময়ও মেসি নীরবে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিলেন। আর্জেন্টিনা ও স্পেনের হাসপাতালগুলোর জন্য অর্থ সহায়তা দিয়েছেন, চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনায় সহযোগিতা করেছেন। জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হিসেবেও বিশ্বের বিভিন্ন মানবিক সংকটে বারবার সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন তিনি। যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা শিশুস্বাস্থ্যের সংকট- যেখানেই মানুষের কান্না, সেখানেই কোনো না কোনোভাবে পৌঁছে গেছে তাঁর সহায়তার স্পর্শ।

অনুশীলনে মেসি।

মেসির এই মানবিক উদ্যোগের বিশেষত্ব হলো, তিনি প্রচারের আলোয় নয়, কাজের মধ্য দিয়েই নিজের অবস্থান জানান দেন। মাঠে গোল করার পর যেমন সতীর্থদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেন, তেমনি মাঠের বাইরেও মানুষের কষ্টকে নিজের দায়িত্বের অংশ বলে মনে করেন।

ফুটবল ইতিহাসে অনেক কিংবদন্তিই জন্ম নিয়েছেন। কেউ স্মরণীয় হয়েছেন গোলের জন্য, কেউ শিরোপার জন্য। কিন্তু খুব কম মানুষই আছেন, যাঁরা একই সঙ্গে ক্রীড়াবিদ এবং মানবতার দূত হয়ে উঠতে পেরেছেন। লিওনেল মেসি সেই বিরলদের একজন।

দাবানলে পোড়া সিয়েরা ওয়েস্তে একদিন হয়তো আবার সবুজে ফিরে আসবে। নতুন ঘর উঠবে, শিশুরা আবার খেলবে খোলা মাঠে। সেই পুনর্জাগরণের গল্পে হয়তো একটি নাম নীরবে লেখা থাকবে তাদের হৃদয়ে-লিওনেল মেসি। কারণ কিছু মানুষ শুধু মাঠে জয় এনে দেন না, মানুষের ভেঙে যাওয়া মনেও জ্বালিয়ে দেন নতুন জীবনের আলো। আর সেই আলোই তাঁদের প্রকৃত মহত্ত্বের পরিচয় বহন করে।

শফিকের দেড়শ, স্পিন জাদুতে এগিয়ে পাকিস্তান

0

একদিন আগেও ম্যাচে সমানে সমান লড়াই চলছিল। দ্বিতীয় দিনের শেষে যে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে যাবে, তা নিয়ে ছিল অনিশ্চয়তা। কিন্তু তৃতীয় দিনের শেষ সেশনে দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে দিল পাকিস্তান। সাজিদ খান ও আলি উসমানের দুর্দান্ত স্পিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংস ধসে পড়ে। দিনের খেলা শেষে স্বাগতিকদের লিড মাত্র ৬০ রান, আর হাতে চার উইকেট। ফলে জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখতে শেষ দিনে কঠিন লড়াই করতে হবে ক্যারিবীয়দের।

দিনের শেষ সেশনটি ছিল ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। নতুন বল হাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ওপেনার পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসের ৪৩ রানের লিড দ্রুতই মুছে দেন। তখন মনে হচ্ছিল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে স্বাগতিকদের দিকেই ঝুঁকছে। কিন্তু অধিনায়ক স্পিন আক্রমণে সাজিদ খান ও আলি উসমানকে আনার পরই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র।

প্রথম আঘাত হানেন সাজিদ

প্রথম আঘাত হানেন সাজিদ। তাগেনারিন চন্দরপলকে এলবিডব্লিউ করে জুটি ভাঙেন তিনি। এরপর ব্র্যান্ডন কিং চোট পাওয়ায় ওপেনিংয়ে নামা কেভেম হজের পরিবর্তে ব্যাটিংয়ে আসা আমির জানগুকে দুর্দান্ত অফস্পিনে বোল্ড করেন আলি উসমান।

কেভেম হজ কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও উসমানের সোজা বল বুঝতে না পেরে এলবিডব্লিউ হন। এরপর শাই হোপ ও রস্টন চেজ ধৈর্য ধরে ইনিংস গড়ার চেষ্টা করলেও শেষ বিকেলে আবার আঘাত হানে পাকিস্তান। সাজিদের নিচু হয়ে আসা বলে এলবিডব্লিউ হন হোপ। নাইটওয়াচম্যান হিসেবে নামা জেডেন সিলসও মাত্র দুই বল টিকতে পারেন। দিনের শেষ বলেই রস্টন চেজ ক্যাচ তুলে দিলে আরও শক্ত অবস্থানে চলে যায় পাকিস্তান।

এর আগে দিনের প্রথম দুই সেশন ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। পাকিস্তানের তৃতীয় উইকেট জুটিতে বাবর আজম ও আবদুল্লাহ শফিক দারুণ ব্যাটিং করলেও মধ্যাহ্নের পর হঠাৎ করেই ধস নামে সফরকারীদের ইনিংসে।

দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট শিকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের জোমেল ওয়ারিকান

বাবর আজম শুরুতে ধীরগতিতে খেলছিলেন। ২১ বল খেলে মাত্র ২ রান করার পর রান নেওয়ার ভুল সিদ্ধান্তে রানআউট হন পাকিস্তান অধিনায়ক। ব্র্যান্ডন কিংয়ের দুর্দান্ত থ্রোতে সাজঘরে ফেরেন তিনি। যদিও থ্রো করার সময় নিজেই চোট পেয়ে স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়েন কিং।

এরপর অভিষিক্ত আওয়াইস জাফর, সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান দ্রুত ফিরে গেলে চাপে পড়ে পাকিস্তান। জোমেল ওয়ারিকান ও শামার জোসেফের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে অল্প সময়েই তিন উইকেট হারায় সফরকারীরা।

তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে অনবদ্য ব্যাটিং করেন আবদুল্লাহ শফিক। তাঁর সঙ্গে অষ্টম উইকেটে মূল্যবান জুটি গড়েন সাজিদ খান। দারুণ আত্মবিশ্বাসে ব্যাটিং করে শফিক তুলে নেন ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ইনিংস। কেভেম হজকে ছক্কা মেরে তিনি দেড়শ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। তাঁর এই ইনিংসেই পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোর ছাড়িয়ে যায়।

ওয়ারিকানের ছয় উইকেট

শেষদিকে অবশ্য ওয়ারিকান আবারও ম্যাচে ফেরান স্বাগতিকদের। সাজিদকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙার পর উবাইদ শাহ ও মোহাম্মদ আলিকেও আউট করে ইনিংসে ছয় উইকেট পূর্ণ করেন এই বাঁহাতি স্পিনার।

তবে পাকিস্তানের জন্য সবচেয়ে বড় স্বস্তি এসেছে বল হাতে। দিনের শেষ সেশনে সাজিদ খান ও আলি উসমান যে স্পিনের জাল বিছিয়েছেন, তাতে চতুর্থ দিনের শুরুতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্রুত গুটিয়ে দিয়ে সহজ লক্ষ্য তাড়া করার স্বপ্ন দেখছে সফরকারীরা। অন্যদিকে মাত্র ৬০ রানের লিড নিয়ে স্বাগতিকদের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ-কীভাবে লড়াই করার মতো একটি লক্ষ্য দাঁড় করানো যায়।

টিভিতে আজকের খেলা: ০৫ আগস্ট ২০২৬

পোর্ট অব স্পেনে চলছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তান দ্বিতীয় টেস্ট। লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে আজ প্রথম কোয়ালিফায়ার ও এলিমিনেটর ম্যাচ।

ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ লিগ ২
কানাডা-আরব আমিরাত
বিকেল ৪টা, ফ্যানকোড

পোর্ট অব স্পেন টেস্ট-৪র্থ দিন
ওয়েস্ট ইন্ডিজ-পাকিস্তান
সন্ধ্যা ৭-৪৫ মি., পিটিভি স্পোর্টস

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
গল-জাফনা
বেলা ৩-৩০ মি., টি স্পোর্টস

কলম্বো-ক্যান্ডি
রাত ৮টা, টি স্পোর্টস

দ্য হানড্রেড
ম্যানচেস্টার-ওয়েলশ
রাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস ২

ট্রেন্ট-বার্মিংহাম
রাত ১১-৩০ মি., স্টার স্পোর্টস ২

দাবানল দুর্গতদের পাশে মেসি, মাদ্রিদের পুনর্গঠনে দিলেন ৮০ হাজার ইউরো

0

বিশ্বকাপ ফাইনালে শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার হতাশার মধ্যেও মানবিক কর্মকাণ্ড দিয়ে আবারও প্রশংসিত হলেন লিওনেল মেসি। স্পেনের মাদ্রিদ অঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় ৮০ হাজার ইউরো অনুদান দিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা।

মাদ্রিদের আঞ্চলিক প্রেসিডেন্ট ইসাবেল দিয়াজ আয়ুসো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেসির এই অনুদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে তাকে ধন্যবাদ জানান।

আয়ুসো লিখেছেন, ‘লিওনেল মেসি মাদ্রিদের পশ্চিম সিয়েরা অঞ্চলের পুনর্গঠনের জন্য ৮০ হাজার ইউরো অনুদান দিয়েছেন। আমরা তার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। আশা করি খুব শিগগির তাকে মাদ্রিদে স্বাগত জানাতে পারব এবং তার প্রাপ্য সম্মান জানাতে পারব।’
গত সপ্তাহে মাদ্রিদের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া দাবানল স্পেনের সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর একটিতে পরিণত হয়। আগুনে প্রায় ২৭ হাজার হেক্টর বনভূমি ও বিস্তীর্ণ এলাকা পুড়ে যায়। এতে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ।

দাবানলের কারণে বহু মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হয়। অনেক পরিবার দীর্ঘ সময় নিজেদের বাড়িতে আটকে ছিল। আগুনে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে অসংখ্য ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও স্থানীয় অবকাঠামো।

বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর পুনর্গঠনে কাজ করছে স্থানীয় প্রশাসন। সেই কার্যক্রমে মেসির অনুদান গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মানবিক কর্মকাণ্ডে বরাবরই সক্রিয় মেসি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং শিশু কল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগে নিয়মিত সহযোগিতা করে আসছেন তিনি। এবারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আবারও প্রশংসা কুড়িয়েছেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই ফুটবল কিংবদন্তি।

স্ট্রাইকার খুঁজছে বার্সেলোনা, আলভারেজই প্রথম পছন্দ ফ্লিকের

0

দলে লামিনে ইয়ামাল, রাফিনিয়া, দানি অলমো, ফারমিন লোপেজ, ফেররান তোরেসদের মতো আক্রমণভাগের তারকা আছেন। নতুন মৌসুমের আগে যোগ দিয়েছেন অ্যান্থনি গর্ডন ও করিম আদেয়েমিও। তবু বার্সেলোনা এখনও একজন স্বীকৃত স্ট্রাইকার খুঁজছে। রবার্ট লেভানডোভস্কির বিকল্প হিসেবে নতুন একজন নম্বর নাইনকে দলে ভেড়াতে চান কোচ হ্যান্সি ফ্লিক।

এদিকে ধারে দলে আসা মার্কাস রাশফোর্ডের সঙ্গে বার্সেলোনার পথচলাও শেষ হয়েছে। ফলে আক্রমণভাগে আরও একজন অভিজ্ঞ গোলদাতার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে কাতালান ক্লাবটি।

ফেররান তোরেসের ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত। তার বর্তমান চুক্তির মেয়াদ আর মাত্র এক বছর। ফলে তিনি ক্লাব ছাড়বেন, নতুন চুক্তি করবেন নাকি চুক্তির মেয়াদ শেষ করে ফ্রি এজেন্ট হবেন, তা এখনও পরিষ্কার নয়।
বার্সেলোনার প্রধান লক্ষ্য অবশ্য অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজ। ক্লাব সভাপতি হোয়ান লাপোর্তা নিশ্চিত করেছেন, তাকে দলে ভেড়াতে প্রায় ১০ কোটি ইউরোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে দুই ক্লাবের আলোচনা আপাতত অগ্রগতি পাচ্ছে না।
তোরেসের ভবিষ্যৎ এবং নতুন স্ট্রাইকার নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ফ্লিক বলেন, ‘আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।

স্পোর্টিং ডিরেক্টর ডেকোর ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। আমরা জানি, আমাদের কিছু একটা করতেই হবে। তবে বিষয়টি ফেররানের পরিস্থিতির ওপরও নির্ভর করছে। এরপর দেখা যাবে কী হয়।’

এনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তোরেসও নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা স্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, ‘বার্সেলোনার সঙ্গে আমার চুক্তি আছে। তবে ফুটবলে কখন কী হয়, বলা যায় না। আমি শুধু সঠিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। এখনও জানি না কী হবে।’

তোরেস চলে গেলে এবং নতুন কোনো স্ট্রাইকারকে দলে আনা না গেলে বর্তমান স্কোয়াড থেকেই সমাধান খুঁজতে হতে পারে ফ্লিককে। তার বিশ্বাস, নতুন দুই সাইনিং গর্ডন ও আদেয়েমি প্রয়োজনে সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবেও খেলতে পারবেন। এমনকি লামিনে ইয়ামালও মাঝখানে খেলতে সক্ষম।

ফ্লিক বলেন, ‘লামিনে আমাদের হয়ে এক-দুইটি ম্যাচে মাঝখানে খেলেছে। সে অসাধারণ একজন ফুটবলার, বিশ্বমানের খেলোয়াড়। তাই সে এই ভূমিকাতেও মানিয়ে নিতে পারে। তবে আমরা মূলত তাকে উইংয়েই দেখতে চাই। গর্ডন ও আদেয়েমিও দুই উইংয়ের পাশাপাশি নম্বর নাইন হিসেবেও খেলতে পারে। আমাদের হাতে বেশ কয়েকটি বিকল্প আছে।’

আলভারেজকে দলে ভেড়ানো এখনও বার্সেলোনার প্রথম অগ্রাধিকার। তবে বিকল্প পরিকল্পনাও তৈরি করে রাখছে স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নরা। সম্প্রতি ফরাসি তরুণ ফরোয়ার্ড এলি জুনিয়র ক্রুপির সম্ভাব্য দলবদল নিয়েও খোঁজ নিয়েছিল ক্লাবটি। যদিও চোটে পড়ায় আপাতত তার বোর্নমাউথেই থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

আগামী ২৩ আগস্ট এলচের মাঠে ম্যাচ দিয়ে নতুন লা লিগা মৌসুম শুরু করবে বার্সেলোনা। তার আগেই আক্রমণভাগে নতুন সংযোজন করতে চায় কাতালান ক্লাবটি।

ভিনিসিয়ুসের চুক্তি নিয়ে রিয়ালের জরুরি বৈঠক

0

রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নতুন চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন এখনো কাটেনি। সেই অচলাবস্থা নিরসনে বুধবার ব্রাজিলিয়ান এই উইঙ্গারের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। তবে ক্লাব নিজেদের আগের প্রস্তাবেই অনড় থাকছে বলে জানা গেছে।

স্প্যানিশ সাংবাদিক রদ্রিগো ফায়েজ জানিয়েছেন, চুক্তি নবায়ন নিয়ে চলমান জটিলতার মধ্যেই ভিনিসিয়ুসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে আগের দেওয়া প্রস্তাবে কোনো পরিবর্তন আনতে রাজি নয় ক্লাবটি।

বর্তমানে ভিনিসিয়ুস প্রতি মৌসুমে প্রায় ৩ কোটি ইউরো পারিশ্রমিক দাবি করছেন। বিপরীতে রিয়ালের সর্বোচ্চ প্রস্তাব ২ কোটি ২০ লাখ ইউরো। এই বড় অঙ্কের ব্যবধানই আলোচনাকে জটিল করে তুলেছে।
চুক্তি নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় ক্লাবের ভেতরেই ভিনিসিয়ুসকে বিক্রি করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, আর্সেনাল তাকে দলে ভেড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। সম্ভাব্য দলবদলের মূল্য হতে পারে প্রায় ১৫ কোটি ইউরো।

যদিও ভিনিসিয়ুসের প্রতিনিধিরা আর্সেনালের সঙ্গে কোনো যোগাযোগের কথা অস্বীকার করেছেন, তবে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা এগোচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ায় আর্সেনালের স্পোর্টিং ডিরেক্টর আন্দ্রেয়া বের্তা এবং প্রধান কোচ মিকেল আরতেতাও সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।

এখন বুধবারের বৈঠকেই পরিষ্কার হতে পারে, ভিনিসিয়ুস রিয়াল মাদ্রিদেই থাকছেন নাকি ইউরোপের আরেক শীর্ষ ক্লাবে যোগ দেওয়ার পথ আরও প্রশস্ত হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ায় কঠিন পরীক্ষার অপেক্ষা বাংলাদেশের

প্রায় ২৩ বছর পর আবারও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০০৩ সালের সেই সফরের স্মৃতি মনে করে সাবেক জাতীয় দলের এক ক্রিকেটার বলেছেন, সময় বদলেছে, বাংলাদেশ দলও অনেক এগিয়েছে। তবে অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের জন্য।

তিনি স্মরণ করেন, ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়া ছিল বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রভাবশালী দল। গ্লেন ম্যাকগ্রা, স্টুয়ার্ট ম্যাকগিলসহ বিশ্বসেরা বোলারদের বিপক্ষে খেলা ছিল বাংলাদেশের জন্য বিশাল অভিজ্ঞতা। সে সময় দলের সঙ্গে প্রথমবারের মতো একজন বিশ্লেষক (অ্যানালিস্ট) যুক্ত হয়েছিলেন, যা প্রস্তুতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছিল।

সাবেক এই ক্রিকেটারের মতে, সে সময় অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যম ধারণা করেছিল বাংলাদেশ হয়তো দুই দিনের মধ্যেই টেস্ট হেরে যাবে। কিন্তু প্রথম ম্যাচ তিন দিন এবং দ্বিতীয় ম্যাচ চার দিন পর্যন্ত টেনে নেওয়াকে তিনি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখেন।

ডারউইন ও কেয়ার্নসের উইকেটে ছিল পার্থক্য নিয়ে তিনি জানান, ২০০৩ সালে ডারউইনের উইকেটে প্রত্যাশার তুলনায় কম বাউন্স ছিল। তবে কেয়ার্নসের উইকেট ছিল অনেক বেশি বাউন্সি এবং প্রকৃত অস্ট্রেলিয়ান কন্ডিশনের কাছাকাছি। যদিও বড় দলের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা আগে থেকেই থাকায় ভয় নয়, বরং কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

বর্তমান অস্ট্রেলিয়ার বোলিংও সমান ভয়ংকর। তার মতে, ২০০৩ সালের অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণ যেমন ছিল বিশ্বের সেরা, বর্তমান দলেও প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড, মিচেল স্টার্ক ও নাথান লায়নের মতো বিশ্বমানের বোলার রয়েছেন। ফলে এবারও বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের জন্য কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে।

তবে একটি বড় পার্থক্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি। বর্তমান বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের হাতে এখন ভিডিও বিশ্লেষণ, তথ্যভিত্তিক প্রস্তুতি এবং প্রতিপক্ষ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার সুযোগ রয়েছে, যা ২০০৩ সালে ছিল না।

ব্যাটসম্যানদের জন্য বিশেষ পরামর্শ। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে শুরুতেই ড্রাইভ খেলতে গিয়ে ঝুঁকি নেওয়া ঠিক হবে না। অফ স্টাম্পের বাইরের বল ছেড়ে দেওয়ার দক্ষতা এবং ধৈর্য ধরে ব্যাটিং করাই হবে সফলতার চাবিকাঠি। বিশেষ করে নতুন বলে অতিরিক্ত বাউন্স ও মুভমেন্ট সামলাতে ব্যাটসম্যানদের সংযত থাকতে হবে।

তার ভাষায়, আধুনিক টেস্ট ক্রিকেটে দ্রুত রান তোলার প্রবণতা থাকলেও প্রতিটি শট বেছে খেলতে হবে। লোভনীয় ডেলিভারিতে ভুল শট খেললে দ্রুত উইকেট হারানোর ঝুঁকি থাকবে।

অভিজ্ঞদের দায়িত্ব বেশি তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের বড় ইনিংস খেলার সামর্থ্য রয়েছে। তবে সফল হতে হলে কন্ডিশনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সিনিয়র ক্রিকেটারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পেসারদের দিকেই তাকিয়ে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে ৭০ রানের মধ্যে অলআউট করা বাস্তবে কঠিন হলেও ক্রিকেটে অসম্ভব কিছু নেই বলে মন্তব্য করেন সাবেক এই ক্রিকেটার। তবে তার মতে, বাংলাদেশের সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করবে পেস বোলারদের ওপর। নতুন বলে দ্রুত উইকেট তুলে নিতে পারলেই ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

স্পিনারদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ তিনি মনে করেন, ডারউইনের উইকেটে কিছুটা স্পিন সহায়তা মিললেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই নির্ভর করবে পেস আক্রমণের ওপর। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামের মতো অভিজ্ঞ স্পিনাররা নিজেদের ভূমিকা রাখতে পারবেন।

আশাবাদী সাবেক ক্রিকেটার সবশেষে তিনি বলেন, গত ২৩ বছরে বাংলাদেশের ক্রিকেট অনেক এগিয়েছে। সঠিক পরিকল্পনা, ধৈর্য এবং কন্ডিশনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারলে এবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভালো ফল করার সুযোগ রয়েছে।

পর্তুগালেই বসছে রোনালদোর বিয়ের আসর

এক দশকের ভালোবাসা

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। মাঠে অসংখ্য ট্রফি, গোল আর ব্যক্তিগত রেকর্ডের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনও বরাবরই ভক্তদের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেছে। বিশেষ করে জর্জিনা রদ্রিগেজের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে আগ্রহ যেন সময়ের সঙ্গে আরও বেড়েছে।

প্রায় এক দশক ধরে একসঙ্গে পথ চলছেন এই তারকা জুটি। সম্পর্কের শুরু থেকে শুরু করে সন্তান জন্ম, পারিবারিক সুখ-দুঃখ, বাগদান , সবকিছুই কোটি ভক্তের সামনে ঘটেছে। আর এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে তাদের বিয়ের বিষয়টি।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, আগামী ৮ আগস্ট পর্তুগালে রোনালদো ও জর্জিনার বিয়ের আয়োজন হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। ফলে গুঞ্জন যতই বাড়ুক, চূড়ান্ত সত্য জানার অপেক্ষা এখনও শেষ হয়নি।

পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত প্রেম

আজ তারা বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় সেলিব্রিটি দম্পতি। কিন্তু তাদের সম্পর্কের শুরুটা ছিল একেবারেই সাধারণ।

২০১৬ সালের শেষ দিকে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের একটি Gucci স্টোরে কাজ করতেন জর্জিনা রদ্রিগেজ। বিলাসবহুল ব্র্যান্ডটির সেই শোরুমে তিনি ছিলেন একজন বিক্রয়কর্মী।

অন্যদিকে, সেই সময় রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ব্যালন ডি’অর, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, লা লিগা , সব মিলিয়ে তিনি তখন ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় সুপারস্টারদের একজন। দুজনের জগৎ ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। কিন্তু ভাগ্য যেন অন্য গল্প লিখে রেখেছিল।

একটি সাধারণ সাক্ষাৎ

জর্জিনা পরে একাধিক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, প্রথম দেখাতেই রোনালদোর ব্যক্তিত্ব তাকে মুগ্ধ করেছিল। সেই পরিচয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই একটি ফ্যাশন অনুষ্ঠানে আবার দেখা হয় দুজনের। সেখান থেকেই শুরু হয় নিয়মিত যোগাযোগ।

প্রথমে বন্ধুত্ব। তারপর ধীরে ধীরে তৈরি হয় বিশ্বাস। আর সেই বিশ্বাসই একসময় রূপ নেয় ভালোবাসায়।

পরবর্তীতে জর্জিনা এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, রোনালদোর খ্যাতি নয়, বরং একজন মানুষ হিসেবে তার আচরণই তাকে সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করেছিল।

সম্পর্ক লুকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি

বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত ক্রীড়াবিদদের একজনের ব্যক্তিগত জীবন বেশিদিন আড়ালে থাকবে, এমনটা খুব কমই হয়।

প্রথম দিকে রোনালদো ও জর্জিনা নিজেদের সম্পর্ক প্রকাশ্যে আনতে চাননি। কিন্তু পাপারাজ্জিদের ক্যামেরা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে সেটি সম্ভব হয়নি।

২০১৭ সালের জানুয়ারিতে জুরিখে অনুষ্ঠিত The Best FIFA Football Awards অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে দেখা যায় এই জুটিকে।

সেদিন রোনালদোর বড় ছেলে ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়রও তাদের সঙ্গে ছিল। কয়েক সপ্তাহ পর ইনস্টাগ্রামে একসঙ্গে তোলা একটি ছবি প্রকাশ করেন তারা। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ছবি ভাইরাল হয়ে যায়।

সেখান থেকেই কার্যত বিশ্বজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচিত হয়ে ওঠে রোনালদো-জর্জিনার সম্পর্ক।

ভালোবাসার সঙ্গে বেড়েছে পরিবার

তাদের সম্পর্ক যত এগিয়েছে, ততই বড় হয়েছে পরিবার। ২০১৭ সালের জুনে সারোগেসির মাধ্যমে জন্ম নেয় যমজ সন্তান ইভা ও মাতেও। একই বছরের নভেম্বরে পৃথিবীতে আসে রোনালদো ও জর্জিনার প্রথম জৈবিক সন্তান আলানা মার্টিনা।

এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই সন্তানদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত ভাগ করে নিতে দেখা যায় তাদের। রোনালদোর ব্যস্ত ফুটবল জীবন এবং জর্জিনার পেশাগত দায়িত্বের মাঝেও পরিবার সবসময় ছিল তাদের অগ্রাধিকার।

সম্ভবত এই কারণেই কোটি ভক্ত তাদের সম্পর্ককে শুধু প্রেমের গল্প হিসেবে নয়, একটি আদর্শ পারিবারিক বন্ধনের উদাহরণ হিসেবেও দেখেন।

জীবনের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা

সব সম্পর্কেই সুখের পাশাপাশি কিছু কঠিন সময় থাকে। রোনালদো ও জর্জিনার জীবনেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ২০২১ সালের শেষ দিকে তারা জানান, আবারও যমজ সন্তানের বাবা-মা হতে চলেছেন। খবরটি বিশ্বজুড়ে আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করেছিলেন তাদের ভক্তরা। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই সেই আনন্দ বদলে যায় গভীর শোকে। ২০২২ সালের এপ্রিলে জন্মের সময় মারা যায় তাদের পুত্রসন্তান।

অন্যদিকে সুস্থভাবে জন্ম নেয় কন্যাসন্তান বেলা এসমেরালদা। সন্তান হারানোর সেই মুহূর্তে রোনালদো ও জর্জিনা যৌথ বিবৃতিতে লিখেছিলেন :

একজন মা-বাবার জীবনে এর চেয়ে বড় কষ্ট আর কিছু হতে পারে না।

সেই বিবৃতি শুধু ফুটবল নয়, পুরো বিশ্বকে আবেগাপ্লুত করেছিল। লাখো মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছিলেন। পরে রোনালদো নিজেই বলেন, জীবনের সবচেয়ে কঠিন সেই সময়ই তাদের পরিবারকে আরও দৃঢ়ভাবে একসঙ্গে থাকতে শিখিয়েছে।

আলোচনার কেন্দ্রে জর্জিনা

একসময় যাকে অনেকে শুধু “রোনালদোর প্রেমিকা” হিসেবে চিনতেন, আজ তিনি নিজেই একটি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড।

মডেলিং, ফ্যাশন, ব্যবসা, সমাজসেবা , সব মিলিয়ে জর্জিনা রদ্রিগেজ নিজের আলাদা পরিচয় গড়ে তুলেছেন। বিশ্বের বিভিন্ন বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার কোটি কোটি অনুসারী রয়েছে।

তার জনপ্রিয়তা আরও বাড়ে Netflix-এর ডকুমেন্টারি সিরিজ I Am Georgina প্রকাশের পর।

সিরিজটিতে শুধু বিলাসবহুল জীবনযাপনই নয়, একজন মা, জীবনসঙ্গী এবং কর্মজীবী নারী হিসেবে জর্জিনার সংগ্রাম, দায়িত্ব ও ব্যক্তিগত অনুভূতিও তুলে ধরা হয়েছে।

সম্ভবত এ কারণেই তিনি আজ শুধুমাত্র একজন ফুটবলারের সঙ্গী নন; বরং নিজস্ব পরিচয়ে সফল একজন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব।

একটি ছবিই বদলে দিল পুরো আলোচনা

২০২৫ সালের আগস্ট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেন জর্জিনা।

ছবিতে তার বাম হাতের অনামিকায় ছিল বড় একটি হীরার আংটি।

ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন :

“Yes, I do. In this life and in every life.”

কয়েকটি শব্দই যথেষ্ট ছিল।

মিনিটের মধ্যেই ছবিটি লাখ লাখ মানুষ শেয়ার করতে শুরু করেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও এটিকে বাগদানের ইঙ্গিত হিসেবে প্রকাশ করে।

যদিও আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি তখনও দেওয়া হয়নি, তবু ভক্তদের কাছে বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে হয়েছিল।

সম্ভবত এ কারণেই তিনি আজ শুধুমাত্র একজন ফুটবলারের সঙ্গী নন; বরং নিজস্ব পরিচয়ে সফল একজন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব।

একটি ছবিই বদলে দিল পুরো আলোচনা

২০২৫ সালের আগস্ট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেন জর্জিনা।

ছবিতে তার বাম হাতের অনামিকায় ছিল বড় একটি হীরার আংটি।

ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন :

“Yes, I do. In this life and in every life.”

কয়েকটি শব্দই যথেষ্ট ছিল।

মিনিটের মধ্যেই ছবিটি লাখ লাখ মানুষ শেয়ার করতে শুরু করেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও এটিকে বাগদানের ইঙ্গিত হিসেবে প্রকাশ করে।

যদিও আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি তখনও দেওয়া হয়নি, তবু ভক্তদের কাছে বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে হয়েছিল।

বিশ্বকাপ শেষ, এবার কি সত্যিই বিয়ের পালা?

২০২৫ সালের আগস্ট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেন জর্জিনা।

ছবিতে তার বাম হাতের অনামিকায় ছিল বড় একটি হীরার আংটি।

ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন :

“Yes, I do. In this life and in every life.”

কয়েকটি শব্দই যথেষ্ট ছিল।

মিনিটের মধ্যেই ছবিটি লাখ লাখ মানুষ শেয়ার করতে শুরু করেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও এটিকে বাগদানের ইঙ্গিত হিসেবে প্রকাশ করে।

যদিও আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি তখনও দেওয়া হয়নি, তবু ভক্তদের কাছে বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে হয়েছিল।

বিশ্বকাপ শেষ, এবার কি সত্যিই বিয়ের পালা?

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর আবারও নতুন করে শুরু হয় আলোচনা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দাবি করে, আগামী ৮ আগস্ট পর্তুগালের মাদেইরায় রোনালদো ও জর্জিনার বিয়ের আয়োজন হতে পারে।

কিছু প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ঐতিহাসিক ফুনচাল ক্যাথেড্রালে অনুষ্ঠিত হতে পারে। পরে পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়ে ব্যক্তিগত সংবর্ধনার আয়োজন করা হতে পারে।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো , এ তথ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

রোনালদো, জর্জিনা কিংবা তাদের প্রতিনিধিদের কেউই ৮ আগস্টকে বিয়ের চূড়ান্ত তারিখ হিসেবে ঘোষণা দেননি।

ফলে বিষয়টি নিয়ে যত আলোচনা হচ্ছে, তার বড় অংশই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে।

বিমান নিয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল গুঞ্জন?

বিয়ের গুঞ্জনের মাঝেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয় রোনালদোর একটি ছবি।

সেখানে দেখা যায়, সন্তানদের নিয়ে তিনি ব্যক্তিগত বিমানে উঠছেন। ব্যস, এতেই শুরু হয়ে যায় নতুন জল্পনা।

অনেকে ধারণা করেন, গোপনে বিয়ের অনুষ্ঠানেই যাচ্ছেন এই তারকা ফুটবলার। কিন্তু পরে জানা যায়, সেটি ছিল পরিবারের ব্যক্তিগত ভ্রমণ।

একটি সাধারণ পারিবারিক সফর কীভাবে মুহূর্তের মধ্যে বিয়ের গুঞ্জনে পরিণত হতে পারে, সেটিই যেন আবারও প্রমাণ করে রোনালদোর বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা।

পরিবারের পক্ষ থেকে কী বলা হয়েছে?

বিয়ের খবর নিয়ে নানা গুঞ্জনের মধ্যেই মুখ খোলেন রোনালদোর বড় বোন কাতিয়া আভেইরো। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিয়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

তার এই বক্তব্যের পর অনেক গুঞ্জন থেমে গেলেও ভক্তদের আগ্রহ একটুও কমেনি। বরং অনেকের বিশ্বাস, এত দীর্ঘ সম্পর্কের পর আনুষ্ঠানিক বিয়ে এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।

কেন আলাদা রোনালদো-জর্জিনার সম্পর্ক?

সেলিব্রিটি দম্পতির অভাব নেই। তবু রোনালদো ও জর্জিনাকে আলাদা করে দেখার কারণও কম নয়। তারা কখনো নিজেদের সম্পর্ককে শুধুই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনায় সীমাবদ্ধ রাখেননি। বরং পরিবার, সন্তান এবং ব্যক্তিগত সময়কে সবসময় গুরুত্ব দিয়েছেন।

জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তেও একে অপরের হাত ছাড়েননি। খ্যাতি ও বিলাসবহুল জীবনযাপনের বাইরেও তাদের সম্পর্কের ভিত্তি হয়ে উঠেছে বিশ্বাস, সম্মান এবং পারস্পরিক দায়িত্ববোধ।

এই কারণেই অনেক ভক্ত তাদের সম্পর্ককে আধুনিক সময়ের সবচেয়ে সফল সেলিব্রিটি প্রেমের গল্পগুলোর একটি বলে মনে করেন।

এখন কী অপেক্ষা?

প্রায় এক দশকের পথচলা। একসঙ্গে গড়ে তোলা বড় পরিবার। বাগদান। অসংখ্য সুখ-দুঃখের স্মৃতি। সবকিছুই যেন একটি নতুন অধ্যায়ের দিকে ইঙ্গিত করছে।তবু বাস্তবতা হলো, রোনালদো ও জর্জিনা এখনো বিয়ের তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেননি।

হয়তো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি সত্যি হবে। হয়তো ৮ আগস্টই তাদের জীবনের সবচেয়ে বিশেষ দিন হয়ে উঠবে।

আবার এটাও হতে পারে, তারা অন্য কোনো সময়, একেবারে ব্যক্তিগত আয়োজনে নতুন জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেবেন। যাই হোক, একটি বিষয় নিশ্চিত , যেদিন এই তারকা জুটি নিজেরাই বিয়ের ঘোষণা দেবেন, সেটি শুধু ফুটবল দুনিয়ার নয়, বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত সেলিব্রিটি সংবাদগুলোর একটি

 

 

ইংল্যান্ডের কোচ হতে চান বেন স্টোকস

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর এবার নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানালেন ইংল্যান্ডের সাবেক অলরাউন্ডার ও টেস্ট অধিনায়ক বেন স্টোকস। খেলোয়াড়ি জীবন শেষ হলেও ক্রিকেটের সঙ্গেই থাকতে চান তিনি। ভবিষ্যতে ইংল্যান্ড টেস্ট দলের প্রধান কোচ হওয়ার আগ্রহের কথাও প্রকাশ করেছেন স্টোকস।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে স্টোকস জানান, কোচিং ক্যারিয়ারের প্রস্তুতি হিসেবে তিনি ইতোমধ্যেই লেভেল -৩ কোচিং কোর্স সম্পন্ন করার কাজ করছেন। খেলোয়াড়ি জীবন পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় কোচিং যোগ্যতা অর্জন করতে চান তিনি।

স্টোকস বলেন, ‘আমি সব সময় নেতৃত্বের ভূমিকায় থাকতে পছন্দ করি। ভবিষ্যতে যদি ইংল্যান্ড দলের কোচ হওয়ার সুযোগ পাই, সেটি হবে দারুণ একটি অভিজ্ঞতা।’

ইংল্যান্ডের নতুন টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে জো রুটকে পুনরায় দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও কথা বলেছেন স্টোকস। সহ-অধিনায়ক হ্যারি ব্রুককে দায়িত্ব না দেওয়ায় কিছুটা বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, এতে ব্রুকের নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট নয় বলেই মনে হচ্ছে।

তবে বন্ধু জো রুটকে আবারও অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় শুভকামনা জানিয়েছেন স্টোকস। একই সঙ্গে অতীতে দীর্ঘ সময় অধিনায়কত্ব করতে গিয়ে রুট যে মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন, সেটিও স্মরণ করেন তিনি। সে কারণেই রুটের জন্য কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে বলেও জানান ইংলিশ অলরাউন্ডার।

এদিকে টেস্টে ধারাবাহিক ব্যর্থতার পর ব্রেন্ডন ম্যাককালামের পরিবর্তে ইংল্যান্ডের নতুন টেস্ট কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক স্টিফেন ফ্লেমিং। স্টোকস অবশ্য ম্যাককালামের সঙ্গে তাঁর কোনো মতবিরোধ বা সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল-এমন গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন।

২০২৪ সালের শেষভাগ থেকে কোনো টেস্ট সিরিজ জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। সর্বশেষ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২–১ ব্যবধানে সিরিজ হারের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানান বেন স্টোকস। অবসরের পর কোচিংকে নতুন লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে ইংল্যান্ড ক্রিকেটে নতুন এক অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিলেন তিনি।

মালয়েশিয়া সিরিজের সূচি প্রকাশ করল বিসিবি

বাংলাদেশ সফরে আসছে মালয়েশিয়া ক্রিকেট দল। দুটি টি-টোয়েন্টি ও তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে মঙ্গলবার সিরিজের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

সূচি অনুযায়ী, ৫ আগস্ট বাংলাদেশে পৌঁছাবে মালয়েশিয়া দল। সফরের শুরুতে ৬ ও ৭ আগস্ট মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে অনুশীলন করবে তারা।

টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশ হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের মুখোমুখি হবে মালয়েশিয়া। প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ৮ আগস্ট, আর দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ১০ আগস্ট। দুটি ম্যাচই হবে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এবং শুরু হবে দুপুর ২টায়।

এরপর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বিপক্ষে খেলবে সফরকারীরা। প্রথম ওয়ানডে ১২ আগস্ট, দ্বিতীয়টি ১৪ আগস্ট এবং তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ ১৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। ওয়ানডে সিরিজের সব ম্যাচই হবে বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে। প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে সকাল সাড়ে ৯টায়।

ম্যাচগুলোর মাঝখানে ৯ আগস্ট বিশ্রাম বা অনুশীলনের সুযোগ থাকবে মালয়েশিয়া দলের। আর ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচের মাঝে ১৫ আগস্ট একদিন বিশ্রাম পাবে দুই দল।

সফর শেষে ১৭ আগস্ট বাংলাদেশ ছাড়বে মালয়েশিয়া ক্রিকেট দল।

মালয়েশিয় সিরিজের সূচি:
প্রথম টি-টোয়েন্টি: ৮ আগস্ট, দুপুর দুইটা, মিরপুর
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি: ১০ আগস্ট, দুপুর দুইটা, মিরপুর
প্রথম ওয়ানডে: ১২ আগস্ট, সকাল সাড়ে নয়টা, বসুন্ধরা
দ্বিতীয় ওয়ানডে: ১৪ আগস্ট, সকাল সাড়ে নয়টা, বসুন্ধরা
তৃতীয় ওয়ানডে: ১৮ আগস্ট, সকাল সাড়ে নয়টা, বসুন্ধরা