Home Blog Page 75

বিশ্বকাপের নায়ক দিবু এবার কাদায়, উদ্ধার করলেন ভক্ত

0

বিশ্বকাপ শেষে ছুটি কাটাতে নিজ শহর মার দেল প্লাতায় রয়েছেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। অবসরযাপনের সেই সময়েই অপ্রত্যাশিত এক বিপাকে পড়েন বিশ্বকাপজয়ী এই গোলরক্ষক। তবে সৌভাগ্যবশত, ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক ভক্তের সহায়তায় শেষ পর্যন্ত মুক্ত হয় তাঁর কাদায় আটকে যাওয়া পিকআপ ট্রাক।

ঘটনাটি ঘটেছে সিয়েরা দে লস পাদ্রেস এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দা লিওনার্দো আলবারাসিন সেদিন মোটরসাইকেলে করে পরিবারকে নিয়ে বের হয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল একটাই-যদি ভাগ্য ভালো থাকে, তাহলে হয়তো একবার কাছ থেকে দেখা মিলবে প্রিয় গোলরক্ষক ‘দিবু’র।

কিন্তু দেখা হওয়ার পাশাপাশি এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হন, যা সারাজীবনের স্মৃতি হয়ে থাকবে তাঁর পরিবারের কাছে।

আর্জেন্টিনার সংবাদপত্র ‘লা ক্যাপিটাল’-কে আলবারাসিন বলেন, কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে এলাকার রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে পড়েছিল। দূরে দুটি পিকআপ ট্রাক দেখে কাছে এগিয়ে যান তিনি। তখন তাঁর ছেলে হঠাৎ বলে ওঠে, ‘বাবা, উনি তো দিবু!’

প্রথমে বিশ্বাসই হয়নি

প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি। পরে কাছে গিয়ে নিশ্চিত হন, সত্যিই সামনে দাঁড়িয়ে আছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক। আলবারাসিন বলেন, ‘আমরা মোটরসাইকেল থামিয়ে হেলমেট খুলেই চিৎকার করে বললাম, ‘দিবু! চ্যাম্পিয়ন!’ তিনি সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দিকে তাকিয়ে তাঁর পরিচিত হাসিটি উপহার দিলেন।’

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের গোলরক্ষক ইমিলিয়ানো মার্টিনেজ

জানা যায়, কাদায় আটকে পড়া এক বন্ধুর গাড়ি টেনে বের করতে গিয়েছিলেন মার্টিনেজ। কিন্তু বন্ধুকে উদ্ধার করতে গিয়ে তাঁর নিজের পিকআপ ট্রাকও কাদায় আটকে যায়। ভক্তের ভাষ্য, তাঁরা শুধু জানতে চেয়েছিলেন কী হয়েছে। কথা বলতে বলতেই মার্টিনেজ জানতে চান, তাঁদের কাছে কোনো ছুরি আছে কি না। টানার দড়ির গিঁট খুলতে পারছিলেন না তাঁরা।

আলবারাসিন বলেন, ‌’আমার কাছে একটি ছুরি ছিল। আমি সঙ্গে সঙ্গে কাদায় নেমে গিঁট খুলতে সাহায্য করি। পরে নিজের গাড়ি দিয়ে টেনে দিবুর ট্রাকটি কাদা থেকে বের করে আনি । তবে এই পুরো ঘটনার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ছিল মার্টিনেজের আন্তরিক আচরণ।’

জ্যাকেট উপহার

এরপর গাড়িতে উঠে চলে যেতে গিয়ে হঠাৎ থেমে যান। নিজের গায়ে থাকা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অফিসিয়াল জ্যাকেট খুলে উপহার হিসেবে তুলে দেন আলবারাসিনের হাতে।

এই মুহূর্তের কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘তখন আর নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। কান্নায় ভেঙে পড়েছিলাম। জীবনে এমন একটি মুহূর্ত পাব, কখনো ভাবিনি। পুরো পরিবারের জন্য এটি এক জাদুকরি স্মৃতি হয়ে থাকবে।’

বিশ্বকাপের হতাশা কাটিয়ে অনুশীলনে ফিরলেন মেসি

0

বিশ্বকাপ ফাইনালের হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের ১০ দিন পর ইন্টার মায়ামির অনুশীলনে ফিরেছেন লিওনেল মেসি। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ফোর্ট লডারডেলে অবস্থিত ক্লাবের ট্রেনিং সেন্টারে আর্জেন্টাইন তারকার ফেরার ছবি প্রকাশ করেছে ইন্টার মায়ামি।

ইএসপিএনের তথ্য অনুযায়ী, ৩৯ বছর বয়সী মেসি শতভাগ ফিট অবস্থায় দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন। তবে কবে তিনি আবার প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে মাঠে নামবেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে অতিরিক্ত সময়ে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচের পর কয়েক দিন নিজ শহর রোজারিওতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান মেসি। সেখানে অসুস্থ বাবা হোর্হে মেসির সঙ্গেও সময় কাটিয়েছেন তিনি।

বিশ্বকাপ দূর্দান্ত পারফরম্যান্স

বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে মেসি ছিলেন দুর্দান্ত। ৮ গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করে আর্জেন্টিনাকে টেনে তুলেছিলেন ফাইনালে। একাধিক নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের নায়কও ছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ ম্যাচে আর জাদু দেখাতে পারেননি। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের কাছে হারের পর চোখের জলেই শেষ হয় তার বিশ্বকাপ অভিযান। সেই সঙ্গে জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

ইন্টার মায়ামিতে সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনে মেসি

২০২২ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জেতার পাশাপাশি ২০২১ ও ২০২৪ সালে কোপা আমেরিকার শিরোপাও জিতেছিলেন মেসি। এবারও স্বপ্ন ছিল টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপের, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা পূরণ হয়নি।

ইনস্টাগ্রামে আবেগঘন বার্তা

ফাইনালের পর ইনস্টাগ্রামে আবেগঘন বার্তায় মেসি লিখেছিলেন, ‘এই যন্ত্রণা অনেক গভীর, এই ক্ষত সারতে সময় লাগবে। তবে ভালো স্মৃতিগুলোও সঙ্গে থাকবে। যেসব ম্যাচে আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছি, সর্বস্ব দিয়ে লড়েছি, পুরো দেশের সমর্থন পেয়েছি-এসব আমাদের মনে চিরকাল থাকবে। এই দল আবারও বিশ্বের সেরাদের কাতারে জায়গা করে নিয়েছে।’

বিশ্বকাপের পর বিশ্রামে থাকায় ইন্টার মায়ামির হয়ে শিকাগো ফায়ার ও সিএফ মন্ট্রিয়ালের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলেননি মেসি। আগেই নিশ্চিত করা হয়েছিল, তিনি এমএলএস অল-স্টার ম্যাচেও অংশ নেবেন না।

শনিবার মায়ামির পরবর্তী ম্যাচ

আগামী শনিবার এমএলএসে কলম্বাস ক্রুকে আতিথ্য দেবে ইন্টার মায়ামি। এরপর ৫ আগস্ট লিগস কাপের প্রথম ম্যাচে মেক্সিকোর ক্লাব অ্যাতলেতিকো দে সান লুইসের মুখোমুখি হবে দলটি। তবে ওই ম্যাচগুলোর কোনোটিতে মেসি খেলবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

মায়ামির কোচ গিয়ের্মো হোয়োস স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, মেসি কিংবা আর্জেন্টিনা সতীর্থ রদ্রিগো দি পলকে নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চান না।

হোয়োস বলেন, ‘বিশ্রাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত প্রায় ৫০ দিন তারা বিশ্বকাপের তীব্র চাপের মধ্যে ছিল। তাই শারীরিক ও মানসিকভাবে পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত তাদের ফিরিয়ে আনার কোনো তাড়াহুড়া নেই।’

টিভিতে আজকের খেলা: ৩০ জুলাই ২০২৬

গ্লাসগোতে চলছে কমনওয়েলথ গেমস। শ্রীলঙ্কায় চলছে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ, আজ একটি ম্যাচ। ইংল্যান্ডে চলছে দ্য হানড্রেড।

কমনওয়েলথ গেমস
৮ম দিন
বেলা ১টা, সনি স্পোর্টস ২

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যান্ডি-জাফনা
রাত ৮টা, টি স্পোর্টস

দ্য হানড্রেড
সাউদার্ন-বার্মিংহাম (নারী)
রাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস ২

সাউদার্ন-বার্মিংহাম (পুরুষ)
রাত ১১-৩০ মি., স্টার স্পোর্টস ২

আবারও বিশ্বকাপ আয়োজনের স্বপ্ন জার্মানির, লক্ষ্য ২০৩৮ অথবা ২০৪২

0

দুইবার সফলভাবে ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করেছে জার্মানি। ১৯৭৪ ও ২০০৬ সালের পর এবার আবারও ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরের আয়োজক হওয়ার পরিকল্পনা করছে দেশটি। ২০৩৮ অথবা ২০৪২ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য আবেদন করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে জার্মান ফুটবল ফেডারেশন (ডিএফবি)।

ডিএফবির বোর্ড সদস্য এবং আইন্ট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের প্রধান নির্বাহী এক্সেল হেলম্যান জানিয়েছেন, ফেডারেশনের সভাপতি বের্ন্ড নয়েনডর্ফ ইতোমধ্যে সম্ভাব্য বিড নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত সবকিছু নির্ভর করবে ফিফার নীতিমালা ও আয়োজক নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর।

দ্য অ্যাথলেটিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেলম্যান বলেন, ‘আমরা আবারও বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চাই। ২০৩৮ কিংবা প্রয়োজন হলে ২০৪২ সালের জন্য আবেদন করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে বিষয়টি পুরোপুরি ফিফার নিয়মের ওপর নির্ভর করছে।’
বিশ্বকাপ আয়োজনের ক্ষেত্রে নিজেদের অন্যতম বড় শক্তি হিসেবে অবকাঠামোকেই দেখছেন হেলম্যান। তার মতে, আধুনিক স্টেডিয়াম, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পর্যাপ্ত হোটেল সুবিধার কারণে বড় কোনো প্রস্তুতির প্রয়োজন হবে না।

তিনি বলেন, ‘জার্মানির স্টেডিয়াম, পরিবহন ব্যবস্থা ও হোটেল অবকাঠামো বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমাদের বিশ্বাস, প্রতিটি ম্যাচের টিকিট বিক্রি হবে এবং সব মিলিয়ে এটি একটি সফল টুর্নামেন্টে পরিণত হবে।’

তবে জার্মানির সামনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে ফিফার কনফেডারেশন রোটেশন নীতি। বিশ্বকাপ আয়োজনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মহাদেশকে পর্যায়ক্রমে সুযোগ দেওয়ার নীতিই অনুসরণ করে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

যেহেতু ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে, তাই ২০৩৮ সালের আসরের স্বাগতিক হওয়ার দৌড়ে জার্মানিকে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হতে পারে। ফলে ২০৪২ সালের বিশ্বকাপই দেশটির জন্য তুলনামূলক বাস্তবসম্মত লক্ষ্য হয়ে উঠতে পারে।

বিগ বাজেটের মোহামেডানে সাদসহ ৫ ফুটবলার

0

আসন্ন নতুন ফুটবল মৌসুম

নতুন ফুটবল মৌসুমকে সামনে রেখে আটঘাট বেঁধে নেমেছে মোহামেনডান স্পোর্টিং ক্লাব। নতুন ফুটবল মৌসুমের জন্য বড় বাজেটের দল গড়ছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। কয়েকদিন আগেই গতবারের ১৮ জনসহ মোট ২৪ জন খেলোয়াড় নিশ্চিত করেছিল আজ আবার নিশ্চিত করেছে ৫ জন খেলোয়াড় যার ৩ জনই হলো বসুন্ধরা কিংসের।

সাদা জার্সি পরিহিত ফাহিম

সাদ উদ্দিন, ফয়সাল ফাহিম, সোহেল রানা এই ৩ জন বসুন্ধরার, এছাড়া শাকিল তপু যিনি গতবার মোহামেডানে খেলেছিলেন আবার আবাহনীর শাহরিয়ার ইমন এই ৫ জনকে নতুন করে দলে সাইন করিয়েছে।  

আজ মোহামেডানের পরিচালক (ক্রীড়া) মোস্তাকুর রহমান বলেন, ‘আমরা এবার চ্যাম্পিয়ন হতে চাই। এ কারণেই বড় দল গড়ছি। সাদ, ফাহিম, সোহেল রানা, শাহরিয়ার ইমন ও শাকিল আহাদকে আজ আমরা সই করিয়েছি। ফলে আমাদের ২৯ জন খেলোয়াড় নিশ্চিত হয়েছে।’

ফাহিম যোগ দেয়ার কথা স্বীকার করে বলন ‘মোহামেডানে যোগ দিয়েছি। তবে এ নিয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু বলতে চাই না।

কোচঃ পরিচালক মোস্তাকুর রহমান জানান, বিদেশিদের মধ্যে উজবেকিস্তানের মোজাফফরভকে রাখা হবে। বাকি তিনজন হবে নতুন। সেই ৩ জন ভালো মানের চায় মোহামেডান। সে লক্ষ্যে এবার তারা উজবেকিস্তানে একটা প্রতিনিধিদল পাঠাচ্ছে খেলোয়াড় বাছাই করতে। উজবেকিস্তান থেকে কোচও আনতে চায় মতিঝিল পাড়ার সাদা-কালোরা। এছাড়া মোহামেডানের সাবেক অস্ট্রেলিয়ান কোচ শন লেনের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।

সত্যিই মোহামেডানের সংগঠকরা কাগজে কলমে চ্যাম্পিয়নের মতই খেলায়োড় সই করিয়েছেন তবে বাকিটা দেখতে হবে কাগজে কলমের পারফরম্যান্সের পর মাঠের পারফরম্যান্সে খেলোয়াড়রা সংগঠকদের মত চ্যাম্পিয়ন হতে পারে কিনা।

ব্রাজিলের জার্সিতে আর ফিরছেন না নেইমার-নিজেই জানালেন বিদায়ের কথা

ব্রাজিল জাতীয় দলের জার্সিতে নেইমারের অধ্যায় শেষ। দীর্ঘদিন ধরে চলা জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নিজেই জানিয়ে দিয়েছেন, জাতীয় দলে তাঁর ফেরার আর কোনো সম্ভাবনা নেই।

বিশ্বকাপে নরওয়ের বিপক্ষে শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের বিদায়ের পরই অবসরের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি, সত্যিই চেষ্টা করেছি। এখন সব শেষ। এখানেই আমার শুরু হয়েছিল, এখানেই শেষ হলো।’

ওই স্টেডিয়ামেই ২০১০ সালে ব্রাজিলের জার্সিতে অভিষেক হয়েছিল নেইমারের। তবে সেদিন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা না দেওয়ায় সমর্থকদের মনে ক্ষীণ আশা ছিল-হয়তো আবারও হলুদ জার্সিতে দেখা যাবে তাঁকে।

সেই সম্ভাবনাও এবার উড়িয়ে দিলেন নেইমার। কোপা সুদামেরিকানার নকআউট প্লে-অফে ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে সান্তোসের ৪–২ গোলের জয়ের পর জাতীয় দল নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি।

এর আগে সাও পাওলোর উইঙ্গার লুকাস মউরা সংবাদমাধ্যম স্পোর্তে রেকর্ড–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আশা প্রকাশ করেছিলেন, ২০৩০ বিশ্বকাপেও নেইমারকে ব্রাজিলের জার্সিতে দেখা যেতে পারে। ম্যাচ শেষে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে নেইমার বলেন,

‘মউরাকে ধন্যবাদ। কিন্তু সেটা আর হবে না। জাতীয় দলে আমার সময় শেষ। আমি ইতিহাস গড়েছি, অসাধারণ সময় কাটিয়েছি। নিজের জীবন, রক্ত-সবকিছুই এই দলের জন্য উজাড় করে দিয়েছি। হলুদ জার্সিতে সব সময় লড়াই করেছি। কিন্তু এখন আর ফিরে আসতে চাই না।’

ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন নেইমার। ৪৫ মিনিট খেলেও নিজের পুরোনো ছন্দের আভাস দেন বলে জানিয়েছে ব্রাজিলের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার জাতীয় দলের হয়ে ১৩০ ম্যাচে করেছেন ৮০ গোল। তাঁর শেষ আন্তর্জাতিক গোলটি আসে নরওয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপের সেই ম্যাচে, যেখানে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করলেও ২-১ ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ব্রাজিল। সেই ম্যাচই শেষ পর্যন্ত হয়ে রইল হলুদ জার্সিতে নেইমারের শেষ অধ্যায়।

ফিফার নতুন পরিকল্পনায় ক্ষুব্ধ উয়েফা, ২০৩০ বিশ্বকাপ বয়কটের আলোচনা

ফিফার নতুন বাণিজ্যিক পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ব ফুটবলে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আলাদা একটি প্রতিষ্ঠান গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

এই পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করেছে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা। এমনকি বিষয়টির প্রতিবাদে ২০৩০ বিশ্বকাপ বয়কটের সম্ভাবনাও বিবেচনা করছে উয়েফাভুক্ত কয়েকটি দেশ।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই স্পোর্টস জানিয়েছে, ফিফার পরিকল্পনা নিয়ে চলতি সপ্তাহে উয়েফার সদস্য দেশগুলোর একটি ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে ফিফার এই উদ্যোগ ঠেকাতে সম্ভাব্য করণীয় নিয়ে আলোচনা হবে।

ফিফার প্রস্তাব অনুযায়ী, ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) নামে একটি নতুন সহায়ক প্রতিষ্ঠান গঠন করা হবে। এই প্রতিষ্ঠান বিশ্বকাপ, ক্লাব বিশ্বকাপসহ ফিফার প্রধান টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

ফিফার হিসাব অনুযায়ী, নতুন কোম্পানিটির সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের সংখ্যালঘু শেয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ ফিফার কাছেই থাকবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

উয়েফা অবশ্য এই পরিকল্পনাকে ফুটবলের স্বার্থবিরোধী বলে অভিহিত করেছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, ফুটবলের শাসনব্যবস্থা ও এর মূল মূল্যবোধ কোনো বাণিজ্যিক সম্পদ নয়। আর্থিকভাবে কারা লাভবান হবে, সে বিষয়ে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা না থাকায় তারা উদ্বিগ্ন। একই সঙ্গে উয়েফার দাবি, ফুটবল কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, তাই এটি বিক্রির অধিকারও কারও নেই।

অন্যদিকে ফিফার দাবি, বেসরকারি বিনিয়োগ থেকে পাওয়া অর্থ সদস্য ফেডারেশনগুলোর উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। তাদের ভাষ্য, এই উদ্যোগ সম্প্রচারস্বত্ব ও স্পনসরশিপ থেকে আয় বাড়াবে এবং পুরুষ, নারী ও যুব ফুটবলের প্রতিযোগিতাগুলোর বাণিজ্যিক সম্ভাবনাকে আরও শক্তিশালী করবে।

তবে ফিফার এই পরিকল্পনা ইউরোপীয় ফুটবলে স্পষ্ট অস্বস্তির জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে ২০৩০ বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক স্পেন ও পর্তুগালের অবস্থানের কারণে বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। ফলে ফিফা ও উয়েফার এই বিরোধ আগামী বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেতা ম্যাচ হাতছাড়া, কাকে দায় দিলেন বাবর

মাত্র ২১১ রানের লক্ষ্য। চতুর্থ ইনিংসে এমন লক্ষ্য তাড়া করে জয়ের আশা করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু সেই স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলাররা। ব্রায়ান লারা ক্রিকেট একাডেমিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯০ রানের হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে সফরকারীরা। এই পরাজয়ে দেশের বাইরে টানা অষ্টম টেস্ট হারল পাকিস্তান।

ম্যাচ শেষে অধিনায়ক বাবর আজম হারের জন্য ব্যাটিং ব্যর্থতাকেই দায়ী করেছেন। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে বড় কোনো জুটি গড়ে তুলতে না পারাকেই পরাজয়ের প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন তিনি। একই সঙ্গে কন্ডিশন কাজে লাগিয়ে দারুণ বোলিং করা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদেরও কৃতিত্ব দিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাবর বলেন, ‘ফলাফল আমাদের পক্ষে আসেনি। তবে শেষ দুই দিনে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি। আজ ব্যাটিং ইউনিট প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। আমরা দ্রুত উইকেট হারিয়েছি। এই জায়গাটিই উন্নত করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছি।’

হারের জন্য পিচকে দায় দিতে চাননি বাবর। তাঁর মতে, উইকেটে নতুন বলে কিছুটা মুভমেন্ট থাকাটা স্বাভাবিক ছিল এবং সে চ্যালেঞ্জের জন্য দল প্রস্তুতও ছিল।

বাবর বলেন, ‘উইকেট ভালোই ছিল। নতুন বলে কিছুটা মুভমেন্ট থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলাররা কন্ডিশন খুব ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছে। চতুর্থ দিনে বল কিছুটা নিচু হচ্ছিল, অসমান বাউন্সও ছিল। আমরা কোনো বড় জুটি গড়তে পারিনি, আর সেটাই হারের মূল কারণ।’

এই ম্যাচে আঙুলের চোটে পুরোপুরি ফিট ছিলেন না ওপেনার শান মাসুদ। দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর সীমিত অবদানও দলের ব্যাটিংয়ে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন পাকিস্তান অধিনায়ক।

বাবরের ভাষায়, ‘নতুন বল সামলাতে হলে প্রথম ২০ ওভার টিকে থাকতে হয়, জুটি গড়তে হয়। এরপর বল পুরোনো হলে ব্যাটিং সহজ হয়ে যায়। কিন্তু আমরা সেই জুটিগুলো গড়তে পারিনি।’

তবে এই হার থেকে শিক্ষা নিয়ে পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ও জানিয়েছেন বাবর। তাঁর আশা, দ্বিতীয় টেস্টের আগে ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে সেগুলো শুধরে আরও ভালো পারফরম্যান্স উপহার দিতে পারবে পাকিস্তান।

অস্ট্রেলিয়ায় উড়াল দিলেন রানা-তাসকিন

উন্নত চিকিৎসা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দেশ ছেড়েছেন বাংলাদেশের দুই পেসার নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিকল্পনা অনুযায়ী, চিকিৎসা শেষে তাসকিন অস্ট্রেলিয়াতেই থেকে জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। মঙ্গলবার রাতেই উড়াল দেন দুই পেসার।

আগামী ৩১ জুলাই অস্ট্রেলিয়া সফরের উদ্দেশে রওনা দেবে বাংলাদেশ দল। অন্যদিকে চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে ছিটকে যাওয়া নাহিদ রানা চিকিৎসা ও মূল্যায়ন শেষে দেশে ফিরে পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করবেন। বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার নাফিস জানিয়েছেন, রানার এই সফরের মূল উদ্দেশ্য কেবল সাম্প্রতিক সাইড স্ট্রেইনের চিকিৎসা নয়।

দীর্ঘদিন ধরে ভোগানো পায়ের হাড়ের (শিনবোন) সমস্যার বিস্তারিত মূল্যায়ন ও করণীয় নির্ধারণে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন তিনি। শাহরিয়ার বলেন, সাইড স্ট্রেইনের চোট সময়ের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই সেরে উঠবে। তবে দীর্ঘদিনের শিনবোনের সমস্যাটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের জন্যই রানাকে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানো হচ্ছে। তিনি আরও জানান, এটি হঠাৎ নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়।

বিসিবির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই পেসারদের শারীরিক অবস্থা ও সম্ভাব্য সমস্যাগুলো নিয়মিত মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হিসেবেই রানার এই সফর। এদিকে জিম্বাবুয়ে সফরে পাওয়া হ্যামস্ট্রিং চোট থেকে ভালোভাবেই সেরে উঠছেন বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম।

আগামী ১২ আগস্ট তাঁর ফিটনেস পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে। বিসিবির আশা, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের আগেই দলে ফিরতে পারবেন তিনি। তবে প্রথম টেস্টে তাঁর খেলা হচ্ছে না। ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ ২০০৩ সালে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে স্বাগতিকদের কাছে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল টাইগাররা।

এবারের দুই ম্যাচের সিরিজটি আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চতুর্থ চক্রের অন্তর্ভুক্ত। আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনের মারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ২২ আগস্ট ম্যাকায়ে

অবিশ্বাস্য ব্যাটিং স্ট্রাইক রেটের রহস্য জানালেন হৃদয়

মাত্র আট বল। সেই অল্প সময়েই চারটি ছক্কা ও একটি চারে ৩১ রানের ঝড়ো ইনিংস। লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) এমন বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে প্রায় ৪০০ স্ট্রাইক রেট ছুঁয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটার তাওহিদ হৃদয়। তবে নিজের এই আগ্রাসী ইনিংসের পেছনে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা ছিল না বলে জানিয়েছেন তিনি। তার ভাষায়, সবকিছুই নির্ভর করেছে ম্যাচের পরিস্থিতির ওপর।

মঙ্গলবার রাতে ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন হৃদয়। সেখানে নিজের ইনিংস, দলের চাহিদা, সাকিব আল হাসানের সঙ্গে একই দলে খেলার অভিজ্ঞতা এবং শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার দুনিথ ভেল্লালাগের সঙ্গে বন্ধুত্ব নিয়েও কথা বলেন তিনি।নিজের প্রায় ৪০০ স্ট্রাইক রেট নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হৃদয় বলেন, নির্দিষ্ট কোনো স্ট্রাইক রেট ধরে ব্যাটিং করতে তিনি নামেননি। পরিস্থিতিই তাকে সে অনুযায়ী খেলতে বাধ্য করেছে।

‘আলহামদুলিল্লাহ। এটা পুরোপুরি ম্যাচের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। কোনো দিন স্ট্রাইক রেট ১২০ হবে, কোনো দিন ১৪০ বা ১৫০। আমি যখন ব্যাটিংয়ে নেমেছি, তখন হাতে ছিল খুব অল্প বল। দলের বার্তাও পরিষ্কার ছিল-যতটা সম্ভব রান যোগ করতে হবে। আমিও সেটাই করার চেষ্টা করেছি,’ বলেন হৃদয়।

অল্প বল হাতে পেয়েও কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুরু থেকেই তার লক্ষ্য ছিল দলের প্রয়োজনে যত বেশি সম্ভব বাউন্ডারি আদায় করা।হৃদয়ের ভাষায়, ‘আমি যখন নেমেছি, তখন হয়তো ৮-১০টি বল বাকি ছিল। তখন নিজের কাছেও বার্তা পরিষ্কার ছিল, দলের জন্য যতটা সম্ভব রান করতে হবে। আমি পরিষ্কার মানসিকতা নিয়ে নেমেছিলাম এবং চেষ্টা করেছি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী অবদান রাখতে।’

ইনিংসের সময় কয়েকটি ব্যতিক্রমধর্মী শটও খেলেছেন হৃদয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ম্যাচের পরিস্থিতিই তাকে প্রতিটি বল আক্রমণ করতে বাধ্য করেছে।

‘রান তো করতেই হতো। পরিস্থিতি এমন ছিল যে প্রায় প্রতিটি বলই মারতে হতো। আমি সেই চেষ্টাই করেছি,’ বলেন তিনি।নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির পরিবেশ নিয়েও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন বাংলাদেশের এই ব্যাটার। সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘খুবই ভালো লাগছে।’

একই দলে বাংলাদেশের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের সঙ্গে খেলার সুযোগ নিয়েও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন হৃদয়। তার ভাষায়, ‘খুবই ভালো লাগছে।’ সাকিবের সঙ্গে নিয়মিত ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা হয় কি না-এমন প্রশ্নে হাসিমুখে জবাব দেন, ‘হ্যাঁ, হচ্ছে।’

শ্রীলঙ্কার তরুণ অলরাউন্ডার দুনিথ ভেল্লালাগের সঙ্গে তার বন্ধুত্বের কথাও জানান হৃদয়। তিনি বলেন, ‘২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকেই আমাদের পরিচয়। তখন থেকেই বন্ধুত্ব। মাঝেমধ্যে কথা হয়। এখানে এলে কিংবা বিপিএলে একসঙ্গে খেলতে গেলে দেখা-সাক্ষাৎ হয়।’

মাত্র আট বলের ইনিংস হলেও হৃদয়ের ব্যাটিংয়ে ছিল আত্মবিশ্বাস, সাহস আর ম্যাচ পরিস্থিতি বোঝার পরিপক্বতা। ম্যাচ-পরবর্তী তার বক্তব্যেও উঠে এসেছে একই বার্তা-ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান নয়, দলের প্রয়োজনে দ্রুত রান তোলাই ছিল তার একমাত্র লক্ষ্য।