Home Blog Page 76

জয়ের স্বপ্ন ভেঙে পাকিস্তানের লজ্জার হার

মাত্র ২১১ রানের লক্ষ্য। চতুর্থ দিনের শুরুতে সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে জয়ের আশা দেখছিল পাকিস্তান। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে সেই স্বপ্ন মুহূর্তেই ধুলিসাৎ হয়ে যায়। টারুবা টেস্টের চতুর্থ দিনে ব্যাটিং বিপর্যয়ে ১২০ রানেই অলআউট হয়ে ৯০ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান। এই জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

দেশের বাইরে এটি পাকিস্তানের টানা অষ্টম টেস্ট পরাজয়। চতুর্থ ইনিংসে ২১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সফরকারীরা। ইমাম-উল-হক, আজান আওয়াইস ও সালমান আগা দ্রুত বিদায় নিলে চাপে পড়ে পাকিস্তান। আঙুলের চোটে ভুগতে থাকা অধিনায়ক শান মাসুদও স্বাভাবিক ছন্দে খেলতে পারেননি; মাত্র ৩ রান করে ফিরে যান তিনি।

একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান বাবর আজম। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৮ রানে অপরাজিত থাকলেও অন্য প্রান্ত থেকে প্রয়োজনীয় সমর্থন পাননি। নবম উইকেটে মোহাম্মদ আব্বাসকে সঙ্গে নিয়ে ৪৯ রানের জুটি গড়ে দলকে শতরান পার করান তিনি। তবে আব্বাস আউট হওয়ার পরই শেষ হয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের নায়ক জেইডেন সিলস। দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ২০ রান খরচায় ৫ উইকেট নেন এই পেসার। কেমার রোচ, শামার জোসেফ ও জাস্টিন গ্রিভসও দারুণ বোলিং করে পাকিস্তানের ব্যাটারদের চাপে রাখেন পুরো সময়।

এর আগে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩১১ রান সংগ্রহ করে। জবাবে শান মাসুদের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তান তোলে ২৮২ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে স্বাগতিকরা ১৮১ রানে অলআউট হলেও ২১১ রানের লক্ষ্যই শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের জন্য অতিক্রম্য হয়ে ওঠেনি। শেষ পর্যন্ত ৯০ রানের জয় নিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ক্যারিবীয়রা।
জয়ের স্বপ্ন ভেঙে পাকিস্তানের লজ্জার হার, সিরিজে এগিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংস ৩১১/১০
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস ২৮২/১০
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৮১/১০
টার্গেট ২১০
পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংস ১২০/১০
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৯০ রানে জয়ী

গোলরক্ষকের ‘কৌশলগত টাইমআউট’ ঠেকাতে নতুন নিয়ম

0

গোলরক্ষকের চোটের অজুহাতে খেলা থামিয়ে সময় নষ্ট কিংবা কোচের কাছ থেকে কৌশলগত নির্দেশনা নেওয়ার প্রবণতা রুখতে নতুন নিয়ম চালু করতে যাচ্ছে ইংলিশ ফুটবল। পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এই নিয়ম অনুযায়ী, গোলরক্ষকের চিকিৎসার জন্য খেলা থামলে সংশ্লিষ্ট দলের একজন আউটফিল্ড খেলোয়াড়কে এক মিনিটের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে।

ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ), প্রিমিয়ার লিগ, ইংলিশ ফুটবল লিগ (ইএফএল), ন্যাশনাল লিগ ও উইমেন্স সুপার লিগ যৌথভাবে এই নিয়ম বাস্তবায়নে একমত হয়েছে। আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (ইফাব) পরীক্ষামূলকভাবে নিয়মটি চালুর অনুমতিও দিয়েছে।

রেফারিদের সংস্থা ‘প্রো রেফ’-এর প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা হাওয়ার্ড ওয়েবের নেতৃত্বে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়মের প্রথম প্রয়োগ হবে আগামী শনিবার কারাবাও কাপের প্রাথমিক পর্বে ট্রানমেয়ার রোভার্স ও রচডেলের ম্যাচে।

বিশ্বকাপের সময় আহত গোলরক্ষকের চিকিৎসা চলছে

নিয়ম অনুযায়ী, রেফারি গোলরক্ষকের চিকিৎসার জন্য ফিজিওকে মাঠে ডাকলে খেলা পুনরায় শুরু হওয়ার পর ১০ সেকেন্ডের মধ্যে কোচকে চতুর্থ কর্মকর্তার কাছে মাঠ ছাড়বেন এমন একজন আউটফিল্ড খেলোয়াড়ের নাম জানাতে হবে। ওই খেলোয়াড়কে এক মিনিট মাঠের বাইরে থাকতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নাম না জানালে দলের অধিনায়ককে মাঠ ছাড়তে হবে।

বিবিসি স্পোর্ট জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার এ-লিগেও এই নিয়মের একটি ভিন্ন সংস্করণ চালু হচ্ছে। সেখানে গোলরক্ষকের চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সব সময় দলের অধিনায়ককেই সাময়িকভাবে মাঠের বাইরে যেতে হবে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গোলরক্ষকের চিকিৎসার অজুহাতে খেলা থামিয়ে দলকে কৌশলগত বিরতির সুযোগ করে দেওয়ার ঘটনা বেড়েছে। অনেক সময় গোলরক্ষক মাঠে বসে পড়লে সতীর্থরা দ্রুত টেকনিক্যাল এরিয়ার সামনে জড়ো হন এবং কোচ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। আবার প্রতিপক্ষ যখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়, তখন তাদের ছন্দ নষ্ট করতেও এই কৌশল ব্যবহার করা হয়।

গত নভেম্বরে লিডস ইউনাইটেডের কোচ ড্যানিয়েল ফার্কে অভিযোগ করেছিলেন, প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক ইচ্ছাকৃতভাবে চোটের ভান করে খেলা থামিয়েছিলেন, যাতে ম্যাচের গতি বদলে দেওয়া যায়। একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কলিনাও। গত ফেব্রুয়ারিতে ইফাবের বার্ষিক সভায় তিনি বলেন, গোলরক্ষকের মাধ্যমে কৌশলগতভাবে খেলা বন্ধ করার প্রবণতা রোধে কার্যকর সমাধান বের করা এখন অগ্রাধিকার।

সিলসের ঝড়ে বিধ্বস্ত পাকিস্তান, সিরিজে এগিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

0

জেডেন সিলসের দুর্দান্ত পাঁচ উইকেট এবং ক্যারিবীয় পেস আক্রমণের সম্মিলিত তোপে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১২০ রানে গুটিয়ে গেছে পাকিস্তান। ফলে তারুবায় দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে ৯০ রানের দাপুটে জয় তুলে নিয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

জয়ের জন্য ২১১ রানের লক্ষ্য নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু শুরু থেকেই স্বাগতিক পেসারদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করে সফরকারীরা। মধ্যাহ্ন বিরতির আগেই তিনটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত সামান্য প্রতিরোধ গড়ে তুললেও পরাজয় এড়াতে পারেনি তারা।

বিদেশের মাটিতে টানা অষ্টম হার পাকিস্তানের

এই হারের মাধ্যমে বিদেশের মাটিতে পাকিস্তানের টানা অষ্টম টেস্ট পরাজয়ের রেকর্ডও তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে দুই ম্যাচের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হারার আর কোনো সম্ভাবনা থাকল না।

এর আগে দিন শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে শেষ তিন উইকেটে আরও মূল্যবান রান যোগ করে। অষ্টম উইকেটে শামার জোসেফ ও কেমার রোচ আগের দিনের ১৫৫ রানের লিডকে আরও বড় করেন। শুরুতেই মোহাম্মদ আলির নিয়ন্ত্রণহীন বোলিং এবং উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের ভুলে অতিরিক্ত আট রান পেয়ে যায় স্বাগতিকরা।

ম্যাচ জয়ের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটাররা

শামার জোসেফ ছিলেন আগ্রাসী মেজাজে। খুররম শাহজাদের বলে দারুণ এক ছক্কা হাঁকিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত মোহাম্মদ আলির ধীরগতির বলে বোল্ড হওয়ার আগে গুরুত্বপূর্ণ রান যোগ করেন। শেষদিকে মোহাম্মদ আব্বাস লেজের ব্যাটসম্যানদের ফিরিয়ে ইনিংসে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করলেও ততক্ষণে ওয়েস্ট ইন্ডিজ লড়াই করার মতো সংগ্রহ গড়ে ফেলে।

শুরুতেই বিধ্বস্ত পাকিস্তান

২১১ রানের লক্ষ্য তাড়ায় পাকিস্তানের শুরুটা ছিল ভয়াবহ। কেমার রোচ ও জয়ডেন সিলস নিখুঁত লাইন-লেংথে বল করে ব্যাটারদের চাপে ফেলেন। ইমাম-উল-হককে গ্লাভসে লেগে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন রোচ। এরপর আজান আওয়াইসকে স্লিপে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন সিলস।

এরপর সিলসের দুর্দান্ত ইনসুইং ডেলিভারিতে এলবিডব্লিউ হন সালমান আগা। প্রথম ইনিংসে আঙুলে চোট পাওয়ায় নিয়মিত ব্যাটিং অবস্থানে নামতে পারেননি অধিনায়ক শান মাসুদ। ততক্ষণে জাস্টিন গ্রিভস নিজের প্রথম বৈধ বলেই মোহাম্মদ রিজওয়ানের অফস্টাম্প উড়িয়ে দেন। পরে আমের জামালকেও এলবিডব্লিউ করে পাকিস্তানকে আরও গভীর সংকটে ঠেলে দেন তিনি।

অভিষিক্ত আলি উসমানের ইনিংসও দ্রুত শেষ হয়। দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। এরপর চোট নিয়েই ব্যাট করতে নামেন শান মাসুদ। ডান হাতের আঙুলে ভাঙন থাকায় কার্যত এক হাতেই ব্যাটিং করছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে সহজ ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন পাকিস্তান অধিনায়ক।

এক প্রান্ত আগলে রাখেন বাবর আজম। সতীর্থদের একের পর এক বিদায়ের মাঝেও ব্যক্তিগত ৩২তম টেস্ট অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি। শেষ উইকেটে মোহাম্মদ আব্বাসকে নিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। আব্বাসও নির্ভীক ব্যাটিংয়ে মূল্যবান কিছু রান যোগ করেন। তবে সেই লড়াই কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে।

চা বিরতির পর ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই আব্বাসকে এলবিডব্লিউ করে নিজের পঞ্চম উইকেট তুলে নেন জয়ডেন সিলস। তাতেই ১২০ রানে শেষ হয় পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস এবং ৯০ রানের জয় নিশ্চিত করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এই জয় এসেছে ক্যারিবীয় কিংবদন্তি স্যার গ্যারি সোবার্স-এর ৯০তম জন্মবার্ষিকীতে। কিংবদন্তির জন্মদিনে স্মরণীয় এক জয় উপহার দিল ক্যারিবীয় দল।

টিভিতে আজকের খেলা: ২৯ জুলাই ২০২৬

গ্লাসগোতে চলছে কমনওয়েলথ গেমস। শ্রীলঙ্কায় চলছে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ, আজ দুটি ম্যাচ। ইংল্যান্ডে চলছে দ্য হানড্রেড।

কমনওয়েলথ গেমস
৭ম দিন
বেলা ১টা, সনি স্পোর্টস ২

ক্রিকেট
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যান্ডি-গল
বেলা ৩-৩০ মি., টি স্পোর্টস

কলম্বো-ডাম্বুলা
রাত ৮টা, টি স্পোর্টস

দ্য হানড্রেড
ওয়েলশ-ট্রেন্ট (নারী)
বিকেল ৪-৩০ মি., স্টার স্পোর্টস ২

ওয়েলশ-ট্রেন্ট (পুরুষ)
রাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস ২

এমআই লন্ডন-লন্ডন স্পিরিট (পুরুষ)
রাত ১১-৩০ মি., স্টার স্পোর্টস ২

ইনজুরির ধাক্কা নিয়েই অস্ট্রেলিয়ার চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ, ভালো কিছুর আশা নান্নুর

0

অস্ট্রেলিয়া সফরের শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ দল। ইনজুরির কারণে প্রথম টেস্টে পাওয়া যাবে না নিয়মিত তিন পেসার নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম ও মুশফিক হাসানকে। ব্যাটিং বিভাগেও নেই অভিজ্ঞ লিটন কুমার দাস। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারকে ছাড়াই ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলতে নামবে টাইগাররা।

তবে ইনজুরি সংকটের মাঝেও দলের ওপর আস্থা রাখছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। তার বিশ্বাস, কঠিন এই সফরেও ভালো ক্রিকেট খেলতে পারে বাংলাদেশ।

নান্নু বলেন, ‘দলে বেশ কয়েকটি ইনজুরির সমস্যা আছে। সবকিছু মিলিয়ে আমরা চাই ভালো ক্রিকেট খেলতে।’
তবে আগেভাগেই ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি নন তিনি। তার ভাষায়, ‘এখনই বলা কঠিন দল কেমন করবে। সেখানে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ আছে, অনুশীলনেরও সুযোগ থাকবে। আশা করি, চ্যালেঞ্জিং হলেও আমরা প্রতিদিন ভালো ক্রিকেট খেলতে পারব।’

অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের কথা উল্লেখ করে নান্নু বলেন, সফরকারীদের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হবে ব্যাটিংয়ে।

তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার পেস বোলিং হোক বা স্পিন আক্রমণ, দুই বিভাগই বিশ্বসেরাদের মধ্যে। তাই আমাদের ব্যাটারদের দায়িত্বশীল ব্যাটিং করতে হবে।’
নান্নুর মতে, শুধু ব্যাটিং বা বোলিং নয়, পুরো দলকেই একসঙ্গে ভালো খেলতে হবে।

‘টোটাল টিম পারফরম্যান্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং, সব বিভাগেই ভালো করতে হবে। শুধু একটি বিভাগ ভালো করলেই হবে না। এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে সঠিক প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে নামতে হবে। প্রতিটি ক্রিকেটারকে নিজের সেরাটা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।

আগস্টে শুরু হতে যাওয়া এই সিরিজে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের সামনে। ইনজুরির ধাক্কা সামলে দল কতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

ফ্রান্স জাতীয় দলের নতুন কোচ জিদান

অবশেষে বহুদিনের জল্পনার অবসান। ফ্রান্স জাতীয় ফুটবল দলের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে কিংবদন্তি ফুটবলার ও সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ কোচ জিনেদিন জিদানের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে ফরাসি ফুটবল ফেডারেশন। আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন ৫৩ বছর বয়সী এই ফরাসি কিংবদন্তি।

ফরাসি ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফিলিপ দিয়ালো বলেন, ‘এটি আমাদের জন্য একটি বিশেষ মুহূর্ত। গত ১৪ বছরে প্রথমবারের মতো আমরা নতুন প্রধান কোচ নিয়োগ দিলাম। একই সঙ্গে দিদিয়ের দেশমের অবদানও স্মরণ করতে চাই। তিনি দীর্ঘ ১৪ বছর ফ্রান্সকে বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে রেখেছেন এবং দলের ভাবমূর্তি পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।’

নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর জিদান বলেন, ‘এটি আমার জন্য অপরিসীম আনন্দের। আমি এই চ্যালেঞ্জের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার পর আমার একমাত্র লক্ষ্য ছিল ফ্রান্স জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়া। ছোটবেলা থেকে আমি এই দলের বিভিন্ন পর্যায়ে খেলেছি, আর সিনিয়র দলে খেলাই ছিল আমার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ অর্জন। এখন কোচ হিসেবে এই দলের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার পর আমি বিভিন্ন প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছি। কারণ, আমার লক্ষ্য ছিল একটাই-ফ্রান্স জাতীয় দলের কোচ হওয়া। এই দলকে আরও সাফল্য এনে দেওয়াই এখন আমার সবচেয়ে বড় প্রেরণা।’

জিদানের অধীনে ফ্রান্স জাতীয় দল ২০২৮ সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ (ইউরো) এবং ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নেবে। খেলোয়াড়ি জীবনে ১৯৯৮ বিশ্বকাপ ও ২০০০ ইউরো জয়ী জিদান কোচ হিসেবেও রিয়াল মাদ্রিদকে তিনবার টানা উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জিতিয়ে অনন্য কৃতিত্ব গড়েছিলেন। এবার সেই সফলতার ধারাবাহিকতা জাতীয় দলের ডাগআউটেও বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে তাঁর সামনে।

সংখ্যায় বিশ্বকাপ ২০২৬ – ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আয়োজন

0

ফুটবলের রোমাঞ্চ, রেকর্ড দর্শক আর ঐতিহাসিক মুহূর্তে শেষ হয়েছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ। তবে মাঠের ১০৪টি ম্যাচের পেছনে ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ লজিস্টিক ও অপারেশনাল কর্মযজ্ঞ।

৩৯ দিনব্যাপী এই বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি আয়োজক শহরে। টুর্নামেন্টের জন্য নির্ধারিত ছিল ৪৮টি টিম বেস ক্যাম্প ও ৬৪৫টি অফিসিয়াল সাইট। প্রায় ৩ লাখ স্বীকৃত কর্মী মিলে আয়োজনটি পরিচালনায় সহায়তা করেছেন। ১,২৪৮ জন খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণে স্টেডিয়ামে মোট দর্শক উপস্থিতি ছাড়িয়েছে ৬৮ লাখ।

টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করতে ৪৩ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবক, ৭৩ হাজার ৭০০ স্বীকৃত নিরাপত্তাকর্মী এবং ১০৪টি দেশের নাগরিকদের নিয়ে গঠিত ফিফার কর্মীবাহিনী কাজ করেছে। শুধু নিরাপত্তা কার্যক্রমেই সম্পন্ন হয়েছে ১০ লাখের বেশি শিফট। বিভিন্ন ভেন্যুতে অ্যাক্রেডিটেশন ব্যবস্থায় স্ক্যান করা হয়েছে ৫০ লাখের বেশি বার।

বিশ্বকাপের সম্প্রচার ও প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনাতেও ছিল বিশাল আয়োজন। ডালাসের ইন্টারন্যাশনাল ব্রডকাস্ট সেন্টার কার্যত একটি মিডিয়া সিটির মতো কাজ করেছে। পুরো টুর্নামেন্টে ৫ হাজার ক্যামেরা ব্যবহার করে ২৪ হাজারের বেশি কনটেন্ট তৈরি করা হয়েছে।

দর্শকদের খাবার ও পানীয়ের চাহিদাও ছিল নজিরবিহীন। স্টেডিয়ামগুলোতে বিক্রি হয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৭৫ হাজার হট ডগ, ৪৬ লাখের বেশি কোমল পানীয় ও বোতলজাত পানি এবং ৫৫ লাখের বেশি বিয়ার।

স্টেডিয়ামের বাইরেও ছিল ফুটবল উৎসবের ব্যাপক আয়োজন। উত্তর আমেরিকাজুড়ে ফিফা ফ্যান ফেস্টিভ্যালে অংশ নিয়েছেন ৯০ লাখের বেশি দর্শক। টুর্নামেন্টের বিভিন্ন তথ্য ও নির্দেশনা জানাতে ‘নো বিফোর ইউ গো’ কর্মসূচির মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে ২ হাজার ৩০০টির বেশি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা এবং ৭৭ লাখ ইমেইল।

সব মিলিয়ে, মাঠের ফুটবল ছাড়িয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ ছিল এক বিশাল বৈশ্বিক আয়োজন—যার সফল বাস্তবায়নের পেছনে কাজ করেছে প্রায় ৩ লাখ কর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও নিরাপত্তাকর্মীর নজিরবিহীন সমন্বিত প্রচেষ্টা।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের ভারতীয় স্কোয়াড ঘোষণা

0

ভারত-শ্রীলংকা টেস্ট সিরিজ

ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (বিসিসিআই)। আগামী মাসে শ্রীলংকার বিপক্ষে ২ ম্যাচ টেস্ট সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। এই সফরে ২টি টেস্ট খেলবে শুভমান গিলের দল দলে ফিরেছেন স্পিনার বরীন্দ্র জাদেজা নাম রয়েছে তারকা পেসার জশপ্রীত বুমরাহর, তবে বুমরাহকে পার হতে হবে ফিটনেস পরীক্ষার কঠিন বাধা।

দীর্ঘ চোট কাটিয়ে লাল বলের ক্রিকেটে ফিরেছেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজা। তবে ইনজুরির কারণে দলের বাইরেই থাকতে হচ্ছে নীতীশ রেড্ডি ও হর্ষিত রানার মতো তরুণদের। আগামী ১৫ আগস্ট গল-এ শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। ২৩ আগস্ট কলম্বোতে অনুষ্ঠিত হবে সিরিরেজ ২য় ও শেষ টেস্ট।

ভারতের জন্য এই টেস্ট সিরিজ অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ কারণ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার দৌড়ে টিকে থাকতে হলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শুভমান গিলের দলের সামনে সিরিজ জয়ের বিকল্প নেই।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের ভারতীয় স্কোয়াড ঘোষণা

ভারতীয় ক্রিকেট পাড়ায় স্কোয়াড ঘোষনার আলোচনায় ছিল জশপ্রীত বুমরাহকে নিয়ে কারণ বুমরাহ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী শেষ ম্যাচে বাঁ হাঁটুতে চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছিলেন তবে যেহেতু ৩ সপ্তাহ বাকি আছে সিরিজ শুরু হতে তাই তাকে দলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই। বর্তমানে তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছে এবং নির্ধারিত সময়ে ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সাপেক্ষেই ম্যাচ খেলার সবুজ সংকেত পাবেন তিনি।

তাছাড়া শ্রীলঙ্কার স্পিন-সহায়ক কন্ডিশনে রবীন্দ্র জাদেজার প্রত্যাবর্তনকে ভারতের বড় স্বস্তি মনে করা হচ্ছে। গত জানুয়ারিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডেতে চোট পেয়ে জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন এই অলরাউন্ডার। এছাড়া ঘরোয়া ক্রিকেটে মধ্যপ্রদেশের হয়ে ধারাবাহিকভাবে ১৩১টি উইকেট নেওয়া স্পিনার সারাংশ জৈনকে প্রথমবার টেস্ট স্কোয়াডে ডাকা হয়েছে। সাই সুদর্শন ও দলে আছেন তবে তাকে বুমরাহর মতো ফিটনেস টেস্ট উৎরাতে হবে।

সফরে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ ও খেলবে ভারতীয় দল।

ভারতের টেস্ট স্কোয়াডঃ
শুভমান গিল (অধিনায়ক), কেএল রাহুল (সহ-অধিনায়ক), যশস্বী জয়সওয়াল, ঋষভ পন্থ (উইকেটরক্ষক), দেবদত্ত পাড়িক্কল, সাই সুদর্শন, ধ্রুব জুরেল (উইকেটরক্ষক), রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদব, মানব সুথার, সারাংশ জৈন, জশপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সিরাজ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ও গুর্নুর ব্রার।

বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে ঘরের মাঠে বড় বাউন্ডারি চান গাভাস্কার

আগামী দুই বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করার পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটার সুনীল গাভাস্কার। তার মতে, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের চ্যালেঞ্জের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ভারতের ঘরের মাঠের বাউন্ডারি বড় করা প্রয়োজন।

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে। আর ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়ে। এই দেশগুলোর অধিকাংশ মাঠের বাউন্ডারি ভারতের তুলনায় বড়। তাই ঘরের মাঠেই ব্যাটারদের সেই পরিবেশে খেলার অভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক।

সম্প্রতি স্পোর্টস্টার-এ লেখা এক কলামে গাভাস্কার বলেন, `নতুন ভারতীয় মৌসুম শুরু হলে বাউন্ডারির আকার অবশ্যই বাড়ানো জরুরি। আগামী বিশ্বকাপের আগে আমাদের ব্যাটারদের বড় বাউন্ডারিতে খেলার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। প্রায় সব মাঠেই এলইডি বিজ্ঞাপন বোর্ডের পেছনে দর্শকদের চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। সেই জায়গা ব্যবহার করলে বাউন্ডারির আকার সহজেই বাড়ানো সম্ভব।’

শুধু মাঠের আকার নয়, ব্যাটিং কৌশল বদলানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছেন গাভাস্কার। তার মতে, ওয়ানডে ক্রিকেটে সব সময় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং কোন বোলারকে সম্মান দেখিয়ে খেলতে হবে এবং কার বিপক্ষে আক্রমণে যাওয়া যাবে, সেটি বুঝে ব্যাটিং করাই স্মার্ট ক্রিকেটের অংশ।

গাভাস্কার লিখেছেন, `বিশ্বের কোনো দলেই পাঁচজন সমান মানের সেরা বোলার থাকে না। টি-টোয়েন্টিতে সাধারণত ৮ থেকে ১২ ওভার থাকে, যেখানে বেশি রান তোলা সম্ভব। ওয়ানডেতেও বড় লক্ষ্য তাড়া করার সময় কিছুটা ধৈর্য ধরলে ক্ষতি নেই।’

শট নির্বাচনের গুরুত্বও তুলে ধরেছেন তিনি। গাভাস্কারের মতে, ব্যাটারদের বলের গুণাগুণ বুঝে শট খেলতে হবে, নিজের ভাবমূর্তি ধরে রাখার জন্য নয়। যদিও টি-টোয়েন্টিতে প্রতি দুই বলে একবার বড় শট খেলার চাপ থাকে, ওয়ানডেতে ব্যাটারদের ইনিংস গড়ে তোলার সুযোগ বেশি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পরে বড় শট খেলাই সফলতার অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করেন ভারতীয় এই কিংবদন্তি।

০ রানে ৫ উইকেট গ্রিভসের

পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি স্পেলই বদলে দিল ম্যাচের চিত্র। টানা পাঁচ ওভারে কোনো রান না দিয়ে প্রতি ওভারেই একটি করে উইকেট-এমন অবিশ্বাস্য বোলিংয়ে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে নতুন নজির গড়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের জাস্টিন গ্রিভস। পাকিস্তানের বিপক্ষে ত্রিনিদাদ টেস্টের তৃতীয় দিনে এই কীর্তি গড়ে ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেটও তুলে নিলেন ১৭তম টেস্ট খেলতে নামা এই পেসার।

দিনের শুরুটা অবশ্য গ্রিভসের জন্য ছিল একেবারেই সাধারণ। প্রথম স্পেলে ৬ ওভারে ২৭ রান দিলেও কোনো উইকেট পাননি। কিন্তু দ্বিতীয় স্পেলে বল হাতে নিয়েই যেন বদলে যায় সবকিছু। প্রথম দুই ওভারে ৯ রান দেওয়ার পর টানা পাঁচটি মেডেন ওভার করেন তিনি। সেই পাঁচ ওভারেই তুলে নেন পাঁচটি উইকেট। বিস্তারিত পরিসংখ্যান সংরক্ষণ শুরুর পর টেস্ট ক্রিকেটে টানা পাঁচ ওভারে কোনো রান না দিয়ে প্রতি ওভারে একটি করে উইকেট নেওয়ার প্রথম বোলার এখন গ্রিভস।

তার দুর্দান্ত স্পেলেই ৩ উইকেটে ২৪৪ রান থেকে ধসে পড়ে পাকিস্তানের ইনিংস। মাত্র ৩৮ রানের ব্যবধানে শেষ সাত উইকেট হারিয়ে ২৮২ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। ফলে প্রথম ইনিংসে ৩১১ রান করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ পায় ২৯ রানের লিড।

নিজের অবিশ্বাস্য সাফল্যের কৃতিত্ব অধিনায়ক রস্টন চেজকে দিয়েছেন গ্রিভস। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় স্পেলে বল হাতে নেওয়ার সময় অধিনায়ক আমাকে শৃঙ্খলা বজায় রেখে বোলিং করতে এবং দলের জন্য উইকেট বের করে আনতে বলেন। বল কিছুটা মুভ করছিল, আমি সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পেরেছি। অধিনায়ক যখনই আমাকে বল দেন, দল আশা করে আমি যেন কঠিন পরিস্থিতি থেকে বের করে আনি। টেস্টে প্রথমবার পাঁচ উইকেট পেয়ে অবশ্যই ভালো লাগছে, তবে ম্যাচের কাজ এখনো শেষ হয়নি।’

গ্রিভসের রেকর্ড গড়া বোলিংয়ের পরও অবশ্য পুরোপুরি স্বস্তিতে নেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের পেস আক্রমণের সামনে ৭ উইকেটে ১২৬ রান তুলেছে স্বাগতিকরা। তিন উইকেট হাতে রেখে তাদের লিড এখন ১৫৫ রান। ফলে ম্যাচের চতুর্থ দিনে ফল যেকোনো দিকেই গড়াতে পারে।