বিশ্বকাপের রাউন্ড অফ থার্টি-টু’র ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে দুর্দান্ত শুরু করেছে সেনেগাল। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে শক্তিশালী বেলজিয়ামকে চেপে ধরে আফ্রিকার সিংহরা। ম্যাচের প্রথমার্ধেই হাবিব দিয়ারার চমৎকার এক গোলে বেলজিয়ামকে চমকে দিয়ে এগিয়ে গেল সেনেগাল ।
সারের দুর্ভাগ্য ও দিয়ারার গোল: ম্যাচের শুরু থেকেই মাঠের নিয়ন্ত্রণ ছিল সেনেগালের হাতে। ১৩ মিনিটে প্রথম গোলের সহজ সুযোগ পান সেনেগালের ইসমাইলা সার। বাঁ দিক থেকে আসা একটি ক্রসে বেলজিয়াম গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া আঙুল ছুইয়ে বলের গতিপথ বদলে দিলেও তা সরাসরি সারের পায়ে পড়ে। সারের নেওয়া শটটি দুর্ভাগ্যবশত পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
ডেডলক ভাঙলেন দিয়ারা
তবে সেনেগালকে গোলের জন্য বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। ২৫ মিনিটে আবারও ইসমাইলা সারের দুর্দান্ত এক হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসলে, সেখানে চিতার গতিতে হাজির হন হাবিব দিয়ারা। ফিরতি বলে জোরালো শটে বেলজিয়ামের জাল কাঁপিয়ে ‘লায়ন্স অব তেরাঙ্গা’-কে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।
বিবর্ণ বেলজিয়াম, উজ্জ্বল মানে
পুরো প্রথমার্ধে বেলজিয়াম তাদের চেনা ছন্দ খুঁজে পেতে মরিয়া ছিল। ১৮ মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইনে মাঝমাঠ থেকে একক প্রচেষ্টায় বল নিয়ে ডি-বক্সের কাছাকাছি গিয়ে শট নিলেও তা গোলবারের অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়। অন্যদিকে, সাদিও মানের নেতৃত্বে সেনেগালের আক্রমণভাগ ছিল চোখে পড়ার মতো। ৩৭ মিনিটে মানের একটি নিখুঁত শট কোর্তোয়া রুখে না দিলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত।
প্রথমার্ধের চিত্র
ড্রিংকস ব্রেকের সময় এবং প্রথমার্ধের খেলা শেষে মাঠের পারফরম্যান্সে পরিষ্কার ব্যবধানে এগিয়ে ছিল সেনেগাল। বেলজিয়াম কিছু আক্রমণ তৈরির চেষ্টা করলেও সেনেগালের গোলরক্ষক মোরি দিয়াও কে বড় কোনো পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি।
১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সেনেগাল এখন চালকের আসনে। দ্বিতীয়ার্ধে বেলজিয়াম ম্যাচে ফিরতে পারে, নাকি সেনেগাল তাদের আধিপত্য বজায় রেখে জয় ছিনিয়ে নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
