বাংলাদেশের আরচ্যারী উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করলেন ওয়ার্ল্ড আরচ্যারী এশিয়ার মহাসচিব


বাংলাদেশ সফরে এসে দেশের আরচ্যারীর অভূতপূর্ব উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক মানের ইভেন্ট আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ওয়ার্ল্ড আরচ্যারী এশিয়ার মহাসচিব জাসেম শাহীন আল-সুলাইতি। বর্তমানে টঙ্গীর আরচ্যারী ট্রেনিং একাডেমিতে চলমান জয়েন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রাম এবং প্রেসিডেন্টস চ্যালেঞ্জ কাপ আরচ্যারী টুর্নামেন্ট পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা জানান।

​এর আগে টঙ্গী প্রশিক্ষণ একাডেমিতে পৌঁছালে ওয়ার্ল্ড আরচ্যারী এশিয়া ও বাংলাদেশ আরচ্যারী ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল তাকে ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এ সময় বাংলাদেশ আরচ্যারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ তানভীর রায়হানসহ কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

​জয়েন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রাম ও প্রেসিডেন্টস চ্যালেঞ্জ কাপের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে জাসেম শাহীন আল-সুলাইতি জানান, অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দেশের প্রতিনিধি ও অ্যাথলেটদের কাছ থেকে তিনি খোঁজ নিয়েছেন। যাতায়াত, আবাসন থেকে শুরু করে বিমানবন্দর অভ্যর্থনা – সবকিছুতেই সবাই সন্তুষ্ট এবং টুর্নামেন্ট নিয়ে কোনো ধরনের অভিযোগ নেই। তিনি বলেন, ‘যখন এত অ্যাথলেট ও কোচ থাকার পরও কারো কোনো অভিযোগ থাকে না, তার মানে আয়োজকরা শতভাগ সফল।’

​তিনি আরও বলেন, সাধারণত এশিয়ার যুবকদের জন্য আয়োজিত গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পগুলো অনেক দূরে পূর্ব দিকে হয়ে থাকে। তবে এবার তা কেন্দ্রে অবস্থিত বাংলাদেশে নিয়ে আসায় এশিয়ার দেশগুলোর জন্য অংশগ্রহণ করা সহজ হয়েছে। সময়ের ব্যবধান ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সবাই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে।

​বাংলাদেশের আরচ্যারীর অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে ওয়ার্ল্ড আরচ্যারী এশিয়ার মহাসচিব বলেন, আরচ্যারির কঠিন মহাদেশ হিসেবে পরিচিত এশিয়ায় শীর্ষ চার বা পাঁচের মধ্যে থাকা একটি আশ্চর্যজনক অর্জন। অলিম্পিক ও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের বেশিরভাগ স্বর্ণপদকজয়ী সুপারস্টাররা এই অঞ্চলেই থাকেন। সেই প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে এবং শীর্ষ স্তরের সাথে ব্যবধান কমিয়ে এনেছে। প্যারিস অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জনের পর গত অলিম্পিক চক্রের তুলনায় বাংলাদেশ আরও দ্রুত বিকাশ লাভ করছে বলে তিনি মনে করেন।

​বাংলাদেশে এর আগেও এসেছেন জানিয়ে জাসেম শাহীন আল-সুলাইতি বলেন, এ দেশের মানুষের আন্তরিকতা ও আতিথেয়তা তাকে পরিবারের কথা মনে করিয়ে দেয়। বাংলাদেশ আরচ্যারী ফেডারেশনের নতুন নেতৃত্ব ভবিষ্যতে দেশের আরচ্যারীকে আরও বহুদূর নিয়ে যাবে বলে তিনি দৃঢ় বিশ্বাস করেন।

spot_imgspot_img
spot_img

Hot Topics

Related Articles