জাপানের গিফু প্রিফেকচারাল গ্রিন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত স্থান নির্ধারণী ম্যাচে চীনের কাছে ৭-১ গোলের বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই হারে টুর্নামেন্টের পঞ্চম বা ষষ্ঠ স্থান অর্জনের সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে বাংলাদেশের। এখন সপ্তম ও অষ্টম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে থাইল্যান্ডের মুখোমুখি হবে দলটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হকি খেলতে থাকে চীন। একের পর এক আক্রমণে বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে চাপে ফেলে তারা গোল আদায় করে নেয়। চীনের হয়ে এই ম্যাচে গোল করেন ঝাং জিয়ালিং, ঝাও ইউলাই, চেন বেনহাই, ওয়াং ইয়াকি ও গাও জিয়েশেং। অন্যদিকে, ম্যাচের ৩০তম মিনিটে ফিল্ড গোল করে বাংলাদেশের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন রাকিবুল হাসান। তবে তাঁর এই গোলে ব্যবধান কিছুটা কমলেও ম্যাচে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দল।
টুর্নামেন্টে এর আগে গ্রুপপর্বেও বেশ কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয় বাংলাদেশকে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষগুলোর বিপক্ষে লড়তে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে সংগ্রাম করতে হয়েছে দলটিকে। গ্রুপপর্বে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৫-০, স্বাগতিক জাপানের বিপক্ষে ৬-১ এবং ভারতের কাছে ১০-০ গোলের বড় ব্যবধানে পরাজিত হয় বাংলাদেশ। তবে এর মাঝেই ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ৩-১ এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫-১ গোলের জয় তুলে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল দলটি।

গ্রুপপর্বে দুটি জয় পাওয়া সত্ত্বেও স্থান নির্ধারণী ম্যাচে চীনের বিপক্ষে এই বড় হার দলের জন্য আরেকটি বড় ধাক্কা। বিশেষ করে শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে রক্ষণ সামলানো এবং আক্রমণভাগে গোলের সুযোগগুলো সঠিকভাবে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সীমাবদ্ধতাগুলো এই টুর্নামেন্টে বেশ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
সব প্রতিকূলতা পেছনে ফেলে এখন টুর্নামেন্টে নিজেদের শেষ ম্যাচে থাইল্যান্ডের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত বাংলাদেশ। আগামী ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৬টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ম্যাচটি। সপ্তম স্থান নির্ধারণী এই শেষ লড়াইয়ে জয় তুলে নিয়ে টুর্নামেন্ট ইতিবাচকভাবে শেষ করাই এখন দলের প্রধান লক্ষ্য।


