আগামী দুই বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করার পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটার সুনীল গাভাস্কার। তার মতে, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের চ্যালেঞ্জের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ভারতের ঘরের মাঠের বাউন্ডারি বড় করা প্রয়োজন।
২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে। আর ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়ে। এই দেশগুলোর অধিকাংশ মাঠের বাউন্ডারি ভারতের তুলনায় বড়। তাই ঘরের মাঠেই ব্যাটারদের সেই পরিবেশে খেলার অভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক।
সম্প্রতি স্পোর্টস্টার-এ লেখা এক কলামে গাভাস্কার বলেন, `নতুন ভারতীয় মৌসুম শুরু হলে বাউন্ডারির আকার অবশ্যই বাড়ানো জরুরি। আগামী বিশ্বকাপের আগে আমাদের ব্যাটারদের বড় বাউন্ডারিতে খেলার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। প্রায় সব মাঠেই এলইডি বিজ্ঞাপন বোর্ডের পেছনে দর্শকদের চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। সেই জায়গা ব্যবহার করলে বাউন্ডারির আকার সহজেই বাড়ানো সম্ভব।’
শুধু মাঠের আকার নয়, ব্যাটিং কৌশল বদলানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছেন গাভাস্কার। তার মতে, ওয়ানডে ক্রিকেটে সব সময় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং কোন বোলারকে সম্মান দেখিয়ে খেলতে হবে এবং কার বিপক্ষে আক্রমণে যাওয়া যাবে, সেটি বুঝে ব্যাটিং করাই স্মার্ট ক্রিকেটের অংশ।
গাভাস্কার লিখেছেন, `বিশ্বের কোনো দলেই পাঁচজন সমান মানের সেরা বোলার থাকে না। টি-টোয়েন্টিতে সাধারণত ৮ থেকে ১২ ওভার থাকে, যেখানে বেশি রান তোলা সম্ভব। ওয়ানডেতেও বড় লক্ষ্য তাড়া করার সময় কিছুটা ধৈর্য ধরলে ক্ষতি নেই।’
শট নির্বাচনের গুরুত্বও তুলে ধরেছেন তিনি। গাভাস্কারের মতে, ব্যাটারদের বলের গুণাগুণ বুঝে শট খেলতে হবে, নিজের ভাবমূর্তি ধরে রাখার জন্য নয়। যদিও টি-টোয়েন্টিতে প্রতি দুই বলে একবার বড় শট খেলার চাপ থাকে, ওয়ানডেতে ব্যাটারদের ইনিংস গড়ে তোলার সুযোগ বেশি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পরে বড় শট খেলাই সফলতার অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করেন ভারতীয় এই কিংবদন্তি।


