দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এক ম্যাচ হেরে কঠির বিপদে ভারত। তাই শিমরন হেটমায়ার থেকে ভারতকে শিখতে বললেন কুম্বলে । সেমিফাইনালের রেসে ভারতের গ্রুপ থেকে বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজই এগিয়ে আছে। জিম্বাবুয়েকে ১০৭ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে ক্যারিবিয়ানরা রয়েছে টেবিলের শীর্ষে।
গ্রুপ পর্বে টানা চার জয়ের সুবাদে চ্যাম্পিয়ন হয়েও সুপার এইটে এসে প্রথম ম্যাচেই ধাক্কা খেয়েছে ভারত। বিশ্বকাপের স্বাগতিকরা সুপার এইটে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৭৬ রানের ব্যবধানে হেরেছে টিম ইন্ডিয়া।

ফলে ভারতের সেমিফাইনালের সমীকরণটাও জটিল হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় ভারতের সাবেক প্রধান কোচ এবং কিংবদন্তি লেগ স্পিনার অনিল কুম্বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের উদাহরণ টেনেই পথ দেখাতে চাইছেন ভারতকে।
জিওস্টারের আলোচনায় কুম্বলে বলেছেন, ‘টুর্নামেন্টের এই পর্যায়ে জিততে হলে কী করতে হবে তা ওয়েস্ট ইন্ডিজ জানে। তাদের বাঁহাতি স্পিনাররা দুর্দান্ত। গুডাকেশ মোটি দারুণ বোলিং করেছে। এই ফরম্যাটে ফিঙ্গার স্পিনাররা ব্যাটারদের জোন থেকে দূরে বল করার চেষ্টা করে, কিন্তু মোটি ও আকিল (হোসেইন) ছিল ব্যতিক্রম।
এছাড়া কুম্বলে আরও বলেন, ‘শিমরন হেটমায়ার দীর্ঘদিন ফিনিশারের দায়িত্ব পালন করছে এবং সে জানে কীভাবে (বলকে) বাউন্ডারি পার করাতে হয়। তার পাওয়ার ও টেম্পারমেন্ট দুটোই আছে। সবচেয়ে ভালো দিক হলো, সে ২০-৩০ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে থেমে যায় না, সে গুলোকে বড় স্কোরে রূপ দেয়। সে যদি ৩০ রানে আউট হতো – ওয়েস্ট ইন্ডিজ হয়তো ২৫৪ করতে পারত না।
অনিল কুম্বলে আরও বলেছেন, ‘(রভম্যান) পাওয়েল আবারও প্রমাণ করেছে যে সে পাওয়ার-হিটার। সে শুরুতে সময় নেয়, আর যখন থিতু হয়ে যায়, অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে। সে অনেক জোরে বল মারে।
ভারতের ব্যাপারে কুম্বলে বলেছেন, ‘এই পর্যায়ে সব ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাজেভাবে হেরেছে ভারত, কিন্তু এটা কেবল তাদের পরাজয়ের ব্যাপার নয়, তারা যেভাবে হেরেছে সেটা চিন্তার। এখন মূল ব্যাপারটা হলো, তারা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারে কিনা।
দুই ম্যাচে বড় জয়ই এখন লক্ষ্য
ভারতের সেমিফাইনালে যাওয়ার সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে নেট রান রেট। পরের দুই ম্যাচে কেবল জিতলেই চলবে না, জিততে হবে বড়সড় ব্যবধানে। এই প্রসঙ্গে কুম্বলে জানিয়েছেন, ‘নেট রান রেট বাড়ানোর জন্য ভারতকে (জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে) দাপটের সঙ্গে জিততে হবে, যেমনটা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতেছে। এরপর তাদেরকে অবশ্যই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতে হবে। মূল লক্ষ্য থাকতে হবে দুই ম্যাচই জেতা। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ যদি ভারতের হাতে থাকে তাহলে নেট রান রেট এমনিতেই বেড়ে যাবে।
আপাতত সেমিফাইনাল নিশ্চিত করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ভারতের সামনে। সেখানে নিজেদের পরের দুই ম্যাচ জেতার পাশাপাশি বাকি ম্যাচের ফলও নিজেদের পক্ষে আসার প্রার্থনা করতে হবে টিম ইন্ডিয়াকে। ২৬ ফেব্রুয়ারি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজেদের পরের ম্যাচে মাঠে নামবে ভারত।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩























