ক্যারিয়ারসেরা ব্যাটিং করা অভিষেকের শতকে হায়দরাবাদ ৪৭ রানে হারিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালসকে। মঙ্গলবার অভিষেক শর্মা ১৩৫ রানের হার না মানা ঝড়ো ইনিংস খেললে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ মাত্র দুই উইকেটে ২৪২ রান করে। পরে দিল্লি ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯৫ রান করতে পেরেছে।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয়বার অভিষেকের শতকে হায়দরাবাদ সহজ জয়ই পেয়েছে রাজিব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। উদ্বোধনী জুটিতেই ৯৭ রান ওঠে ৮.৫ ওভারে। বিধ্বংসী অভিষেককে রেখে সাজঘরে ফেরেন ট্রাভিস হেড। তিনি ২৬ বলে দুটি করে চার ও ছক্কা হাঁকিয়ে ৩৭ রান করেন।
দ্বিতীয় উইকেটে ইশান কিষাণকে নিয়ে আরো ৭৯ রানের জুটি গড়েছেন অভিষেক। কিষাণও তাকে রেখে রানআউট হয়েছেন ১৩ বলে ২টি চার, ১টি ছয়ে ২৫ রান করে। এরপর অভিষেক একাই তুলোধুনো করেছেন দিল্লির বোলারদের। তিনি ৪৭ বলে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টি-২০ শতক হাঁকান।

শেষ পর্যন্ত হায়দরাবাদ ২০ ওভারে দুই উইকেটে ২৪২ রানের বিশাল সংগ্রহ পায়। অভিষেক ৬৮ বলে ১০ চার, ১০ ছয়ে ১৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। অবিচ্ছিন্ন তৃতীয় উইকেটে ৬৬ রান যোগ করে অপরাজিত থাকেন হেনরিখ ক্লাসেনও। তিনি ১৩ বলে ৩টি করে চার-ছয়ে ৩৭ রান করেন।
অভিষেকের শতকে হায়দরাবাদ জিতল
জবাব দিতে নেমে দিল্লি ২১ রানে প্রথম উইকেট হারালেও পরে ৮৬ রানের জুটি পায় মাত্র ৪৫ বল থেকে। তবে লোকেশ রাহুল ২৩ বলে ১টি চার, ৩টি ছয়ে ৩৭ এবং ৩০ বলে ৭টি চার, ৩টি ছয়ে ৫৭ রান করে নীতিশ রানা সাজঘরে ফিরলে কিছুটা থমকে যায় দিল্লি।
এরপর সামির রিজভী ২৮ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় ৪১ এবং ত্রিস্তান স্টাবস ১৬ বলে ৩টি চার ও ১টি ছয়ে ২৭ রান করেন। বাকিরা বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯৫ রান করতে পেরেছে দিল্লি।

হায়দরাবাদের হয়ে শ্রীলঙ্কান পেসার ইশান মালিঙ্গা চার ওভারে ৩২ রান দিয়ে ৪টি উইকেট নেন। এছাড়া হর্ষ দুবে মাত্র দুই ওভার বোলিং করে ১২ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। এটি সপ্তম ম্যাচে চতুর্থ জয় হায়দরাবাদের, তারা উঠে এসেছে পয়েন্ট টেবিলের তিনে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
হায়দরাবাদ- ২৪২/২; ২০ ওভার (অভিষেক ১৩৫*, হেড ৩৭, ক্লাসেন ৩৭*, কিষাণ ২৫; অক্ষর ১/২৩)।
দিল্লি- ১৯৫/৯; ২০ ওভার (নীতিশ ৫৭, সামির ৪১, লোকেশ ৩৭, স্টাবস ২৭; মালিঙ্গা ৪/৩২, হর্ষ ৩/১২)।
ফল : সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ৪৭ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা : অভিষেক শর্মা।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩
















