নাহিদ রানার অগ্নিঝরা বোলিং, শিরোপা জিতলো পেশোয়ার । পাকিস্তান সুপার লিগ ফাইনালে পেশোয়ার জালমি ৫ উইকেটে হারিয়েছে হায়দরাবাদ কিংসমেন-কে। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে এই জয়ে শিরোপা ঘরে তোলে পেশোয়ার। বল হাতে দারুণ প্রভাব রেখেছেন বাংলাদেশের পেসার নাহিদ রানা।
টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে হায়দরাবাদ ১৮ ওভারে ১২৯ রানে অলআউট হয়। ইনিংসের মাঝপথে নাহিদ রানা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ মাত্র ২২ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। তার শিকারদের একজন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, যিনি গোল্ডেন ডাক করে সাজঘরে ফিরেন। আরেক উইকেট আসে উইকেট মেডেন ওভারে। হায়দরাবাদের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন সাইম আইয়ুব। পেশোয়ারের হয়ে ৪ উইকেট নেন অ্যারন হার্ডি।
১৩০ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পেশোয়ার। প্রথম ওভারেই ফেরেন মোহাম্মদ হারিস ও অধিনায়ক বাবর আজম। চাপে পড়া দলকে টেনে তোলেন অ্যারন হার্ডি ও আবদুল সামাদ। দুজনের আগ্রাসী জুটিতে ম্যাচে ফেরে পেশোয়ার। হার্ডি ফিফটি করেন, সামাদ করেন ৩৪ বলে ৪৮ রান।
শেষদিকে সামাদ আউট হলেও জয় নিশ্চিত করে দেন ফারহান ইউসুফ। এরফলে ২৮ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটে ম্যাচ জিতে শিরোপা নিশ্চিত করে পেশোয়ার জালমি।
নাহিদ রানায় উচ্ছ্বসিত পাকিস্তানের লিজেন্ডরা
নাহিদ রানার আলোয় উজ্জ্বল পিএসএল ফাইনাল। এতোটাই যে, ওয়াসিম আকরাম এর মতো লিজেন্ড পেসাররাও চুপ থাকতে পারেননি। ক্যারিয়ারের পুরোটা সময় নিজের সুইং দিয়ে ব্যাটারদের উইকেটে নাচিয়েছেন ওয়াসিম। সেই ওয়াসিম পর্যন্ত বললেন, নাহিদের গতিতেই পরাস্ত হয়েছে সবাই। ১৪৫ থেকে ১৫০ কিলোমিটার গতির বিপক্ষে ব্যাটিং করাটা মোটেই সহজ কিছু নয়। তার অ্যাকশনেও সমস্যা নেই। ফলে নাহিদের সামনে অপেক্ষা করছে উজ্জ্বল ভবিষ্যত।
ওয়াসিম আকরামের সাথে সুর মিলিয়েছেন শোয়েব মালিকও। তার মতে, নাহিদ রানার বোলিংই মূলত ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। ম্যাচ নিয়ন্ত্রণকারী একজন বোলার যে কোন অধিনায়কের জন্য বড় পাওয়া। নাহিদ রানার মতো বোলাররা তার দলের কাজটাই সহজ করে দেয়। এই ম্যাচেও তাই হয়েছে।
