Home Blog Page 2

স্যামসন-অভিষেকের ঝড়ে আফগানিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ ভারতের

0

সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মার ব্যাটিং ঝড়ে আফগানিস্তানকে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৭ উইকেটে হারিয়েছে ভারত। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের দেওয়া ১৬০ রানের লক্ষ্য মাত্র ১৪.৫ ওভারেই পেরিয়ে যায় স্বাগতিকরা। স্যামসন ২১ বলে ৫৭ এবং অভিষেক ১৯ বলে ৩৯ রান করে জয়ের ভিত গড়ে দেন। শেষ দিকে ইশান কিষান ৩৮ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

এর আগে ভারতের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৮ উইকেটে ১৫৯ রান করে আফগানিস্তান। ভারতের হয়ে নীতিশ কুমার রেড্ডি তিনটি এবং রবি বিষ্ণোই দুটি উইকেট নেন। আফগানিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরান। শেষদিকে রশিদ খান ১৬ বলে ২৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন।

এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ২-০ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করেছে ভারত। প্রথম টি-টোয়েন্টিতেও আফগানিস্তানকে হারিয়েছিল তারা।

শুরুতেই বুমরাহ-আর্শদীপের দাপট

টস জিতে আফগানিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠান ভারতের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১২ ম্যাচের মধ্যে এটি ছিল তাঁর ১১তম টস জয়।

দিল্লির ছোট মাঠ ও ভালো ব্যাটিং কন্ডিশনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ স্কোর করতে হলে আফগানিস্তানের প্রয়োজন ছিল বড় সংগ্রহ। কিন্তু শুরু থেকেই ভারতের পেস আক্রমণ তাদের সেই সুযোগ দেয়নি।

প্রথম ওভারেই জসপ্রিত বুমরাহ নিজের বৈচিত্র্যের পসরা সাজান। ইয়র্কারসহ বিভিন্ন ধরনের বল করে প্রথম ওভারেই মেডেন তুলে নেন তিনি। প্রথম আট বলে কোনো রান নিতে পারেনি আফগানিস্তান।

চাপের মুখে রাহমানউল্লাহ গুরবাজ ঝুঁকিপূর্ণ শট খেলেন। আর্শদীপ সিংয়ের বলে টপ-এজ হয়ে মিড-অনে ক্যাচ দেন তিনি। ফলে সিরিজে টানা দ্বিতীয়বার শূন্য রানে ফেরেন গুরবাজ।

অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরানও বুমরাহর মেডেন ওভারের চাপ সামলাতে গিয়ে নিয়মিত ঝুঁকি নেন। কয়েকটি মিসহিট ভাগ্যক্রমে ফাঁকা জায়গায় গেলেও আট ওভার শেষে আফগানিস্তানের রান দাঁড়ায় ৫১, এক উইকেটে।

রেড্ডির আঘাতে উইকেট পতন

উইকেট যে কোনো সময় আসতে পারে , এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তবে আফগান ব্যাটাররা পঞ্চম বোলার নীতিশ কুমার রেড্ডিকে আক্রমণ করার চেষ্টা করতেই বিপদে পড়ে।

জাদরান তাঁর সেরা শটগুলোর একটি খেলেছিলেন। কিন্তু সেই বলই গিয়ে জমা পড়ে ডিপ মিডউইকেটে। ৩৩ বলে ৩৭ রান করে ফেরেন আফগান অধিনায়ক।

নীতীশ কুমার রেড্ডি তিনটি উইকেট নিয়েছেন।

এরপর বাঁহাতি ব্যাটার সেদিকুল্লাহ আতালকে ফেরান রবি বিষ্ণোই। চোটের কারণে আবারও দলের বাইরে থাকা বরুণ চক্রবর্তীর জায়গায় একাদশে সুযোগ পাওয়া বিষ্ণোই কাজে লাগান সুযোগ।

রেড্ডি নিজের পরের ওভারেই গুলবাদিন নাইবকে ফিরিয়ে দেন। ধীরগতির লেগ-কাটারে বড় শট খেলতে গিয়ে ব্যর্থ হন নাইব। ফলে তিন ওভারের মধ্যে তিন উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ভারতের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করেন রেড্ডি।

চতুর্থ উইকেটও পেতে পারতেন অক্ষর প্যাটেল। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ব্যাটের কানায় লো ক্যাচ উঠলেও সেটি ধরতে পারেননি বিষ্ণোই। সিরিজে এটি অক্ষরের বলে দ্বিতীয় ক্যাচ ফসকে যাওয়ার ঘটনা।

তবে নিজের শেষ ওভারে ওমরজাইকেও ফেরান অক্ষর। তার আগে ওমরজাই ও দারউইশ রাসুলি মিলে ভারতের একমাত্র শিবম দুবের ওভার থেকে ১৩ রান তুলে নেন।

রশিদের ঝড়, শেষ পর্যন্ত ১৫৯

মধ্যক্রমের প্রায় সবাই ফিরে যাওয়ার পরও ভারতের অধিনায়ক আইয়ার নিজের সেরা বোলারদের দিয়েই আক্রমণ চালিয়ে যান। পরিকল্পনা ছিল ২০তম ওভারটি কোনো পার্টটাইমারকে দিয়ে করানো। তবে রশিদ খান ক্রিজে থাকায় সেই পরিকল্পনা খুব একটা কাজে আসেনি।

তিনটি উইকেট নিয়ে আফগান বোলারদের মধ্যে সেরা পারফরম্যান্স দেখালেন রশিদ খান।

১৭তম ওভারে বোলারকে আক্রমণ করে এবং ক্রিজের গভীরতা ব্যবহার করে রশিদ ১০ রান নেন। পরের ওভারে আসে আরও ১৬ রান। তাঁর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে আফগানিস্তান কিছুটা বড় সংগ্রহের আশা দেখতে শুরু করে।

কিন্তু ২০তম ওভারে আর বড় কিছু করতে পারেননি রশিদ। অক্ষর প্যাটেলের বলে ডিপ অঞ্চলে উঁচু ক্যাচ তুলে দেন তিনি। দারুণভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে ক্যাচটি নেন অক্ষর। ১৬ বলে ২৮ রান করে থামেন রশিদ।

শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৯ রান করে আফগানিস্তান।

শুরু থেকেই তাণ্ডব অভিষেক-স্যামসনের

১৬০ রানের লক্ষ্য দিল্লির ছোট মাঠে খুব একটা বড় ছিল না। ভারতের জয়ের জন্যও অপেক্ষা করতে হয়নি বেশি সময়।

আফগানিস্তানের সেরা নতুন বলের বোলার ফজলহক ফারুকি ছিলেন একাদশে। অথচ অদ্ভুত কৌশলে তাঁকে দিয়ে বোলিং করানো হয় ১৩তম ওভারে! এর আগে রশিদ খান ও নূর আহমদ পাওয়ারপ্লেতে বল না করায় আঙুলের স্পিন ও ওমরজাইয়ের মাঝারি গতির বোলিংকে কাজে লাগান ভারতের দুই ব্যাটার।

অভিষেক শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক। মুজিব উর রহমানের মুখোমুখি হওয়া প্রথম দুই বলেই স্কয়ার কভারের ওপর দিয়ে চার মারেন তিনি।

তবে তাঁর ইনিংসের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন মুহূর্ত আসে মোহাম্মদ নবীর বিপক্ষে। নবীর বলে লং-অনের ওপর দিয়ে পরপর তিনটি ছক্কা হাঁকান অভিষেক। প্রতিটি শটেই নিজের শক্তির পুরোটা ব্যবহার করেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।

স্যামসনও ধীরে ধীরে ঝড় তোলেন। প্রথম বাউন্ডারি পেতে নয় বল খেললেও এরপর আর থামানো যায়নি তাঁকে। ওমরজাইকে আক্রমণ করার পাশাপাশি নবীর বলে ব্যাকফুটে লং-অনের ওপর দিয়ে বিশাল ছক্কা হাঁকান তিনি। পাওয়ারপ্লে শেষে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় বিনা উইকেটে ৮২ রান।

রশিদ ফিরিয়েও ম্যাচ বাঁচাতে পারেননি

রশিদ খান অবশেষে বোলিংয়ে এসে দুজনের উইকেটই তুলে নেন। ছক্কা হজম করার পরই অভিষেক ও স্যামসনকে ফিরিয়ে কিছুটা আশা জাগান আফগানিস্তানের এই তারকা।

কিন্তু ততক্ষণে ম্যাচ পুরোপুরি ভারতের নিয়ন্ত্রণে। অভিষেক ১৯ বলে ৩৯ এবং স্যামসন ২১ বলে ৫৭ রান করে দলের জয়ের ভিত্তি গড়ে দিয়ে যান।

বিশ্বকাপের পর ওয়ানডে-টি-টোয়েন্টিতে স্যামসনের এটি সবচেয়ে বড় স্কোর। তাঁর ঝোড়ো ইনিংসে ছিল একাধিক বাউন্ডারি ও ছক্কার মার।

শেষ দিকে কোনো ধরনের বিপদ হতে দেননি ইশান কিষান। ৩৮ রানে অপরাজিত থেকে ১৪.৫ ওভারেই ভারতের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।

ফলে ৩১ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের জয় পায় ভারত। একই সঙ্গে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নেয় শ্রেয়াস আইয়ারের দল।

সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড

আফগানিস্তান
১৫৯/৮ (২০ ওভার)
ইব্রাহিম জাদরান ৩৭
রশিদ খান ২৮
নীতিশ রেড্ডি ৩/২৪
রবি বিষ্ণোই ২ উইকেট
ভারত
১৬৩/৩ (১৪.৫ ওভার)
সঞ্জু স্যামসন ৫৭
অভিষেক শর্মা ৩৯
ইশান কিষান ৩৮*
রশিদ খান ৩/৩৬

ফল: ভারত ৭ উইকেটে জয়ী

সিরিজ: ভারত ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে

জিম্বাবুয়েকে ৫৯ রানে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শুরু

0

রেনশ’র প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি – এলিসের পাঁচ উইকেটে

ম্যাট রেনশ’র ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি আর নাথান এলিসের দুর্দান্ত বোলিংয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৫৯ রানের জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া । হারারে স্পোর্টস ক্লাবে মঙ্গলবারের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৯৪ রান করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে ক্রেইগ আরভিন ও সিকান্দার রাজার ফিফটির পরও ৪৬তম ওভারে ২৩৫ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে।

অস্ট্রেলিয়ার জয়ের নায়ক রেনশ। ১০৯ রানের দারুণ ইনিংসে নিজের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। তাঁর সঙ্গে কুপার কনোলির ৫১ রানের ইনিংস অস্ট্রেলিয়াকে এনে দেয় লড়াইয়ের পুঁজি। জিম্বাবুয়ের হয়ে বাঁহাতি পেসার নিউম্যান নিয়ামহুরি ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করে ৬২ রানে নেন ৫ উইকেট।

তবে বল হাতে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেন এলিস। গতি ও লাইন-লেংথে দারুণ বৈচিত্র্য দেখিয়ে ক্যারিয়ারসেরা ৫ উইকেট নেন তিনি। ৮.৩ ওভারে মাত্র ৩১ রান দিয়ে তাঁর শিকার পাঁচ ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত তাঁর বোলিংয়েই জিম্বাবুয়ের রান তাড়ার আশা শেষ হয়ে যায়।

ম্যাচটিতে ব্যক্তিগত মাইলফলকের সংখ্যাও ছিল বেশ কয়েকটি। ২০ বছর ২৩৯ দিন বয়সে পাঁচ উইকেট নিয়ে ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েছেন নিয়ামহুরি। অন্যদিকে ৪০ বছর বয়সী ব্রেন্ডন টেলর ওয়ানডে ক্রিকেটে সবচেয়ে দীর্ঘ ক্যারিয়ারের রেকর্ড গড়েছেন। ২২ বছর ১৪৮ দিনের ক্যারিয়ার নিয়ে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন ভারতের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারকে।

শুরুতেই ধাক্কা, পরে ঘুরে দাঁড়ায় অস্ট্রেলিয়া

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা ভালো হয়নি। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ট্রাভিস হেডকে ফেরান ব্র্যাড ইভান্স। নিজের স্টাম্পে বল টেনে এনে আউট হন হেড। এটি ছিল টানা চতুর্থবার তাঁর ‘ড্র্যাগ-অন’ হয়ে আউট হওয়ার ঘটনা।

মাত্র ১০ রানে প্রথম উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু সেই চাপ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ইভান্স ও ব্লেসিং মুজারাবানি বারবার অফ স্টাম্পের বাইরে বেশি জায়গা করে দেন কিংবা শর্ট বল করেন। সুযোগ কাজে লাগিয়ে মিচেল মার্শ ও কুপার কনোলি দ্রুত রান তুলতে থাকেন।

প্রথম আট ওভারেই দুজন মিলে আটটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান। তবে প্রথম বোলিং পরিবর্তনেই সাফল্য আসে জিম্বাবুয়ের। মার্শ ৩৬ রান করে নিয়ামহুরির বলে ব্রায়ান বেনেটের হাতে ক্যাচ দেন।

জিম্বাবুয়েকে ৫৯ রানে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শুরু
মাঠ থেকে বেরিয়ে আসার সময় নিউম্যান নিয়ামহুরিকে তাঁর পাঁচ উইকেট শিকারের জন্য সতীর্থরা অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

এরপর নিয়ামহুরি ফেরান জশ ইংলিসকেও। এবার ব্রেন্ডন টেলর ডান দিকে পুরো শরীর ছুড়ে দিয়ে এক হাতে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন। অস্ট্রেলিয়ার স্কোর তখন ১০৭ রানে চার উইকেট। এরপর কয়েক ওভার কোনো বাউন্ডারি আসেনি। সিকান্দার রাজাকে স্পিন আক্রমণে আনা হলে জিম্বাবুয়ে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে।

দুই জীবন পেয়েও থামতে হলো কনোলিকে

৪১ রানে থাকা কনোলিকে মিডউইকেটে ক্যাচ দেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছিলেন নিয়ামহুরি। কিন্তু বেনেট সেই ক্যাচ নিতে পারেননি। এরপর আরও একবার জীবন পান কনোলি। রাজা তাঁকে বোল্ড করলেও সেটি ছিল নো-বল।

ফ্রি-হিটে কোনো ভুল করেননি কনোলি। রাজাকে লং-অফের ওপর দিয়ে ছক্কা মেরে তুলে নেন ফিফটি। কিন্তু মাত্র দুই বল পরই রাজা জবাব দেন। বাইরের বলের ধার পেরিয়ে যায় কনোলির ব্যাট, বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। তাঁর ৫১ রানের ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া তখন ১০৭ রানে চার উইকেট হারিয়েছে।

রাজার জন্য অবশ্য দুর্ভাগ্য তখনও শেষ হয়নি। একের পর এক নো-বল করতে থাকেন তিনি। রেনশ ১২ রানে থাকা অবস্থায় তাঁর একটি নিচু ফুলটস মিডউইকেটে তুলে দেন। ক্যাচটি নিতে পারেননি ক্রেইগ আরভিন।

অর্ধেক ইনিংস শেষে অস্ট্রেলিয়ার রান ছিল ১৪৭। রানরেট ছয়ের নিচে নেমে গেলেও উইকেট হাতে থাকায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি কারও হাতে ছিল না। রাজা, বেনেট ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজা বেশির ভাগ সময় ভালো নিয়ন্ত্রণে বল করেন। তবে মাঝে মাঝে বেশি ফ্লাইট দেওয়ায় রেনশ সেই সুযোগ কাজে লাগান।

বেনেটকে হাঁটু গেড়ে মিডউইকেটের ওপর দিয়ে ছক্কা মারেন রেনশ। পরে মাসাকাদজাকেও বিশাল ছক্কা হাঁকান তিনি, যে বলটি গিয়ে পড়ে স্টেডিয়ামের ছাদে।

রেনশ’র সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়ার ২৯৪

জশ ইংলিসের পর উইকেটে আসা অ্যালেক্স ক্যারির সঙ্গে রেনশ’র জুটি গড়ে ওঠে। দুজনের ৭২ রানের জুটি ভাঙেন ইভান্স। তাঁর বলে ক্যারি গলি অঞ্চলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।

এরপর ৫৫ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন রেনশ। মাসাকাদজাকে আবারও ছক্কা মেরে মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। এরপর অলিভার পিকের সঙ্গে জুটি গড়ে ইনিংস এগিয়ে নেন।

পিকে ৩০ বলে ৪০ রান করে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ১০ ওভার বাকি থাকতে ২২৮ রানে নিয়ে যান। তখন অস্ট্রেলিয়ার ৩০০ পেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও বেশ উজ্জ্বল ছিল।

তবে পিকে হিট-উইকেট হয়ে ফিরে যান। ৩০ বলে তাঁর ৪০ রানের ইনিংসে ছিল চার ও ছক্কার মিশ্র আক্রমণ। এরপর নিয়ামহুরি নিজের চতুর্থ উইকেট নেন। জেভিয়ার বার্টলেট সহজ ক্যাচ তুলে দেন আরভিনের হাতে। সেই ক্যাচ নিয়ে আগের ভুলের কিছুটা প্রায়শ্চিত্ত করেন আরভিন।

তখন রেনশ ৯৬ রানে অপরাজিত। হাতে মাত্র তিন উইকেট, বাকি চার ওভার। মুজারাবানির বলে এক রান, দুই রান নেওয়ার পর ইভান্সের ফুলটস থেকে একটি রান নিয়ে তিন অঙ্ক স্পর্শ করেন রেনশ। আসে তাঁর ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি। মাঠে উষ্ণ করতালি আর সতীর্থদের উচ্ছ্বাসে উদ্‌যাপিত হয় মাইলফলকটি।

রেনশ’র দ্বিতীয় পঞ্চাশ এসেছে মাত্র ৩৩ বলে। শেষ পর্যন্ত ১০৯ রানে থামেন তিনি। তবে ইনিংসের শেষ ওভারে নিয়ামহুরিকে লেগ সাইডে উঁচু করে মেরে আউট হন রেনশ। শেষ ১০ ওভারে অস্ট্রেলিয়া তুলতে পারে ৬৬ রান। শেষ সাত ওভারে এসেছে মাত্র একটি বাউন্ডারি।

সব মিলিয়ে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯৪ রান করে অস্ট্রেলিয়া।

রান তাড়ায় শুরুতেই বিপর্যয় জিম্বাবুয়ের

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে এর আগে জিম্বাবুয়ে পাঁচবারের বেশি বড় লক্ষ্য সফলভাবে তাড়া করতে পারেনি। তবে ওই পাঁচ জয়ের মধ্যে তিনটিই এসেছিল এই মাঠে। তাই ২৯৫ রানের লক্ষ্য তাদের কাছে অসম্ভব ছিল না।

কিন্তু রান তাড়ার শুরুতেই বিপদে পড়ে স্বাগতিকরা। বেন কারেন ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই বার্টলেটের বলে এলিসের হাতে মিড-অফে ক্যাচ দেন। ফেরেন শূন্য রানে।

তিন ওভার পরই বেনেটকে ফেরানোর সুযোগ এসেছিল। স্পেন্সার জনসনের বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ তুলেছিলেন তিনি। কিন্তু কনোলি সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি।

চাপের মধ্যেই আবার জীবন পান ইনোসেন্ট কাইয়া। বার্টলেটের চতুর্থ ওভারের শুরুতে এলবিডব্লিউ দেওয়া হলেও রিভিউ নেন তিনি। বল-ট্র্যাকিংয়ে দেখা যায়, বল লেগ স্টাম্পের ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছিল।

তবে পরের ওভারেই ফিরে যান কাইয়া। এলিসের ধীরগতির বলে টাইমিং করতে না পেরে মিডউইকেটে ক্যাচ দেন তিনি। অ্যালেক্স ক্যারি নিচু হয়ে ভালো ক্যাচ নেন।

সেই ওভারের শেষ বলেই বেনেটের ব্যাটের হালকা ধার পান এলিস। ইংলিস ক্যাচ নেন। নয় ওভার শেষে জিম্বাবুয়ের স্কোর দাঁড়ায় ৪৬ রানে তিন উইকেট। তখন স্বাগতিকদের লড়াই কঠিন মনে হচ্ছিল।

রেনশ’র স্বপ্নের দিন, জিম্বাবুয়ের লড়াই

ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি করার পর বল হাতেও উইকেট পান রেনশ। টেলরকে লং-অনে ক্যাচে পরিণত করেন তিনি। এরপর জিম্বাবুয়ের অভিজ্ঞ দুই ব্যাটার আরভিন ও রাজা দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন।

অস্ট্রেলিয়া একের পর এক বোলার ব্যবহার করলেও দুজন খুব সতর্কভাবে ইনিংস এগিয়ে নেন। অযথা ঝুঁকি না নিয়ে রান তোলেন এবং দলের আশা বাঁচিয়ে রাখেন।

রেনশকে পেয়ে অবশ্য আক্রমণাত্মক ছিলেন আরভিন। তাঁর বলে মিডউইকেটের ওপর দিয়ে ছক্কা ও চার মারেন জিম্বাবুয়ের এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। অন্যদিকে রাজা নিজের প্রথম বাউন্ডারি পেতে খেলেন ২০ বল। অ্যাডাম জাম্পার বলে কভার ড্রাইভে আসে সেই চার।

৫১ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন আরভিন। তখন রাজা ৪২ বলে ৩৬ রানে। এরপর দ্রুত রান তুলতে থাকেন তিনি। কিন্তু প্রয়োজনীয় রানরেট ক্রমেই বাড়তে থাকে।

৩০ ওভার শেষে জিম্বাবুয়ের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ওভারপ্রতি সাত রানের একটু কম। ঠিক তখনই আক্রমণে ফিরিয়ে আনা হয় এলিসকে। আর সেটিই হয়ে ওঠে ম্যাচের মোড় ঘোরানো সিদ্ধান্ত।

এলিসের পাঁচ উইকেটে শেষ জিম্বাবুয়ের আশা

নিজের দ্বিতীয় স্পেলের তৃতীয় বলেই আরভিনকে ফেরান এলিস। তাঁর বল শেষ মুহূর্তে বাইরে সরে গিয়ে আরভিনের অফ স্টাম্প উড়িয়ে দেয়। ফলে ৯৮ রানের পঞ্চম উইকেটের জুটি ভেঙে যায়।

আরভিন ৫৯ রান করেন। কিছুক্ষণ পর ফিফটি পূর্ণ করেন রাজাও। কিন্তু জিম্বাবুয়ের জয়ের জন্য তাঁকে শেষ পর্যন্ত ব্যাট করতে হতো। সেই কাজ আর করা হয়নি।

জিম্বাবুয়েকে ৫৯ রানে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শুরু
নাথান এলিস ক্রেইগ আরভিনের গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটি তুলে নেন।

স্পেন্সার জনসনের নিখুঁত ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে ফেরেন রাজা। ৫৭ রানের ইনিংস শেষ হয় তাঁর। তখনও জিম্বাবুয়ের প্রয়োজন ছিল ১১৪ রান। কিন্তু টপ-সিক্সের সবাই ফিরে যাওয়ায় ম্যাচ কার্যত অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

৪০তম ওভারের প্রথম বলেই ফেরেন ওয়েসলি মাধেভেরে। এরপর ইভান্সের কাছ থেকে কোনো অলৌকিক ব্যাটিংয়ের আশা করেছিল জিম্বাবুয়ে। কিন্তু সেটিও পূরণ হয়নি।

শেষদিকে এলিসকে আবার আক্রমণে আনা হয়। তিনি মাসাকাদজাকে এলবিডব্লিউ করেন। এরপর ৪৬তম ওভারে ব্যাক-অব-দ্য-লেন্থ ধীরগতির বলে নিয়ামহুরিকে বোল্ড করে জিম্বাবুয়ের ইনিংসের ইতি টানেন।

২৩৫ রানে অলআউট হয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। ফলে ৫৯ রানের জয় নিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে এলিস ৫ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি রেনশ’র ১০৯ রানের ইনিংস ছিল জয়ের মূল ভিত্তি। আর জিম্বাবুয়ের হয়ে নিয়ামহুরির পাঁচ উইকেট এবং আরভিন-রাজার ফিফটি হার এড়াতে না পারলেও ম্যাচটিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছিল।

দুই দলের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে শুক্রবার।

Match Scorecard
ম্যাচ স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া ২৯৪/৮
ওভার: ৫০

ম্যাট রেনশ: ১০৯ রান
কুপার কনোলি: ৫১ রান
অলিভার পিকে: ৪০ রান

নিউম্যান নিয়ামহুরি: ৫/৬২
জিম্বাবুয়ে ২৩৫ অলআউট
ওভার: ৪৫.৫

ক্রেইগ আরভিন: ৫৯ রান
সিকান্দার রাজা: ৫৭ রান

নাথান এলিস: ৫/৩১
ফলাফল: অস্ট্রেলিয়া ৫৯ রানে জয়ী

টি-টোয়েন্টিতে নেতৃত্ব ছাড়ছেন জ্যোতি

0

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে আর থাকছেন না নিগার সুলতানা জ্যোতি। জাপানে অনুষ্ঠেয় এশিয়ান গেমস শেষ হওয়ার পর সংক্ষিপ্ত সংস্করণে নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নিজের সিদ্ধান্তের কথা ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) জানিয়েছেন জ্যোতি।

বিসিবির নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এশিয়ান গেমসের পর টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্বে আর থাকবেন না জ্যোতি। তবে ওয়ানডে দলে তাঁর নেতৃত্ব অব্যাহত থাকবে।

২০২১ সালে বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব পান জ্যোতি। এর এক বছর পর তাঁর হাতে ওঠে টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কের দায়িত্বও। এরপর থেকে দুই সংস্করণেই বাংলাদেশ নারী দলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন তিনি।

সম্প্রতি টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতার ঘাটতি দেখা গেছে। জ্যোতির নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এরপর ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ হারে দলটি।

নেদারল্যান্ডস ও স্কটল্যান্ডকে নিয়ে আয়োজিত ত্রিদেশীয় সিরিজেও প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল পায়নি বাংলাদেশ। এরপর জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে পাঁচ ম্যাচের মধ্যে বাংলাদেশ জয় পায় দুটিতে।

সবশেষ সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত নারী টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপেও সাফল্য ধরা দেয়নি বাংলাদেশের হাতে। একের পর এক হতাশাজনক ফলের কারণে জ্যোতির নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা বাড়তে থাকে।

এদিকে, এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি নিতে বাংলাদেশ নারী দল এখন জাপানে অবস্থান করছে। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর চীনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্টের যাত্রা শুরু করবে বাংলাদেশ। এই আসর শেষ করার পরই টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে জ্যোতির অধ্যায় শেষ হওয়ার কথা।

বিসিবির একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ই-মেইলের মাধ্যমে বোর্ডকে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন জ্যোতি। সাম্প্রতিক সময়ে তাঁকে ঘিরে প্রকাশিত বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনও এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে বলে সূত্রটি জানিয়েছে।

তবে নেতৃত্ব ছাড়লেও পুরোপুরি নেতৃত্বের বাইরে যাচ্ছেন না জ্যোতি। ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাবেন তিনি। অর্থাৎ এশিয়ান গেমসের পর বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটে টি-টোয়েন্টি নেতৃত্বে পরিবর্তন এলেও ওয়ানডেতে জ্যোতির নেতৃত্বই বহাল থাকবে।

এখন বড় প্রশ্ন, জ্যোতির পর টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্বের আর্মব্যান্ড কার হাতে উঠবে। এশিয়ান গেমস শেষ হওয়ার পরই এ বিষয়ে বিসিবির সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

দেশজুড়ে রবি বোলার হান্ট – নতুন প্রতিভার খোঁজে বিসিবি

0


দেশজুড়ে রবি বোলার হান্ট – নতুন প্রতিভার খোঁজে বিসিবি । বাংলাদেশের ক্রিকেটে পেসার হান্টের মাধ্যমে উঠে এসেছেন বেশ কয়েকজন জাতীয় দলের পেসার। রুবেল হোসেন, শফিউল ইসলাম ও এবাদত হোসেন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিভাবান পেসার খুঁজে বের করার সেই উদ্যোগ কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এবার অবশ্য শুধু পেসার নয়, খোঁজা হবে স্পিনারও। সুযোগ থাকছে নারী বোলারদেরও।

মঙ্গলবার মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নতুন এই বোলার হান্টের উদ্বোধন হয়েছে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের আট বিভাগে শুরু হবে প্রতিভা অন্বেষণের এই কার্যক্রম। ঢাকায় হবে দুটি ভেন্যুতে। পুরো আয়োজনের সঙ্গে থাকছে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান রবি।

দেশজুড়ে রবি বোলার হান্ট - নতুন প্রতিভার খোঁজে বিসিবি

দেশের ক্রিকেটে এবারই প্রথম পেসারদের পাশাপাশি স্পিনারদের নিয়েও দেশব্যাপী এমন প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম হচ্ছে। নারী বোলারদের জন্যও থাকছে অংশগ্রহণের সুযোগ। মাঠপর্যায়ে প্রতিভা খুঁজে বের করার দায়িত্বে থাকবেন জাতীয় দলের আশপাশে থাকা কোচরা।

বিসিবির এই কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, সোহেল ইসলাম, কোরি কলিমোর ও মুশতাক আহমেদ। নারী বোলারদের বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নির্বাচকেরাও মাঠে থাকবেন।

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে দ্রুতগতির পেসার কিংবা কার্যকর স্পিনার খুঁজে বের করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। বাছাই করা বোলারদের পরবর্তী সময়ে আধুনিক প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যার আওতায় আনবে বিসিবি। এর মাধ্যমে জাতীয় দল ও জাতীয় দলের পাইপলাইনের জন্য মানসম্মত বোলার তৈরি করতে চায় বোর্ড।

এর আগে গ্রামীণফোন ও রবির সহযোগিতায় দেশজুড়ে পেসার হান্ট আয়োজন করেছিল বিসিবি। সেই কার্যক্রম থেকেই উঠে এসেছেন বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন পরিচিত পেসার। এবার সেই অভিজ্ঞতার সঙ্গে স্পিন ও নারী বোলারদের যুক্ত করে পরিসর আরও বাড়ানো হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল বলেন, ‘আমরা রিশাদ ও এবাদতের মতো প্রতিভা পেয়েছি। এ ছাড়া আরও অনেকে উঠে এসেছে। আশা করি এবারও বোলিং হান্টে দারুণ কাউকে পাব।’

তদন্ত প্রতিবেদন – বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল আসিফ নজরুলের

0

গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের ভূমিকা ছিল বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সিদ্ধান্তটি ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে নেওয়া হলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সম্মতি ছিল বলেও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ কেন সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি, সেই সিদ্ধান্তের কারণ অনুসন্ধানে গত মার্চে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। মঙ্গলবার কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) ড. এ. কে. এম ওলি উল্যার নেতৃত্বে গঠিত এই তদন্ত কমিটিতে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর এবং সাবেক জাতীয় অধিনায়ক ও জাতীয় দলের বর্তমান প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার।

তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই বাংলাদেশ দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি। অর্থাৎ, বিশ্বকাপে না খেলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর ভূমিকা ছিল বলে কমিটি জানিয়েছে।

তবে বিষয়টি শুধু মন্ত্রণালয়ের একক সিদ্ধান্ত ছিল না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে বিসিবিরও সম্মতি ছিল। ফলে বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বিসিবি-দুই পক্ষেরই অবস্থান ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

তদন্ত প্রতিবেদন - বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল আসিফ নজরুলের

বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তখন নানা আলোচনা ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। জাতীয় দলের এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তটি কীভাবে নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে ক্রিকেট অঙ্গনে কৌতূহল ছিল। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের পর সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া আবারও আলোচনায় এসেছে।

প্রতিবেদনে আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি বিসিবির সম্মতির বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে। ফলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ না নেওয়াকে শুধু মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই-তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অন্তত তেমনটাই বলছে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের পর এখন বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্তের দায় ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের ভূমিকা ছিল বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সিদ্ধান্তটি ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে নেওয়া হলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সম্মতি ছিল বলেও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ কেন সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি, সেই সিদ্ধান্তের কারণ অনুসন্ধানে গত মার্চে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। মঙ্গলবার কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) ড. এ. কে. এম ওলি উল্যার নেতৃত্বে গঠিত এই তদন্ত কমিটিতে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর এবং সাবেক জাতীয় অধিনায়ক ও জাতীয় দলের বর্তমান প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার।

তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই বাংলাদেশ দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি। অর্থাৎ, বিশ্বকাপে না খেলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর ভূমিকা ছিল বলে কমিটি জানিয়েছে।

তবে বিষয়টি শুধু মন্ত্রণালয়ের একক সিদ্ধান্ত ছিল না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে বিসিবিরও সম্মতি ছিল। ফলে বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বিসিবি-দুই পক্ষেরই অবস্থান ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তখন নানা আলোচনা ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে জাতীয় দলের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তটি কীভাবে নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে ক্রিকেট অঙ্গনে কৌতূহল ছিল। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের পর সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া আবারও আলোচনায় এসেছে।

প্রতিবেদনে আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি বিসিবির সম্মতির বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে। ফলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ না নেওয়াকে শুধু মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই-তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অন্তত তেমনটাই বলছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের পর এখন বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্তের দায় ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জিম্বাবুয়ের সামনে ২৯৫ রানের লক্ষ্য – রেনশোর সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

0

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচে বড় সংগ্রহ গড়েছে অস্ট্রেলিয়া। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ২৯৪ রান তুলেছে তারা। ফলে ম্যাচ জিততে জিম্বাবুয়েকে করতে হবে ২৯৫ রান। জিম্বাবুয়ে অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের মূল নায়ক ম্যাথিউ রেনশ। দারুণ ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে দলের ইনিংসকে শক্ত ভিত দিয়েছেন তিনি। রেনশ করেন ১০৯ রান। তাঁর ব্যাটিংয়ে ছিল ধৈর্য, আগ্রাসন ও পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার দারুণ সমন্বয়।

রেনশের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন কুপার কনোলি। তিনি করেন ৫১ রান। দুজনের ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়া বড় স্কোরের পথে এগিয়ে যায়।

তবে জিম্বাবুয়ের বোলাররা মাঝের ও শেষের দিকে নিয়মিত উইকেট তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে আরও বড় সংগ্রহ করতে দেয়নি। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৯৪ রানে থামে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস।

এখন জয়ের জন্য জিম্বাবুয়ের সামনে লক্ষ্য ২৯৫ রান। অর্থাৎ নির্ধারিত ৫০ ওভারে তাদের প্রয়োজন গড়ে প্রায় ৫.৯০ রান প্রতি ওভার।

জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের জন্য শুরুটা হবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বলে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের সামলে দ্রুত উইকেট না হারিয়ে ইনিংস গড়ে তুলতে পারলে লক্ষ্য তাড়া করা সম্ভব। তবে শুরুতেই কয়েকটি উইকেট হারালে ২৯৫ রানের লক্ষ্য জিম্বাবুয়ের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া এখন বল হাতে নিজেদের শক্তি দেখাতে চাইবে। ২৯৪ রানের পুঁজি নিয়ে দ্রুত উইকেট তুলে নিয়ে জিম্বাবুয়েকে চাপে ফেলাই হবে তাদের প্রধান লক্ষ্য।

সব মিলিয়ে রেনশোর দুর্দান্ত ১০৯ রানের ওপর ভর করে অস্ট্রেলিয়া লড়াই করার মতো স্কোর দাঁড় করিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, জিম্বাবুয়ে নিজেদের মাঠে ২৯৫ রানের লক্ষ্য সফলভাবে তাড়া করতে পারে কি না।

৩৪ থেকে ২৮ জনে বাংলাদেশ, ফিফা আসিয়ান কাপের প্রস্তুতি শেষের পথে

0

ফিফা আসিয়ান কাপ ফুটবল

ফিফা আসিয়ান কাপ এর বাংলাদেশ দল ছোট হয়ে আসছে, ২৭ আগস্ট ৩৪ জন ফুটবলারকে নিয়ে কোচ টমাস ডুলির যে ফুটবল ক্যাম্প শুরু হয়েছিল তা ১০ সেপ্টেম্বর নেমে এসেছে ২৮ জনে। আগামী ১৯ তারিখ বাংলাদেশ ফুটবল দল ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবে তার আগে হয়তো এটা নেমে আসবে ২৩ জন অথবা ২৫ জনে তবে ক্যাম্পের এই ২৮ জনের বাইরে রয়েছেন হামজা চৌধুরী, শোমিত সোম এবং ফাহমিদুলরা। তারা সরাসরি ইন্দোনেশিয়ায় দলের সঙ্গে যোগ দিবেন। ১০ সেপ্টেম্বর ৩৪ থেকে ২৮ জনে নেমে এসেছে বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি শিবির, ফিফা আসিয়ান কাপের প্রস্তুতি প্রায় শেষের পথে।  

কোচ টমাস ডুলিঃ টমাস ডুলি বলেন ফুটবল দলের অনেক সমস্যা যেমন চোট, ফিটনেস-ঘাটতি। সবচেয়ে বড় চিন্তার জায়গা, দলে নেই কোনো স্বীকৃত ‘নাম্বার নাইন’ বা সেন্টার ফরোয়ার্ড। সব মিলিয়ে টুর্নামেন্টের আগে প্রস্তুতি নিয়ে খুব একটা স্বস্তিতে নেই কোচ টমাস ডুলি।

৩৪ থেকে ২৮ জনে বাংলাদেশ, ফিফা আসিয়ান কাপের প্রস্তুতি শেষের পথে
বাংলাদেশ ফুটবল দলের কোচিং স্টাফ

কিংস অ্যারেনায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ডুলি বলেন, ‘বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই সান মারিনো ম্যাচের পর কিছু করেনি। আমি এটা বলছি না যে তারা একেবারেই কিছু করেনি, তবে তারা প্রায় দুই মাস ধরে নিজেদের মতো করে একক প্রশিক্ষণ নিয়েছে। আমাদের যে খেলোয়াড়রা দেশের বাইরে রয়েছে, তারা অবশ্যই তাদের ক্লাবের সঙ্গে খেলছে, প্রাক্‌-মৌসুম প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু এখানকার স্থানীয় খেলোয়াড়দের কোনো অনুশীলন ছিল না।’ এই ঘাটতি দ্রুত পূরণ করতে শুরু থেকেই বাড়তি অনুশীলনের চাপ দিতে হয়েছে খেলোয়াড়দের। দিনে দুবার অনুশীলন করানোর কারণে অনেকের পেশিতে টানও দেখা দিয়েছে।

বিশ্বনাথ ঘোষ চোট পেয়ে দল থেকে ছিটকে গেছেন, তাকে ৪ সপ্তাহ বিশ্রামে থাকতে হবে। অপরদিকে তপু বর্মন যিনি সান মারিনোর বিপক্ষে একাই দুটি গোল করেছিলেন তিনি সামান্য ইনজুরিতে পড়েছেন তবে আশা করা হচ্ছে তিনি হয়তো প্রথম ম্যাচের আগেই সেরে উঠবেন প্রথম ম্যাচ খেলতে না পারলেও ২য় ম্যাচ খেলবেন। আবার জামাল ভূঁইয়া ও ফয়সাল আহমেদ সামান্য পেশির টানে ভুগছেন তবে এদের সমস্যা হয়তো ততটা বিপদজনক নয়।

৩৪ জনের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন তাজ উদ্দিন, প্রবাশি দেবজিত সরকার, কাজেম শাহ, ইসা ফয়সাল, রাব্বি হোসেন ও ইয়াসার। আবার প্রবাশী সম্ভাবনাময় খেলোয়াড় যাদের জাতীয় দলে অভিষেক হয়নি তাদের মধ্যে রয়েছেন যুক্ত রাষ্ট্র থেকে আগত গোল রক্ষক সাইফ কেরাওয়ালা, জাপানিজ শুকি ইতাফুসা এবং ইংল্যান্ড প্রবাশী ইউসুফ আহমেদ ও জিদান ইউসুফ।    

বিশ্বনাথের ছিটকে পড়ায় কোচ বেশী মর্মাহত কারণ বিশ্বনাথকে কোচ সেন্টাল ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলানোর পরিকল্পনা করেছিলেন, সান মারিনোর বিপক্ষে তাঁর পারফরম্যান্স সেই ভাবনাকে আরও জোরালো করেছিল। কিন্তু বিশ্বনাথের চোটের কারণে সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসতে হয়। এখন রাকিব, মজিবুর রহমান কিংবা শাহরিয়ার ইমনের মধ্য থেকে একজনকে সেন্ট্রাল ফরোয়ার্ড হিসেবে তৈরি করার কথা ভাবছেন কোচ। তবে এখনো কেউ চূড়ান্ত নয়। তবে সেন্ট্রাল ফরোয়ার্ড হিসেবে কোচ রাকিব, মজিবুর বা ইমন এই ৩জনকে এগিয়ে রেখেছেন।

‎‎অনুশীলন প্রসঙ্গ: প্র্যাকটিসে দলের গোল করার অনুশীলন এখনো শুরু করেননি কোচ তিনি চান আগে খেলোয়াড়দের শারীরিকভাবে প্রস্তুত করতে এরপর শুরু হবে শুটিং ও ফিনিশিংয়ের কাজ এদিকে ‎আসিয়ান কাপের সময়ও ঘনিয়ে আসছে। চলতি মাসের ‎২৫ তারিখ মালয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে প্রথম বারের মত অংশ নিতে যাওয়া বাংলাদেশের ফিফা আসিয়ান কাপ অভিযান। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর এবং ১ অক্টোবর স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ।

‎ফরমেট: ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ ডিভিশন-১ এ খেলবে যেখানে ৮টি দল ২টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে খেলবে বাংলাদেশ ‘এ’ গ্রুপে খেলবে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে অপরদিকে ‘বি’ গ্রুপে খেলবে ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড এবং ফিলিপাইন। ডিভিশন-১ এর খেলা অনুষ্ঠিত হবে ইন্দোনেশিয়ায় অপরদিকে ডিভিশন-২ এর খেলা অনুষ্ঠিত হবে হংকং এ। দুই গ্রুপ থেকে দুটি দল ফাইনালে উঠবে এবং চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ হবে। অপরদিকে গ্রুপের ২য় স্থান অর্জনকারী দল ৩য় হওয়ার জন্য পরস্পর খেলবে। ডিভিশন-১ এর খেলা গুলোও একই নিয়মে অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ ২ ডিভিশন থেকে দুটি দল চ্যাম্পিয়ন হবে।  

আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের বাকি দুই টি-টোয়েন্টিতে নেই বরুণ

0

আফগানিস্তানের বিপক্ষে চলমান তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের বাকি দুই ম্যাচে ভারতীয় স্পিনার বরুণ চক্রবর্তীকে পাওয়া যাবে না। পাশের অংশে অস্বস্তি অনুভব করায় সিরিজের শেষ দুই ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছেন এই স্পিনার। তবে আপাতত তার চোট নিয়ে বড় ধরনের শঙ্কা নেই। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসের শেষ দিকে জাপানে অনুষ্ঠেয় এশিয়ান গেমসের জন্য ভারতের দলের সঙ্গে ভ্রমণ করতে পারেন তিনি।

দুই মাসের বিরতির পর রোববার আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি দিয়ে ভারতীয় দলে ফিরেছিলেন বরুণ। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলের জার্সিতে ফিরে বল হাতেও দারুণ শুরু করেন তিনি। নিজের চার ওভারের পূর্ণ কোটা শেষ করে মাত্র ১৬ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন। তার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পর ভারত সাত উইকেটে ম্যাচটি জিতে নেয়।

কিন্তু সেই ম্যাচের পরই পাশের অংশে অস্বস্তি অনুভব করেন বরুণ। ফলে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে সিরিজের বাকি দুই ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে এখনো তার পরিবর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা করা হয়নি।

দুই মাস পর ফিরেই আবার চোটের ধাক্কা

বরুণের জন্য এবারের প্রত্যাবর্তনটি ছিল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে জুলাইয়ের শুরুতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে গ্রেড-২ হ্যামস্ট্রিং চোটে পড়েছিলেন তিনি। সেই চোটের কারণে মাঠের বাইরে চলে যেতে হয় তাকে। পরে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য বেঙ্গালুরুর সেন্টার অব এক্সেলেন্সে (সিওই) যান এই স্পিনার।

সেখানে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ করার পর ধীরে ধীরে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরেন বরুণ। আফগানিস্তান সিরিজের আগে নিজের ম্যাচ ফিটনেস যাচাই করতে তামিলনাড়ু প্রিমিয়ার লিগেও খেলেছিলেন তিনি।

আগস্টে ডিন্ডিগুল ড্রাগনসের হয়ে একটি ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন বরুণ। তবে সেই ম্যাচে তার বোলিং খুব একটা ভালো যায়নি। চার ওভারে ৩৪ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি তিনি। এরপর জাতীয় দলে ফিরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে নিজের ছন্দ ফিরে পাওয়ার ইঙ্গিত দেন।

তবে প্রত্যাবর্তনের প্রথম ম্যাচের পরই আবার অস্বস্তি দেখা দেওয়ায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না।

বরুণের পরিবর্তে সুযোগ কার?

বরুণকে আপাতত না পাওয়ায় ভারতের স্কোয়াডে থাকা রবি বিষ্ণোই এবং ওয়াশিংটন সুন্দরের দিকে নজর রয়েছে। দুজনেরই বরুণের জায়গা পূরণ করার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও তাদের ভূমিকা একেবারে একই নয়।

লেগস্পিনার রবি বিষ্ণোই এর আগে বরুণের অনুপস্থিতিতে ভারতের হয়ে দায়িত্ব সামলেছেন। জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ে সফরে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচেই খেলেছিলেন তিনি। সেই সিরিজে তিনটি উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ওভারপ্রতি মাত্র ৫.৬৬ রান খরচ করেন বিষ্ণোই।

বরুণের অনুপস্থিতিতে যদি ভারত মূলত একজন বিশেষজ্ঞ স্পিনার দিয়ে তার জায়গা পূরণ করতে চায়, তাহলে বিষ্ণোই হতে পারেন স্বাভাবিক বিকল্প। বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট নেওয়ার ক্ষমতার কারণে তাকে বিবেচনা করা হতে পারে।

অন্যদিকে ওয়াশিংটন সুন্দর দলে থাকলে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপও বাড়তি গভীরতা পাবে। অফস্পিনের পাশাপাশি ব্যাট হাতে অবদান রাখার সামর্থ্য রয়েছে তার। তবে বরুণের মতো তিনিও সম্প্রতি চোট থেকে ফিরেছেন। ইংল্যান্ড সফরের সময় পায়ের চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিলেন ওয়াশিংটন।

ফলে তাকে নিয়ে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টও কোনো ধরনের ঝুঁকি নেবে কি না, সেটিও দেখার বিষয়।

দলে আছেন অক্ষরও

ভারতের স্পিন বিভাগে বরুণ, বিষ্ণোই ও ওয়াশিংটন ছাড়াও রয়েছেন অক্ষর প্যাটেল। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই বল হাতে অবদান রেখেছেন তিনি। চার ওভারে ২৭ রান দিয়ে একটি উইকেট নিয়েছেন অক্ষর।

অর্থাৎ বরুণের অনুপস্থিতিতে ভারতের হাতে স্পিনের একাধিক বিকল্প রয়েছে। এখন মূল প্রশ্ন হলো, টিম ম্যানেজমেন্ট তার জায়গায় সরাসরি একজন স্পিনারকে খেলাবে, নাকি ওয়াশিংটন সুন্দরকে নিয়ে একাদশে বাড়তি ব্যাটিং গভীরতা যোগ করবে।

এশিয়ান গেমস নিয়ে স্বস্তির খবর

বরুণের জন্য সবচেয়ে স্বস্তির বিষয় হলো, এই চোট আপাতত দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা হিসেবে দেখা হচ্ছে না। ভারতীয় দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, চোটটি সাময়িক এবং এ কারণে এশিয়ান গেমসে তার অংশগ্রহণ নিয়ে এখনই বড় কোনো শঙ্কা নেই।

জাপানে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে এশিয়ান গেমস। সেখানে ভারতের ক্রিকেট দলও অংশ নেবে। বরুণকে সেই দলের গুরুত্বপূর্ণ স্পিনার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তাই আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাকি দুই ম্যাচে তাকে খেলানোর ঝুঁকি না নিয়ে বড় টুর্নামেন্টের আগে পুরোপুরি সুস্থ করে তোলাই ভারতের অগ্রাধিকার হতে পারে।

দুই মাসের চোট কাটিয়ে জাতীয় দলে ফেরার পর মাত্র একটি ম্যাচ খেলেই আবার অস্বস্তিতে পড়েছেন বরুণ। ফলে এখন তার পুনরুদ্ধারের দিকে নজর থাকবে ভারতীয় দলের। এশিয়ান গেমসের আগে তিনি পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে পারেন কি না, সেটিই এখন বড় বিষয়।

সামনে আফগানিস্তান ও জাপান

আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে ভারত ইতোমধ্যে প্রথম ম্যাচ জিতে এগিয়ে রয়েছে। সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে ১৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে। এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর একই ভেন্যুতে হবে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ।

এই দুই ম্যাচে বরুণকে পাওয়া যাবে না। এরপর ভারতের পরবর্তী আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ২২ সেপ্টেম্বর জাপানের বিপক্ষে, যা এশিয়ান গেমস শুরুর ঠিক আগে অনুষ্ঠিত হবে।

সুতরাং আগামী কয়েক দিনে বরুণের ফিটনেস পরিস্থিতি ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। আফগানিস্তান সিরিজের শেষ দুই ম্যাচে তাকে না পেলেও ভারত আশা করছে বড় মঞ্চ এশিয়ান গেমসের জন্য সময়মতো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ফিরবেন এই স্পিনার।

হামজাদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সূচি প্রকাশ

0

হামজাদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ! দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠেয় এবারের টুর্নামেন্ট শুরু হবে ৫ নভেম্বর। ১৭ নভেম্বর ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে আসরের।

উদ্বোধনী ম্যাচে অবশ্য মাঠে নামছে না স্বাগতিক বাংলাদেশ। ৫ নভেম্বর টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। একই দিন নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশও। ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভুটান।

বাংলাদেশের গ্রুপে রয়েছে শ্রীলঙ্কাও। গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে ১১ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

অন্যদিকে ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান ও মালদ্বীপ। এবারের আসরে প্রতিটি দল গ্রুপ পর্বে দুটি করে ম্যাচ খেলবে। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল জায়গা করে নেবে সেমিফাইনালে। সূচি অনুযায়ী, ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে দুটি সেমিফাইনাল। আর ১৭ নভেম্বর হবে টুর্নামেন্টের ফাইনাল।

তবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের এবারের সূচি এখনও পুরোপুরি চূড়ান্ত নয়। ফিফার পক্ষ থেকে নেপালের অংশগ্রহণের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। নেপাল টুর্নামেন্টে অংশ নিলে সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে।

ইমরানের জন্য যে বার্তা দিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাত সাবেক অধিনায়ক

0

পাকিস্তানে ইমরান খানের আটকাবস্থা নিয়ে সরকারীভাবে মানবিক উদ্বেগ প্রকাশ করতে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংকে চিঠি লিখেছেন দেশটি সাতজন সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক।

মন্ত্রীকে পাঠানো এই চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা হলেন অ্যালান বোর্ডার, গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, বেলিন্ডা ক্লার্ক, কিম হিউজ, মার্ক টেইলর এবং স্টিভ ওয়াহ। চিঠিতে তারা স্পষ্ট করেছেন যে, ‘কূটনীতিক বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নয়, বরং সাবেক অধিনায়ক হিসেবে’ লিখছেন তারা এবং ইমরানের অবস্থার কারণে ‘মুখ খুলতে বাধ্য হয়েছেন।

চিঠিতে তারা লিখেছেন, আমরা স্পষ্ট করে দিতে চাই যে, জনাব খানের বিরুদ্ধে আইনি বা রাজনৈতিক মামলার বিষয়ে আমাদের কোনো অবস্থান নেই’, বরং এটিকে তারা শুধুমাত্র পাকিস্তানের ব্যাপার বলে বর্ণনা করেছে। তারা লিখেছেন, তাদের উদ্বেগ হলো আটক যেকোনো ব্যক্তির সঙ্গে হওয়া আচরণ নিয়ে, এবং “তাদের রাজনীতি যা-ই হোক না কেন, এটি মৌলিক মানবিকতার বিষয়” বলে তারা অভিহিত করেছেন।

পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক ও প্রধানমন্ত্রী ইমরানের পক্ষে খ্যাতিমান সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের ধারাবাহিক আবেদনের পথ ধরে এই আবেদনটি করা হলো।

গত ২৩ অগাস্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২২ জন সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে চিঠি লিখে ইমরানের জন্য উন্নত চিকিৎসার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, বর্তমান চিকিৎসা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনার তুলনায় অপর্যাপ্ত।

ইমরানের সুচিকিৎসার তিন দাবি ও অস্ট্রেলিয়ার পদক্ষেপ

চিঠিতে তিনটি নির্দিষ্ট অনুরোধ করা হয়: ১. সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিত মেডিকেল বোর্ডকে-যার মধ্যে ইমরানের নিজস্ব চিকিৎসকরাও থাকবেন-তার স্বাস্থ্যের একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন মূল্যায়ন করার অনুমতি দেওয়া হোক, বিশেষ করে তার ডান চোখে দৃষ্টিশক্তি হারানোর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হোক; ২. আদালত কর্তৃক পুনর্বহালকৃত সাপ্তাহিক পারিবারিক সাক্ষাৎ যেন কোনো বাধা বা প্রশাসনিক বিলম্ব ছাড়াই নিশ্চিত করা হয়; এবং ৩. সেই মেডিকেল মূল্যায়নের ফলাফল যা-ই হোক না কেন, তার সুপারিশকৃত চিকিৎসা যেন অবিলম্বে প্রদান করা হয়।

গত ফেব্রুয়ারিতে ১৪ জন সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়কের স্বাক্ষরিত প্রথম চিঠিটির পর এই চিঠিটি আসে। এরপর থেকে পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটারদের মধ্যে জাভেদ মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরাম ও মঈন খান এবং অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন।

সর্বশেষ চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইমরানের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে কয়েক মাস ধরে প্রকাশ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন তার ছেলে ও বোনেরা। এর মধ্যে রয়েছে সীমিত চিকিৎসা সেবা, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের ওপর বিধিনিষেধ এবং আইনি পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ।

অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট গ্রেট গ্রেগ চ্যাপেলও গত মাসে দলটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওংয়ের সঙ্গে একটি বৈঠকের অনুরোধ করেছিলেন, কিন্তু কোনো সাড়া পাননি।