Home Blog Page 84

টিভিতে আজকের খেলা: ২৪ জুলাই ২০২৬

কমনওয়েলথ গেমসের দ্বিতীয় দিন আজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজে চলছে গ্লোবাল সুপার লিগ, ইংল্যান্ডে ১০০ বলের ক্রিকেট।

কমনওয়েলথ গেমস
২য় দিন

বেলা ১-৩০ মি., সনি স্পোর্টস ২

গ্লোবাল সুপার লিগ
ভাইপার্স-কালান্দার্স

রাত ৮টা, টি স্পোর্টস

দ্য হানড্রেড
বার্মিংহাম-ট্রেন্ট (নারী)

রাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস ২

বার্মিংহাম-ট্রেন্ট (পুরুষ)

রাত ১১-৩০ মি. , স্টার স্পোর্টস ২

ট্রফি না পেলেও হৃদয় জিতলেন মেসি, ভোজিনিয়ার পরিবারের জন্য করলেন বিশেষ ব্যবস্থা

২০২৬ বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখতে পারেনি আর্জেন্টিনা। তবে টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর সামনে এসেছে লিওনেল মেসির আরেকটি মানবিক উদ্যোগ, যা নতুন করে প্রশংসা কুড়াচ্ছে ফুটবল বিশ্বের। কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনিয়ার পরিবারের চার সদস্যকে নিজের খরচে বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

আর্জেন্টাইন সাংবাদিক ইয়ানিনা লাতোরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগ শুধু ভোজিনিয়ার পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। পুরো বিশ্বকাপজুড়েই আর্থিকভাবে অসচ্ছল অনেক ফুটবলপ্রেমীর জন্য টিকিটের ব্যবস্থা করেছিলেন মেসি। নিজের অর্থে বিপুল সংখ্যক টিকিট সংগ্রহ করে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন মানুষের হাতে পৌঁছে দেন তিনি। সেই তালিকায় জায়গা পেয়েছিল ভোজিনিয়ার পরিবারও।

ফাইনালের আগে মেসির প্রতিনিধিরা ভোজিনিয়ার চার স্বজনের হাতে টিকিট তুলে দেন। ফলে নিউইয়র্ক-নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বসে স্পেন ও আর্জেন্টিনার শিরোপা নির্ধারণী লড়াই উপভোগ করার সুযোগ পান তারা।

লাতোরের ভাষ্য, যাদের পক্ষে বিশ্বকাপের মতো আসরের টিকিট কেনা সম্ভব নয়, তাদেরও এই অভিজ্ঞতার অংশ করে তুলতে চেয়েছিলেন মেসি। টুর্নামেন্ট চলাকালে অসংখ্য মানুষ তার কাছে টিকিটের অনুরোধ করেছিলেন। নিজের সামর্থ্যের মধ্যে যতটা সম্ভব সবার অনুরোধ রাখার চেষ্টা করেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা।

আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্দের রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচের পর থেকেই ভোজিনিয়ার সঙ্গে মেসির সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ওই ম্যাচে একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে আর্জেন্টিনাকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছিলেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক। ম্যাচ শেষে দুই ফুটবলারের পারস্পরিক সম্মান ও সৌহার্দ্যও ফুটবলপ্রেমীদের নজর কাড়ে।

মজার বিষয় হলো, পুরো বিশ্বকাপ চলাকালে এই উদ্যোগ নিয়ে একবারও প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি মেসি। আর্জেন্টিনার ফাইনাল পরাজয়ের পর সাংবাদিক ইয়ানিনা লাতোরে বিষয়টি সামনে আনেন। শিরোপা হাতছাড়া হলেও, নীরবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগে আবারও ভক্তদের হৃদয় জয় করলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

অ্যাস্টন ভিলায় গেলেন আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলার!

0

আগামী মৌসুমের দল পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে আর্জেন্টাইন উইঙ্গার আলেহান্দ্রো গারনাচোকে দলে ভিড়িয়েছে অ্যাস্টন ভিলা। চেলসি থেকে ২২ বছর বয়সী এই ফুটবলারকে এক মৌসুমের জন্য ধারে নিয়েছে ভিলা। তবে চুক্তিতে পারফরম্যান্সভিত্তিক শর্ত পূরণ হলে তাকে স্থায়ীভাবে কিনে নেওয়ার বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়েছে।

গারনাচোকে দলে টানাকে নতুন মৌসুমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা হিসেবে দেখছিল অ্যাস্টন ভিলা। তার আগমনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন কোচ উনাই এমারি।
তিনি বলেন, ‘আমরা আলেহান্দ্রোকে পেয়ে খুবই আনন্দিত। সে প্রতিভাবান, প্রভাবশালী এবং ভবিষ্যতের জন্য দারুণ সম্ভাবনাময় একজন ফুটবলার।’

চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ মৌসুমে নির্দিষ্ট পারফরম্যান্স সূচক পূরণ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থায়ী চুক্তি কার্যকর হবে। সেক্ষেত্রে আগে থেকেই সম্মত হওয়া চার বছরের চুক্তিতে ভিলার খেলোয়াড় হয়ে যাবেন গারনাচো।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে ৪০ মিলিয়ন পাউন্ডে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে চেলসিতে যোগ দেন আর্জেন্টাইন এই উইঙ্গার। তবে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে প্রত্যাশা অনুযায়ী নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৩ ম্যাচে ৮ গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করেন তিনি।
সম্প্রতি অ্যাস্টন ভিলার তারকা মর্গান রজার্সকে ১১৭ মিলিয়ন পাউন্ডের রেকর্ড ট্রান্সফার ফিতে দলে ভেড়ায় চেলসি। এরপরই গারনাচোর ক্লাব ছাড়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে আগের চুক্তি অনুযায়ী, ভবিষ্যতে গারনাচোর স্থায়ী ট্রান্সফার থেকে পাওয়া অর্থের ১০ শতাংশ পাবে ইংলিশ ক্লাবটি।
ইউরোপা লিগ জয়ের পর গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে চতুর্থ হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নিশ্চিত করেছে অ্যাস্টন ভিলা। নতুন মৌসুম শুরুর আগে ১২ আগস্ট উয়েফা সুপার কাপে চ্যাম্পিয়ন্স লিগজয়ী পিএসজির মুখোমুখি হবে উনাই এমারির দল।

তবে কি আবারও বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেন-আর্জেন্টিনা!

আর্জেন্টিনা ভক্তের কাণ্ডে চমক

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিশ্বকাপ ফাইনাল পুনরায় অনুষ্ঠানের দাবি করেছে-চেঞ্জ ডট অর্গে আবেদনটি চালু করেন গিজেলা সানচেজ নামে এক সমর্থক। রোববার রাতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে স্লোভেনিয়ান রেফারি স্লাভকো ভিনচিচের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই আবেদনটি করেন সানচেজ নামের আর্জেন্টিনার এই পাঁড় ভক্ত!

সানচেজের দাবি: রেফারির কিছু সিদ্ধান্ত ম্যাচের ফলে প্রভাব পড়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট বা যাচাইকৃত কোনো প্রমাণ পেশ না করেই অনিয়মের অভিযোগ তুলে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফাকে সুষ্ঠু পর্যালোচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন সানচেজ। এরই মধ্যে প্রায় ৬০ হাজারেরও বেশী মানুষ সই করেছে এই প্রচারনায়।

মেট লাইফ স্টেডিয়ামে রবিবার রাতে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে পরপর ‍২বার বিশ্বকাপ জিতে ব্রাজিল ও ইতালির পর ৩য় দল হতে চেয়েছিল আর্জেন্টিনা। রেফারির সিদ্ধান্তগুলো পুনর্মূল্যায়নের জন্য ফিফার প্রতি আহ্বানও জানানো হয় ঐ প্রচারণায়।

আবেদনের বৈধতা:

এই আবেদনের কোনো আইনগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি নেই, যা ফিফাকে কোনো ভাবে অফিশিয়াল টুর্নামেন্টের ফল বদলাতে বাধ্য করতে পারে। ক্রীড়া বিধিমালার বিশেষ কোনো ধারা কিংবা কর্তৃপক্ষের নিজস্ব সিদ্ধান্ত ছাড়া কোনো ম্যাচ পুনরায় আয়োজনের সুযোগ নেই। যার কারণে আর্জেন্টিনার ভক্ত সমর্থকরা হয়তো শুধু মনের সান্তনা পেতে এই ধরনের উদ্দ্যেগ নিয়েছে বাস্তবতা সম্পূর্ণ আলাদা।

ব্যালন ডি’অর মঞ্চে কে উঠবেন সবার ওপরে!

ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদার লড়াই

বিশ্বকাপ জিতেছেন লামিনে ইয়ামাল-কিন্তু গোল্ডেন বলের দৌড়ে হ্যারি কেইনকে টপকে যাওয়ার মতো কি যথেষ্ট করেছেন স্পেনের এই কিশোর সুপারস্টার? তার অর্জন কি বলে? অথবা ৩৯ বছর বয়সী মেসি কি এই দৌড়ে থাকবেন তা নিয়েই পরিসংখ্যানের আলোকে দেখবো “ব্যালন ডি’অর রেসে কে এগিয়ে” ।

বাম থেকে লামিনে ইয়ামাল, এমবাপ্পে, মেসি ও হ্যারি কেইন

১৯৫৬ সাল থেকে চলে আসা ব্যালন ডি’অর ২০২০ সালে মাত্র একবার দেয়া হয়নি তাছাড়া প্রতিবারই দেয়া হয়েছে। লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর (মেসি ৮বার রোনালদো ৫বার জয়ী) দীর্ঘদিনের আধিপত্যের যুগ যেন এখন অতীতের পাতায় চলে যাচ্ছে। ফলে গত প্রায় ২০ বছরের মধ্যে ব্যালন ডি’অরের লড়াই এবারই সবচেয়ে উন্মুক্ত ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মনে হচ্ছে। এখন অসংখ্য খেলোয়াড় প্রতিটি মৌসুম শুরু করেন এই বিশ্বাস নিয়ে যে, ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কারটি জেতার সুযোগ তাদেরও রয়েছে।

চোট ও ধারাবাহিকতার অভাবে ভোগা ক্যারিয়ারের পর উসমান দেম্বেলে ২০২৫ সালে ব্যালন ডি’অরের গোল্ডেন বল জিতে আলোচনায় উঠে এসেছিলেন। ২০২৬ সালে তিনিও আছেন সম্ভাব্য বিজয়ীদের দীর্ঘ তালিকায়।

এবার ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের পারফরম্যান্স বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এবার যেহেতু বিশ্বকাপের বছর, তাই উত্তর আমেরিকায় গ্রীষ্মে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সও চূড়ান্ত ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এ ছাড়া আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের পারফরম্যান্সও বিবেচনায় নেওয়া হবে। ফলে এমন কিছু খেলোয়াড়ও থাকতে পারেন, যারা শুধু ক্লাবের হয়েই দুর্দান্ত পারফর্ম করেননি, বরং মৌসুম জুড়ে দুটি বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টেও নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন।

ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতির নাম ব্যালন ডি’অর, যার কারণে ব্যক্তিগত দুর্দান্ত মৌসুম কাটানো খেলোয়াড়কেই দেয়া হয় এই পুরস্কার। গত নয় মাস ধরে GOAL-এর ব্যালন ডি’অর পাওয়ার র‍্যাঙ্কিংয়ে ২০২৬ সালের গোল্ডেন বল জয়ের যেসব সম্ভাব্য প্রার্থীদের ওপর নজর রাখা হয়েছে। ২৬ অক্টোবর লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কে সবচেয়ে সম্ভাব্যভাবে মঞ্চের শীর্ষে উঠতে পারেন, সেই তালিকাই তুলে ধরা হলো।

ব্যালন ডি’অরের মঞ্চে কে উঠবেন সবার ওপরে!

১. হ্যারি কেইন: ইংল্যান্ড দলের নাম্বার ৯ এই খেলোয়াড় ২০২৫-২৬ মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৭৩ গোল করেছেন এবং ৮টি অ্যাসিস্ট করেছেন। ক্লাব ফুটবলে তিনি খেলেন জার্মানির বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে। তিনি এই মৌসুমে জিতেছেন বুন্দেস লিগা, ডিএফবি-পোকাল ও ডিএফএল সুপার কাপ। তাছাড়া ২০২৬ বিশ্বকাপে তিনি নিজে ৬টি গোল করেছেন ও ১টি অ্যসিস্ট করে ইংল্যান্ডকে সেমিফাইনাল তুলেছেন কিছু ম্যাচে তিনি বেশ অবদান রেখেছেন এককভাবে মোট ৭৩২ মিনিট বিশ্বকাপের মাঠে খেলেছেন। যার কারণে তিনি তালিকার নাম্বার ওয়ানে রয়েছেন তার ধারাবাহিকতার জন্য।

২. লামিনে ইয়ামাল: ইয়ামাল গত ব্যালন ডি’অর জিততে জিততে হেরে যান দেম্বেলের কাছে ২য় হয়ে। তবে এবার তার নামের জোরালো দাবি আছে তিনি নিজে বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য দলের জয়ে অবদান রেখেছেন নিজে একটি গোল করে ৬৯৭ মিনিট মাঠে খেলেছেন। চলতি মৌসুমে তিনি ২৬ গোল করেছেন আর ২১টি গোলে সহায়তা করেছেন। বিশ্বকাপের পাশাপাশি জিতেছেন বার্সার হয়ে লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ। তার বয়স ১৯ বছর তিনি যদি এবার জিতেন তাহলে ২১ বছরের কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে প্রথম ব্যালন ডি’অর জেতার কৃতিত্ব পাবেন। তবে ফুটবল বিশ্লেয়কদের মতে তাকে বড় ম্যাচে আরো বেশী গভীর অবদান রাখতে হবে। অন্যদিকে ইয়ামালের চোট সমস্যাও থাকে মাঝে মধ্যে ইনজুরিতে ভোগায়। সব কিছু পেছনে ফেলে তিনি যদি জয় লাভ করেন তাহলে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবেনা।

৩. লিওনেল মেসি: মেসিই সর্বোচ্চ ৮ বার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন তার পরেই আছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তবে এবারও মেসির নাম আলোচনায় আসবে কারণ বিশ্বকাপে তিনি আর্জেন্টিনাকে টানা ২য় বার ফাইনালে তুলেছেন, নিজে বিশ্বকাপে ৮ গোল করেছেন ৪টি গোলে সহায়তা করেছেন আবার দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এছাড়া মৌসুমে ৪৪ গোল ও ৩০টি গোলে সহায়তা করেছেন বিশ্বকাপে তিনি মোট ৮৫৩ মিনিট মাঠে ছিলেন। তাছাড়া ইন্টার মায়ামির হয়ে তিনি এমএলএস কাপ জিতেছেন। অনেকেই ভাবছিলেন মেসি অধ্যায় মনে হয় শেষ কিন্তু ৩৯ বছর বয়েসে তিনি যেভাবে বিশ্বকাপে পারফর্ম করেছেন তা সত্যিই অসাধারন। মায়ামির হয়ে ২য় বার তিনি এমএলএস ও এমভিসি পুরস্কার জেতানোর পথে। মায়ামির সর্বশেষ প্লে অফের ৬ ম্যাচে ৬ গোল ও ৭টি অ্যসিস্ট করেছেন যা তাকে অনেকটাই পুরস্কারে জন্য রেসে রেখেছে।

৪. মাইকেল ওলিসে: জার্মানির ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের ফ্রান্সের এই তারকা চলতি মৌসুমে ২৬ গোল করেছেন ও ৪১টি গোলে সহায়তা করেছেন। ওলিসে তার ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন ক্রিস্টাল প্যালেসের হয়ে তবে মিউনিখে তার ২ বছর হয়ে গেছে। ইতি মধ্যেই তিনি বুন্দেস লিগা, ডিএফবি-পোকাল ও ডিএফএল ‍সপার কাপ জিতেছেন ক্লাবের হয়ে। ২৪ বছর বয়সী ওলিসে গোল করা ও গোল করাতে বেশ পটু। চ্যাম্পিয়ন্স লীগের কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে নজর কাড়া খেলা দেখিয়ে রিয়ালের রক্ষন ভাগ নাস্তানাবুদ করে ফিরতি লেগে গোল করে দলকে জিতিয়েছিলেন। সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে তিনি ৭টি অ্যাসিস্ট করে ফ্রান্সকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তুলতে সহায়তা করেছন। তার সৃজনশীলতা ও নিখঁত পাস তাকে এই রেসে রাখার অন্যতম কারণ। 

৫. কিলিয়ান এমবাপ্পে: বাপ্পে পিএসজি থেকে রিয়াল মাদ্রিদে পাড়ি জমিয়ে চমকের পর চমক দেখিয়ে চলেছেন। ২০২২ বিশ্বকাপের মত এবারও বিশ্বকাপের গোল্ডন বুটটা নিজের করে নিয়েছেন ১০টি গোল আর ৪টি অ্যাসিস্ট করে। ফ্রান্সকে তুলেছিলেন বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। ২০২৫/২৬ মৌসুমে তিনি এখন পর্যন্ত ৫৮ গোল ও ১৪টি গোল অ্যাসিস্ট করেছেন। মোনাকোর হয়ে কিশোর বয়সে ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করা এমবাপ্পে ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ জিতলেও হবে হবে করতে করতে এখনও ব্যালন ডি’অর টা স্পর্শ করা হয়নি। ২৭ বছর বয়সী বাপ্পে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত গতির ওয়াইল্ড ফিনিশার হিসেবে বেশ খ্যাত।  বিশ্বকাপের ৭ ম্যাচে তিনি মোট ৭৬৯ মিনিট মাঠে খেলেছেন। অনেক সময় ওয়ান ম্যান আর্মি হয়ে রিয়াল মাদ্রিদকে তিনি জয়ের বন্দরে নোঙ্গর করিয়েছেন। তাই ব্যালন ডি’অরের তালিকায় তার নামটা রাখতেই হচ্ছে।

এছাড়া ব্যালন ডি’অরের লম্বা রেসে যে নামগুলো রয়েছে তার মধ্যে স্পেনের সদ্য বিশ্বকাপ জেতানো অধিনায়ক রদ্রি ও গত আসরের উসমান দেম্বেলে এবং নরওয়ের আর্লিং হালান্ডের নাম উল্লেখযোগ্য।

ব্যালন ডি’অর (Ballon d’Or) মূলত একজন ফুটবলারের এক ক্যালেন্ডার ইয়ারের সামগ্রিক ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স, দলের সাফল্যে অবদান এবং ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের ভিত্তিতে দেওয়া হয়। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স; গোল, অ্যাসিস্ট, ধারাবাহিকতা, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পারফরম্যান্স ও ম্যাচে খেলার প্রভাব, দলের সাফল্য- ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে জেতা বড় শিরোপা এবং সেই সাফল্যে খেলোয়াড়ের অবদান। ফেয়ার প্লে ও খেলোয়াড়সুলভ আচরণ- মাঠে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও স্পোর্টসম্যানশিপ সবগুলো বিবেচনা করে দেয়া হয়।

সহজভাবে বললে: একজন খেলোয়াড় অনেক গোল করলেই ব্যালন ডি’অর জিতবে-এমন নয়। তার ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স + বড় ম্যাচে প্রভাব + দলীয় ট্রফি + সামগ্রিক মৌসুম-সবকিছু বিবেচনা করা হয়।

দা হান্ড্রেডে অভিষেক হচ্ছে না মোস্তাফিজের

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে দা হান্ড্রেডে খেলার স্বপ্নটা আপাতত অধরাই থেকে গেল মোস্তাফিজুর রহমানের। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বার্মিংহাম ফিনিক্স। দলটি জানিয়েছে, চোটের কারণে মুস্তাফিজ এবারের আসরে খেলতে পারছেন না। তাঁর পরিবর্তে কে দলে যোগ দেবেন, সেটি পরে জানানো হবে।

গত ৬ জুলাই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে চোট পান মোস্তাফিজ। তখন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছিল, পুরোপুরি সুস্থ হতে তাঁর প্রায় চার সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। এরপর বার্মিংহাম ফিনিক্স আশা প্রকাশ করেছিল, নির্ধারিত সময়েই ইংল্যান্ডে গিয়ে দলের মেডিকেল স্টাফের তত্ত্বাবধানে ফিটনেস পরীক্ষা দেবেন এই পেসার।

তবে শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা আর বাস্তবায়িত হয়নি। বিসিবি ও বার্মিংহাম ফিনিক্সের মেডিকেল বিভাগের আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, দেশে থেকেই ফিটনেস পরীক্ষা দেবেন মোস্তাফিজ। বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস জানিয়েছিলেন, আগামী সোমবার সেই পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু তার আগেই মোস্তাফিজকে ছাড়া এগোনোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বার্মিংহাম ফিনিক্স। ফলে দা হান্ড্রেডে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগও হাতছাড়া হলো তাঁর।

এদিকে, সামনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। যদিও সেই সিরিজে মোস্তাফিজের খেলার সম্ভাবনা ছিল না। সাদা বলের ক্রিকেটেই নিয়মিত খেলা এই বাঁহাতি পেসার এখন চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার দিকেই মনোযোগ দিচ্ছেন।

টি-২০ বিশ্বকাপের ফরমেটে পরিবর্তন।

0

টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৮

আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৮ এর ফরমেটে পরবির্তন। ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকপে মোট ২০টি দল খেলেছিল, তবে গ্রুপ ছিল ৪টি, প্রতি গ্রুপে ৫টি করে দল খেলেছিল আর ২০২৮ বিশ্বকাপের দল সংখ্যা ২০টি ঠিক রেখে ৪টির জায়গায় ৫টি গ্রুপ করেছে, প্রতিটি গ্রুপে ৪টি করে দল খেলবে। টুর্নামেন্ট ৩টি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে যথা- ১. গ্রুপ স্টেজ ২. সুপার টেন স্টেজ ৩. নক আউট স্টেজ।

১. গ্রুপ স্টেজ: এখানে ২০ দল ৫টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে খেলবে। একটি গ্রুপের প্রতিটি দল একে অপরের বিপক্ষে খেলবে রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে। ৫টি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্স আপ ২টি করে দল চলে যাবে সুপার টেন স্টেজে।

 ২. সুপার টেন স্টেজ: সুপার টেন পর্বের ১০টি দল ২টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে খেলবে। প্রতিটি গ্রুপে ৫টি করে দল থাকবে এখানেও প্রতিটি দল একে অপরের বিপক্ষে খেলবে এবং যে দল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে সেই দল চলে যাবে সেমি ফাইনালে অর্থাৎ সুপার টেন স্টেজ থেকে দুটি দল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সরাসরি সেমিফাইনালে উঠবে।

৩. নক আউট স্টেজ: এই পর্বে ২টি সুপার টেন গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল এবং ২য় ও ৩য় স্থান অধিকারী দল খেলবে যেমন- ১ম গ্রুপের ২য় স্থান অর্জনকারী দল ২য় গ্রুপের ৩য় স্থান অর্জন কারী দলের বিপক্ষে ২য় গ্রুপের ২য় স্থান অর্জনকারী দল ১ম গ্রুপের ৩য় স্থান অর্জনকারী দলের বিপক্ষে এলিমিনেটর খেলবে এই ২টি এলিমিনেটর ম্যাচে যারা জয় লাভ করবে তারা গ্রুপ চ্যাম্পয়ন দুই দলের বিপক্ষে সেমিফাইনাল খেলবে। সেমিফাইনালে দুই বিজয়ী দলের মধ্যে ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

২০টি দল যেভাবে বিশ্বকাপে খেলবে: ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স ও টি-২০ র‌্যাঙ্কিং এর ভিত্তিতে এগিয়ে থাকা দল যেমন- আয়ারল্যান্ড, আফগানিস্তান, জিম্বাবুয়ে, বাংলাদেশে, পাকিস্তান, ইন্ডিয়া, শ্রীলংকা, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, উইন্ডিজ এবং ইংল্যান্ড এই ১২টি দল সরাসরি খেলবে অপরদিকে বাকি ৮টি দল কোয়ালিফোয়ার খেলে আসবে যেমন এশিয়া থেকে ২টি, আফ্রিকা থেকে ২টি, ইউরোপ থেকে ২টি এবং আমেরিকা থেকে ১টি এ ইস্ট এশিয়া প্যাসিফিক থেকে ১টি দল টি-২০ বিশ্বকাপে খেলবে।

টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৮ যৌথভাবে আয়োজন করবে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। নিউজিল্যান্ড এই প্রথম বারের মত টি-২০ বিশ্বকাপের আয়োজক হয়েছে অবশ্য আগে ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজক হয়েছে নিউজিল্যান্ড। ২০২৮ সালের ২১ অক্টোবর শুরু হয়ে বিশ্বকাপ শেষ হবে ১৯ নভেম্বর, ২০২৮।

বাংলাদেশ পুরুষ ও নারী দলের ইংল্যান্ড সফরের সূচি প্রকাশ

২০২৭ সালের আন্তর্জাতিক সূচি প্রকাশ করেছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। ইংলিশদের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী বছর ইংল্যান্ড সফরে যাবে বাংলাদেশ পুরুষ ও নারী ক্রিকেট দল। পুরুষ দল খেলবে একটি টেস্ট ম্যাচ, আর নারী দল অংশ নেবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে।

ইসিবির প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার একমাত্র টেস্টটি হবে আগামী বছরের ২৮ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত। ম্যাচটির ভেন্যু লন্ডনের লর্ডর্সে।

বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বশেষ ২০১০ সালে নিজেদের মাটিতে টেস্ট খেলেছিল ইংল্যান্ড। প্রায় ১৭ বছর পর আবারও ঘরের মাঠে টাইগারদের বিপক্ষে টেস্ট খেলবে ইংলিশরা। এদিকে, সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ড সফরে যাবে বাংলাদেশ নারী দল। সফরে তারা তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে।

টি-টোয়েন্টি সিরিজের ম্যাচগুলো হবে ৮, ১০ ও ১২ সেপ্টেম্বর। ভেন্যু নর্থ্যাম্পটন, টনটন ও উরচেস্টার। এরপর ১৭, ২১ ও ২৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ওয়ানডে। ম্যাচগুলোর ভেন্যু হোভ, ক্যান্টারবুরি ও চেলমসফোর্ড।

সূচি প্রকাশের পর ইসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিচার্ড গুল্ড বলেন, বাংলাদেশ পুরুষ দলকে লর্ডসে একটি টেস্ট এবং বাংলাদেশ নারী দলকে সাদা বলের সিরিজে স্বাগত জানাতে তারা উচ্ছ্বসিত। ২০১০ সালের পর এই প্রথম নিজেদের মাটিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট আয়োজন করতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড।

এশিয়ান গেমসে উত্তর কোরিয়াকে পেল বাংলাদেশ

0

এশিয়ান গেমসে উত্তর কোরিয়াকে পেল বাংলাদেশ। ‎আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর জাপানের আইচি-নাগোয়া শহরে শুরু হবে এশিয়ান গেমসের ২০তম আসর। যে আসরে দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নেবে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।

বৃহস্পতিবার নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠিত হলো এশিয়ান গেমসে নারী ফুটবল ইভেন্টের ড্র, যেখানে ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ দলের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া ও মিয়ানমার। ‎অবশ্য এর আগে এশিয়ান গেমসে মাত্র একবারই খেলেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। ২০২২ সালে চীনের হাংজুতে অনুষ্ঠিত আসরে গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচে এক ড্র ও দুই হারে বিদায় নিতে হয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।

অবশ্য এবার চ্যালেঞ্জটা আরও কঠিন। ঋতুপর্ণা চাকমা, মোসাম্মত সাগরিকাদের খেলতে হবে এশিয়ার অন্যতম দুই শক্তিশালী দল দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে। দক্ষিণ কোরিয়া এশিয়ান গেমসে দশবার অংশ নিয়ে জিতেছে তিনটি ব্রোঞ্জপদক।

উত্তর কোরিয়া এই প্রতিযোগিতার অন্যতম সফল দল-তাদের ঝুলিতে রয়েছে তিনটি সোনার পদক। গ্রুপের অন্য দল মিয়ানমারও বাংলাদেশের মতো এশিয়ান গেমসে মাত্র একবার খেলে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে। এবারের আসরে নারী ফুটবলে অংশ নেবে ১২টি দল।

টুর্নামেন্টের ড্রয়ে তাদের ভাগ করা হয়েছে তিনটি গ্রুপে। গ্রুপ এ-তে আছে স্বাগতিক জাপান, চাইনিজ তাইপে, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড। শক্তির বিচারে জাপান এগিয়ে থাকলেও বাকি তিন দলের মধ্যেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ‘সি’গ্রুপে রয়েছে চীন, ফিলিপাইন, উজবেকিস্তান ও হংকং। এই গ্রুপেও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই হতে পারে

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলকে জরিমানা

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের পঞ্চম ম্যাচে স্লো ওভাররেটের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। যে কারণে ক্যারিবিয়ানদের ম্যাচ ফির পাঁচ শতাংশ জরিমানা করেছে আইসিসি।

পঞ্চম ও শেষ ওয়ানডেতে ২ উইকেটে জিতলেও সিরিজটা ৩-২ ব্যবধানে হেরেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এমিরেটস আইসিসি ম্যাচ রেফারিদের এলিট প্যানেলের ম্যাচ রেফারি জাভাগাল শ্রীনাথ উইন্ডিজদের এই শাস্তি দেন। সময়ের ব্যাপারে দরকারি ছাড় দেওয়ার পরেও এক ওভার পিছিয়ে ছিল শাই হোপের দল।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ওভারের জন্য ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়। এই নিয়মে এক ওভার পিছিয়ে থাকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়া আইসিসির কোড অব কনডাক্টের ২.২২ ধারা অনুযায়ী, ন্যূনতম ওভার-রেট সংক্রান্ত অপরাধে নির্ধারিত সময়ে যত ওভার কম করা হবে, প্রতি ওভারের জন্য খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির পাঁচ শতাংশ করে জরিমানা করা হয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ অভিযোগ স্বীকার করে প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নেওয়ায় এ ব্যাপারে কোনো প্রকার আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি।

অন-ফিল্ড আম্পায়ার অ্যালেক্স ওয়ার্ফ ও লেসলি রেইফার, তৃতীয় আম্পায়ার আহসান রাজা এবং চতুর্থ আম্পায়ার ডেইটন বাটলার অভিযোগটি দায়ের করেন। ৫ম ওয়ানডে ম্যাচে অবশ্য ২ উইকেটে জিতেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজই। যদিও পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ৩-২ ব্যবধানে জিতেছে নিউজিল্যান্ড।