শারজায় ত্রিদেশীয় সিরিজ এর ফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে। টানা দুই ম্যাচে দাপুটে জয় পাওয়া আফগানিস্তান শিরোপার লড়াইয়ে ফেভারিট। তবে সিকান্দার রাজার নেতৃত্বাধীন জিম্বাবুয়েও সহজে ছেড়ে দেবে না। ২৩ বছর পর শারজায় বসছে কোনো ওয়ানডে টুর্নামেন্টের ফাইনাল। ২০০৩ সালের ফাইনালেও খেলেছিল জিম্বাবুয়ে, প্রতিপক্ষ ছিল পাকিস্তান।
ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আফগানিস্তান। নিজেদের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে তারা, হাতে ছিল ৮৭ বল। আফগান পেসার ইয়ামিন আহমদজাই ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই বাংলাদেশের টপ অর্ডারে ধস নামানোর পর বাকি কাজ করেন অধিনায়ক রশিদ খান। ওই ম্যাচে চার উইকেট নেওয়ার আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও চার উইকেট পেয়েছিলেন এই লেগ স্পিনার।

ব্যাটিং ভরসা ইব্রাহিম জাদরান
আফগানিস্তানের ব্যাটিংয়েও রয়েছে একাধিক ভরসার নাম। ইব্রাহিম জাদরান, সেদিকউল্লাহ আতাল, রহমত শাহ ও হাশমতউল্লাহ শহীদিরা রয়েছেন ছন্দে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আগের ম্যাচে শতক করেছিলেন আতাল। ফলে রশিদদের পাশাপাশি আফগান ব্যাটারদের সামলানোও বড় চ্যালেঞ্জ হবে জিম্বাবুয়ের জন্য।
তবে লড়াইয়ে পিছিয়ে নেই জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের বিপক্ষে দাপট দেখিয়েছে তারাও। ক্রেইগ আরভিনের ফাইনালে ফেরার সম্ভাবনা দলটির ব্যাটিংকে আরও শক্তিশালী করবে। ব্রেন্ডন টেলর ও সিকান্দার রাজাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
প্রধান অস্ত্র রশিদ খান
ফাইনালে আফগানিস্তানের প্রধান অস্ত্র রশিদ খান। দুই ম্যাচেই চারটি করে উইকেট নিয়েছেন তিনি। তাঁকে থামানোর দায়িত্ব থাকবে অভিজ্ঞ সিকান্দার রাজার কাঁধে। ওয়ানডেতে রশিদের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাতবার আউট হয়েছেন রাজা, যদিও তাঁর বিপক্ষেই সবচেয়ে বেশি বাউন্ডারিও মেরেছেন তিনি।
শারজার ছোট বাউন্ডারি ব্যাটারদের বাড়তি সুবিধা দিতে পারে। তবে আফগানিস্তানের ধারাবাহিকতা ও রশিদের দুর্দান্ত ফর্মের কারণে শিরোপার লড়াইয়ে এগিয়ে থাকবে তারাই।




