অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নেমে শুরুটা ভালো হলো না বাংলাদেশ নারী দলের। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে স্বাগতিকদের কাছে ৭ উইকেটে হেরেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। তবে এই হার থেকে শিক্ষা নিয়ে পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ। সে জন্য চাপের মুহূর্তে ধৈর্য ধরে খেলার ওপর জোর দিয়েছেন অধিনায়ক জ্যোতি।
জ্যোতির মতে, ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে হলে কঠিন পরিস্থিতিতেও মাথা ঠান্ডা রেখে পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে হবে। পরের ম্যাচে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দিকেই মনোযোগ দিচ্ছে দল। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে হলে মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে। খেলতে হবে ধৈর্য ধরে। পরের ম্যাচে কীভাবে এগুলো বাস্তবায়ন করা যায়, সেই চিন্তা করছি।’
ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতার অভাব বাংলাদেশ নারী দলের পুরোনো সমস্যা। বিশেষ করে ইনিংসের শুরুতে উইকেট হারালে ব্যাটিংয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোনো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রথম ওয়ানডেতেও সেই সমস্যায় পড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে। জ্যোতির মতে, নতুন বলে আরও সতর্ক হতে হবে ব্যাটারদের। পাওয়ার প্লেতে দ্রুত একাধিক উইকেট হারানো থেকে বেরিয়ে আসার পাশাপাশি গড়ে তুলতে হবে কার্যকর জুটি।
এ প্রসঙ্গে জ্যোতি বলেন, ‘নতুন বলে ব্যাটিং করতে আমাদের সতর্ক হতে হবে। পাওয়ার প্লেতে এতগুলো উইকেট হারানো যাবে না। জুটি গড়তে পারিনি। তাই আমরা পথ হারিয়ে ফেলেছি।’
প্রথম ম্যাচে হারলেও দলের পারফরম্যান্সে কিছু ইতিবাচক দিক দেখছেন অধিনায়ক। বিশেষ করে অভিষেক হওয়া হাবিবা পিংকির আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ও ইতিবাচক মানসিকতায় সন্তুষ্ট তিনি। বোলারদের পারফরম্যান্সেও আশার দিক খুঁজে পেয়েছেন জ্যোতি।
তিনি বলেন, ‘অনেক ইতিবাচক দিকও ছিল। (অভিষিক্ত) হাবিবা পিংকি আক্রমণাত্মক ছিল। ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে খেলেছে। যে-ই বোলিং করেছে, সঠিক জায়গায় বোলিং করেছে। পরের ম্যাচেও এই ইতিবাচক দিকগুলো ধরে রাখতে হবে।’
প্রথম ওয়ানডের হার ভুলে পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোই এখন বাংলাদেশের লক্ষ্য। সে জন্য ব্যাটিংয়ে দায়িত্বশীলতা, উইকেট ধরে রাখা এবং চাপের মধ্যে ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিকল্প দেখছেন না অধিনায়ক জ্যোতি।


