এক মৌসুম পরই ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন ওয়ানে ফিরেছে কেন্ট। ডিভিশন টুতে দ্বিতীয় হয়ে প্রমোশন নিশ্চিত করেছে দলটি। কেন্টের এই সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন বাংলাদেশের দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদ। দুজন মিলে নিয়েছেন ৪২ উইকেট।
শেষ ম্যাচের আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল কেন্টের প্রমোশন। নর্থহ্যাম্পটনশায়ারকে হারিয়ে মিডলসেক্স কেন্টের শীর্ষ দুইয়ে থাকা নিশ্চিত করে দেয়। এরপর শেষ ম্যাচে গ্লুচেস্টারশায়ারকে ৮ উইকেটে হারিয়ে জয় দিয়ে মৌসুম শেষ করে কেন্ট।
১৪ ম্যাচে ১৯৮ পয়েন্ট নিয়ে ডিভিশন টুতে দ্বিতীয় হয়েছে কেন্ট। ২৪৫ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ডারহাম।
হাসানের দুর্দান্ত শুরু
কেন্টের প্রমোশন অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলে যোগ দেন হাসান মাহমুদ। জুনে ছয়টি কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন বাংলাদেশের এই পেসার। প্রথম দুই ম্যাচেই ১২ উইকেট নিয়ে দারুণ শুরু করেন তিনি। সব মিলিয়ে চারটি চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচে হাসানের শিকার ২৬ উইকেট। ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে এক ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট নেন হাসান। তাঁর বোলিং নৈপুণ্যে ম্যাচটি ৮৪ রানে জেতে কেন্ট। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যস্ততার কারণে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি কেন্ট ছাড়েন হাসান। এর আগেই তাঁর জায়গায় দলে যোগ দেন আরেক বাংলাদেশি পেসার খালেদ আহমেদ।
শেষ চারটি কাউন্টি ম্যাচের জন্য কেন্টের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন খালেদ। খেলেছেন তিন ম্যাচ, নিয়েছেন ১৬ উইকেট। ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে কেন্টের ৭ উইকেটের জয়ে ম্যাচে ৮ উইকেট নিয়ে বড় অবদান রাখেন এই পেসার। শেষ ম্যাচে গ্লুচেস্টারশায়ারের বিপক্ষেও নিয়েছেন ৩ উইকেট।
সব মিলিয়ে কেন্টের হয়ে চ্যাম্পিয়নশিপে হাসান ও খালেদের শিকার ৪২ উইকেট। গত মৌসুমে ডিভিশন ওয়ান থেকে অবনমন হওয়া কেন্ট এক বছর পরই ফিরল ইংলিশ কাউন্টির শীর্ষ স্তরে। সেই প্রত্যাবর্তনের পথে বাংলাদেশের দুই পেসারের অবদানও তাই আলাদা করে মনে রাখবে কেন্ট।




