দুই ম্যাচ হেরে সিরিজে এমনিতেই কোণঠাসা অস্ট্রেলিয়া। এর মধ্যে শেষ ম্যাচের আগে আরও বড় ধাক্কা খেল দলটি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়া পাচ্ছে না ন্যাথান এলিস ও জোয়েল ডেভিসকে। চোটের কারণে বুধবার পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠেয় সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে থেকে ছিটকে গেছেন দুজনই।
তবে এলিসের চোটই অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ। চলতি বছর ওয়ানডেতে দলের সবচেয়ে সফল বোলার তিনি। ১০ ম্যাচে ২২ উইকেট নিয়েছেন ৩২ বছর বয়সী এই পেসার। অস্ট্রেলিয়ার আর কোনো বোলার এ বছর ওয়ানডেতে ১০ উইকেটও নিতে পারেননি।
সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে রোববার শরীরের বাঁ পাশে টান অনুভব করেন এলিস। সে কারণে চার ওভারের বেশি বোলিং করতে পারেননি তিনি। পরীক্ষায় তাঁর সাইড স্ট্রেইন ধরা পড়েছে। চোটের কারণে শেষ ওয়ানডে থেকে ছিটকে যাওয়া এলিস এখন অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যাবেন। সেখানে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শুরু হবে তাঁর পুনর্বাসনপ্রক্রিয়া।
অন্যদিকে ডেভিসের চোট হ্যামস্ট্রিংয়ে। ২৩ বছর বয়সী বাঁহাতি স্পিনারের এখনো ওয়ানডেতে অভিষেক হয়নি। সিরিজ ইতিমধ্যে হেরে যাওয়ায় শেষ ম্যাচে তাঁর অভিষেকের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু চোটের কারণে সেই সম্ভাবনাও আপাতত থেমে গেল।
এলিসকে হারানোর পর শেষ ওয়ানডের জন্য অস্ট্রেলিয়ার স্কোয়াডে থাকছেন চারজন পেসার। আগের দুই ম্যাচে না খেলা প্যাট কামিন্সকে শেষ ম্যাচে একাদশে দেখা যেতে পারে। খেললে প্রায় দুই বছর পর ওয়ানডেতে ফিরবেন অস্ট্রেলিয়ার মূল ওয়ানডে অধিনায়ক।
২০২৩ বিশ্বকাপের পর গত তিন বছরে ওয়ানডেতে মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেছেন কামিন্স। শেষ ম্যাচে তাঁর প্রত্যাবর্তন হলে প্রায় দুই বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত পেসত্রয়ীকে-প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউড-একসঙ্গে ওয়ানডেতে দেখা যেতে পারে।




