বোলোনিয়ায় তুরস্কের বিপক্ষে কঠিন লড়াইয়ের পর উয়েফা নেশনস লিগে শেষ পর্যন্ত জয়ের দেখা পেয়েছে ইতালি। দারুণ ফর্মে থাকা দলটি ৩-১ গোলে হারিয়েছে তুরস্ককে। শেষ দিকে পিও এস্পোসিতোর গোল নিশ্চিত করেছে ইতালির জয়।
এই জয়ে উয়েফা নেশনস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনাও আরও উজ্জ্বল হয়েছে ইতালির। রবার্তো মানচিনির অধীনে ধীরে ধীরে ছন্দ ফিরে পাচ্ছে ইতালি। আগের ম্যাচে ফ্রান্সের সঙ্গে প্রশংসনীয় ড্র এবং গত মাসে তুরস্কের মাঠে ৪-১ গোলের জয়ের পর এবার ঘরের মাঠেও তুরস্ককে হারিয়ে দ্রুতই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জোড়া জয় পেল ইতালি। তবে বোলোনিয়ার ম্যাচটি আগের সাক্ষাতের মতো সহজ ছিল না।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ইতালি। ১১ মিনিটে জিয়ানলুকা স্কামাক্কা প্রথম সুযোগ তৈরি করেন। তবে তাঁর শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এর কিছুক্ষণ পর তুরস্কও আক্রমণে ওঠে। দারুণ একটি থ্রু বল ধরে গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন ইরফান কাহভেচি। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলায় গোলের সুযোগটি নষ্ট হয়।
নেশনস লিগে স্কামাক্কার গোলে এগিয়ে ইতালি
২৭ মিনিটে অবশেষে এগিয়ে যায় ইতালি। আন্তোনিও ভারগারা ও জিওভানি দি লরেঞ্জোর সমন্বয়ে তৈরি আক্রমণ থেকে ভারগারার ক্রস ডিফ্লেক্ট হয়ে চলে আসে স্কামাক্কার সামনে। সুযোগ হাতছাড়া করেননি তিনি। জোরালো শটে বল পাঠিয়ে দেন ক্রসবারের নিচে, ফলে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকেরা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল তাদের হাতে। প্রায় এক ঘণ্টার মাথায় ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েছিল ইতালি। কিন্তু ইসা দুম্বিয়ার শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন তুরস্কের গোলরক্ষক উগুরচান চাখির।

সমতায় ফেরা তুরস্কের
এর চার মিনিট পরই ম্যাচে সমতা ফেরায় তুরস্ক। এরেন এলমালির গায়ে লেগে বল চলে যায় আরাল শিমশিরের সামনে। গোলমুখের একেবারে কাছে দাঁড়িয়ে থাকা শিমশির সহজ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বল জালে পাঠান। ১-১ গোলে সমতায় ফেরে তুরস্ক।
তবে সমতা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। চার মিনিট পরই আবার এগিয়ে যায় ইতালি। ডান দিক থেকে নিকোলো বারেল্লার নেওয়া ফ্রি-কিকের দিকে উঠে যান রিকার্দো কালাফিওরি। দারুণ হেডে বল তুরস্কের জালে পাঠিয়ে ইতালিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত ৮৮ মিনিটে ইতালির জয় নিশ্চিত করেন পিও এস্পোসিতো। বক্সে ইসা দুম্বিয়ার দুর্দান্ত দৌড়ের পর তাঁর শট প্রতিহত হয়ে ফিরে আসে। পরে রোমানো বলটি আবার বক্সে বাড়িয়ে দিলে সুযোগ বুঝে এগিয়ে আসেন এস্পোসিতো। নিখুঁত ফিনিশে বল জালে পাঠিয়ে ইতালির জয় নিশ্চিত করেন ইন্টার মিলানের এই ফরোয়ার্ড।




