Home Blog Page 7

এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে লক্ষ্য স্বর্ণপদক

0

জাপানে এশিয়ান গেমসের ক্রিকেটে উইকেটের ধরন নিয়ে কোনো অজুহাত দিতে চান না বাংলাদেশ পুরুষ ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। যে ধরনের উইকেটই পাওয়া যাক, সেটির সঙ্গে মানিয়ে নিয়েই খেলতে হবে বলে মনে করেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের লক্ষ্যও স্পষ্ট করেছেন সালাহউদ্দিন-স্বর্ণপদক।

জাপানের উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য খুব বেশি অনুকূল না হলেও সেটিকে খারাপ পারফরম্যান্সের কারণ হিসেবে দেখতে চান না বাংলাদেশ কোচ। তাঁর মতে, বিভিন্ন ধরনের উইকেটে খেলার জন্য ক্রিকেটারদের মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে।

এশিয়ান গেমসে সোনা জয়ের লক্ষ্য বাংলাদেশ

সালাহউদ্দিন বলেন,

ক্রিকেট খেললে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের উইকেটে খেলতে হয়। তাই প্রতিবার ভালো উইকেট পাওয়ার আশা করা ঠিক নয়। যদি ১২০ রানের উইকেট হয়, তাহলে আমাদের সেভাবেই খেলতে হবে। আর যদি ২০০ রানের উইকেট হয়, তাহলে সেটার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে সেভাবেই খেলতে হবে। ২০১০ সালে চীনের গুয়াংজুতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে পুরুষ ক্রিকেটে স্বর্ণপদক জিতেছিল বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত সেটিই এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের একমাত্র স্বর্ণপদক। এবার আইচি-নাগোয়ায় সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করতে পারলে তা বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্যও বড় অর্জন হবে বলে মনে করেন সালাহউদ্দিন।

তিনি বলেন,

২০১০ সালে নারী ক্রিকেট দল রৌপ্য জিতেছিল এবং কাবাডিতে হয়তো এক বা দুটি রৌপ্য আছে। এর বাইরে আমাদের বড় কোনো অর্জন নেই। বাংলাদেশ থেকে এবার বড় একটি দল যাচ্ছে। কিন্তু এমন ইভেন্ট খুব বেশি নেই, যেখানে আমরা আসলে পদক জিততে পারি। এ কারণেই আমরা ক্রিকেটকে খুব গুরুত্ব দিচ্ছি এবং আমরা চাই বাংলাদেশ স্বর্ণপদক জিতুক।

এশিয়ান গেমসে ক্রিকেট থেকে একটি স্বর্ণপদক বাংলাদেশের পুরো ক্রীড়া দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করেন সালাহউদ্দিন। তাই নিজেদের ইভেন্টে সর্বোচ্চ সাফল্য পাওয়ার লক্ষ্য নিয়েই জাপানে যেতে চায় বাংলাদেশ।

সালাহউদ্দিনের কাছে উইকেট কিংবা পরিবেশ নয়, সাফল্যের মূল চাবিকাঠি মানিয়ে নেওয়া। জাপানে যে পরিস্থিতিই সামনে আসুক, সেটিকে গ্রহণ করেই স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে নামতে চায় বাংলাদেশ।

এশিয়ান গেমসে থাকা-খাওয়া নিয়ে ভাবছেন না সালাউদ্দিন

0

আসন্ন এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুরুষ ও নারী ক্রিকেট দল। এবারের আসরে আবাসনসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশ গুলোর মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ থাকলেও বাংলাদেশ তা নিয়ে ভাবছে না। কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন মনে করেন, অন্য অ্যাথলেটরা যে সুযোগ-সুবিধা পাবেন, ক্রিকেটারদের জন্যও সেটিই যথেষ্ট।

জাপানের আইচি-নাগোয়ায় এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট আয়োজনের সুযোগ-সুবিধা ও আবাসন নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। তবে এসব নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন সালাউদ্দিন। ক্রিকেট ভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজকে বাংলাদেশ দলের এই কোচ বলেছেন, ‘আবাসন নিয়ে আমার কোনো উদ্বেগ নেই। গেমস ও এশিয়ান গেমস ভিলেজে অন্যান্য অ্যাথলেটরা যে সুবিধা পাবেন, আমরাও সেটাই পাব। ক্রিকেট দল হিসেবে আমাদের আলাদা থাকতে হবে, এমনটা আমরা ভাবছি না। আমরা নিজেদের অ্যাথলেট হিসেবেই ভাবি। তারা আমাদের রাস্তায় ফেলে রাখবে না। থাকার জায়গা ও খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। তাই এটা নিয়ে আমরা খুব বেশি চিন্তিত নই।

এবারের প্রতিযোগিতা নকআউট পদ্ধতিতে হওয়ায় শুরু থেকেই সতর্ক থাকতে চান সালাউদ্দিন। এরই মধ্যে আগামীকাল থেকে প্রস্তুতি শুরু করার কথা জানিয়েছেন তিনি। দলের কয়েকজন ক্রিকেটার বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ ‘এ’ দলের সঙ্গে রয়েছেন। ব্যস্ত সূচির মধ্যে তাঁদের ফিটনেসের দিকেও নজর রাখতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

সালাউদ্দিন বলেন,

আমরা আগামীকাল (১৩ সেপ্টেম্বর) থেকে প্রস্তুতি শুরু করব। বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় দক্ষিণ আফ্রিকায় (বাংলাদেশ ‘এ’ দলের সঙ্গে) আছে। সামনে আমাদের অনেক ব্যস্ত সফর, তাই তাদের সামগ্রিক ফিটনেসের দিকেও নজর রাখতে হবে।

এশিয়ান গেমস সামনে রেখে মানসিক প্রস্তুতিতে বাংলাদেশ

ফিটনেসের পাশাপাশি ক্রিকেটারদের মানসিক প্রস্তুতিকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশ কোচ। তিনি বলেন, ‘আমাদের তাদের মানসিক অবস্থারও যত্ন নিতে হবে। এর আগে আমরা ভিন্ন একটি ফরম্যাটে খেলেছি। তাই যত দ্রুত সম্ভব এই ফরম্যাটের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ওপর আমরা গুরুত্ব দেব। আবাসন নিয়ে ভাবার চেয়ে আমার মূল চিন্তা হলো, ছেলেরা কীভাবে টুর্নামেন্টে ভালো খেলতে পারে এবং কত দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে। কারণ এটি একটি নকআউট প্রতিযোগিতা।

নকআউট ও টি-টোয়েন্টি-দুই কারণেই প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই বলে মনে করেন সালাউদ্দিন। বিশেষ করে অ্যাসোসিয়েট দলগুলোর এই ফরম্যাটে অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

সালাউদ্দিনের ভাষায়, নকআউট টুর্নামেন্ট এবং টি-টোয়েন্টিতে যেকোনো দলই জিততে পারে। অন্য দলগুলোকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। আমার মনে হয়, অ্যাসোসিয়েট সদস্যদের বেশিরভাগ দলই এই ফরম্যাটে বেশি খেলে। ফলে এই জায়গায় তাদের কিছুটা সুবিধা রয়েছে। আমাদের প্রায়ই এক ফরম্যাট থেকে অন্য ফরম্যাটে দ্রুত মানিয়ে নিতে হয়। তাই টি-টোয়েন্টিতে কাউকেই হালকাভাবে নেওয়া যাবে না।’

এশিয়ান গেমসে প্রতিটি ম্যাচকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে খেলতে চান বাংলাদেশ কোচ। তাঁর লক্ষ্য একটাই-প্রতিটি ম্যাচ জিতে নকআউটের পরের ধাপে যাওয়া। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ম্যাচ গুরুত্ব দিয়ে খেলতে হবে এবং প্রতিটি ম্যাচ জেতার লক্ষ্যেই খেলতে হবে।

এশিয়া কাপে ব্যর্থতা পর্যবেক্ষণ করছে বিসিবি

0

সাম্প্রতিক বছর গুলোতে আইসিসির টুর্নামেন্টে এক-দুটি ম্যাচ জয় ছাড়া বলার মতো সাফল্য নেই বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের। সর্বশেষ এশিয়া কাপেও ব্যাটিংয়ে দলের দুর্বলতা স্পষ্ট হয়েছে। ব্যাটারদের ধারাবাহিক ব্যর্থতার পাশাপাশি অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির ব্যাটেও রানখরা চলছে।

এশিয়ান গেমসের পর নারী ক্রিকেট দলে বড় ধরনের পরিবর্তনের কথা ভাবছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পাশাপাশি পর্যবেক্ষণে রয়েছে জ্যোতির অধিনায়কত্বও। বিসিবির নারী বিভাগের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু জানিয়েছেন, এশিয়া কাপের পারফরম্যান্স ও দলের বিভিন্ন বিষয় তাঁরা খতিয়ে দেখছেন।

রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, আমরা এটি পর্যবেক্ষণ করছি। কারণ সদ্যই এশিয়া কাপ শেষ হলো। সেখান থেকে ওরা সরাসরি এশিয়ান গেমসে খেলতে যাবে। আমি এখন এমন কথা বলতে চাচ্ছি না। যেহেতু দল আগেই নির্বাচিত হয়েছে, অধিনায়কও নির্ধারিত। আরও দেড়-দুই মাস আগে দল পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সামনে এশিয়ান গেমস থাকায় আপাতত সেই প্রতিযোগিতাতেই মনোযোগ বিসিবির। নারী বিভাগের এই চেয়ারম্যান বলেন,

এখন এই দলটাই খেলতে হবে। আমরা আশা করছি, ওখানে গিয়ে তারা ভালো খেলবে। যে ভুলগুলো করেছে, সেগুলো শুধরে দেশের সুনাম বয়ে আনবে। এই মুহূর্তে যেগুলো শোনা যাচ্ছে, সেগুলো আমরাও শুনেছি, পর্যবেক্ষণ করছি। তবে টুর্নামেন্টের পর ইনশাআল্লাহ আমরা এগুলো নিয়ে আলোচনা করব।

এশিয়া শেষে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড সফর নিয়ে ভাবনা

এশিয়ান গেমসের পর অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফর রয়েছে বাংলাদেশ নারী দলের। সেই সফর গুলোর আগে দলে বেশ কিছু পরিবর্তন আনার সুযোগ দেখছেন রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, যেহেতু ইতোমধ্যে দল ঘোষণা করা হয়েছে, দেখি এশিয়ান গেমসে তারা কেমন খেলে। আমরা আশা করছি ভালো খেলবে। তারপরে আমরা সিদ্ধান্ত নেব আসলে কী করা যায়। এরপর আমাদের অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফর আছে, অনেক কিছুই করার আছে আমাদের।

অধিনায়ক জ্যোতিসহ অফফর্মে থাকা ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎও এশিয়ান গেমসে দলের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন বিসিবির এই পরিচালক। এ নিয়ে তিনি বলেন,

আমাদের বোর্ড সভাপতির সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন, এশিয়ান গেমসের নাম অনেক আগেই দিতে হয়। আমরা যদি দেখি ওখানে ভালো পারফর্ম করে, সবকিছু ঠিকঠাক থাকে, তাহলে একরকম। আর আমাদের কাছে যে অভিযোগগুলো এসেছে, সেগুলো ইনশাআল্লাহ আমরা খতিয়ে দেখব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এশিয়ান গেমসের আগে দল শক্তিশালী করার লক্ষ্য

এশিয়ান গেমসে ভালো করলে জ্যোতির অধিনায়কত্ব বহাল থাকবে কি না-এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের অনেক সমস্যা আছে। আমরা বড় বড় দেশকে তো পরাজিত করতে পারিনি। বিশ্বকাপেও কিন্তু আমরা অনেক ভালো খেলেছি। তারপরও সামান্য ভুলের জন্য পরাজিত হতে হয়েছে। সে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি-কীভাবে দলটাকে আরও সুন্দর ও শক্তিশালী করা যায়।

এশিয়ান গেমস শেষ নবীরণের

0

১৯ সেপ্টেম্বর জাপানের আইচি-নাগোয়ায় শুরু হবে এশিয়ান গেমসের ২০তম আসর। তবে ফুটবলের লড়াই শুরু হচ্ছে তার আগেই। আগামীকাল প্রথম ম্যাচে উত্তর কোরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। সেই ম্যাচের আগেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। চোটের কারণে এশিয়ান গেমস থেকে ছিটকে গেছেন দলের ডিফেন্ডার নবীরণ খাতুন।

দলীয় সূত্র জানিয়েছে, ৭ সেপ্টেম্বর চায়নিজ উইমেন্স সুপার লিগের দল গুয়াংডং এফসির বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে হাঁটুতে গুরুতর চোট পান নবীরণ। সেই চোটের কারণে তাঁকে আর এশিয়ান গেমসে পাওয়া যাচ্ছে না।

২০২২ থেকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলে খেলেছেন নবীরণ। এরপর জাতীয় দলে জায়গা করে নেন এই সেন্টারব্যাক। গত বছরের মার্চে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয় তাঁর। এরপর ধীরে ধীরে জাতীয় দলের রক্ষণ ভাগের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে ওঠেন নবীরণ।

নবীরণের চোটে রক্ষণ ভাগের পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে হচ্ছে কোচ পিটার বাটলারকে। দলে থাকা অন্য চার সেন্টারব্যাক হলেন শিউলি আজিম, আফঈদা খন্দকার, কোহাতি কিসকু ও অর্পিতা বিশ্বাস। তাঁদের মধ্যে কোহাতি ও আফঈদাকে আগামীকাল উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে শুরুর একাদশে দেখা যেতে পারে।

দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়ান গেমসে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। ২০২২ সালের আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল তারা। এবারও কঠিন গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশ। গ্রুপে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আছে দক্ষিণ কোরিয়া ও মিয়ানমার।

আগামীকাল উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের এশিয়ান গেমস অভিযান। এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কোরিয়া এবং ২১ সেপ্টেম্বর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মিয়ানমারের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। তিনটি ম্যাচই শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা একটায়

দক্ষিণ আফ্রিকায় সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

0

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে হয়েছিল মাত্র ১১ ওভার। দ্বিতীয় ম্যাচটি বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ায় তিন ম্যাচের সিরিজে শেষ ম্যাচটিই হয়ে উঠেছিল অঘোষিত ফাইনাল। সেই ম্যাচে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।

রান তাড়ায় শুরুটা দুর্দান্ত বাংলাদেশ

প্রথমে ব্যাট করে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দল ১৮২ রানে অলআউট হয়। জবাবে ১৮৩ রানের লক্ষ্য বাংলাদেশ ‘এ’ দল পেরিয়ে যায় ৫ উইকেট হারিয়ে। রান তাড়ায় শুরুটা দুর্দান্ত করে বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতেই আসে ৯২ রান। দুই ওপেনারই তুলে নেন ফিফটি। সাইফ হাসান ৫৩ বলে ৬১ রান করেন। মোহাম্মদ নাঈম শেখ ৭৭ বলে করেন ৬০ রান।

এরপর পারভেজ হোসেন ইমন ১৭, নুরুল হাসান সোহান ১৬ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৩ রান করে আউট হন। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো বিপদ হতে দেননি আফিফ হোসেন ও রিশাদ হোসেন। আফিফ ৬ ও রিশাদ ৫ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের চাপে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশেষ করে আলিস আল ইসলাম ও রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণিতে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় স্বাগতিকেরা।

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম সারির ব্যাটারদের মধ্যে রিভালদো মুনসামি ১, সিনেথেম্বা ৫, ম্যাথিউ ডি ভিলিয়ার্স ০, মিহলাই ৪ ও ডিয়ান ফরেস্টার ৬ রান করে ফেরেন। এরপর মার্কুয়েস অ্যাকেরম্যান ও ইমরান মানাক কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। অ্যাকেরম্যান ফিফটি করে থামেন ৫৪ রানে। শেষ দিকে ইমরান মানাক করেন ৪৩ রান। এ ছাড়া কাইল সিমন্ডস ১৫, মারেকি ৯ ও ওকুহলে চেলে ৪ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ১৮২ রানে থামে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল রিশাদ হোসেন। ৪৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তিনি। আলিস আল ইসলাম ৩৫ রানে নেন ৩ উইকেট। এ ছাড়া একটি করে উইকেট পেয়েছেন আরও তিন বাংলাদেশি বোলার।

শেষ ম্যাচে দাপুটে জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ নিজেদের করে নিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল।

মেসি গোল করলেও পয়েন্ট ভাগাভাগি মায়ামির

0

মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ইস্টার্ন কনফারেন্সের শীর্ষ দল ন্যাশভিলের বিপক্ষে নাটকীয় এক ম্যাচে ২-২ গোলে ড্র করেছে ইন্টার মায়ামি। শনিবার রাতের এই উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি মৌসুমের তার ১৯তম গোলটি করলেও দলকে জয় এনে দিতে পারেননি। যোগ করা সময়ের শেষ মুহূর্তে গোল হজম করায় পয়েন্ট ভাগাভাগি করে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে ইন্টার মায়ামিকে।

ম্যাচ শুরুর চতুর্থ মিনিটেই ধাক্কা খায় মায়ামি। অ্যান্ডি নাজারের দারুণ এক পাস থেকে গোল করে ন্যাশভিলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ফরোয়ার্ড স্যাম সারিজ। এটি ছিল এই মৌসুমে সারিজের ১৪তম গোল। তবে প্রাথমিক বিপর্যয় সামলে উঠে দ্রুতই খেলায় ফেরে ইন্টার মায়ামি। ম্যাচের ১৯তম মিনিটে কর্নার কিক থেকে গোল পরিশোধ করে তারা। ন্যাশভিলের ডিফেন্ডার রিড বাকের-হোয়াইটিং নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দিলে আত্মঘাতী গোলের সুবাদে ১-১ সমতায় ফেরে মায়ামি।

প্রথমার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল মায়ামি। ২৭তম মিনিটে ডিবক্সের বাইরে থেকে মেসির নেওয়া একটি শট ন্যাশভিলের ডিফেন্সে বাধা পায়। এর কিছুক্ষণ পর একটি ফ্রি-কিক পেলেও লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন মেসি।

দ্বিতমার্ধে এসে অবশেষে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পান আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা। ৬২তম মিনিটে রদ্রিগো দি পলের বাড়ানো পাস থেকে ডিবক্সের বাইর থেকে বাম পায়ের অসাধারণ এক শটে বল জালে পাঠান মেসি। বলটি ন্যাশভিলের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে শেষ পর্যন্ত নিচু হয়ে বাম কোণ দিয়ে জালে প্রবেশ করে। চলতি মৌসুমে এটি ছিল মেসির এমএলএস লিগ-সেরা ১৯তম গোল।

মেসি গোল করলেও পয়েন্ট ভাগাভাগি মায়ামির
বল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন মেসি

এই গোলের মাধ্যমে মায়ামি এ মৌসুমে ন্যাশভিলের বিপক্ষে প্রথম জয়ের সুবাস পাচ্ছিল। কিন্তু ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটেই ছন্দপতন ঘটে। স্যাম সারিজ নিজের এবং দলের দ্বিতীয় গোলটি করে ম্যাচ ২-২ সমতায় ফেরান।

এই ড্রয়ের ফলে চলতি মৌসুমে মায়ামির বিপক্ষে চার দেখার প্রতিটিতেই অপরাজিত থাকার রেকর্ড বজায় রাখল ন্যাশভিল। একই সঙ্গে ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইন্টার মায়ামির চেয়ে ৯ পয়েন্টের ব্যবধান রেখে শীর্ষে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে ন্যাশভিল। এর আগে গত ১৫ আগস্টের দেখায় মায়ামিকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল তারা এবং চলতি বছরের শুরুতে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপ থেকেও মায়ামিকে বিদায় করেছিল এই দলটি।

সামনে দুটি দলেরই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ রয়েছে। আগামী শনিবার ঘরের মাঠে শিকাগো ফায়ারের আতিথেয়তা নেবে ন্যাশভিল। অন্যদিকে, আগামী বুধবারে চ্যাম্পিয়ন্স কাপ বা কোম্পেয়ানেস কাপের ম্যাচে মেক্সিকান লিগা এমএক্সের ক্লাব ক্রুজ আসুলের মুখোমুখি হবে ইন্টার মায়ামি।

সান্ডারল্যান্ডের দুর্গে আর্সেনালের নিখুঁত জয়

0

প্রিমিয়ার লিগের নতুন মৌসুমে যেন থামার কোনো নামই নেই আর্সেনাল এর। কঠিন প্রতিপক্ষ, কঠিন পরিবেশ-কোনোটিই থামাতে পারছে না বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। সান্ডারল্যান্ডের মাঠে শুরুতে গোলের দেখা না পেলেও দ্বিতীয়ার্ধে নাটকীয়তায় ভরা ম্যাচে ২-০ গোলের জয় নিয়ে ফিরেছে মিকেল আর্তেতার দল। এই জয়ে লিগে টানা চার ম্যাচে পেয়েছে চতুর্থ জয়। ভান্ডারে জমা হয়েছে পুরো ১২ পয়েন্ট।

স্টেডিয়াম অব লাইটে প্রথমার্ধটা ছিল আর্সেনালের নিয়ন্ত্রণে, কিন্তু সেই নিয়ন্ত্রণ থেকে গোল বের করে আনতে পারছিল না তারা। কাই হাভার্টজ দুটি ভালো সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি। অন্যদিকে সান্ডারল্যান্ডও গ্রানিত জাকার ফ্রি-কিক থেকে ড্যান বলার্ডের হেডসহ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেছিল। ফলে বিরতিতে গোলশূন্য সমতা।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যেতে পারত। ৫৬ মিনিটে এজরি কনসার ড্যান বলার্ডকে নিজেদের বক্সে ফেলে দিলে পেনাল্টি পায় সান্ডারল্যান্ড। স্পটকিকে এনজো লে ফে-কে গোল করতে দেননি আর্সেনালের গোলরক্ষক ডেভিড রায়া। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে তাঁর শট ঠেকিয়ে দেন রায়া, বল লাগে পোস্টেও।

গিমারায়েসের গোল-জাদুতে উচ্ছ্বসিত আর্সেনাল সমর্থকরা

আর সেই মুহূর্তের মাত্র ১২১ সেকেন্ড পরেই আর্সেনালের স্বস্তি। বিরতির পর বদলি হিসেবে নামা ব্রুনো গিমারায়েস ২৫ গজ দূর থেকে এমন এক দুর্দান্ত শট নেন, যা বাঁক খেয়ে সোজা চলে যায় ওপরের কোণে। বল ক্রসবারের নিচের অংশে লেগে জালে ঢোকে। সান্ডারল্যান্ড সমর্থকদের দুয়োর জবাবও যেন গোল দিয়েই দিলেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার। এটি আর্সেনালের হয়ে তাঁর প্রথম গোল।

গোল হজমের পরও হাল ছাড়েনি সান্ডারল্যান্ড। সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে স্বাগতিকরা। নর্দি মুকিয়েলে সুযোগ পেয়েছেন, কয়েকবার আর্সেনালের রক্ষণেও চাপ তৈরি হয়েছে। তবে রায়া ছিলেন অটল। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তাঁর একাধিক সেভ আর্সেনালকে এগিয়ে রাখে।

সান্ডারল্যান্ডের দুর্গে আর্সেনালের নিখুঁত জয়
গোলের পর বুকায়ো সাকা

শেষ বাঁশির আগে নাটক আরও বাকি ছিল। যোগ করা সময়ের শেষ দিকে সান্ডারল্যান্ডের রেইনিলদো মান্দাভা দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। এরপর আর্সেনাল পায় পেনাল্টি। স্পটকিকে কোনো ভুল করেননি বুকায়ো সাকা। যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটে তাঁর গোলেই ২-০ জয় নিশ্চিত হয় আর্সেনালের।

সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে জয়টি তাই শুধু আরেকটি তিন পয়েন্ট নয়, আর্সেনালের দৃঢ়তারও পরীক্ষা ছিল। প্রতিপক্ষের মাঠে তারা গোলের জন্য অপেক্ষা করেছে, পেনাল্টির ধাক্কা সামলেছে, এরপর সুযোগ পেয়ে ম্যাচ নিজেদের করে নিয়েছে। এই জয়ে প্রিমিয়ার লিগে টানা ৯ ম্যাচে জয়ের ধারাও ধরে রাখল আর্সেনাল। চলতি মৌসুমে প্রথম চার ম্যাচের প্রতিটিতেই জয়-১২ পয়েন্ট নিয়ে তারা উঠে গেছে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে।

আর্তেতার দলের জন্য সবচেয়ে স্বস্তির জায়গা রক্ষণও। সান্ডারল্যান্ডের মাঠে গোল না খেয়ে ফিরে আসা এবং রায়ার পেনাল্টি ঠেকানো দেখিয়ে দিয়েছে, শুধু আক্রমণ নয়-কঠিন মুহূর্ত সামলানোর ক্ষমতাও এবার আর্সেনালের শক্তি। আর গিমারায়েসের আগমন যেন সেই শক্তির সঙ্গে যোগ করেছে আরও একটি অস্ত্র।

সাবালেঙ্কাকে হারিয়ে ইউএস ওপেনের নতুন রানী রিবাকিনা

0

ইউএস ওপেনে এত দিন যেন ভাগ্যই মুখ ফিরিয়ে রেখেছিল ইলিনা রিবাকিনার কাছ থেকে। নিউইয়র্কে এর আগে কখনো শেষ ষোলো পেরোতে পারেননি। এবারও আসর শুরুর আগে গোড়ালির চোট তাঁকে এমন অনিশ্চয়তায় ফেলেছিল যে, আদৌ ইউএস ওপেনে খেলতে পারবেন কি না, সেটিই ছিল প্রশ্ন। সেই রিবাকিনাই এখন নিউইয়র্কের নতুন রানী। শুধু ইউএস ওপেনের ট্রফিই নয়, একই রাতে নিশ্চিত করলেন বিশ্ব টেনিসের এক নম্বর সিংহাসনও।

শনিবারের ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আরিনা সাবালেঙ্কাকে ৬-৪, ৫-৭, ৬-২ গেমে হারিয়ে প্রথমবার ইউএস ওপেনের শিরোপা জিতেছেন কাজাখস্তানের রিবাকিনা। এটি তাঁর ক্যারিয়ারের তৃতীয় গ্র্যান্ড স্ল্যাম এবং ২০২৬ সালে দ্বিতীয়। বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জেতার পর এবার ইউএস ওপেনও উঠল তাঁর হাতে। ২০২২ সালে উইম্বলডন জেতা রিবাকিনা এখন ক্যারিয়ার গ্র্যান্ড স্ল্যাম পূর্ণ করা থেকে মাত্র ফ্রেঞ্চ ওপেন দূরে।

ফাইনালে পার্থক্য গড়ে দিয়েছে দুই খেলোয়াড়ের মানসিক দৃঢ়তা। রিবাকিনা ছিলেন বরফের মতো শান্ত, সাবালেঙ্কা বরাবরের মতোই আবেগপ্রবণ। প্রথম সেটে নিজের শক্তিশালী প্রথম সার্ভ পুরোপুরি কাজে লাগাতে না পারলেও রিটার্নে দুর্দান্ত ছিলেন রিবাকিনা। সাবালেঙ্কার ওপর ক্রমেই চাপ বাড়িয়ে ৬-৪-এ সেটটি জিতে নেন তিনি।

দ্বিতীয় সেটে অবশ্য ঘুরে দাঁড়ান সাবালেঙ্কা। রিবাকিনার ছন্দ কিছুটা কমে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে ১২তম গেমে তাঁর দ্বিতীয় সার্ভে আক্রমণ চালিয়ে ৭-৫ ব্যবধানে সেট জিতে ম্যাচে সমতা ফেরান বেলারুশের তারকা। কিন্তু নির্ণায়ক সেটে আবারও ফিরে আসে তাঁর ভুল ও অস্থিরতা। রিবাকিনার গভীর রিটার্ন সাবালেঙ্কাকে বেসলাইনে আটকে রাখে। ২-১ ব্যবধানে ব্রেক নেওয়ার পর আর পেছনে তাকাননি তিনি।

সাবালেঙ্কাকে হারিয়ে ইউএস ওপেনের নতুন রানী রিবাকিনা
নতুন চ্যাম্পিয়ন রিবাকিনা

চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্টে অবশ্য একবার ডাবল ফল্ট করে সামান্য স্নায়ুচাপের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন রিবাকিনা। পরের পয়েন্টেই দুর্দান্ত এক এস মেরে সব সংশয় মুছে দেন তিনি। ৬-২ ব্যবধানে সেট জিতে নিশ্চিত করেন ইতিহাস।

রিবাকিনার ইউএস ওপেন জয়ের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন

চোটের শঙ্কা থেকে ইউএস ওপেন জয়-রিবাকিনার পথটা তাই নিছক একটি শিরোপার গল্প নয়। সিনসিনাটি ওপেনে গোড়ালির চোটে কয়েক দিন হাঁটতেই পারেননি তিনি। নিউইয়র্কে এসে প্রথম চার ম্যাচ জিতেছেন দাপটে। এরপর ঝেং কিনওয়েন ও কোকো গফের বিপক্ষে প্রথম সেট হেরেও ঘুরে দাঁড়িয়ে দেখিয়েছেন লড়াই করার সামর্থ্য।

আর ফাইনালে সাবালেঙ্কাকে হারিয়ে প্রমাণ করলেন-২০২৬ সালে নারী টেনিসের সবচেয়ে ধারাবাহিক খেলোয়াড় তিনিই। এই জয়ে সাবালেঙ্কার নিউইয়র্কে টানা ২০ ম্যাচের জয়যাত্রাও থেমে গেল।

শিরোপা জয়ের পর বললেন রিবাকিনা, ‘কিছু জাদু ঘটছে। চোটের কারণে দুর্ভাগ্যজনক সময় গেছে, তাই প্রতিদিনকে আলাদা করে নিয়েছি। আমরা জানতামই না কী হবে। আমি ভীষণ খুশি, এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না।’

অন্যদিকে সাবালেঙ্কার জন্য এটি আরেকটি বড় হতাশা। তৃতীয় টানা ইউএস ওপেন জয়ের স্বপ্ন ভেঙেছে, একই সঙ্গে বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানও হারিয়েছেন তিনি। গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনালে এটি তাঁর নবম উপস্থিতি এবং পঞ্চম হার।

রায়োকে উড়িয়ে জয়ে ফিরল রিয়াল

0

লা লিগায় গত সপ্তাহে হঠাৎ হোঁচট খেয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। রিয়াল বেতিসের কাছে হারের পর প্রশ্ন উঠেছিল দলটির ছন্দ নিয়েই। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগায় ইন্টার মিলানের বিপক্ষে জয়ের পর শনিবার রাতে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে যেন সব সংশয়কে গোলের বন্যায় ধুয়ে দিল হোসে মরিনহোর দল। আর সেই জয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে যথারীতি কিলিয়ান এমবাপ্পে।

ফরাসি তারকার জোড়া গোলে রায়ো ভায়েকানোকে ৪-১ গোলে হারিয়ে লা লিগায় জয়ের ধারায় ফিরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। এমবাপ্পে নিজে করেছেন দুটি গোল, সতীর্থ আলভারো কারেরাসের গোলেও রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। জুড বেলিংহামের গোলটি রিয়ালের জয়কে আরও বড় করেছে। রায়োর হয়ে ব্যবধান কমিয়েছিলেন সার্জিও কামেয়ো।

ম্যাচের শুরু থেকেই রিয়ালের আক্রমণ ছিল ধারালো। ১৪ মিনিটেই গোলের দরজা খুলে দেন এমবাপ্পে। রিয়ালের আলভারো কারেরাসকে ফ্লোরিয়ান লেজ্যুনে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকেরা। স্পটকিক থেকে এমবাপ্পের ঠান্ডা মাথার শটে এগিয়ে যায় রিয়াল।

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই রিয়াল ব্যবধান বাড়িয়ে নেয়। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সঙ্গে সমন্বয়ের পর জুড বেলিংহাম নিখুঁত ফিনিশিংয়ে করেন ৩-০। ম্যাচ তখন রিয়ালের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে। একের পর এক আক্রমণে রায়োর রক্ষণকে ব্যস্ত রেখেছে তারা। এমনকি বিরতির ঠিক আগে এমবাপ্পের একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বদলে যায় ম্যাচের চেহারা। রায়ো আক্রমণে ওঠে এবং রিয়ালের ওপর চাপ তৈরি করতে থাকে। ৫১ মিনিটে সেই চাপেরই ফল-সার্জিও কামেয়োর গোলে ব্যবধান কমে আসে ৩-১। হঠাৎ করেই ম্যাচে উত্তেজনা ফিরে আসে। রিয়ালের রক্ষণে কিছুটা অস্থিরতা দেখা দেয়, আর মরিনহোর মুখেও তখন স্বস্তির চেয়ে উদ্বেগই বেশি।

রায়োকে উড়িয়ে জয়ে ফিরল রিয়াল
দলের হয়ে তৃতীয় গোল করেন বেলিংহাম

রায়ো এরপর আরও সুযোগ তৈরি করে। গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে রিয়ালকে বিপদ থেকে বাঁচান। অন্যদিকে রায়োর গোলরক্ষকও দুর্দান্ত কয়েকটি সেভ করে স্বাগতিকদের চতুর্থ গোল আটকে রাখেন। ফলে শেষ দিকে ম্যাচটি একসময় ৩-১ ব্যবধানেই ঝুলে ছিল।

মবাপ্পের শেষ আঘাতে রায়োর প্রতিরোধ ভাঙল রিয়াল

শেষ পর্যন্ত অবশ্য রিয়ালের জয় নিশ্চিত করেন সেই এমবাপ্পেই। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে আরদা গুলেরের কাছ থেকে বল পেয়ে প্রথম স্পর্শেই নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান ফরাসি ফরোয়ার্ড। রায়োর শেষ প্রতিরোধটুকুও সেখানেই শেষ হয়ে যায়। ৪-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল।

এই ম্যাচটি এমবাপ্পের জন্য ছিল ব্যক্তিগত ভাবেও বিশেষ। চলতি মৌসুমে ছয় ম্যাচে তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাতটিতে। লা লিগায়ও ছয় গোল নিয়ে তিনি এখন গোলদাতাদের তালিকার শীর্ষে। অর্থাৎ মৌসুমের শুরুতেই গোলের দৌড়ে বাকিদের পেছনে ফেলতে শুরু করেছেন ফরাসি অধিনায়ক।

রিয়ালে যোগ দেওয়ার পর লা লিগায় এক ম্যাচে একাধিক গোল করার ক্ষেত্রেও এমবাপ্পে নিজের আধিপত্য আরও বাড়িয়েছেন। রায়োর বিপক্ষে জোড়া গোলটি ছিল স্প্যানিশ লিগে রিয়ালের হয়ে তাঁর ১৫তম বহু-গোলের ম্যাচ। এই তালিকায় তাঁর সবচেয়ে কাছের প্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার রাফিনিয়া, যার এমন ম্যাচ ১১টি।

এমবাপ্পের দুর্দান্ত ফর্মের সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে ব্যালন ডি’অর নিয়ে তাঁর আত্মবিশ্বাসও। পুরস্কার ঘোষণার আগে তিনি প্রকাশ্যেই নিজের দাবির কথা জানিয়েছেন-গত মৌসুমে তাঁর চেয়ে ভালো পারফরম্যান্স আর কোনো খেলোয়াড় করতে পারেননি বলে মনে করেন তিনি। রায়োর বিপক্ষে দুই গোল যেন সেই দাবির পক্ষে মাঠ থেকেই আরেকটি যুক্তি হয়ে এল।

টিভিতে আজকের খেলা – ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

0

টিভিতে আজকের খেলা – ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । ইউএস ওপেনের পুরুষ এককের ফাইনাল আজ, মুখোমুখি আলেকসান্দার জভেরেভ ও বেন শেলটন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আজ ম্যানচেস্টার ডার্বি।

ইউএস ওপেন: পুরুষ ফাইনাল
জভেরেভ–শেলটন
রাত ১২টা, স্টার স্পোর্টস ১ ও ২

ক্রিকেট
১ম টি–টুয়েন্টি

ভারত–আফগানিস্তান
রাত ৮টা, সনি স্পোর্টস ৫

নারী এশিয়া কাপ: ফাইনাল
ভারত–শ্রীলঙ্কা
রাত ৮–৩০ মি., টি স্পোর্টস

ফুটবল
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ

কভেন্ট্রি–ব্রাইটন
সন্ধ্যা ৭টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড–ম্যানচেস্টার সিটি
রাত ৯–৩০ মি., স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১

লা লিগা
সেল্তা–মালাগা
সন্ধ্যা ৬টা, টি স্পোর্টস/ট্যাপম্যাড

লেভান্তে–বার্সেলোনা
রাত ৮–১৫ মি., টি স্পোর্টস/ট্যাপম্যাড

সোসিয়েদাদ–আতলেতিকো
রাত ১টা, টি স্পোর্টস/ট্যাপম্যাড