বাংলাদেশ ক্রিকেটে সাকিব আল হাসান এমন এক নাম, যাকে ছাড়া একসময় টাইগারদের একাদশ কল্পনা করা কঠিন ছিল। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শুধু একজন খেলোয়াড় হিসেবেই নয়, বরং দলের মেরুদণ্ড হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ব্যাট হাতে নির্ভরযোগ্যতা, বল হাতে কার্যকারিতা এবং মাঠে তার অভিজ্ঞতা, সব মিলিয়ে তিনি বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার।
সাম্প্রতিক সময়ে বিসিবির বিভিন্ন সিদ্ধান্ত এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ক্রিকেট অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। অনেকেই মনে করছেন, নতুন প্রজন্মকে সুযোগ দিতে গিয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের ভূমিকা কমে যেতে পারে। তবে সাকিব আল হাসানের ক্ষেত্রে বিষয়টি একেবারেই ভিন্ন। কারণ মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন, এখনো তিনি দলের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্ব ক্রিকেটে অলরাউন্ডার হিসেবে তার অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই শীর্ষে। আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে বহুবার তিনি এক নম্বরে অবস্থান করেছেন, যা তার ধারাবাহিকতার প্রমাণ। বড় ম্যাচে দলের প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্ব নেওয়া, চাপের মুহূর্তে ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নেওয়া, এসব গুণ তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য সাকিব একটি বড় অনুপ্রেরণা। তার অভিজ্ঞতা ও মানসিক দৃঢ়তা দলকে এখনো অনেক কিছু দিতে পারে। তাই তাকে নিয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করা জরুরি। কারণ সাকিব আল হাসান যেন-তেন ক্রিকেটার নন, তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটের এক জীবন্ত ইতিহাস।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩




















